পাক পাঞ্জাতন কি। আহলে বায়াত। রাসুলে পাক বলা। হুযুর পাক বলা। কোরান হাদীসে...
রাসুলে পাক হুযুর পাক বলা শিরিক?
রাসুলে পাক শব্দটি নাকি ফার্সি
থেকে এসেছে। অথচ আমরা যদি দেখি এটি উর্দুতেও ব্যবহৃত হয় এবং উর্দু থেকে আমাদের বাংলা
ভাষাতেও এর বহুল ব্যবহার দেখা যায়, যেমন পাকিস্তান নামের মধ্যেও পাক আছে যা উর্দু।
তেমনি আমরা নামাজের ফরয শিখেছি তাতে আমরা কি শিখেছি? শরীর পাক, জায়গা পাক, কাপড় পাক
এখানে পাক অথ হল পবিত্র। তেমনি আমরা বলি কুরানে পাক। আর আরবীতে পাক শব্দটি কয়েকটি শব্দ
দ্বারা বুঝা যায় যেমন তাহারাত, নাজিফুন, মুকাদ্দাস ইত্যাদি।
থেকে এসেছে। অথচ আমরা যদি দেখি এটি উর্দুতেও ব্যবহৃত হয় এবং উর্দু থেকে আমাদের বাংলা
ভাষাতেও এর বহুল ব্যবহার দেখা যায়, যেমন পাকিস্তান নামের মধ্যেও পাক আছে যা উর্দু।
তেমনি আমরা নামাজের ফরয শিখেছি তাতে আমরা কি শিখেছি? শরীর পাক, জায়গা পাক, কাপড় পাক
এখানে পাক অথ হল পবিত্র। তেমনি আমরা বলি কুরানে পাক। আর আরবীতে পাক শব্দটি কয়েকটি শব্দ
দ্বারা বুঝা যায় যেমন তাহারাত, নাজিফুন, মুকাদ্দাস ইত্যাদি।
এখন নবীজিও পাক উনার আহলে বায়তও
পাক সেটা কোন মানুষের তৈরী শব্দ না কিংবা ফার্সি থেকে আমদানি কিংবা শিয়া সম্প্রদায়ের
আবিস্কৃতি কোন শব্দ নয় বরং এটি আল্লাহ তায়ালার ঘোষিত পবিত্র কোরানের সুরা আহযাবের
৩৩ নং আয়াতে বর্ণিত শব্দ -
পাক সেটা কোন মানুষের তৈরী শব্দ না কিংবা ফার্সি থেকে আমদানি কিংবা শিয়া সম্প্রদায়ের
আবিস্কৃতি কোন শব্দ নয় বরং এটি আল্লাহ তায়ালার ঘোষিত পবিত্র কোরানের সুরা আহযাবের
৩৩ নং আয়াতে বর্ণিত শব্দ -
إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ
وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
আল্লাহ কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং
তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতে।
তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতে।
এ আয়াতে আল্লাহ তায়ালা আহলে বায়তকে পূর্ণরূপে
পূত পবিত্র রাখার ঘোষনা দিয়েছেন, সেখানে দুনিয়ার কোন লোক যদি পাক শব্দ বলাকে শিরিক
বলে সেটা হবে মুর্খতার শামিল। আর এসব মুর্খদের কথায় যারা মাতাল হয়ে যান তারাও
মুর্খতার পরিচয় দিবেন।
পূত পবিত্র রাখার ঘোষনা দিয়েছেন, সেখানে দুনিয়ার কোন লোক যদি পাক শব্দ বলাকে শিরিক
বলে সেটা হবে মুর্খতার শামিল। আর এসব মুর্খদের কথায় যারা মাতাল হয়ে যান তারাও
মুর্খতার পরিচয় দিবেন।
