২০১৯ সালের সেরা দিবস ১১ আগষ্ট এর ফজিলত আমল ও রোযা







এ বছর শ্রেষ্ঠ দিবসটি আগামী ১১ আগষ্ট রবিবার
ফজিলত হিসেবে দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম হাদিসে আছে, হজরত আনাস (রা.) বলেন, জিলহজ মাসের প্রথম দশকের প্রতিটি দিন হাজার দিনের সমতুল্য আর আরাফার দিনটি ১০ হাজার দিনের সমান মর্যাদাপূর্ণ -ফতহুল বারি



বুখারীর শরাহ গ্রন্থ ইমাম বদরুদ্দীন আইনির উমদাতুল কারির মধ্যে উল্লেখ আছে

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, আরাফার দিনটি সব দিবসের মধ্যে শ্রেষ্ঠ


নানা কারণে দিবসটি মুসলমানদের কাছে স্মরণীয় স্বয়ং আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে কারিমে দিনের কসম খেয়েছেন



আরাফার ময়দানে অবস্থানরত হাজিদের ওপর আল্লাহতায়ালার অজস্র রহমত বর্ষিত হয় প্রসঙ্গে হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, বদরের যুদ্ধের দিন বাদে শয়তান সবচেয়ে বেশি অপদস্থ, ধিকৃত ক্রোধান্বিত হয় আরাফার দিনে কেননা দিন শয়তান আল্লাহ পাকের অত্যধিক রহমত এবং বান্দার অগণিত পাপরাশি মাফ হতে দেখতে পায় -মুয়াত্তা মিশকাত

হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, বছরের মধ্যে এমন কোনো দিন নেই যে, আল্লাহ তাআলা আরাফার দিন অপেক্ষা অধিক সংখ্যায় তার বান্দাদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করেন আর আরাফার দিন আল্লাহ তাআলা বান্দার অধিক নিকটবর্তী থাকেন অতঃপর ফেরেশতাদের কাছে গৌরব প্রকাশ করে জানতে চান- আমার বান্দাগণ কী চায়? (মুসলিম)



আরাফার দিনটি মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গর্বের তাই দিন বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগিতে মনোনিবেশ করা অপরিহার্য আরাফার দিনের আমলসমূহের মাঝে রয়েছে-



এক. জিকির তাসবিহ পাঠ করা 



দুই. বেশি বেশি দোয়া এস্তেগফার পড়া নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, সর্বোত্তম দোয়া হচ্ছে আরাফার দিনের দোয়া দিনে দোয়া তওবা কবুলের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে



তিন. রোজা রাখা হজরত আবু
কাতাদাহ আনসারি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লামকে আরাফার (হজের দিনের) রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন,
আরাফার দিনের ৯জিলহজ্বের রোজা বিগত এক বছর এবং আগামী এক বছরের গোনাহের কাফফারা
হবে। আর তাকে আশুরার রোজার কথা জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, বিগত এক বছরের গোনাহের
কাফফারা হবে।’ (মুসলিম, মুসনাদে আহমদ)

আমরা জানি 
সৌদি আরবে আমাদের দেশের ১ দিন আগে চাঁদ উদিত হয় সে হিসেবে তারা রোযাঁ
আমাদের ১দিন পূর্বে শুরু করে ১ দিন আগে ঈদ করে, একদিন আগে কুরবান করে, আর আমাদের
দেশে চাঁদ দেখে আমরা রোযা শুরু করি ঈদ করি যা সৌদি আরবের ১দিন পরেই হয়, ঠিক
কুরবানীকে এয়াউমুন নহর বলা হয়েছে যা সৌদি আরবে সেখানকার চাঁদের হিসাব মত আমাদের
১দিন আগে অর্থ্যাৎ আগামী ১১ আগষ্ট করবে। আর আমরা এ দেশের চাঁদের হিসাব মোতাবেক ১০
জিলহজ্ব ১২ই আগষ্ট কুরবানী করব, আর সৌদী আরবে ৯ জিলহজ্ব হল আরাফা দিবস, সে হিসেবে
তারা আরাফা দিবস পালন করবে, আর আমাদের দেশে ৯ জিলহজ্ব হবে সৌদি আরবের ১ দিন পর সে
হিসেবে আমাদের দেশে ৯ জিলহজ্ব যার নাম হল এয়াউমে আরাফা সে দিনটি হল আগামী ১১ আগষ্ট
২০১৯ রোজ রবিবার। সুতরাং বাংলাদেশ ভারত পাকিস্তান সহ যে সব দেশে ১২ আগষ্ট ‍কুরবানী
হবে সে সব দেশের মানুষ ১১ আগষ্ট ৯ জিলহজ্ব কে এয়াউমে আরাফা উৎযাপন করবেন এবং সেদিন
রোযা রাখবেন।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে
আগামী ১১ আগষ্ট ২০১৯,
 ৯ জিলহজ্ব তথা এয়াউমে আরাফার  রোজা রাখার পাশাপাশি ইবাদত-বন্দেগিতে অতিবাহিত করার তাওফিক দান করুন

কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.