ইসলামে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। গর্ভপাত।এবোরশন। বাচ্চাদানি কাটার বিধান।
জন্মবিরতী, গর্ভপাত/এবোরশন
নব দম্পতির গর্ভপাত, বাচ্চাদানি কেটে ফেলার
ইসলামী বিধান
অনেকের মনে এ প্রশ্ন ঘুরপাক খায়, যে সন্তান জন্ম গ্রহণ
করার পর কতদিন পর্যন্ত সন্তান নেয়া থেকে বিরত থাকা যায়? সিজারের দ্বারা বাচ্চা হলে
পরবর্তী বাচ্চা নিয়ে যদি মায়ের ক্ষতি হয় তখন জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা জায়েজ হবে কিনা? অসতর্কতা
বশত গর্ভে সন্তান আসলে সে সন্তান নষ্ট করা যাবে কিনা? স্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রন পদ্ধতি
গ্রহণ করা যাবে কিনা? বাচ্চাদানী একেবারে কেটে ফেলে দেয়া যাবে কিনা? মোটামোটি জন্ম নিয়ন্ত্রণ, জন্ম বিরতীকরণ, গর্ভপাত
সংক্রান্ত অসংখ্য বিষয়ে ইসলামের বিধান আমাদের অনেকেরই জানা নাই, আজ সংক্ষিপ্ত পরিসরে
আমি সবগুলি বিষয় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ইসলামী শরীয়তের বিধান আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার
চেষ্টা করব।
করার পর কতদিন পর্যন্ত সন্তান নেয়া থেকে বিরত থাকা যায়? সিজারের দ্বারা বাচ্চা হলে
পরবর্তী বাচ্চা নিয়ে যদি মায়ের ক্ষতি হয় তখন জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা জায়েজ হবে কিনা? অসতর্কতা
বশত গর্ভে সন্তান আসলে সে সন্তান নষ্ট করা যাবে কিনা? স্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রন পদ্ধতি
গ্রহণ করা যাবে কিনা? বাচ্চাদানী একেবারে কেটে ফেলে দেয়া যাবে কিনা? মোটামোটি জন্ম নিয়ন্ত্রণ, জন্ম বিরতীকরণ, গর্ভপাত
সংক্রান্ত অসংখ্য বিষয়ে ইসলামের বিধান আমাদের অনেকেরই জানা নাই, আজ সংক্ষিপ্ত পরিসরে
আমি সবগুলি বিষয় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ইসলামী শরীয়তের বিধান আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার
চেষ্টা করব।
বর্তমান
সমাজে গর্ভপাত বা ভ্রুণহত্যা
আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্লিনিক আঙিনায় ভিড় করছে অসংখ্য তরুণী। ক্লিনিকগুলো
যেন হয়ে উঠেছে মানব হত্যার কেন্দ্রস্থল। কারও কারও যৌক্তিক কারণ থাকলেও অধিকাংশ
গর্ভপাতই নষ্ট চরিত্রের ফসল। কেউ করে দরিদ্রতার ভয়ে। ক্রমবর্ধমান এ সমস্যাটি হয়ে
উঠেছে একটি সামাজিক ব্যাধি। আসুন এ ব্যাধি সম্পর্কে জেনে নিই ইসলামের কিছু দিকনির্দেশনা।
সমাজে গর্ভপাত বা ভ্রুণহত্যা
আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ক্লিনিক আঙিনায় ভিড় করছে অসংখ্য তরুণী। ক্লিনিকগুলো
যেন হয়ে উঠেছে মানব হত্যার কেন্দ্রস্থল। কারও কারও যৌক্তিক কারণ থাকলেও অধিকাংশ
গর্ভপাতই নষ্ট চরিত্রের ফসল। কেউ করে দরিদ্রতার ভয়ে। ক্রমবর্ধমান এ সমস্যাটি হয়ে
উঠেছে একটি সামাজিক ব্যাধি। আসুন এ ব্যাধি সম্পর্কে জেনে নিই ইসলামের কিছু দিকনির্দেশনা।
আধুনিক
চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, ভ্রুণের বয়স যখন হয় তেতাল্লিশ দিনের কম, তখন ভ্রুণ একটি
