কবর আযাব। ৬টি কবর আযাবের ঘটনা। Islamic Knowledge about Qabar Azab
কবর আযাবের ৫টি লোমহর্ষক ঘটনা
আত্মিয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার কারনে আযাব- মক্কায়
এক তেলাওয়াতকারী প্রতিদিন রাতে কাবা ঘরের পাশে বসে তেলাওয়াত
করত, এক লোক
তার কিছু আমানত সে তেলাওয়াতকারীকে দিয়ে ইয়েমেনে চলে গেল, সেখান থেকে
এসে শুনে সে তেলাওয়াতকারী মারা গেছে, লোকটি তার পরিবারের লোকদের কাছে তার সে আমানতের কথা জিজ্ঞাসা করলে তারা বলে আমরা জানি না,
এক তেলাওয়াতকারী প্রতিদিন রাতে কাবা ঘরের পাশে বসে তেলাওয়াত
করত, এক লোক
তার কিছু আমানত সে তেলাওয়াতকারীকে দিয়ে ইয়েমেনে চলে গেল, সেখান থেকে
এসে শুনে সে তেলাওয়াতকারী মারা গেছে, লোকটি তার পরিবারের লোকদের কাছে তার সে আমানতের কথা জিজ্ঞাসা করলে তারা বলে আমরা জানি না,
তখন বুযুর্গ
হযরত মালেক বিন দিনারের কাছে ঘটনা বললে মালেক বিন দিনার বলেন তুমি রাত গভির হলে কাবা ঘরের মকামে ইবরাহিমের কাছে বৃহসপতিবার দিবাগত রাতে গিয়ে সে তেলাওযাতকারীর নাম ধরে
ডাক দিবে কেননা প্রতি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত কাবা চত্বরে নেককার
মৃতদের রুহ জমা হয়, যদি তুমি তখন তার নাম ধরে ডাক দাও সে জবাব দিবে, এবং তোমার প্রশ্নের জবাব দিবে, লোকটি
সে মোতাবেক কাজ করল কিন্তু কারো পক্ষ থেকে কোন জবাব মিলল না,
হযরত মালেক বিন দিনারের কাছে ঘটনা বললে মালেক বিন দিনার বলেন তুমি রাত গভির হলে কাবা ঘরের মকামে ইবরাহিমের কাছে বৃহসপতিবার দিবাগত রাতে গিয়ে সে তেলাওযাতকারীর নাম ধরে
ডাক দিবে কেননা প্রতি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত কাবা চত্বরে নেককার
মৃতদের রুহ জমা হয়, যদি তুমি তখন তার নাম ধরে ডাক দাও সে জবাব দিবে, এবং তোমার প্রশ্নের জবাব দিবে, লোকটি
সে মোতাবেক কাজ করল কিন্তু কারো পক্ষ থেকে কোন জবাব মিলল না,
তখন মালেক
বিন দিনার এর কাছে লোকটি আবার গেল বলল মক্কায় সে তেলাওয়াতকারীর কোন জবাব পাইনি, তখন মালেক
বিন দিনার বললেন ইন্নালিল্লাহ! তাহলে সে জান্নাতি নয়, সে আযাবে লিপ্ত তুমি তাকে
ইয়েমেনের বরহুত নামক গর্তের কাছে গিয়ে ডাক দিলে সে জবাব দিবে, লোকটি মালেক বিন দিনারের কথামত ইয়েমেনের বরহুত নামক গর্তের নিকট গিয়ে গভীর রাতে ডাক
দিলেন গর্তের ভিতর থেকে সে তেলাওয়াতকারী লোকটি জবাব দিল আর বলে
দিল তার গচ্ছিত মাল কোথায় রেখেছে,
বিন দিনার এর কাছে লোকটি আবার গেল বলল মক্কায় সে তেলাওয়াতকারীর কোন জবাব পাইনি, তখন মালেক
বিন দিনার বললেন ইন্নালিল্লাহ! তাহলে সে জান্নাতি নয়, সে আযাবে লিপ্ত তুমি তাকে
ইয়েমেনের বরহুত নামক গর্তের কাছে গিয়ে ডাক দিলে সে জবাব দিবে, লোকটি মালেক বিন দিনারের কথামত ইয়েমেনের বরহুত নামক গর্তের নিকট গিয়ে গভীর রাতে ডাক
দিলেন গর্তের ভিতর থেকে সে তেলাওয়াতকারী লোকটি জবাব দিল আর বলে
দিল তার গচ্ছিত মাল কোথায় রেখেছে,
লোকটি সে
