মসজিদে ঢুকে চীনের ডাক্তারের অদ্ভুৎ আবদার। তোমাদের নবীর সাথে আমাকে দেখা ক...
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
ইমান তাজাকারী ঘটনা
এক চীনা ডাক্তার মসজিদে এসে
বলে আমি তোমাদের নবীর সাথে দেখা করতে চাই
বলে আমি তোমাদের নবীর সাথে দেখা করতে চাই
আমাকে নবীর সাথে দেখা
করার ব্যবস্তা করে দাও
করার ব্যবস্তা করে দাও
আসসাসালামু আলাইকুম বন্ধুরা, একজন চীনের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার যিনি মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ নিয়ে গবেষনা করেন, গবেষনা করতে করতে তিনি প্রতিটি বিষয়ে খুবই দক্ষতা অর্জন করেন, এবং মানুষের চিকিৎসা করতে থাকেন, তিনি চিকিৎসা ও গবেষনার খাতিরে এক মুসলিম দেশে সফরের সিদ্ধান্ত নেন, তিনি দেখতে ইচ্ছা করলেন যে মুসলিমরা তাদের জীবন কিভাবে অতিবাহিত করে, সে সুবাধে তিনি এক মুসলিম দেশে সফর করেন আর সে সফরে তিনি মুসলমানদের এবাদত গান তথা মসজিদ ভিজিট করেন, কিন্তু তিনি মসজিদে গিয়ে মুসলমানদের অজু করা দৃশ্য দেখে অত্যন্ত আশ্চর্য্য হয়ে গেলেন, তিনি একজনকে প্রশ্ন করলেন এটা কি? মুসলিম জবাব দিল এটা হল নামাজের জন্য অজু করা।
চীনের সে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মতে মানুষের শরীরের যে চামড়া আছে সে চামড়ার নিচে আরো ৬০টি হালকা আবরণ থাকে, আর মানুষের শরীরের অঙ্গসমুহে আরো ৬২টি এমন পয়েন্ট আছে যাকে প্রেশার পয়েন্ট বলা হয়, তিনি বলেন আমি মানুষের অঙ্গসমুহের প্রেসার পয়েন্ট সমুহকে খুব ভালো ভাবে চিনি, এবং প্রতিটি প্রেসার পয়েন্ট এর হেকমতও জানি।
আমাদের চীনের পুরাতন পদ্ধতি হল আমরা মানুষের অধিকাংশ রোগ মাসাজ করে দুর করে থাকি, আর আপনারা মুসলমানরা নামাজের জন্য যে অজু করছেন সে অজুর মধ্যে প্রত্যেক মুসলমান মানুষের শরীরে যে ৬২টি প্রেসার পয়েন্ট আছে সে সব প্রেসার পয়েন্টে মুলত মাসাজ করছেন এবং পানি পৌঁছাচ্ছেন, যে কেহ যদি প্রতিনিয়ত এই কাজ করে থাকে তাহলে তার শরীরে সহজে রোগ প্রবেশ করতে পারবে না, এবং এই অজুর পদ্ধতি শরীরের অসংখ্য রোগ থেকেও মানুষকে মুক্ত করতে সাহায্য করবে।
সে ডাক্তার আরো বলেন মানুষের শরীরে যে রক্ত চলাচল হয় সে রক্তচলাচলকে আরো উন্নত করার জন্য প্রেসার পয়েন্টে হালকা মাসাজ করা খুবই জরুরী, আর মানু্ষের শরীরে ৯০ শতাংশ রোগের সম্পর্ক মানুষের শরীরের রক্ত চলাচলের সাথে সম্পর্কীত। যাকে সাধারণ ভাষায় ব্লাড প্রেসার এর রোগ বলা হয়”। আর এই ব্লাড প্রেসারের রোগ মানুষের শরীরকে অন্যান্য রোগেও আক্রান্ত করে দেয়।এখন অজুর সময় মানুষ যখন তার অজুর অঙ্গসমুহকে হালকা মাসাজ করে তখন সে মাসাজ মুলত প্রেসার পয়েন্টে হচ্ছে যার ফলে তাঁর রক্তের চলাচলকে উন্নত করছে।
