জায়নামাজে সিজদা করার বিধান



















বুখারী
শরীফ এবারের পরিচ্ছেদ হল নামাজে সিজদার জায়গায় কাপড় বিছানোর পরিচ্ছেদ
হাদীস নাম্বার হল ১২০৮, হযরত আনাস বিন
মালেক (রাঃ) এ হাদীসের বণনাকারী তিনি বলেন আমরা নবী করিম (দঃ) এর সাথে প্রচন্ড
গরমে নামাজ পড়তাম, যখন আমরা আমাদের কারো চেহেরা জমিনে রাখতে না পারতাম তখন নিজের
কাপড় জমিনে বিছিয়ে সে কাপড়ের উপর সিজদা করতাম।
অথ্যাৎ তখন জামা ছিল খুব ঢিলা ঢালা আর
জামার হাতা বা আস্তীন ছিল বড় বড় আর সে আস্তিন বিছিয়ে গরমের সময় সাহাবায়ে কেরাম
সিজদা করে নিতেন। আমাদের নবী করিম (দঃ) ও সাহাবায়ে কেরাম খুবই সাদাসিদা জিন্দেগী
যাপন করত তারা বেশীরভাগই জমিনের উপর সিজদা করত, বতমান জামানার মত তেমন জায়নামাজ,
কাপেট এসব ছিল না তাই সে সুন্নতকে আদায় করার জন্য কখনো কখনো আমাদেরও সরাসরি জমিনে
সিজদা করা উচিত। এর ফলে নম্রতা আসে। যখন মসজিদে গেলেন সেখানে সামান্য ধুলাবালি
থাকলেও তাতে সিজদা করতে দিধাদ্বন্দ করা উচিত নয়, মাটি যদিও কপালে লেগে যায় তাতে
যদি রিয়ার সম্ভাবনা আসে তাহলে তা নামাজ শেষে কপাল থেকে মুছে ফেলতে পারবেন। তেমনি
ভাবে যদি ঈদগাহে নামাজ পড়তে গেলেন সেখানে যদি পরিস্কার জমিন হয় তাহলে চেষ্টা করুন
সোজা জমিনে সিজদা করার। তবে এ হাদীস থেকে এটাও প্রমানিত হল যদি কেহ কাপড় বিছিয়ে
তার উপর সিজদা করে তাও নিষেধ নাই, বরং জায়েজ, যারা মক্কা মদিনায় হজ্ব কিংবা ওমরায়
যান তারা দেখবেন সেখানে কি গরম আর এমন গরমে জমিনের উপর সিজদা করাটা খুবই কষ্ট
সাধ্য তাই এ ধরনের পরিস্থিতিতে কাপড় বিছিয়ে কিংবা জায়নামাজ বিছিয়ে তাতে নামাজ পড়াটা
জায়েজ আছে। তবে কখনো কখনো সোজা জমিনে সিজদা করার চেষ্টা করুন।



কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.