তেলাওয়াতকারীকে প্রশ্ন করল তুমিতো এবাদতগুজার তাহলে তোমার আজ এই আযাব কেন? সে জবাব
দিল আমি সম্পদশালী ছিলাম, আমার কোন অভাব ছিল না, এবাদত গুজারও
ছিলাম, নামাজ কালাম সব পালন করতাম কিন্তু আমার
এক গরীব বোন ছিল যে শ্বাশুড়বাড়ীতে স্বামীর ঘরে খুবই অভাব অনটনে কষ্টে
দিনগুজার করত, আমি বিয়ের পর তার আর কোন খোঁজ খবর রাখতাম না, তাঁকে কোস সাহায্য
সহযোগীতাও করতাম না, তাই আমি দুনিয়ায় প্রচুর এবাদত করার পরও আত্মিয়তার সম্পর্ক
যথাযথ বজায় না রাখার কারনে আযাবে লিপ্ত আছি।
তেলাওয়াতকারীকে প্রশ্ন করল তুমিতো এবাদতগুজার তাহলে তোমার আজ এই আযাব কেন? সে জবাব
দিল আমি সম্পদশালী ছিলাম, আমার কোন অভাব ছিল না, এবাদত গুজারও
ছিলাম, নামাজ কালাম সব পালন করতাম কিন্তু আমার
এক গরীব বোন ছিল যে শ্বাশুড়বাড়ীতে স্বামীর ঘরে খুবই অভাব অনটনে কষ্টে
দিনগুজার করত, আমি বিয়ের পর তার আর কোন খোঁজ খবর রাখতাম না, তাঁকে কোস সাহায্য
সহযোগীতাও করতাম না, তাই আমি দুনিয়ায় প্রচুর এবাদত করার পরও আত্মিয়তার সম্পর্ক
যথাযথ বজায় না রাখার কারনে আযাবে লিপ্ত আছি।
যাদের আত্মিয়স্বজন গরিব তাদের উচিত বেশী বেশী তাঁদের খবর নেয়া সাহায্য
সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয়া।
সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয়া।
জানাবাতের গোসল না করার কারনে আযাব- হাফেজ
ইবনে রজব, হায়শম বিন
আদি (রহঃ)
থেকে বর্ণনা করে যে, তারা বলেন
একবার আমরা আমাদের এক প্রতিবেশীর কবর খনন করলাম সেখানে বিড়ালের মত ভয়ংকর ধরনের ১টি কালো অদ্ভুৎ প্রাণি দেখলাম, তাকে কিছুতেই কবর থেকে দুর করতে পারলাম না, ফলে অন্য
১টি কবর খুরলাম সেখানেও একই প্রাণী, তখন আমরা তার স্ত্রীকে মৃতের আমলের ব্যপারে প্রশ্ন করলাম স্ত্রী বলল আমার স্বামী জানাবাতের গোসল করত না, তখন আমরা
বুঝতে পারলাম এটা তার কু আমলের কারনেই কবরে উপস্থিত হচ্ছে, সুতরাং আমরা তাকে সে
কবরেই দাফন করে দিলাম।
ইবনে রজব, হায়শম বিন
আদি (রহঃ)
থেকে বর্ণনা করে যে, তারা বলেন
একবার আমরা আমাদের এক প্রতিবেশীর কবর খনন করলাম সেখানে বিড়ালের মত ভয়ংকর ধরনের ১টি কালো অদ্ভুৎ প্রাণি দেখলাম, তাকে কিছুতেই কবর থেকে দুর করতে পারলাম না, ফলে অন্য
১টি কবর খুরলাম সেখানেও একই প্রাণী, তখন আমরা তার স্ত্রীকে মৃতের আমলের ব্যপারে প্রশ্ন করলাম স্ত্রী বলল আমার স্বামী জানাবাতের গোসল করত না, তখন আমরা
বুঝতে পারলাম এটা তার কু আমলের কারনেই কবরে উপস্থিত হচ্ছে, সুতরাং আমরা তাকে সে
কবরেই দাফন করে দিলাম।
সুন্নতের উপর আমল না করার কারনে আযাব হয়। - ইমাম আউযায়ী এক কাফন চোরের কাছে প্রশ্ন করেন তুমি যখন কাফন চুরি কর মুসলমানের চেহেরা কি সব সময় কেবলার দিকে পাও? কাফন চোর
জবাব দিল কোন কোন মুসলমানের চেহেরা আমি কেবলা থেকে ঘুরানো পাই, তখন ইমাম
আউযায়ী এ কথা হযরত
আবু ইসহাকের কাছে জানালে আবু ইসহাক বলেন নিশ্চয়ই তারা সুন্নতের উপর আমল করত না তাই কবরে তাদের চেহেরা কেবলা থেকে ঘুরে যায়। নাউজুবিল্লাহ, আল্লাহ আমাদেরকে সুন্নতের উপর আমল করার তৌফিক
