কিয়ামতের ভয়াবহতা। ৪৯ প্রকার লোকের কঠিন অবস্থার ভয়াবহ চিত্র। Day of Judgm...
রবিউস সানি-৪র্থ খুতবা
কেয়ামতের দিবসের ভয়াবহ দৃশ্য ৪৯ প্রকার লোকের ভয়ংকর চিত্র
إِنَّ فِي ذَلِكَ لآيَةً
لِّمَنْ خَافَ عَذَابَ الآخِرَةِ ذَلِكَ يَوْمٌ مَّجْمُوعٌ لَّهُ النَّاسُ
وَذَلِكَ يَوْمٌ مَّشْهُودٌ
لِّمَنْ خَافَ عَذَابَ الآخِرَةِ ذَلِكَ يَوْمٌ مَّجْمُوعٌ لَّهُ النَّاسُ
وَذَلِكَ يَوْمٌ مَّشْهُودٌ
নিশ্চয়
ইহার মধ্যে নিদর্শন রয়েছে এমন প্রতিটি মানুষের জন্য যে আখেরাতের আযাবকে ভয় করে।
উহা এমন একদিন, যে দিন সব
মানুষেই সমবেত হবে, সেদিনটি যে
হাযিরের দিন। [ সুরা
হুদ ১১:১০৩ ]
ইহার মধ্যে নিদর্শন রয়েছে এমন প্রতিটি মানুষের জন্য যে আখেরাতের আযাবকে ভয় করে।
উহা এমন একদিন, যে দিন সব
মানুষেই সমবেত হবে, সেদিনটি যে
হাযিরের দিন। [ সুরা
হুদ ১১:১০৩ ]
وَمَا نُؤَخِّرُهُ إِلاَّ
لِأَجَلٍ مَّعْدُودٍ
لِأَجَلٍ مَّعْدُودٍ
ইসরাফিল
ফেরেশতার সিঙ্গায় ফুঁকঃ
ফেরেশতার সিঙ্গায় ফুঁকঃ
যখন
কেয়ামতের নির্ধারিত সময় আসবে ইসরাফিল (আঃ) সিঙ্গায় ফুৎকার দিবেন
কেয়ামতের নির্ধারিত সময় আসবে ইসরাফিল (আঃ) সিঙ্গায় ফুৎকার দিবেন
হযরত
ইসরাফিল (আঃ) এমন একজন ফেরেশতা যিনি জীবনে হাসেননি, যেদিন থেকে তাঁর সৃষ্টি সেদিন থেকেই আল্লাহর
হকুমের জন্য অপেক্ষা করছে কখন হকুম হয় সিঙ্গায় ফুৎকার দেয়ার জন্য, যখনই ফুৎকার দেয়া হবে সাথে সাথে তিনি ফুৎকার
দিয়ে দিবেন ফুৎকারের আগে যা ঘটবে-
ইসরাফিল (আঃ) এমন একজন ফেরেশতা যিনি জীবনে হাসেননি, যেদিন থেকে তাঁর সৃষ্টি সেদিন থেকেই আল্লাহর
হকুমের জন্য অপেক্ষা করছে কখন হকুম হয় সিঙ্গায় ফুৎকার দেয়ার জন্য, যখনই ফুৎকার দেয়া হবে সাথে সাথে তিনি ফুৎকার
দিয়ে দিবেন ফুৎকারের আগে যা ঘটবে-
মুসলিম
শরীফের ২২৫৮ নং হাদীস মোতাবেক প্রিয় নবী করিম (দঃ) বলেন
শরীফের ২২৫৮ নং হাদীস মোতাবেক প্রিয় নবী করিম (দঃ) বলেন
# কেয়ামতের বড় আলামত
দাজ্জালের আগমন হবে
দাজ্জালের আগমন হবে
# হযরত ঈসা (আঃ) এর
আগমন হবে
আগমন হবে
# ইসা (আঃ) দাজ্জালকে
ধ্বংস করবেন, এরপর ৭ বছর সুখ শান্তির
রাজত্ব কায়েম থাকবে
ধ্বংস করবেন, এরপর ৭ বছর সুখ শান্তির
রাজত্ব কায়েম থাকবে
# ৭ বছর পর রহমতের বায়ু
জারি হবে তাতে ঈমানদারগন মৃত্যু বরণ করবে
জারি হবে তাতে ঈমানদারগন মৃত্যু বরণ করবে
# এখন পৃথিবীতে হিংস্র
দুরাচার লোকেরা থাকবে তাদের উপর কেয়ামত কায়েম হবে
দুরাচার লোকেরা থাকবে তাদের উপর কেয়ামত কায়েম হবে
# তখন মানুষ খুবই
উন্নতমানের জীবন যাপন করবে। আরাম আয়েশের স্বচ্ছলতার জীবন যাপন করবে
উন্নতমানের জীবন যাপন করবে। আরাম আয়েশের স্বচ্ছলতার জীবন যাপন করবে