মুল কথা হল আরবী শব্দ হল তাতহির, যার
বাংলা হল পূত পবিত্র আর উর্দু হল পাক। সুতরাং আমরা হুযুর পাক, কুরানে পাক, রাসুলে পাক,
পাক আহলে বায়ত যদি বলি তা মুলতঃ আল্লাহরই ভাষা।
বাংলা হল পূত পবিত্র আর উর্দু হল পাক। সুতরাং আমরা হুযুর পাক, কুরানে পাক, রাসুলে পাক,
পাক আহলে বায়ত যদি বলি তা মুলতঃ আল্লাহরই ভাষা।
আহলে বায়ত হলেন হুযুর পাক (দঃ) এর
স্ত্রীগন যা কোরান দ্বারা প্রমাণিত এবং মহানবী, হযরত আলী, হযরত ফাতেমা, ইমাম হাসান,
ইমাম হোসাইন ৫ জন যা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।
স্ত্রীগন যা কোরান দ্বারা প্রমাণিত এবং মহানবী, হযরত আলী, হযরত ফাতেমা, ইমাম হাসান,
ইমাম হোসাইন ৫ জন যা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।
কোরআনের সুরা আহযাবের ৩৩ নং আয়াত টিকে
পবিত্রতার আয়াত বা আয়াতে তাতহির বলে। বিখ্যাত তাফসিরকার
জালালুদ্দিন সয়ূতি তাঁর সুপ্রসিদ্ধ তাফসীর গ্রন্থ দুররে মানসুরে উম্মে সালমা সনদে
তাবারানী’র বর্ণনা দিয়ে বলেছেন-
রাসুলুল্লাহ (দঃ) তাঁর প্রিয় কন্যা ফাতিমাকে একদা তাঁর স্বামী ও তাঁর ২ ছেলে হাসান
ও হুসাইনকে ডাকতে বললেন। তাঁরা যখন এলেন রাসুল (সাঃ) তাঁদেরকে ফাদাকের (মদিনার
উপকণ্ঠে) ১খানা চাদর দিয়ে ঢেকে দিলেন এবং
পবিত্রতার আয়াত বা আয়াতে তাতহির বলে। বিখ্যাত তাফসিরকার
জালালুদ্দিন সয়ূতি তাঁর সুপ্রসিদ্ধ তাফসীর গ্রন্থ দুররে মানসুরে উম্মে সালমা সনদে
তাবারানী’র বর্ণনা দিয়ে বলেছেন-
রাসুলুল্লাহ (দঃ) তাঁর প্রিয় কন্যা ফাতিমাকে একদা তাঁর স্বামী ও তাঁর ২ ছেলে হাসান
ও হুসাইনকে ডাকতে বললেন। তাঁরা যখন এলেন রাসুল (সাঃ) তাঁদেরকে ফাদাকের (মদিনার
উপকণ্ঠে) ১খানা চাদর দিয়ে ঢেকে দিলেন এবং
তাঁদের উপর তাঁর পবিত্র হাত রেখে দোয়া করলেনঃ হে আল্লাহ
এরাই হচ্ছে আলে মুহাম্মদ
এরাই হচ্ছে আলে মুহাম্মদ
যেমন আমরা দরুদ শরীফ পড়ি
(আল্লাহুম্মা ছাল্লে আলা মুহাম্মদ ওয়ালা আলে মুহাম্মদ)
অতএব মুনাফিক, বেদ্বীন
ছাড়া কোন ঈমানদারের অন্তরে আলে বায়তের প্রতি ঘৃণা থাকতে পারে না, যারা আলে বায়তের প্রতি
সম্মান কি হওয়া উচিত তা প্রচার না করে আলে বায়তের প্রতি মানুষের অন্তরে বিদ্বেষ সৃষ্টির
কাজে লিপ্ত, তারা আর যাই হউক একজন মুসলমান হিসেবে আপনার আমার কল্যানকারী নয়। কারন আহলে
বায়তের প্রতি ভালবাসায়ই হল আমাদের জন্য কল্যানের যেমন আল্লাহ তায়ালা সুরা শুরার ২৩ নং আয়াতে
এরশাদ করেন
ছাড়া কোন ঈমানদারের অন্তরে আলে বায়তের প্রতি ঘৃণা থাকতে পারে না, যারা আলে বায়তের প্রতি
