৩টি ইসলামীক প্রশ্নোত্তর। মাথা মাসেহ। সালাম।কাজা নামাজ থাকলে তাহাজ্জুদ হব...
আজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন
প্রশ্নের শরীয়ী সমাধান জানব
প্রশ্নের শরীয়ী সমাধান জানব
১। মাথায় ক্লিপ লাগানো থাকলে তার উপর মাথা মাসেহ করলে কি হবে?
উত্তরঃ মাথার ৪ ভাগের ১ ভাগ
মাসেহ করা ফরয, কেহ যদি মাথার চুলে ক্লিপ
লাগিয়ে রাখে তারউপর মাসেহ করে যদি সে মাসেহ মাথার ৪ ভাগের ১ ভাগ বরাবর হয়ে যায় তাহলে
মাথা মাসেহ হয়ে যাবে।
মাসেহ করা ফরয, কেহ যদি মাথার চুলে ক্লিপ
লাগিয়ে রাখে তারউপর মাসেহ করে যদি সে মাসেহ মাথার ৪ ভাগের ১ ভাগ বরাবর হয়ে যায় তাহলে
মাথা মাসেহ হয়ে যাবে।
২।আসসালামু আলাইকুম এর জবাবে শুধু সালাম
বলা যাবে?
বলা যাবে?
জবাবঃ অনেকে বলেন কেহ আসসালামু
আলাইকুম বলে মেসেজ করল তার জবাবে শুধু সালাম বললে সে সালামের ওয়াজিব আদায় হবে না, অথচ সঠিক মাসালা হল আসসালামু আলাইকুম এর জবাবে
ওয়া আলাইকুম সালাম বলা ভাল তবে কেহ যদি শুধু সালাম বলে তাতেও ওয়াজিব আদায় হবে,
যেমন কুরানে আছে ফেরেশতা হযরত ইবরাহিম (আঃ)
এর কাছে আসল তারা ইবরাহিম (আঃ) কে সালাম বলেন আর জবাবে ইবরাহিম (আঃ) ও সালাম বলেন। তেমনি নবী করিম (দঃ) এরশাদ করেন জান্নাতিরা
শুধু সালাম শব্দ দ্বারা সালাম করবেন।
আলাইকুম বলে মেসেজ করল তার জবাবে শুধু সালাম বললে সে সালামের ওয়াজিব আদায় হবে না, অথচ সঠিক মাসালা হল আসসালামু আলাইকুম এর জবাবে
ওয়া আলাইকুম সালাম বলা ভাল তবে কেহ যদি শুধু সালাম বলে তাতেও ওয়াজিব আদায় হবে,
যেমন কুরানে আছে ফেরেশতা হযরত ইবরাহিম (আঃ)
এর কাছে আসল তারা ইবরাহিম (আঃ) কে সালাম বলেন আর জবাবে ইবরাহিম (আঃ) ও সালাম বলেন। তেমনি নবী করিম (দঃ) এরশাদ করেন জান্নাতিরা
শুধু সালাম শব্দ দ্বারা সালাম করবেন।
৩। যার নামাজ কাজা আছে সে কি তাহাজ্জুদ পড়তে পারবে
জবাব- হযরত আবু বকর (রাঃ)
শেষ মুহুর্তে হযরত ওমর (রাঃ) কে অছিয়ত করে বলেন- হে ওমর মানুষ যতক্ষন তার ফরয পুরা
করবে না ততক্ষন তার নফল কবুল হবে না,
শেষ মুহুর্তে হযরত ওমর (রাঃ) কে অছিয়ত করে বলেন- হে ওমর মানুষ যতক্ষন তার ফরয পুরা
করবে না ততক্ষন তার নফল কবুল হবে না,
কবুল হবে না এর মতলব হল জমিন ও আসমানের মাঝে ঝুলে থাকবে সুতরাং যার জিম্মায় কাজা
নামাজ বাকী আছে তার উচিত আগে কাজা নামাজগুলি ক্লিয়ার করে নেয়া, এখন কেহ যদি তাহা্জজুদ নামাজের আকাংখা রাখে
সে শুধু ২ রাকাত তাহাজ্জুদ পড়ে বাকী সময় কাজা নামাজ গুলি পড়া উচিত।
নামাজ বাকী আছে তার উচিত আগে কাজা নামাজগুলি ক্লিয়ার করে নেয়া, এখন কেহ যদি তাহা্জজুদ নামাজের আকাংখা রাখে
সে শুধু ২ রাকাত তাহাজ্জুদ পড়ে বাকী সময় কাজা নামাজ গুলি পড়া উচিত।

কোন মন্তব্য নেই