# ১ম ফুৎকারের পর ৪০ বছর
কেটে যাবে বৃষ্টি বর্ষন হবে আর মানুষের ১টি হাড্ডী থাকবে সেটি থেকে মানুষকে আবার
সৃষ্টি করা হবে।
কেটে যাবে বৃষ্টি বর্ষন হবে আর মানুষের ১টি হাড্ডী থাকবে সেটি থেকে মানুষকে আবার
সৃষ্টি করা হবে।
# ইসরাফিল ২য় ফুৎকার দিলে
সকলে পুনরায় জীবিত হয়ে যাবে।
সকলে পুনরায় জীবিত হয়ে যাবে।
# কেয়ামতের মাঠ হবে
বিস্তৃর্ণ ইসরাফিলের ফুক দেয়ার সাথে সাথে কবর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে মানুষ হাশরের মাঠে
জমা হবেন
বিস্তৃর্ণ ইসরাফিলের ফুক দেয়ার সাথে সাথে কবর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে মানুষ হাশরের মাঠে
জমা হবেন
#সেদিন
ভয়ে বাচ্চারা বৃদ্ধ হয়ে যাবে যেমন সুরা মুযাযাম্মিলের ১৭ নং আয়াতে আল্লাহ বেলেন
ভয়ে বাচ্চারা বৃদ্ধ হয়ে যাবে যেমন সুরা মুযাযাম্মিলের ১৭ নং আয়াতে আল্লাহ বেলেন
فَكَيْفَ تَتَّقُونَ إِن
كَفَرْتُمْ يَوْمًا يَجْعَلُ الْوِلْدَانَ شِيبًا
كَفَرْتُمْ يَوْمًا يَجْعَلُ الْوِلْدَانَ شِيبًا
অতএব, তোমরা
কিরূপে আত্নরক্ষা করবে যদি তোমরা সেদিনকে অস্বীকার কর, যেদিন
বালককে করে দিব বৃদ্ধ? [ সুরা
মুযযাম্মিল ৭৩:১৭ ]
কিরূপে আত্নরক্ষা করবে যদি তোমরা সেদিনকে অস্বীকার কর, যেদিন
বালককে করে দিব বৃদ্ধ? [ সুরা
মুযযাম্মিল ৭৩:১৭ ]
#কলিজা বের হয়ে যাওয়ার উপক্রম হবে-
وَأَنذِرْهُمْ
يَوْمَ الْآزِفَةِ إِذِ الْقُلُوبُ لَدَى الْحَنَاجِرِ كَاظِمِينَ مَا
لِلظَّالِمِينَ مِنْ حَمِيمٍ وَلَا شَفِيعٍ يُطَاعُ
يَوْمَ الْآزِفَةِ إِذِ الْقُلُوبُ لَدَى الْحَنَاجِرِ كَاظِمِينَ مَا
لِلظَّالِمِينَ مِنْ حَمِيمٍ وَلَا شَفِيعٍ يُطَاعُ
আপনি তাদেরকে আসন্ন দিন সম্পর্কে সতর্ক করুন, যখন
প্রাণ কন্ঠাগত হবে, দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে। পাপিষ্ঠদের জন্যে কোন বন্ধু নেই
এবং সুপারিশকারীও নেই; যার সুপারিশ গ্রাহ্য হবে। [ সুরা মু’মিন
৪০:১৮ ]
প্রাণ কন্ঠাগত হবে, দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে। পাপিষ্ঠদের জন্যে কোন বন্ধু নেই
এবং সুপারিশকারীও নেই; যার সুপারিশ গ্রাহ্য হবে। [ সুরা মু’মিন
৪০:১৮ ]
#বন্ধুরা একে অপরের শত্রু হয়ে যাবে
الْأَخِلَّاء
يَوْمَئِذٍ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّ إِلَّا الْمُتَّقِينَ
يَوْمَئِذٍ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّ إِلَّا الْمُتَّقِينَ
# সেদিন নিজ সন্তান স্ত্রী আত্মিয়কে নিজের শাস্তির বদলে জাহান্নামে দিয়ে নিজে বাঁচতে চাইবে
يُبَصَّرُونَهُمْ يَوَدُّ
الْمُجْرِمُ لَوْ يَفْتَدِي مِنْ عَذَابِ يَوْمِئِذٍ بِبَنِيهِ
الْمُجْرِمُ لَوْ يَفْتَدِي مِنْ عَذَابِ يَوْمِئِذٍ بِبَنِيهِ
যদিও একে অপরকে দেখতে পাবে। সেদিন গোনাহগার ব্যক্তি পনস্বরূপ