দান করুন।
জবাব দিল কোন কোন মুসলমানের চেহেরা আমি কেবলা থেকে ঘুরানো পাই, তখন ইমাম
আউযায়ী এ কথা হযরত
আবু ইসহাকের কাছে জানালে আবু ইসহাক বলেন নিশ্চয়ই তারা সুন্নতের উপর আমল করত না তাই কবরে তাদের চেহেরা কেবলা থেকে ঘুরে যায়। নাউজুবিল্লাহ, আল্লাহ আমাদেরকে সুন্নতের উপর আমল করার তৌফিক
দান করুন।
তারগীব নামক কিতাবে ১টি ঘটনা - এক লোকের কবর প্রতিদিন আসরের সময় ফেটে যায় তা থেকে গাধার মত ৩টি আওয়াজ বের হয়, মুলত সে
ছিল মদপানকারী তার মা মদ পানে বাধা দিলে সে গাধার মত মাকে ধমক দিত। একদিন সে আসরের সময় মারা গেল আর সেদিন থেকৈ প্রতিদিন তার কবর আসরের সময় ফেটে যায় আর তা থেকে গাধার মত ৩টি চিৎকার শুনা যায়। পরে কবর আবার বন্ধ হয়ে যায়।
ছিল মদপানকারী তার মা মদ পানে বাধা দিলে সে গাধার মত মাকে ধমক দিত। একদিন সে আসরের সময় মারা গেল আর সেদিন থেকৈ প্রতিদিন তার কবর আসরের সময় ফেটে যায় আর তা থেকে গাধার মত ৩টি চিৎকার শুনা যায়। পরে কবর আবার বন্ধ হয়ে যায়।
নাফরমান স্ত্রীদের আযাব- আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন (আররিজালু কাওয়্যামুনা আলান নিছা) পুরুষগন মহিলাদের উপর হাকিম হবে।
মেরাজের রাতে
মহানবী (দঃ) একদল নারীকে
দেখেণ যাদের মুখ কালো চোখ নীল, আগুনের পোষাক
পরিধান করানো আগুনের লাঠি দ্বারা ফেরেশতারা তাদের পিটাচ্ছে আর তারা গাধার ও কুকুরের মত
চিৎকার করছে। নবীজির প্রশ্নের জবাবে জিবরাইল বলল এরা ঐ সব নারী
যারা স্বামীর নাফরমানি করত।
মহানবী (দঃ) একদল নারীকে
দেখেণ যাদের মুখ কালো চোখ নীল, আগুনের পোষাক
পরিধান করানো আগুনের লাঠি দ্বারা ফেরেশতারা তাদের পিটাচ্ছে আর তারা গাধার ও কুকুরের মত
চিৎকার করছে। নবীজির প্রশ্নের জবাবে জিবরাইল বলল এরা ঐ সব নারী
যারা স্বামীর নাফরমানি করত।
(আররিজালু কাওয়্যামুনা আলান নিছা) আয়াতের শানে নুযুল হল- হযরত যায়েদ
বিন জুহাইর তার
মেয়েকে নিয়ে হুযুরের কাছে মেয়ের জামাইর বিরুদ্ধে অভিযোগ করল যে আমার মেয়েকে জামাই বাবু থাপ্পর মেরেছে, নবীজি বললেন তোমার মেয়েকে বল সেও যেন তার স্বামীকে থাপ্পর মারে, তখন সাথে সাথে এই আয়াত নাজিল হল, তখন নবীজি
তাদের আবার বললেন স্ত্রী স্বামীর বদলা নিক সেটা আল্লাহ পছন্দ করেন না, তাই স্ত্রীদেরকে স্বামীদের ফরমাবরদারী করতে হবে এবং
স্বামীদেরকেও স্ত্রীর হকের ব্যপারে সচেতন থাকতে হবে। তাই
বিন জুহাইর তার
মেয়েকে নিয়ে হুযুরের কাছে মেয়ের জামাইর বিরুদ্ধে অভিযোগ করল যে আমার মেয়েকে জামাই বাবু থাপ্পর মেরেছে, নবীজি বললেন তোমার মেয়েকে বল সেও যেন তার স্বামীকে থাপ্পর মারে, তখন সাথে সাথে এই আয়াত নাজিল হল, তখন নবীজি
তাদের আবার বললেন স্ত্রী স্বামীর বদলা নিক সেটা আল্লাহ পছন্দ করেন না, তাই স্ত্রীদেরকে স্বামীদের ফরমাবরদারী করতে হবে এবং
স্বামীদেরকেও স্ত্রীর হকের ব্যপারে সচেতন থাকতে হবে। তাই