রক্তপিন্ড হিসেবে মায়ের গর্ভে অবস্থান করে। এ সময় পর্যন্ত তার কোনো
অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রকাশ পায় না। এ অবস্থায় ভ্রুনটিকে মানুষের
শরীরের একটা অঙ্গ হিসেবে ধরে নেওয়া হবে। আর মানুষের প্রতিটি অংশের মালিক স্বয়ং
আল্লাহ তায়ালা। অতএব শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতো এই অঙ্গটিও নষ্ট করা নাজায়েজ। তবে
যদি স্তন্যদানকারিনী গর্ভবতী হয়ে দুধ বন্ধ হওয়া এবং বাচ্চা মারা যাওয়ার আশঙ্কা হয়, এ অবস্থায় গর্ভে বীর্য জমাট রক্ত
কিংবা গোশতের টুকরাকারে থাকলে এবং কোনো অঙ্গ প্রকাশ না পেলে চিকিৎসার মাধ্যমে
গর্ভপাত করানো জায়েজ আছে। (ফতওয়ায়ে কাজিখান : ৩/৪১০)।
ভ্রুণের বয়স যখন তেতাল্লিশ দিন হয়ে যায়, তখন থেকে তার প্রয়োজনীয় অরগ্যান, যেমন ফুসফুস, নাক, হাত ও বিশেষ কিছু হাড় ইত্যাদি প্রস্তুত হওয়া শুরু হয়। অতএব
তখন থেকে শুরু করে চার মাস পর্যন্ত গর্ভপাতের মাধ্যমে বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় ভ্রুণটি নষ্ট করে ফেলা মাকরুহে তাহরিমি। (আদ্দুররুল মুখতার :
১০/২৫৪)।
ভ্রুনের বয়স যখন ১২০ বা চার মাস হয়ে যায়, তখন আল্লাহ তায়ালা তার মধ্যে রুহ দান
করেন। আর রুহ আসার পর বাচ্চা নষ্ট করা কোনো মানুষকে হত্যা করার শামিল। তাই এ সময় ভ্রুণহত্যা সর্বসম্মতিক্রমে হারাম। (ফতহুল আলিয়্যিল মালিক খ. ১/৩৯৯)।
আধুনিক যুগে ভ্রুণহত্যা জাহেলি যুগে কন্যাসন্তানকে
জীবন্ত সমাধিস্থ করার নামান্তর। তখন বাবা নিজ মেয়েকে গর্তে পুঁতে ফেলত; আর এখন আধুনিক যন্ত্রপাতি দ্বারা
মায়ের পেটেই শিশুকে মেরে ফেলা হয়। এ দুই হত্যার মধ্যে বাহ্যত কোনো তফাত নেই। এজন্য
রাসুলুল্লাহ (সা.) ভ্রুণহত্যাকে ‘গুপ্তহত্যা’ বলে উল্লেখ করেছেন। এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘স্মরণ কর ওই
দিনকে, যেদিন জীবন্ত সমাধিস্থ নিষ্পাপ
বাচ্চাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তোমাকে কোন অপরাধের কারণে হত্যা করা হয়েছে?’ (সূরা তাকয়ির :
৮)। অন্যত্র এরশাদ হয়েছে, ‘যে একটি জীবনকে হত্যা করা থেকে বিরত থেকেছে, সে যেন সব মানুষের জীবনকে হত্যা করা
থেকে বিরত থেকেছে। আর যে একটি আত্মাকে হত্যা করেছে, সে যেন পুরো মানবজাতিকেই হত্যা করেছে।’ (সূরা মায়েদা :
৩০)।
অনেকে মনে করেন, আগত শিশুকে লালনপালন করা তার পক্ষে সম্ভব হবে না। এই ভয়ে ভ্রুণ মেরে
ফেলেন। এ কাজটি নিতান্তই নিন্দনীয় ও বোকামি। কেননা যিনি তার বান্দাকে এত যতœ করে সৃষ্টি করেছেন, তিনি তার রিজিকেরও ব্যবস্থা করবেন।
আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, ‘তোমরা তোমাদের সন্তানকে দরিদ্রের ভয়ে হত্যা করো না। আমরা
তোমাকে এবং তোমার সন্তানকে দেখেশুনে রাখি। তাই তাদের হত্যা করা সত্যিকার অর্থেই
একটি মহাপাপ।’ (সূরা
ইসরা : ৩২)।
তবে হ্যাঁ, গর্ভপাত না করলে যদি মায়ের প্রাণ হুমকির মুখে থাকে, তাহলে গর্ভপাত করতে কোনো বাধা নেই।
ফিকহ শাস্ত্রমতে, দুটি মন্দ জিনিসের মধ্যে যেটি কম মন্দ, তাকে বেছে নেওয়া উত্তম। এক্ষেত্রে
