বেয়াই বাড়ী থেকে দেয়া পশু দিয়ে কুরবানী জায়েজ নাকি হারাম?
বেয়াই বাড়ীতে পশু দেয়া নেয়া
আমাদের দেশে বিশেষ করে চট্টগ্রামে একটি রেওয়াজ
আছে কুরবানী আসলে মেয়ের শশুড় বাড়ীতে পশু দিতে হবে, এখন ধনী বাবা তার মেয়ের জন্য স্বইচ্ছায়
কোন ধরনের প্ররোচনা ছাড়া, কোন ধরনের পেরেশানি ছাড়া, ভালো সামর্থ আছে এমন লোক তাঁর মেয়ের
জন্য হাদীয়া তোহফা হিসেবে কিছু দিতেই পারে, কিন্তু এই দেয়াটা কিন্তু অন্য একজন যিনি
দরিদ্র পিতা তার জন্য অনেক বড় পেরেশানীর কারন হয়ে থাকে, তাই এই রছম আমাদের সমাজ থেকে দুর হওয়া উচিত। এমন রছম চালু করা
যা অন্যের পেরেশানী ও দুঃখের কারন হয় তা পাপ, তেমনি কেহ যদি এমন পাপ কাজের জন্য চাপাচাপি
করে যেমন অনেকে নানান ভাবে চাপ সৃষ্টি করে যে কুরবানীর সময় গরুদিতে হবে, ছাগল দিতে
হবে, এসব বলা আরো বড় পাপ। তাই ধনীরা সামর্থ থাকা সত্বেও এ কাজটি থেকে বিরত থাকতে হবে
সমাজের গরীব বাবাদের কল্যানে।
আছে কুরবানী আসলে মেয়ের শশুড় বাড়ীতে পশু দিতে হবে, এখন ধনী বাবা তার মেয়ের জন্য স্বইচ্ছায়
কোন ধরনের প্ররোচনা ছাড়া, কোন ধরনের পেরেশানি ছাড়া, ভালো সামর্থ আছে এমন লোক তাঁর মেয়ের
জন্য হাদীয়া তোহফা হিসেবে কিছু দিতেই পারে, কিন্তু এই দেয়াটা কিন্তু অন্য একজন যিনি
দরিদ্র পিতা তার জন্য অনেক বড় পেরেশানীর কারন হয়ে থাকে, তাই এই রছম আমাদের সমাজ থেকে দুর হওয়া উচিত। এমন রছম চালু করা
যা অন্যের পেরেশানী ও দুঃখের কারন হয় তা পাপ, তেমনি কেহ যদি এমন পাপ কাজের জন্য চাপাচাপি
করে যেমন অনেকে নানান ভাবে চাপ সৃষ্টি করে যে কুরবানীর সময় গরুদিতে হবে, ছাগল দিতে
হবে, এসব বলা আরো বড় পাপ। তাই ধনীরা সামর্থ থাকা সত্বেও এ কাজটি থেকে বিরত থাকতে হবে
সমাজের গরীব বাবাদের কল্যানে।
এবার আসুন মাসায়ালা জানা যাক:
মেয়ের বাবার বাড়ী থেকে যদি স্বইচছায়
খুশীতে পশু দেয় সে পশু দিয়ে যদি কুরবানী করে কুরবানী হবে কিনা?
খুশীতে পশু দেয় সে পশু দিয়ে যদি কুরবানী করে কুরবানী হবে কিনা?
মনে রাখবেন একটি হল তাকওয়া অন্যটি হল ফতওয়া, তাকওয়া
হল নিজে টাকা খরচ করে আল্লাহর রাস্তায় কুরবানী দেয়া এতেই বেশী নেকী, আর ফতোয়া হল যদি
কেহ মেয়ের বাবার বাড়ী থেকে যে পশু দিয়েছে তা দিয়ে কুরবানী করে তাতেও কুরবানী আদায় হয়ে
যাবে, কারন সে পশুটি মুলত উপহার হিসেবে দেয়া হয়েছে আর সে উপহার যখন ছেলে গ্রহণ করে
নিল িএখন সেটি তার মালিকানায় চলে আসল এখন সেটি যদি সে চায় বিক্রী করতে পারে, চাইলে
সে জবেহ করে মানুষকে খাইয়ে দিতে পারে অথবা চাইলে সে এ পশু দিয়ে কুরবানীও করতে পারে।
হল নিজে টাকা খরচ করে আল্লাহর রাস্তায় কুরবানী দেয়া এতেই বেশী নেকী, আর ফতোয়া হল যদি
কেহ মেয়ের বাবার বাড়ী থেকে যে পশু দিয়েছে তা দিয়ে কুরবানী করে তাতেও কুরবানী আদায় হয়ে
যাবে, কারন সে পশুটি মুলত উপহার হিসেবে দেয়া হয়েছে আর সে উপহার যখন ছেলে গ্রহণ করে
নিল িএখন সেটি তার মালিকানায় চলে আসল এখন সেটি যদি সে চায় বিক্রী করতে পারে, চাইলে
সে জবেহ করে মানুষকে খাইয়ে দিতে পারে অথবা চাইলে সে এ পশু দিয়ে কুরবানীও করতে পারে।

কোন মন্তব্য নেই