বন্ধুরা সে মুসলমান মুসল্লী ঐ চীনের ডাক্তার কথাগুলি শুনছেন আর আশ্চর্য্য হচ্ছিলেন আর আল্লাহর শোকর আদায় করছিলেন। এসব কথা বলার পর সে ডাক্তার মুসল্লীকে প্রশ্ন করল তোমাদেরকে এই পদ্ধতি যিনি শিখিয়েছেন তিনি অবশ্যই অনেক বড় ডাক্তার ও জ্ঞানী হবে, আমি উনার সাথে দেখা করতে চাই তুমি আমাকে তাঁর সাথে দেখা করার ব্যবস্থা করে দাও,
সে ডাক্তারের কথা শুনে সে মুসল্লী আরো অবাক হল আর ডাক্তারকে সম্মানের সাথে বলল, জনাব আমাদেরকে যিনি এই তরিকা শিখিয়েছেন এই নামাজ এই অজু এই এবাদত শিখিয়েছেন তিনি হলেন আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ), তিনি আজ থেকে প্রায় ১৪ শত বছর আগে বেছাল হয়েছেন। তিনি ১৪ শত বছর আগে আরবের মক্কায় জন্ম গ্রহণ করেন এবং আমাদের জন্য এই দ্বীনি ইসলাম উপহার দেন। এ কথা শুনে চীনের ডাক্তারেরও বিষ্ময়ের সীমা নাই যে এমন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অজু করার নিয়ম আজ থেকে ১৪ শত বছর আগেই মুসলমানদের নবী বলে গেছেন, যা কিনা বর্তমান জামানার গবেষনার শ্রেষ্ঠ স্বাস্থ্যসম্মত একটি পদ্ধতি।
প্রিয় দশক মন্ডলী সে চীনের ডাক্তার এর ব্যপারে পরবর্তীতে কি হয়েছে তিনি কি ইসলাম নিয়ে আর গবেষনা করেছেন কিনা মুসলিম হয়েছেন কিনা তা জানা না গেলেও, এটা আমরা বুঝতে পারি যে ইসলাম ধর্ম ইসলাম ধর্মের প্রতিটি কর্ম হল সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ।
যেমন অজুর গুরুত্ব সম্পর্কে প্রিয় নবীর মহান বানীও সাহাবা ও বুযুর্গানে দ্বীন থেকে জানতে পারি
রাসূলে পাক
সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলেন, ﻣﻦ ﺟﺪُّﺩ ﺍﻟﻮﺿﻮﺀ ﺟﺪّﺩ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﻴﻪ
ﺍﻻﻳﻤﺎﻥ
‘যে ব্যক্তি অজুকে
তাজা করবে, আল্লাহ্ তার ঈমানকে তাজা করে দেবেন। [গাউসে পাক আবদুল কাদের জিলানী রহ. প্রণীত
‘র্সিরুল আস্রার’]
রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন, ﺍﻟﻮﺿﻮﺀ ﻋﻠﻰ
ﺍﻟﻮﺿﻮﺀ ﻧﻮﺭ ﻋﻠﻰ ﻧﻮﺭ অর্থাৎ অজু থাকা অবস্থায় অজু করা
নূরুন আলা নূর। অর্থাৎ সোনায় সোহাগা। [র্সিরুল আসরার]
হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে ওমর রাদ্বিয়াল্লাহু
তা‘আলা আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি পবিত্রতার উপর অজু করবে, তার জন্য দশটি সওয়াব লেখা হবে।
[হাদীস খানা ইমাম তিরমিজী রহ. সংকলন করেছেন, মিশকাত: পৃষ্ঠা ৩৯
কামিল মু’মিন তথা আল্লাহর অলিগণ সর্বদা অজু সহকারে
থাকেন। যেমন রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘মু’মিনে কামিল সর্বদা অজু সহকারে থাকেন।’’
ঈমানদারের অজুবিহীন এক মুহূর্তও থাকা উচিত
নয়
ঈমানদারের বৈশিষ্ট হলো সর্বদা আল্লাহ্ তা‘আলার জিকির করা। আল্লাহ্ তা‘আলার জিকির অজু বিহীন করা উচিত নয়। তাই
ঈমানদারকে সর্বদা অজু সহকারে থাকতে হবে।
এমনকি স্ত্রী সহবাসের পূর্বে মেসওয়াক করা। অজু করা এবং সুগন্ধি লাগানো।
সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলেন, ﻣﻦ ﺟﺪُّﺩ ﺍﻟﻮﺿﻮﺀ ﺟﺪّﺩ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﻴﻪ
ﺍﻻﻳﻤﺎﻥ
‘যে ব্যক্তি অজুকে
তাজা করবে, আল্লাহ্ তার ঈমানকে তাজা করে দেবেন। [গাউসে পাক আবদুল কাদের জিলানী রহ. প্রণীত
‘র্সিরুল আস্রার’]
রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন, ﺍﻟﻮﺿﻮﺀ ﻋﻠﻰ
ﺍﻟﻮﺿﻮﺀ ﻧﻮﺭ ﻋﻠﻰ ﻧﻮﺭ অর্থাৎ অজু থাকা অবস্থায় অজু করা
নূরুন আলা নূর। অর্থাৎ সোনায় সোহাগা। [র্সিরুল আসরার]
হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে ওমর রাদ্বিয়াল্লাহু
তা‘আলা আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি পবিত্রতার উপর অজু করবে, তার জন্য দশটি সওয়াব লেখা হবে।
[হাদীস খানা ইমাম তিরমিজী রহ. সংকলন করেছেন, মিশকাত: পৃষ্ঠা ৩৯
কামিল মু’মিন তথা আল্লাহর অলিগণ সর্বদা অজু সহকারে
থাকেন। যেমন রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘মু’মিনে কামিল সর্বদা অজু সহকারে থাকেন।’’
ঈমানদারের অজুবিহীন এক মুহূর্তও থাকা উচিত
নয়
ঈমানদারের বৈশিষ্ট হলো সর্বদা আল্লাহ্ তা‘আলার জিকির করা। আল্লাহ্ তা‘আলার জিকির অজু বিহীন করা উচিত নয়। তাই
ঈমানদারকে সর্বদা অজু সহকারে থাকতে হবে।
এমনকি স্ত্রী সহবাসের পূর্বে মেসওয়াক করা। অজু করা এবং সুগন্ধি লাগানো।
স্ত্রী সহবাসের
পরও অজু করা উচিত
হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম যখন যখন জুনুবী হতে (অর্থাৎ স্ত্রী সহবাস করার কারণে
গোসল ফরজ হত ) তখন তিনি খেতে কিংবা মুঘাতে ইচ্ছা করলে নামাযের অজুর মতো অজু করতেন।
[এ হাদীস ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম উভয়ে বর্ণনা করেছেন।
মিশকাত শরীফ: পৃষ্ঠা ৪৯]
অজু সহকারে ঘুমানো
ঈমানদারের উচিত অজু সহকারে ঘুমানো।
ঘুমানোর পূর্বে বিভিন্ন দোয়া ও সূরা পড়া । আর ডান পাশ ফিরে শোয়া।
পরও অজু করা উচিত
হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম যখন যখন জুনুবী হতে (অর্থাৎ স্ত্রী সহবাস করার কারণে
গোসল ফরজ হত ) তখন তিনি খেতে কিংবা মুঘাতে ইচ্ছা করলে নামাযের অজুর মতো অজু করতেন।
[এ হাদীস ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম উভয়ে বর্ণনা করেছেন।
মিশকাত শরীফ: পৃষ্ঠা ৪৯]
অজু সহকারে ঘুমানো
ঈমানদারের উচিত অজু সহকারে ঘুমানো।
ঘুমানোর পূর্বে বিভিন্ন দোয়া ও সূরা পড়া । আর ডান পাশ ফিরে শোয়া।
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) আস্ সুনাবিহী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন কোন মু’মিন বান্দা উযূ করে ও কুলি করে, তখন তার মুখ থেকে গুনাহ বের হয়ে যায়। আর যখন সে নাক ঝাড়ে তখন তার নাক থেকে