গর্ভপাতকেই কম মন্দ মনে করা হয়। কেননা মা যদি মারা যায়, তাহলে মা ও ভ্রুণ
উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হলো। আর গর্ভপাত করলে মায়ের জীবনটা বেঁচে যাবে। তাছাড়া মায়ের
জীবন আগে থেকেই প্রতিষ্ঠিত। তিনি পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মায়ের অন্যান্য
দায়িত্বও আছে। এসব দিক বিবেচনা করে অপারগ অবস্থায় গর্ভপাত করাকে বৈধতা দিয়েছে
ইসলাম।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, ভ্রুণের বয়স যখন হয় তেতাল্লিশ দিনের কম, তখন ভ্রুণ একটি
রক্তপিন্ড হিসেবে মায়ের গর্ভে অবস্থান করে। এ সময় পর্যন্ত তার কোনো
অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রকাশ পায় না। এ অবস্থায় ভ্রুনটিকে মানুষের
শরীরের একটা অঙ্গ হিসেবে ধরে নেওয়া হবে। আর মানুষের প্রতিটি অংশের মালিক স্বয়ং
আল্লাহ তায়ালা। অতএব শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতো এই অঙ্গটিও নষ্ট করা নাজায়েজ। তবে
যদি স্তন্যদানকারিনী গর্ভবতী হয়ে দুধ বন্ধ হওয়া এবং বাচ্চা মারা যাওয়ার আশঙ্কা হয়, এ অবস্থায় গর্ভে বীর্য জমাট রক্ত
কিংবা গোশতের টুকরাকারে থাকলে এবং কোনো অঙ্গ প্রকাশ না পেলে চিকিৎসার মাধ্যমে
গর্ভপাত করানো জায়েজ আছে। (ফতওয়ায়ে কাজিখান : ৩/৪১০)।
ভ্রুণের বয়স যখন তেতাল্লিশ দিন হয়ে যায়, তখন থেকে তার প্রয়োজনীয় অরগ্যান, যেমন ফুসফুস, নাক, হাত ও বিশেষ কিছু হাড় ইত্যাদি প্রস্তুত হওয়া শুরু হয়। অতএব
তখন থেকে শুরু করে চার মাস পর্যন্ত গর্ভপাতের মাধ্যমে বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় ভ্রুণটি নষ্ট করে ফেলা মাকরুহে তাহরিমি। (আদ্দুররুল মুখতার :
১০/২৫৪)।
ভ্রুনের বয়স যখন ১২০ বা চার মাস হয়ে যায়, তখন আল্লাহ তায়ালা তার মধ্যে রুহ দান
করেন। আর রুহ আসার পর বাচ্চা নষ্ট করা কোনো মানুষকে হত্যা করার শামিল। তাই এ সময় ভ্রুণহত্যা সর্বসম্মতিক্রমে হারাম। (ফতহুল আলিয়্যিল মালিক খ. ১/৩৯৯)।
আধুনিক যুগে ভ্রুণহত্যা জাহেলি যুগে কন্যাসন্তানকে
জীবন্ত সমাধিস্থ করার নামান্তর। তখন বাবা নিজ মেয়েকে গর্তে পুঁতে ফেলত; আর এখন আধুনিক যন্ত্রপাতি দ্বারা
মায়ের পেটেই শিশুকে মেরে ফেলা হয়। এ দুই হত্যার মধ্যে বাহ্যত কোনো তফাত নেই। এজন্য
রাসুলুল্লাহ (সা.) ভ্রুণহত্যাকে ‘গুপ্তহত্যা’ বলে উল্লেখ করেছেন। এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘স্মরণ কর ওই
দিনকে, যেদিন জীবন্ত সমাধিস্থ নিষ্পাপ
বাচ্চাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তোমাকে কোন অপরাধের কারণে হত্যা করা হয়েছে?’ (সূরা তাকয়ির :
৮)। অন্যত্র এরশাদ হয়েছে, ‘যে একটি জীবনকে হত্যা করা থেকে বিরত থেকেছে, সে যেন সব মানুষের জীবনকে হত্যা করা
থেকে বিরত থেকেছে। আর যে একটি আত্মাকে হত্যা করেছে, সে যেন পুরো মানবজাতিকেই হত্যা করেছে।’ (সূরা মায়েদা :
৩০)।
অনেকে মনে করেন, আগত শিশুকে লালনপালন করা তার পক্ষে সম্ভব হবে না। এই ভয়ে ভ্রুণ মেরে