৬। জাকাত
না দেয়ার আযাবঃ আল্লামা ইবনে হাজার মক্কী (রহঃ) স্বী য়
কিতাব জাওয়াজেরে বর্ননা করেন- তাবেয়ীনদের একটি দল তৎকালীন সময়ে এক বুজুর্গ হযরত আবু সিনান (রহঃ) এর সাথে
সাক্ষাতের জন্য গেলেন। আবু সিনান বলেন আমার এক প্রতিবেশী ইন্তেকাল করেছেন তাঁর পরিবারকে সান্তনা দিতে যাচ্ছি, তাবেয়ীনগন বললেন আমরাও আপনার সাথে যাব, আবু সিনানের
সাথে তাবেয়ীনগনও গেলেন, সেখানে গেলে মৃত ব্যক্তির ভাই আবু সিনানকে বলেন হুযুর আমার ভায়ের কবরে আযাব হচ্ছে, আমার ভাইকে দাফন করার পর যখন সকলে ফিরে যায় আমি কবরের পারে দোয়া করছিলাম, তখন শুনতে পেলাম হায় আফসুস হায় আফসুস বলে কবর থেকে আওয়াজ ভেসে আসছে, তখন আমি কবরের মাটি সরালাম দেখি আমার ভায়ের গলায় একটি আগুনের বেড়ি পরিয়ে দেয়া হয়েছে, আমি সে আগুনের বেরি সরাতে চাইলে আমার হাত জ্বলে যায়, তখন আমি
কবরে মাটি ঝাপিয়ে ভয়ে চলে আসি। তখন আবু সিনান প্রশ্ন করেন তোমার ভায়ের আমল কি ছিল? লোকটি বলেন
আমার ভাই নামাজ রোজা করত কিন্তু জাকাত দিত না। এ কথা শুনে
আবু সিনান সুরা আল ইমরানের এ আয়াত তেলাওয়াত
করলেন
না দেয়ার আযাবঃ আল্লামা ইবনে হাজার মক্কী (রহঃ) স্বী য়
কিতাব জাওয়াজেরে বর্ননা করেন- তাবেয়ীনদের একটি দল তৎকালীন সময়ে এক বুজুর্গ হযরত আবু সিনান (রহঃ) এর সাথে
সাক্ষাতের জন্য গেলেন। আবু সিনান বলেন আমার এক প্রতিবেশী ইন্তেকাল করেছেন তাঁর পরিবারকে সান্তনা দিতে যাচ্ছি, তাবেয়ীনগন বললেন আমরাও আপনার সাথে যাব, আবু সিনানের
সাথে তাবেয়ীনগনও গেলেন, সেখানে গেলে মৃত ব্যক্তির ভাই আবু সিনানকে বলেন হুযুর আমার ভায়ের কবরে আযাব হচ্ছে, আমার ভাইকে দাফন করার পর যখন সকলে ফিরে যায় আমি কবরের পারে দোয়া করছিলাম, তখন শুনতে পেলাম হায় আফসুস হায় আফসুস বলে কবর থেকে আওয়াজ ভেসে আসছে, তখন আমি কবরের মাটি সরালাম দেখি আমার ভায়ের গলায় একটি আগুনের বেড়ি পরিয়ে দেয়া হয়েছে, আমি সে আগুনের বেরি সরাতে চাইলে আমার হাত জ্বলে যায়, তখন আমি
কবরে মাটি ঝাপিয়ে ভয়ে চলে আসি। তখন আবু সিনান প্রশ্ন করেন তোমার ভায়ের আমল কি ছিল? লোকটি বলেন
আমার ভাই নামাজ রোজা করত কিন্তু জাকাত দিত না। এ কথা শুনে
আবু সিনান সুরা আল ইমরানের এ আয়াত তেলাওয়াত
করলেন
(ওয়ালা এয়াহছাবান্নাল্লাজিনা এয়াবখালুনা বিমা আতাহুমুল্লাহু মিন ফাদলিহি হুয়া খাইরুল্লাহুম বাল হুয়া শাররুল্লাহুম)
অর্থ্যাৎ- আল্লাহ
তাদেরকে নিজের অনুগ্রতে যা দান করেছেন তাতে যারা কৃপনতা করে এই কাপর্ন্য তাদের জন্য সাফল্যজনক হবে বলে তারা যেন ধারনা না করে, বরং এটা
তাদের পক্ষে একান্তই ক্ষতিকর প্রতিপন্ন হবে।
তাদেরকে নিজের অনুগ্রতে যা দান করেছেন তাতে যারা কৃপনতা করে এই কাপর্ন্য তাদের জন্য সাফল্যজনক হবে বলে তারা যেন ধারনা না করে, বরং এটা
তাদের পক্ষে একান্তই ক্ষতিকর প্রতিপন্ন হবে।

surah maun bangla ar onubad soho dakhun
উত্তরমুছুনhttps://youtu.be/Akf7ioadgzI