সম্মান কি হওয়া উচিত তা প্রচার না করে আলে বায়তের প্রতি মানুষের অন্তরে বিদ্বেষ সৃষ্টির
কাজে লিপ্ত, তারা আর যাই হউক একজন মুসলমান হিসেবে আপনার আমার কল্যানকারী নয়। কারন আহলে
বায়তের প্রতি ভালবাসায়ই হল আমাদের জন্য কল্যানের যেমন আল্লাহ তায়ালা সুরা শুরার ২৩ নং আয়াতে
এরশাদ করেন
قُل لَّا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ
أَجْرًا إِلَّا الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْبَى وَمَن يَقْتَرِفْ حَسَنَةً نَّزِدْ
لَهُ فِيهَا حُسْنًا إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ شَكُورٌ
( হে মুহাম্মাদ!) আপনি
মানবজাতিকে বলুন, আমি এই (নবুয়তি) কাজের বিনিময়ে তোমাদের
নিকট হতে আমার নিকট আত্মীয়দের প্রতি (আহলে বায়েত) গভীর ভালোবাসা ছাড়া অন্য কোন
প্রতিদান চাই না। যে উত্তম কাজ করে আমি তার জন্য এতে কল্যান বর্ধিত করি; নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকারী, গুণগ্রাহী।
মানবজাতিকে বলুন, আমি এই (নবুয়তি) কাজের বিনিময়ে তোমাদের
নিকট হতে আমার নিকট আত্মীয়দের প্রতি (আহলে বায়েত) গভীর ভালোবাসা ছাড়া অন্য কোন
প্রতিদান চাই না। যে উত্তম কাজ করে আমি তার জন্য এতে কল্যান বর্ধিত করি; নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকারী, গুণগ্রাহী।
অতএব সার কথা হল হুযুর পাক বলা জায়েজ বরং
এটি আল্লাহর ভাষা কুরানের ভাষা এবং পাক পাঞ্জাতন বলাও জায়েজ এবং এটিও মহানবী (দঃ)
এর নবুয়তি ভাষা, সুতরাং আমরা আল্লাহ ও রাসুলের কথাকেই গুরুত্ব দিব এবং সে অনুযায়ী
আমল করব, কোন মোল্লার কথায় ধোকা খাব না।
এটি আল্লাহর ভাষা কুরানের ভাষা এবং পাক পাঞ্জাতন বলাও জায়েজ এবং এটিও মহানবী (দঃ)
এর নবুয়তি ভাষা, সুতরাং আমরা আল্লাহ ও রাসুলের কথাকেই গুরুত্ব দিব এবং সে অনুযায়ী
আমল করব, কোন মোল্লার কথায় ধোকা খাব না।
শিয়াদের আকিদা ভ্রান্ত তাই বলে তারা আহলে
বায়তকে যদি সম্মান করে তা আমাদের জন্য নিষিদ্ধ হয়ে যাবে না। আল্লাহ আমাদেরকে
শিয়াদের ভ্রান্ত আকিদা এবং সাথে সাথে নবী রাসুলের দুষমন আহলে বায়তের শত্রুদের কুযুক্তি
ও ভন্ডামি থেকেও হেফাজত করুন আমিন।
বায়তকে যদি সম্মান করে তা আমাদের জন্য নিষিদ্ধ হয়ে যাবে না। আল্লাহ আমাদেরকে
শিয়াদের ভ্রান্ত আকিদা এবং সাথে সাথে নবী রাসুলের দুষমন আহলে বায়তের শত্রুদের কুযুক্তি
ও ভন্ডামি থেকেও হেফাজত করুন আমিন।

কোন মন্তব্য নেই