ফেলেন। এ কাজটি নিতান্তই নিন্দনীয় ও বোকামি। কেননা যিনি তার বান্দাকে এত যতœ করে সৃষ্টি করেছেন, তিনি তার রিজিকেরও ব্যবস্থা করবেন।
আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, ‘তোমরা তোমাদের সন্তানকে দরিদ্রের ভয়ে হত্যা করো না। আমরা
তোমাকে এবং তোমার সন্তানকে দেখেশুনে রাখি। তাই তাদের হত্যা করা সত্যিকার অর্থেই
একটি মহাপাপ।’ (সূরা
ইসরা : ৩২)।
তবে হ্যাঁ, গর্ভপাত না করলে যদি মায়ের প্রাণ হুমকির মুখে থাকে, তাহলে গর্ভপাত করতে কোনো বাধা নেই।
ফিকহ শাস্ত্রমতে, দুটি মন্দ জিনিসের মধ্যে যেটি কম মন্দ, তাকে বেছে নেওয়া উত্তম। এক্ষেত্রে
গর্ভপাতকেই কম মন্দ মনে করা হয়। কেননা মা যদি মারা যায়, তাহলে মা ও ভ্রুণ
উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হলো। আর গর্ভপাত করলে মায়ের জীবনটা বেঁচে যাবে। তাছাড়া মায়ের
জীবন আগে থেকেই প্রতিষ্ঠিত। তিনি পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মায়ের অন্যান্য
দায়িত্বও আছে। এসব দিক বিবেচনা করে অপারগ অবস্থায় গর্ভপাত করাকে বৈধতা দিয়েছে
ইসলাম।
সুতরাং ১ম মাসায়ালা হল> যদি নারী বাচ্চা নিলে তাঁর
প্রাণের কোন ধরনের ক্ষতি হওয়ার কোন আশংকা না থাকে তাহলে জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা গুনাহ হবে।
প্রাণের কোন ধরনের ক্ষতি হওয়ার কোন আশংকা না থাকে তাহলে জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা গুনাহ হবে।
২য় মাসায়ালা হল> পরপর ৩ বার সিজারে বাচ্চা হলে ডাক্তার
যদি বলে এর পর বাচ্চা নিলে সে নারীর প্রাণ যাওয়ার আশংকা আছে তখন ডাক্তার থেকে প্রথমে
এ পরামর্শ নিতে হবে এমন কোন পদ্ধতি আছে কিনা যা দ্বারা গর্ভরোধ করা সম্ভব সে পদ্ধতি
অবলম্বন করা জায়েজ আছে। তবে স্থায়ী পদ্ধতি যা আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তনের শামিল
এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকতে হবে। আবার বলছি যদি বাচ্চা নিলে মায়ের প্রাণ নাশের আশংকা
হয় শুধু সে ক্ষেত্রে শরীয়ত ডাক্তারের পরামর্শে জন্ম নিয়ন্ত্রণের অনুমিত দেয়।
যদি বলে এর পর বাচ্চা নিলে সে নারীর প্রাণ যাওয়ার আশংকা আছে তখন ডাক্তার থেকে প্রথমে
এ পরামর্শ নিতে হবে এমন কোন পদ্ধতি আছে কিনা যা দ্বারা গর্ভরোধ করা সম্ভব সে পদ্ধতি
অবলম্বন করা জায়েজ আছে। তবে স্থায়ী পদ্ধতি যা আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তনের শামিল
এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকতে হবে। আবার বলছি যদি বাচ্চা নিলে মায়ের প্রাণ নাশের আশংকা
হয় শুধু সে ক্ষেত্রে শরীয়ত ডাক্তারের পরামর্শে জন্ম নিয়ন্ত্রণের অনুমিত দেয়।
৩য় মাসায়ালা> খাবার দিতে পারবে না এমন ভয়ে জন্ম নিয়ন্ত্র
করা এটা জাহেলি যুগের একটি আমল ছিল, মুসলমানদের আকিদা হল রিযিকের জিম্মা আল্লাহর হাতে,
তাই যে দুনিয়ায় আগমন করবে সে নিজের রিযিক নিয়েই আসবে, সুতরাং কেহ যদি খাওয়াতে পারবে
না এ ধরনের চিন্তা বা বিশ্বাসের কারনে জন্ম নিয়ন্ত্রন করে তা কখনো জায়েজ হবেনা,
