ইমাম নববী (রহঃ) বলেন আলেমদের গোস্ত বিষাক্ত। কি এর রহস্য?







ওলামায়ে কেরাম এর গোস্ত খুবই বিষাক্ত,
ইদানিং বড় বড় আলেম ওলামাগন, বড় বড় আকাবেরগন মানুষের হিংসাত্মক আক্রমনাত্মক কথাবার্তা গীবত থেকে নিরাপদ নয়, যারা প্রকৃত
হক্কানী রব্বানী আলেম ওলামাদের দোষ চর্চা করেন তাদের উদ্দেশ্যে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ
آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيراً مِّنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ وَلَا
تَجَسَّسُوا وَلَا يَغْتَب بَّعْضُكُم بَعْضًا أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَن يَأْكُلَ
لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ
تَوَّابٌ رَّحِيمٌ
মুমিনগণ, তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয়
কতক ধারণা গোনাহ। এবং গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না। তোমাদের কেউ যেন কারও পশ্চাতে
নিন্দা না করে। তোমাদের কেউ কি তারা মৃত ভ্রাতার মাংস ভক্ষণ করা পছন্দ করবে
? বস্তুতঃ তোমরা তো একে ঘৃণাই কর। আল্লাহকে ভয়
কর। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী
, পরম দয়ালু। [ সুরা হুজুরাত ৪৯:১২ ]

ইমামে নববী এই জন্য বলতেন

"لحوم العلماء مسمومة"

 (লুহুমাল
ওলামায়ে মাছমুমা)
ওলামায়ে কেরাম
এর গোস্ত খুবই বিষাক্ত, গোস্ত দ্বারা তিনি মুরাদ নিয়েছেন গীবত অর্থ্যাৎ ওলামাদের গীবত করা খুবই বিষাক্ত ইমাম নববী আরো বলেন যে ওলামা কেরামের গোস্তের সামান্য ঘ্রাণ গ্রহণ করে অর্থ্যাৎ সামান্যতম গীবতও করার নিয়ত করে তখন থেকেই সে ঈমানীভাবে দুর্বল হতে শুরু করে আর যে ওলামাদের গীবত করে ফেলে তাহলে সে ঈমানের দিক থেকে মৃত্যু বরণ করে অর্থ্যাৎ তাঁর ঈমান ধ্বংস হয়ে যায়
কিছু লোক  কিছু
আলেম সাহাবী বসে বসে কুরান তেলাওয়াত করছেন তাঁদের ব্যপারে গীবত করলেন তখন আল্লাহ তায়ালা সে সব আলেম সাহাবীর গীবতকারীদের ব্যপারে  
সুরা তওবার
৬৫-৬৬
নং আয়াতে ঘোষনা করেন
قُلْ أَبِاللّهِ وَآيَاتِهِ
وَرَسُولِهِ كُنتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ
আপনি বলুন, তোমরা
কি আল্লাহর সাথে
, তাঁর
হুকুম আহকামের সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে ঠাট্টা করছিলে
? [ সুরা তাওবা ৯:৬৫ ]
لاَ تَعْتَذِرُواْ قَدْ
كَفَرْتُم بَعْدَ إِيمَانِكُمْ
ছলনা কর না,
তোমরা যে কাফের হয়ে গেছ ঈমান প্রকাশ করার পর।  [ সুরা তাওবা ৯:৬৬ ]
তারা অপমান করেছেন কিছু আলেম সাহাবীকে কিন্তু আল্লাহ ঘোষণা করলেন তাঁরা মুলত আল্লাহ তাঁর
রাসুলকে অপমান করেছে আয়াত
নাজিল হলে রাসুলুল্লাহ (দঃ) সেখান থেকে চলে যাওয়ার জন্য উটে ছওয়ার হয়ে গেলেন, তখন
সে সব সমালোচনাকারীরা হুযুরের কাছে অনুরোধ করলেন এয়া রাসুলাল্লাহ আপনি যাবেন না আমরাতো এমনিই কথার কথা বলেছি, কিন্তু
হুযুর (দঃ) উটে বসে দ্রুত সেখান থেকে চলে যেতে যেতে এই আয়াত পড়ছেন আর বলছেন তোমাদের কোন কথাই শুনব না কারন তোমরা গীবত করেছ জ্ঞানীদের কুরআন ওয়ালাদের, আমি
সে জায়গায় বসা পছন্দ করিনা যেখানে জ্ঞানীদের কুরআন ওয়ালাদের অপমান করা হয়,
সুতরাং যারা আলেমের গীবত এর নিয়ত করল তাদের ঈমানে ঘুণ পোকা প্রবেশ করল, যারা সাহস করে গীবত করে ফেলল তারা ঈমানকে ধ্বংস করে দিল, আর যারা আলেমের অপমান করল তারা মুলত আল্লাহ তাঁর
রাসুলের সাথে ঠাট্টা করল এবং  قَدْ كَفَرْتُم بَعْدَ
إِيمَانِكُمْ
ঈমান গ্রহণের পর কাফের হয়ে গেল
আল্লাহ আমাদেরকে আলেম ওলামাদের গীবত করে নিজেদের ঈমান আমল বরবাদ করা থেকে আল্লাহ তাঁর
রাসুলের ঘৃণার পাত্র হওয়া থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন


কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.