গোঁফ কাটার সুন্নত নিয়ম। গোঁফ রাখার বিধান।
গোঁফ কাটার সুন্নত নিয়ম। গোঁফ রাখার বিধান।
জনাব ফারুক সাহেব প্রশ্ন করেছেন
মুচ বা গোঁফ কাটার সুন্নত তরিকা
কি? প্রতিদিন কাটতে হবে? নাকি জুমার দিন কাটতে হবে? ছাটতে হবে নাকি মুন্ডাতে হবে?
কি? প্রতিদিন কাটতে হবে? নাকি জুমার দিন কাটতে হবে? ছাটতে হবে নাকি মুন্ডাতে হবে?
হাদিসে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা দাড়ি লম্বা করো, মোচ খাটো করো।’ –সহিহ বোখারি: ৫৮৯৩
কোনো
কোনো বর্ণনামতে রাসুল (সা.) গোঁফ রাখতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। হজরত জায়েদ ইবনে আরকাম
(রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি গোঁফ না ছাঁটে
সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। (নাসায়ি, হাদিস : ১৩)
কোনো বর্ণনামতে রাসুল (সা.) গোঁফ রাখতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। হজরত জায়েদ ইবনে আরকাম
(রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি গোঁফ না ছাঁটে
সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। (নাসায়ি, হাদিস : ১৩)
তাই কোনো
মুসলমানের জন্য ফ্যাশন করার উদ্দেশ্যেও গোঁফ রাখা উচিত নয়। বলা যায় গুঁড়ি গুঁড়ি করে
গোঁফ কেটে ফেলাই মুসলিমের চিহ্ন। এটা রাসুল (সা.) এর সুন্নত। শুধু তা-ই নয়, গোঁফ কাটার
সর্বোচ্চ সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন রাসুল (সা.)।
মুসলমানের জন্য ফ্যাশন করার উদ্দেশ্যেও গোঁফ রাখা উচিত নয়। বলা যায় গুঁড়ি গুঁড়ি করে
গোঁফ কেটে ফেলাই মুসলিমের চিহ্ন। এটা রাসুল (সা.) এর সুন্নত। শুধু তা-ই নয়, গোঁফ কাটার
সর্বোচ্চ সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন রাসুল (সা.)।
মনে রাখবেন গোফঁ যখন আপনার
সুযোগ হয় তখন কেটে নিবেন, মুসলিম শরীফের ২৬১ নং হাদীসে এসেছে আয়েশা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত
রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘দশটি বিষয় হ’ল স্বভাবের অন্তর্ভুক্ত। তার মধ্যে গোঁফ ছাঁটা অন্যতম’
সুযোগ হয় তখন কেটে নিবেন, মুসলিম শরীফের ২৬১ নং হাদীসে এসেছে আয়েশা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত
রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘দশটি বিষয় হ’ল স্বভাবের অন্তর্ভুক্ত। তার মধ্যে গোঁফ ছাঁটা অন্যতম’
আর মুসলিম শরীফের ২৫৮ নং হাদীস
দ্বারা জানা যায়
দ্বারা জানা যায়
চল্লিশ দিনের অধিক গোঁফ না
ছেঁটে রাখা যাবে না। তাই ৪০ দিনের ভিতর গোঁফ ছেটে ফেলতে হবে। তবে প্রতি সপ্তাহে ১ বার
ছাটতে পারেন নতুবা ১৫ দিনে অথবা ২১ দিনে কিংবা ১ মাসে একবার গোঁফ ছেটে ফেলা উচিত। মোট
কথা ৪০ দিনের অধিক যেন না হয়,
ছেঁটে রাখা যাবে না। তাই ৪০ দিনের ভিতর গোঁফ ছেটে ফেলতে হবে। তবে প্রতি সপ্তাহে ১ বার
ছাটতে পারেন নতুবা ১৫ দিনে অথবা ২১ দিনে কিংবা ১ মাসে একবার গোঁফ ছেটে ফেলা উচিত। মোট
কথা ৪০ দিনের অধিক যেন না হয়,
কারণ
এর বেশি সময় ধরে গোঁফ বড় করা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। গোঁফের মাধ্যমে মানুষের শরীরে রোগ-জীবাণু
ব্যাকটেরিয়া প্রবেশের বেশি আশঙ্কা থাকে। এতে লেগে থাকা ধুলো-বালি, ঘাম ইত্যাদি খাবারের
সঙ্গে মিশে পাকস্থলীতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের রোগ-জীবাণুর সৃষ্টি করতে পারে। তাই কোনোভাবেই
গোঁফ লম্বা করা উচিত নয়।
এর বেশি সময় ধরে গোঁফ বড় করা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। গোঁফের মাধ্যমে মানুষের শরীরে রোগ-জীবাণু
ব্যাকটেরিয়া প্রবেশের বেশি আশঙ্কা থাকে। এতে লেগে থাকা ধুলো-বালি, ঘাম ইত্যাদি খাবারের
সঙ্গে মিশে পাকস্থলীতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের রোগ-জীবাণুর সৃষ্টি করতে পারে। তাই কোনোভাবেই
গোঁফ লম্বা করা উচিত নয়।
অনেকে
মনে করেন, গোঁফ স্পর্শ করা পানি পান করা হারাম। এ কথাটির কোনো ভিত্তি নেই।
মনে করেন, গোঁফ স্পর্শ করা পানি পান করা হারাম। এ কথাটির কোনো ভিত্তি নেই।
গোঁফ এমনভাবে ছাঁটতে হবে যেন ঠোঁট পরিষ্কারভাবে দেখা
যায়।
যায়।
তবে ওলামাদের ১টি দল গোঁফকে
একেবারে মুন্ডন করার পক্ষে মত দিয়েছেন, আর ১টি দল গোঁফ মুন্ডন না করে ছেটে ফেলার পক্ষে
মত দিয়েছেন।
একেবারে মুন্ডন করার পক্ষে মত দিয়েছেন, আর ১টি দল গোঁফ মুন্ডন না করে ছেটে ফেলার পক্ষে
মত দিয়েছেন।
তবে আপনি যদি মুন্ডিয়ে ফেলেন
তাও ঠিক আছে আর যদি না মুন্ডিয়ে কেটে ছোট করে ফেলেন তাও ঠিক আছে। তবে গোঁফ লম্বা যেন
না হয়।
তাও ঠিক আছে আর যদি না মুন্ডিয়ে কেটে ছোট করে ফেলেন তাও ঠিক আছে। তবে গোঁফ লম্বা যেন
না হয়।

কোন মন্তব্য নেই