করা এটা জাহেলি যুগের একটি আমল ছিল, মুসলমানদের আকিদা হল রিযিকের জিম্মা আল্লাহর হাতে,
তাই যে দুনিয়ায় আগমন করবে সে নিজের রিযিক নিয়েই আসবে, সুতরাং কেহ যদি খাওয়াতে পারবে
না এ ধরনের চিন্তা বা বিশ্বাসের কারনে জন্ম নিয়ন্ত্রন করে তা কখনো জায়েজ হবেনা,
তবে যদি ৩ অপারেশনের পর মায়ের প্রাণ যাওয়ার সিম্ভাবনা
থাকে, কিংবা আগের শিশু এখনও ছোট ২য় বাচ্চা নিয়ে ১ম শিশু দুধ পাবে না ফলে ১ম বাচ্চার
প্রাণ নাশের বা স্বাস্থ্য হানীর ভয় থাকে তাহলে জন্ম বিরতীর জন্য কিছু জায়েজ পদ্ধতি
আছে তা অবলম্বন করে জন্ম বিরতী করা জায়েজ।
থাকে, কিংবা আগের শিশু এখনও ছোট ২য় বাচ্চা নিয়ে ১ম শিশু দুধ পাবে না ফলে ১ম বাচ্চার
প্রাণ নাশের বা স্বাস্থ্য হানীর ভয় থাকে তাহলে জন্ম বিরতীর জন্য কিছু জায়েজ পদ্ধতি
আছে তা অবলম্বন করে জন্ম বিরতী করা জায়েজ।
বাচ্চাদানী কাটার বিধানঃ
তবে মনে রাখবেন স্থায়ী পদ্ধতি যদি এমন যার জন্য কোন অঙ্গ
কেটে ফেলে দেয়ার প্রয়োজন যেমন অনেকে বাচ্চাদানী কেটে ফেলে দেয় তা ইসলামী শরীয়তে হারাম।
যেমন
কেটে ফেলে দেয়ার প্রয়োজন যেমন অনেকে বাচ্চাদানী কেটে ফেলে দেয় তা ইসলামী শরীয়তে হারাম।
যেমন
হাদিস শরিফে এসেছে, ইব্নু মাস’ঊদ রাযি. থেকে বর্ণিত,তিনি
বলেন,
বলেন,
كُنَّا نَغْزُوْ مَعَ النَّبِيِّ
صلى الله عليه وسلم لَيْسَ لَنَا نِسَاءٌ فَقُلْنَا يَا رَسُوْلَ اللهِ أَلاَ
نَسْتَخْصِي فَنَهَانَا عَنْ ذَلِكَ. আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সঙ্গে জিহাদে অংশগ্রহণ করতাম।
আমাদের সঙ্গে আমাদের বিবিগণ থাকত না। তাই আমরা বললাম, হে
আল্লাহ্র রসূল! আমরা কি খাসি হয়ে যাব? তিনি আমাদেরকে তা করতে নিষেধ করলেন।(সহীহ
বুখারী, হাদীস ৫০৭৫)
صلى الله عليه وسلم لَيْسَ لَنَا نِسَاءٌ فَقُلْنَا يَا رَسُوْلَ اللهِ أَلاَ
نَسْتَخْصِي فَنَهَانَا عَنْ ذَلِكَ. আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সঙ্গে জিহাদে অংশগ্রহণ করতাম।
আমাদের সঙ্গে আমাদের বিবিগণ থাকত না। তাই আমরা বললাম, হে
আল্লাহ্র রসূল! আমরা কি খাসি হয়ে যাব? তিনি আমাদেরকে তা করতে নিষেধ করলেন।(সহীহ
বুখারী, হাদীস ৫০৭৫)
সুতরাং মুল কথা হল যদি মায়ের প্রাণ নাশের আশংকা থাকে,
পুনরায় গর্ভধারন করলে দুধ শুকিয়ে গেলে পূর্বের ছোট শিশুটি দুধ না পাওয়ার আশংকা
থাকলে, কিংবা ঘন ঘন সন্তান জন্ম হলে লালন পালনের মারাত্মক ধরনের অসুবিধা হওয়ার
আশংকা থাকলে জায়েজ পদ্ধতিতে জন্ম বিরতীকরনের অনুমতি ইসলামী শরীয়ত দিয়ে থাকে।
পুনরায় গর্ভধারন করলে দুধ শুকিয়ে গেলে পূর্বের ছোট শিশুটি দুধ না পাওয়ার আশংকা
থাকলে, কিংবা ঘন ঘন সন্তান জন্ম হলে লালন পালনের মারাত্মক ধরনের অসুবিধা হওয়ার
আশংকা থাকলে জায়েজ পদ্ধতিতে জন্ম বিরতীকরনের অনুমতি ইসলামী শরীয়ত দিয়ে থাকে।
এ ছাড়া অন্য কোন কারনে জন্ম বিরতীর অনুমতি ইসলামী শরীয়ত দেয়
না।
না।
এবার
আসুন যদি গর্ভধারন হয়ে যায় এরপর সে গর্ভের সন্তানকে অনেকে নানা কারনে নষ্ট করে এর হকুম
কি?