গুনাহ বের হয়ে যায়। যখন মুখমণ্ডল ধোয়, গুনাহ তার মুখ থেকে বের হয়ে যায়, এমনকি তার চোখের পাতার নীচ হতেও গুনাহ বের হয়ে যায়। এরপর যখন নিজের দু’টি হাত ধোয়, তখন তার হাত হতে গুনাহ বের
হয়ে যায়, এমনকি তার হাতের নখের নীচ থেকেও গুনাহ বের হয়ে যায়। যখন মাথা মাসাহ করে, মাথা হতে গুনাহ বের হয়ে যায়, এমনকি দুই কান থেকেও গুনাহ
বের হয়ে যায়। যখন নিজের পা দু’টো ধোয়, তার দুই পায়ের গুনাহ বের হয়ে যায়, এমনকি তার পায়ের নখের নীচ হতেও গুনাহসমূহ বের হয়ে যায়। অতঃপর মাসজিদের দিকে
গমন এবং তার সলাত হয় তার জন্য অতিরিক্ত।
(মুওয়াত্ত্বা মালিক ও নাসায়ী ১০৩, সহীহুত্ তারগীব ১৮৫)
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন কোন মু’মিন বান্দা উযূ করে ও কুলি করে, তখন তার মুখ থেকে গুনাহ বের হয়ে যায়। আর যখন সে নাক ঝাড়ে তখন তার নাক থেকে
গুনাহ বের হয়ে যায়। যখন মুখমণ্ডল ধোয়, গুনাহ তার মুখ থেকে বের হয়ে যায়, এমনকি তার চোখের পাতার নীচ হতেও গুনাহ বের হয়ে যায়। এরপর যখন নিজের দু’টি হাত ধোয়, তখন তার হাত হতে গুনাহ বের
হয়ে যায়, এমনকি তার হাতের নখের নীচ থেকেও গুনাহ বের হয়ে যায়। যখন মাথা মাসাহ করে, মাথা হতে গুনাহ বের হয়ে যায়, এমনকি দুই কান থেকেও গুনাহ
বের হয়ে যায়। যখন নিজের পা দু’টো ধোয়, তার দুই পায়ের গুনাহ বের হয়ে যায়, এমনকি তার পায়ের নখের নীচ হতেও গুনাহসমূহ বের হয়ে যায়। অতঃপর মাসজিদের দিকে
গমন এবং তার সলাত হয় তার জন্য অতিরিক্ত।
(মুওয়াত্ত্বা মালিক ও নাসায়ী ১০৩, সহীহুত্ তারগীব ১৮৫)
হাশর ময়দানে অজুর অঙ্গ থেকে নূর বের হবে
উম্মতে মুহাম্মদীর অজুর
অঙ্গ হতে নূর বের হয়ে তারা উম্মতে মুহাম্মদী হিসেবে পরিচিত হবে। যেমন সাহাবায়ে
কেরাম রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামকে
জিজ্ঞাসা করেন- ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনার উম্মত হিসেবে যারা এখনও আসেনি, পরে আসবে
তাদেরকে আপনি কিভাবে চিনবেন? তখন তিনি (নবীজি) বললেন, তোমাদের প্রত্যেকের অভিমত
কী? যদি একপাল
কালো ঘোড়ার মধ্যে কারো এমন কটি ঘোড়া থাকে যার চার পা এবং কপাল সাদা, সে তার ঘোড়া
চিনবে কী না? তারা (সাহাবায়ে কেরাম) আরজ করলেন হ্যাঁ, অবশ্যই চিনতে পারবে। তখন
তিনি ঘোষণা দিলেন তারা (আমার পরবর্তী উম্মতরা) অজুর অঙ্গ প্রত্যঙ্গ চমকপ্রদ
অবস্থায় ময়দানে মাহশরে আসবে। আমি তাদের আগে হাউজে কাউসারের নিকট অগ্রসর হব।
[হাদীস খানা
ইমাম মুসলিম রহ. সংকলন করেছেন। মিশকাত: পৃষ্ঠা ৪০]
উম্মতে মুহাম্মদীর অজুর
অঙ্গ হতে নূর বের হয়ে তারা উম্মতে মুহাম্মদী হিসেবে পরিচিত হবে। যেমন সাহাবায়ে
কেরাম রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামকে
জিজ্ঞাসা করেন- ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনার উম্মত হিসেবে যারা এখনও আসেনি, পরে আসবে
