মহানবী (দঃ) হযরত জুবেরিয়াকে ১টি ওয়াজিফা দিলেন।দোয়া।আমল। ওয়াজিফা।







বিশ্বনবী জুবেরিয়াকে ছোট দোয়া
শিখাল শুনে আপনার অন্তর খুশী হয়ে যাবে। কম সময়ে বেশী সাওয়াব হাছিলের দোয়া।
7.JPG
আল্লাহর হাবিব উম্মতে মুহাম্মদীকে বেছাহারা ছেড়ে যাননি, তিনি সব কিছুর
এন্তেজাম করে গেছেন, যদি আমার উম্মতের কোন প্রয়োজন হয়, সে যেন এ মসনুন দোয়া পড়ে, তাতে
তার সকল মশকিল কাজ ঠিক হয়ে যাবে, আটকে থাকা কাজ সহজ হয়ে যাবে, সব কিছু নবী (আঃ)
আমাদেরকে বলে গেছেন, যে সব মসনুন দোয়া আছে তার কি কি উপকারিতা আছে তা আমাদের জানা
খুবই
6.JPGজরুরী।

আমরা চাই এমন সব আমল যা করতে সময়ও কম লাগে কিন্তু তার
প্রতিদান ফলাফল অনেক অনেক বেশী পাওয়া যায, যেমন মনযোগ দিয়ে শুনুন মুসলিম শরীফের
হাদীস- নবী (আঃ) একদিন ফজরের নামাজের জন্য মসজিদে যাচিছলেন হুযুরের স্ত্রী জুবেরিয়া
বিনতুল হারেছ (ইনি বনু মুছত্বালিক সর্দার হারেছ বিন আবু যাররাবের কন্যা ছিলেন।
যুদ্ধে বন্দী হয়ে রাসূল (ছাঃ)-এরসাথে বিবাহিতা হন, মহানবীর সাথে ৬ বছর
দাম্পত্যকাল ছিল ৫৬ হি সনে ৭১ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন) এই জুবেরিয়া তখন
জায়নামাজে বসা ছিলেন,
27.jpg
হুযুর (দঃ) মসজিদে গিয়ে ফজরের নামাজ পড়ালেন আর
হুযুরের অভ্যাস ছিল তিনি নামাজের পর বসতেন সাহাবাদের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করতেন,
28.jpg
 সেদিনও হুযুর
(দঃ) মসজিদে ফজরের নামাজের পর সাহাবীদের সাথে কিছু সময় কাটালেন এপর সুর্য উদিত হয়ে
গেলে এশরাকের নামাজও পড়লেন, এশরাকের নামাজ পড়ে নবী (আঃ) যখন ঘরে তশরীফ নিয়ে আসলেন
দেখলেন হযরত জুবেরিয়া (রাঃ) তখনও জায়নামাজে বসে বসে তসবীহ পড়ছিলেন,
27.jpg
 নবী (আঃ)
জিজ্ঞেস করল জুবেরিয়া আমি যে অবস্থায় রেখে গেছি সে অবস্থায়ই রয়ে গেছ? কারন কি?
জুবেরিয়া জবাব দিল এয়া রাসুলাল্লাহ (দঃ) আমি আল্লাহর জিকির করছিলাম,
22.jpg
তখন নবী (আঃ) ফরমালেন জুবেরিয়া আমি তোমাকে ১টি কলমা
শিখিয়ে দিচ্ছি তা তুমি ৩ বার পড়ে নাও তোমার ফজর থেকে এশরাকের ওয়াক্ত পর্যন্ত
এবাদতের সাওয়াব অর্জিত হয়ে যাবে,
(এখানে একটু চিন্তা করুন ফজর থেকে এশরাক পর্যন্ত প্রায় ২ ঘন্টা সময়, আর এ ২
ঘন্টা এবাদতের সাওয়াব আপনি হাছিল করতে পারবেন মাত্র কয়েক সেকেন্ডে,)
দোয়াটি হল
25.JPG
(সুবহানাল্লাহে ওয়া বিহামদিহি, আদাদা খালকিহি, ওয়ারেদা নাফসিহি, ওয়াজিনাতা
আরশিহি, ওয়া মিদাদা কালিমাতিহি)
অর্থ্যাৎ-সকল পবিত্রতা বর্ণনা করছি আল্লাহর, প্রসংশা করছি তার মাখলুকের সংখ্যা
বরাবর, তার জাতের রেজামন্দি বরাবর, তার আরশের ওজন এবং তার কালামের কালির বরাবর)
25.JPG
এ ছোট দোয়াটি মুখস্থ করে যদি সকলে ৩ বার পাঠ করা যায় তাহলে ফজর থেকে ইশরাকের
সময় পর্যন্ত ২/৩ ঘন্টা সময় ধরে যে জিকির ও এবাদত করা হবে সে পরিমান সাওয়াব কয়েক
সেকেন্ড এর মধ্যে হাছিল করা সম্ভব।
ইনভেষ্টমেন্ট কম প্রফিট বেশী।




আমাদের এ চ্যানেলে বিভিন্ন দোয়া
আমল ওয়াজিফা সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করা হয়, আপনার যদি ভাল লাগে লাইক
দিবেন আর বন্ধুদের কাছে শেয়ার করবেন।

কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.