আসুন যদি গর্ভধারন হয়ে যায় এরপর সে গর্ভের সন্তানকে অনেকে নানা কারনে নষ্ট করে এর হকুম
কি?
মনে রাখবেন
গর্ভে যখন বাচ্চা ৪ মাস হয় তখন এক ফেরেশতা
সে গর্ভের বাচ্চাকে রুহ ফুকে দেন, সে বাচ্চার মধ্যে জীবন এসে যায়, সুতরাং তখন সে বাচ্চাকে
কোন ভাবেই নষ্ট করার অনুমতি ইসলামী শরীয়ত দেয় না,
গর্ভে যখন বাচ্চা ৪ মাস হয় তখন এক ফেরেশতা
সে গর্ভের বাচ্চাকে রুহ ফুকে দেন, সে বাচ্চার মধ্যে জীবন এসে যায়, সুতরাং তখন সে বাচ্চাকে
কোন ভাবেই নষ্ট করার অনুমতি ইসলামী শরীয়ত দেয় না,
তবে যদি
ডাক্তার বলে এ বাচ্চা যদি এখনই নষ্ট করা না হয় তাহলে এ বাচ্চা ডেলিভারী হওয়ার সময় হয়ত
মা বাঁচবে নাহয় বাচ্চা বাঁচবে, এমন পরিস্থিতিতে শুধু সে বাচ্চা নষ্ট করার অনুমতি আছে
মাকে বাঁচানোর জন্য।
ডাক্তার বলে এ বাচ্চা যদি এখনই নষ্ট করা না হয় তাহলে এ বাচ্চা ডেলিভারী হওয়ার সময় হয়ত
মা বাঁচবে নাহয় বাচ্চা বাঁচবে, এমন পরিস্থিতিতে শুধু সে বাচ্চা নষ্ট করার অনুমতি আছে
মাকে বাঁচানোর জন্য।
এছাড়া
অন্য কোন ছোটখাট কারনে যদি ৪ মাস পরে বাচ্চা নষ্ট করে তাহলে ফোকাহায়ে কেরাম বলেছেন
যে এটা খুনের শামিল হত্যা করার শামিল।
অন্য কোন ছোটখাট কারনে যদি ৪ মাস পরে বাচ্চা নষ্ট করে তাহলে ফোকাহায়ে কেরাম বলেছেন
যে এটা খুনের শামিল হত্যা করার শামিল।
আর যদি
বাচ্চা ৪ মাস থেকে কম বয়স হয় তার মধ্যে এখনো রুহ আসেনি, এমন অবস্থায়ও কোন ছোট খাট কারনে
যেন বাচ্চাকে নষ্ট করা না হয়,
বাচ্চা ৪ মাস থেকে কম বয়স হয় তার মধ্যে এখনো রুহ আসেনি, এমন অবস্থায়ও কোন ছোট খাট কারনে
যেন বাচ্চাকে নষ্ট করা না হয়,
নবদম্পতীর গর্ভপাতঃ
অধিকাংশ
নব দম্পতি বাচ্চা নষ্ট করেন এ কারনে যে নতুন নতুন বিয়ে হয়েছে বাচ্চা কাচ্চার ঝামেলা
সামলাতে পারবে না, কয়েক বছর স্বামী স্ত্রী দম্পতি একটু ইনজয় করবে এমন চিন্তা ভাবনা
থেকে গর্ভের বাচ্চা নষ্ট করেন, মনে রাখবেন এটা অনেক কঠিন একটি গুনাহ, মনে রাখবেন মায়ের
গর্ভে সন্তানের আগমন এটা একটা অনেক বড় নেয়ামত, যা আল্লাহর দান, আর কেহ আল্লাহর নেয়ামতকে
নষ্ট করল মুলত সে আল্লাহর নেয়ামতের না শুকরী করল- সে জন্য আল্লাহ বলেন (লাইন শাকারতুম
লা আজিদান্নাকুম ওয়ালা ইন কাফারতুম ইন্না আজাবি লা শাদিদ) যে শোকর করবে তাকে নেয়ামত