তাদেরকে আপনি কিভাবে চিনবেন? তখন তিনি (নবীজি) বললেন, তোমাদের প্রত্যেকের অভিমত
কী? যদি একপাল
কালো ঘোড়ার মধ্যে কারো এমন কটি ঘোড়া থাকে যার চার পা এবং কপাল সাদা, সে তার ঘোড়া
চিনবে কী না? তারা (সাহাবায়ে কেরাম) আরজ করলেন হ্যাঁ, অবশ্যই চিনতে পারবে। তখন
তিনি ঘোষণা দিলেন তারা (আমার পরবর্তী উম্মতরা) অজুর অঙ্গ প্রত্যঙ্গ চমকপ্রদ
অবস্থায় ময়দানে মাহশরে আসবে। আমি তাদের আগে হাউজে কাউসারের নিকট অগ্রসর হব।
[হাদীস খানা
ইমাম মুসলিম রহ. সংকলন করেছেন। মিশকাত: পৃষ্ঠা ৪০]
পুলসিরাত পার হওয়ার সময় নূর হয়ে পথ দেখাবে
উম্মতে মুহাম্মদী যখন পুলসিরাত পার হতে
যাবে তখন তাদের মধ্যে যারা পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়েছে এবং নামাযের অজু করেছে তাদের
অজুর অঙ্গ হতে নূর বের হয়ে তা পথ দেখাবে। যেমন আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, ‘‘তাদের নূর তাদের সামনে এবং তাদের ডানে দৌঁড়াবে, তারা প্রার্থনা করে বলবে হে আমাদের প্রভু।
আমাদের জন্য আমাদের নূরকে বিদ্যমান রাখুন। আমরা (পুলসিরাত পার না হওয়া পর্যন্ত)
এবং আমাদেরকে মাফ করে দিন। নিশ্চয় আপনি সর্বশক্তিমান। [সূরা তাহরীম]
উম্মতে মুহাম্মদী যখন পুলসিরাত পার হতে
যাবে তখন তাদের মধ্যে যারা পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়েছে এবং নামাযের অজু করেছে তাদের
অজুর অঙ্গ হতে নূর বের হয়ে তা পথ দেখাবে। যেমন আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, ‘‘তাদের নূর তাদের সামনে এবং তাদের ডানে দৌঁড়াবে, তারা প্রার্থনা করে বলবে হে আমাদের প্রভু।
আমাদের জন্য আমাদের নূরকে বিদ্যমান রাখুন। আমরা (পুলসিরাত পার না হওয়া পর্যন্ত)
এবং আমাদেরকে মাফ করে দিন। নিশ্চয় আপনি সর্বশক্তিমান। [সূরা তাহরীম]
হযরত ওকবা বিন আমের রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে কোন মুসলমান উত্তমরূপে অজু করে অতএব, দাড়িয়ে (সম্ভব হলে) দু’রাকাত নামায পড়ে- নামাযের প্রতি মন ও মুখ
ফিরিয়ে (তন-মন লাগিয়ে অর্থাৎ একাগ্রচিত্তে) তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব তথা আবশ্যক
হয়ে যায়। অর্থাৎ আল্লাহ্ তাকে নিজ অনুগ্রহে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেবেন উক্ত
নামাযের উসিলায়।
[এ হাদীস ইমাম মুসলিম রহ. বর্ণনা করেছেন, মিশকাত শরীফ: পৃষ্ঠা ৩৯]
ফিরিয়ে (তন-মন লাগিয়ে অর্থাৎ একাগ্রচিত্তে) তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব তথা আবশ্যক
হয়ে যায়। অর্থাৎ আল্লাহ্ তাকে নিজ অনুগ্রহে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেবেন উক্ত
নামাযের উসিলায়।
[এ হাদীস ইমাম মুসলিম রহ. বর্ণনা করেছেন, মিশকাত শরীফ: পৃষ্ঠা ৩৯]

কোন মন্তব্য নেই