কুরবানীর মাসে কুরবানীর আগে ফজিলতে ভরপুর ৬টি দোয়া জিকির ও তাকবীর।







জিলহজ্বের
১-১০ তারিখের তাকবীরের ফজিলত
আমরা সাধারনত
৯-১৩ তারিখ তাকবীর বলি যা নির্ধারিত প্রত্যেক ফরয নামাজের পর পড়তে হয়, অথচ হাদীস শরীফে
জিলহজ্ব মাসের ১ তারিখ থেকে সব সময় তকবীর বলার গুরুত্বারুপ করা হয়েছে। যেমন মসনদে আহমদের
২য় খন্ডে ৭৫ নং হাদীস বিশ্বনবী (দঃ) এরশাদ করেন অন্যান্য দিনের তুলনায় জিলহজ্ব মাসের
নেক আমল আল্লাহর কাছে বেশী মর্যাদাবান সুতরাং তোমরা এ দিনসমুহে বেশী বেশী আল্লাহর একত্ববাদ
বয়ান কর, আল্লাহর বড়ত্ব বয়ান কর এবং আল্লাহ হামদ বয়ান কর।

সাহাবাদের
তাকবীর পড়া
বুখারীর
হাদীস নং- ৯৬৯
হযরত আবদুল্লাহ
বিন ওমর (রাঃ) ও আবু হুরায়রা (রাঃ) জিলহজ্ব মাসের ১-১০ তারিখ বাজারে যাওয়ার সময়ও উচ্চস্বরে
তাকবীর পড়ত।

জিলহজ্ব মাসের জিকির/তাকবীর
আমরা সাধারণত
৯ তারিখের ফযর থেকে ১৩ তারিখের আছর পর্যন্ত তাকবীর পাঠ করি যা সকলেই আমল করি যা মুসান্নাফ
ইবনে আবি শায়বা ৪থ খন্ডের ১৯৪ নং হাদীসে বর্ণিত রয়েছে  যেমন তাকবীর (আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা
ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ) এ তাকবীর সব সময় হাটতে
বসতে পাঠ করতে পারেন,

আরো একটি তাকবীর-
(আল্লাহু আকবার কাবিরা ওয়ালহামদুলিল্লাহে কাছিরা ওয়া ছুবহানাল্লাহে বুকরাতাও ওয়া আছিলা)
ফতহুল বারীতে
রয়েছে  (আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু
আকবার কাবিরা আল্লাহু আকবার)
অথবা (সুবহানাল্লাহে
ওয়ালহামদুলিল্লাহে ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ)
আরাফার দিনের দুয়াঃ 


ইখলাছ  বিশ্বাসের সাথে  দিনে নিম্নোক্ত কালিমাটি বেশী বেশী পড়া উচিত। নবীজীআরাফার দিন  কালিমাটি খুব বেশী পড়তেন। (মুসনাদে আহমাদঃ ৬৯২২ )

لَا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ
وَلَهُ الْحَمْدُ بِيَدِهِ الْخَيْرُ وَهُوَ عَلٰى كُلَّ شَيْئٍ قَدِيْرٍ


বাংলা উচ্চারণঃ  লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহুওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মূলকু ওয়া লাহুলহামদুবিয়াদিহিল খাইরু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্কদির

কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.