বাড়িয়ে দিব, আর যে না শুকরি করবে তার জন্য কঠিন আযাব অপেক্ষা করছে। সুতরাং বাচ্চা বেশী
হলে খাওয়াতে পারবে না এই ভয়ে, নব দম্পতি কিছুদিন ইনজয় করবে এই নিয়তে, এ ধরনের ফালতু
কারনে যদি সন্তান গর্ভে আসার পর নষ্ট করে চাই তা ১ দিনের হউকনা কেন তা জায়েজ নাই। আবার
অনেক মা নিজের শরীর দুর্বল বাচ্চা হলে আরো দুর্ব হয়ে যাবে এসব বলেও গর্ভপাত করেন এটাও
জায়েজ নয়, কারন শরীর দুর্বলের দোহায় দিয়ে যে গর্ভপাত করা হয় সেটা বাচ্চা জন্ম হওয়ার
চাইতে কোন অংশে কম ক্ষতিকর নয়।
নব দম্পতি বাচ্চা নষ্ট করেন এ কারনে যে নতুন নতুন বিয়ে হয়েছে বাচ্চা কাচ্চার ঝামেলা
সামলাতে পারবে না, কয়েক বছর স্বামী স্ত্রী দম্পতি একটু ইনজয় করবে এমন চিন্তা ভাবনা
থেকে গর্ভের বাচ্চা নষ্ট করেন, মনে রাখবেন এটা অনেক কঠিন একটি গুনাহ, মনে রাখবেন মায়ের
গর্ভে সন্তানের আগমন এটা একটা অনেক বড় নেয়ামত, যা আল্লাহর দান, আর কেহ আল্লাহর নেয়ামতকে
নষ্ট করল মুলত সে আল্লাহর নেয়ামতের না শুকরী করল- সে জন্য আল্লাহ বলেন (লাইন শাকারতুম
লা আজিদান্নাকুম ওয়ালা ইন কাফারতুম ইন্না আজাবি লা শাদিদ) যে শোকর করবে তাকে নেয়ামত
বাড়িয়ে দিব, আর যে না শুকরি করবে তার জন্য কঠিন আযাব অপেক্ষা করছে। সুতরাং বাচ্চা বেশী
হলে খাওয়াতে পারবে না এই ভয়ে, নব দম্পতি কিছুদিন ইনজয় করবে এই নিয়তে, এ ধরনের ফালতু
কারনে যদি সন্তান গর্ভে আসার পর নষ্ট করে চাই তা ১ দিনের হউকনা কেন তা জায়েজ নাই। আবার
অনেক মা নিজের শরীর দুর্বল বাচ্চা হলে আরো দুর্ব হয়ে যাবে এসব বলেও গর্ভপাত করেন এটাও
জায়েজ নয়, কারন শরীর দুর্বলের দোহায় দিয়ে যে গর্ভপাত করা হয় সেটা বাচ্চা জন্ম হওয়ার
চাইতে কোন অংশে কম ক্ষতিকর নয়।
সবশেষে পরামর্শ হল এসব বিষয়ে অভিজ্ঞ আলেম এর পরামর্শ নিন
এবং একজন দ্বীনদার ধার্মিক ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করুন। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে
গুনাহসমুহ থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন।
এবং একজন দ্বীনদার ধার্মিক ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করুন। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে
গুনাহসমুহ থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন।

কোন মন্তব্য নেই