৭ দিনের ফজিলত বরকত দোয়া ও আমল।







কোন দিন কি কাজ শুরু করলে বেশী বরকত?
৭দিনের ফজিলত ও বৈশিষ্ট্য
১।
সোমবার বেশ বরকতময় দিবস এ দিবসে আমাদের বিশ্বনবী (দঃ) দুনিয়ায় তশরীফ এনেছেন। হযরত শীস
(আঃ) এ দিনে ব্যবসার জন্য সফর করতেন এবং সোমবার দিন কেহ ব্যবসার কোন কাজ শুরু করলে
তাতে সফলতা অর্জন হয়। হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ (দঃ)
এরশাদ করেন যখন সোমবার ও বৃহস্পতিবার আসে তখন আসমানের দরজা খুলে যায় এবং আল্লাহ মুশরীক
ছাড়া সকলকে ক্ষমা করে দেন। সোমবার দিন আমাদের প্রিয় নবী হিজরত করেন এবং এ দিনেই মক্কা
বিজয় হয় এবং সোমবার দিনেই হুযুর (দঃ) দুনিয়া থেকে পর্দা ফরমান।
মঙ্গলবারঃ
মঙ্গলবার দিনকে রোগের দিন বলা হয় কেননা এ দিনকে আল্লাহ তায়ালা সকল রোগ সৃষ্টি করেছেন।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মসউদ (রাঃ) বর্ণনা করেন আল্লাহ তায়ালা মঙ্গলবার রোগ সৃষ্টি করেন।
ইবলিশকে পৃথিবীতে মঙ্গলবারে পাঠানো হয়। জাহান্নামকে মঙ্গলবার সৃজন করা হয়। আদম সন্তানের
উপর মৃত্যুদত মঙ্গলবার চড়াও হয়। মঙ্গলবার কাবিল তার ভাই হাবিলকে হত্যা করে। এ দিন হযরত
মুসা ও হযরত হারুন (আঃ) ইন্তেকাল করেন।হযরত আইয়ুব (আঃ) অসুস্থ হন। মঙ্গলবারকে বিশ্বনবী
(দঃ) রক্তের দিন বলে আখ্যায়িত করেন সাহাবাগন জিজ্ঞেস করলে নবীজি জবাব দেন এ দিন হাওয়া
(আঃ) থেকে ঋতুস্রাব চালু হয়।
বুধবারঃ
 কোন কোন আলেমগনের অভিমত হল বুধবার দিন কাফিরদের
জন্য অশুভ। কারন এ দিন আল্লাহ তায়ালা ৭জন বড় বড় কাফিরকে ৭টি জিনিষ দ্বারা ধ্বংস করেন
১।
আউজ বিন উনুককে হুদহুদ দ্বারা
২।
কারুনকে ভুমিধস দ্বারা
৩।ফেরাউন
ও তার বাহিনিকে পানিতে নিমজ্জিত করে
৪।নমরূদকে
মশা দ্বারা
৫।লুত
জাতিকে প্রস্তর বর্ষণ দারা
৬।
শাদ্দাদ বিন আদকে হযরত জিবরাইল (আঃ) এর বিকট আওয়াজ দ্বারা
৭।
আদ জাতিকে প্রবল বাতাস দ্বারা।
বৃহস্পতিবার:
বৃহস্পতিবার বান্দার সকল আমল আ্ল্লাহর নিকট উপস্থাপন করা হয়। তখন ক্ষমাকারী খোদা সে
বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। কিন্তু যারা পারস্পরিক হিংসা পোষণ করে এবং আত্মিয়তার সম্পর্ক
ছিন্ন করে তাদের ক্ষমা করা হয় না।
শুক্রবার:
হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে রাসুলুল্লাহ (দঃ) এরশাদ করেন, দিন সমুহের মধ্যে
উত্তম দিন হলো জুমার দিন। এ দিন হযরত আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়। এদিনই তাকে জান্নাতে
প্রবেশ করানো হয়। আর জান্নাত থেকে বেরও করে দেয়া হয় এদনি। এ দিন শৃঙ্গে ফুক দেয়া হবে,
সকলকে পুণরুত্থান করা হবে,  কিয়ামতও কায়েম হবে
জুমার দিন। এদিন মহানবীর উপর দরুদ পাঠ করার অসংখ্য ফজিলত রয়েছে। এবং মহানবী (দঃ) এরশাদ
করেন জুমার দিন শেষ প্রহরে এমন এক সময় আছে যে সময়ে দোয়া করা হলে তা নিশ্চিতভাবে কবুল
হয। জুমার দিন বা রাতে কেহ মারা গেল তার কবর আযাব মাফ হয়ে যায়।
শবিবার:
কোরাইশরা শবিনার দিন মহানবীর (দঃ) সাথে দারুন নদওয়ায় ধোকা ও প্রতারণা করেছিল তাই মহানবী
(দঃ) শনিবারকে ধোকার দিন বলে আখ্যায়িত করেছেন।দারুন নাদওয়া মক্কার কাফেরদের একটি পরামর্শ
পরিষদের নাম, তারা শনিবার দিন মহানবীকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেছিল। নাউজুবিল্লাহ।
আল্লাহ তায়ালা ৬দিনে সবকিছু সৃষ্টি করেছেন কিন্তু শনিবারদিন তিনি কিছুই সৃষ্টি করেননি।
এ শনিবার দিন হযরত দাউদ (আঃ)এর খুতবা শুনার জন্য নদী সমুদ্র খাল বিল পুকুরের সকল মাছ
একদম কাছে চলে আসত যা তাদের জন্য সেদিন ধরা নিষিদ্ধ ছিল কিন্তু দাউদ (আঃ) এর উম্মতের
কিছু বিপদগামি সে হকুম অমান্য করায় তাদেরকে বানর বানিয়ে দেয়া হয়েছিল। 
রবিবার:
মহানবী (দঃ) রবিরবার সম্পর্কে এরশাদ করেন এ দিন বপন ও নির্মানের দিন, সাহাবাগন জানতে
চান হে রাসুল কিভাবে? তিনি উত্তর দিলেন, এদনি আল্লাহ তায়ালা দুনিয়া ও আখিরাতের ইমরাত
নির্মানের সূচনা করেন। সুতরাং কেহ যদি রোববারে ক্ষেত, বৃক্ষ রোপন এবং ইমারত নির্মাণ
শুরু করেনতাতে বরকত হবে।

কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.