দিতে চাইবে তার সন্তান-সন্ততিকে, [ সুরা মা’য়ারিজ
৭০:১১ ]
দিতে চাইবে তার সন্তান-সন্ততিকে, [ সুরা মা’য়ারিজ
৭০:১১ ]
وَصَاحِبَتِهِ وَأَخِيهِ
وَفَصِيلَتِهِ الَّتِي
تُؤْويهِ
تُؤْويهِ
وَمَن فِي الْأَرْضِ
جَمِيعًا ثُمَّ يُنجِيهِ
جَمِيعًا ثُمَّ يُنجِيهِ
# আকাশ ফেটে লাল চামড়ার মত হয়ে যাবে
فَإِذَا انشَقَّتِ السَّمَاء
فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ
فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ
#সুয আলোহিন হয়ে যাবে
إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ
#চন্দ্র আলোহিন হবে চাঁদ সুরজ একত্রিত হয়ে যাবে
وَخَسَفَ الْقَمَرُ
وَجُمِعَ الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ
# তারকারাজি
আলোহিন হবে নক্ষত্রসমুহ ঝড়ে ঝড়ে পড়বে
আলোহিন হবে নক্ষত্রসমুহ ঝড়ে ঝড়ে পড়বে
فَإِذَا النُّجُومُ طُمِسَتْ
وَإِذَا النُّجُومُ
انكَدَرَتْ
انكَدَرَتْ
وَإِذَا الْكَوَاكِبُ
انتَثَرَتْ
انتَثَرَتْ
#সেদিন
পৃথিবী প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে, তার ভান্ডারসমুহ উম্মুক্ত করে দিবে, পৃথিবী
হবে মসৃন সমতল কোন মোড় থাকবে না
পৃথিবী প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে, তার ভান্ডারসমুহ উম্মুক্ত করে দিবে, পৃথিবী
হবে মসৃন সমতল কোন মোড় থাকবে না
إِذَا رُجَّتِ الْأَرْضُ
رَجًّا
رَجًّا
إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ
زِلْزَالَهَا
زِلْزَالَهَا
وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ
أَثْقَالَهَا
أَثْقَالَهَا
فَيَذَرُهَا قَاعًا
صَفْصَفًا
صَفْصَفًا
لَا تَرَى فِيهَا عِوَجًا
وَلَا أَمْتًا
وَلَا أَمْتًا
#পাহাড়সমুহ ভেঙ্গে চুরমার হবে, ধুনিত রঙ্গিন পশমের মত হবে
وَبُسَّتِ الْجِبَالُ بَسًّا
فَكَانَتْ هَبَاء مُّنبَثًّا
وَتَكُونُ الْجِبَالُ
كَالْعِهْنِ الْمَنفُوشِ
كَالْعِهْنِ الْمَنفُوشِ
#নবী করিম (দঃ) সিঙ্গার আওয়াজ শুনলে (হাসবুনাল্লাহু
ওয়া নেমাল ওকীল) বলার
নির্দেশ দিয়েছেন
ওয়া নেমাল ওকীল) বলার
নির্দেশ দিয়েছেন
# ইবনে মাযাহ শরীফের হাদীস নবীজি বলেন শুক্রবার দিনেই কিয়ামত হবে, তাই শুক্রবার দিন আকাশ বাতাস পবত সমুদ্র পাহাড় আল্লাহর ভয়ে ভীত হয়।
# সিঙ্গার ফুৎকার হবে ২টি ১ম ফুৎকারের পর সকল প্রাণী মারা যাবে,
# ১ম ফুৎকারের পর আল্লাহ পৃথিবীর অহংকারী বাদশাদের ডাক দিয়ে বলবেন আজ গৌরব অহংকার কারীরা কোথায়?
৩ বার প্রশ্ন করে জবাব দিবেন (লিল্লাহি
ওয়াহিদিল কাহহার) আজ
একমাত্র মহাপরাক্রান্ত আল্লাহরই রাজত্বী
ওয়াহিদিল কাহহার) আজ
একমাত্র মহাপরাক্রান্ত আল্লাহরই রাজত্বী
#২য় ফুৎকারের পর দলে দলে সব লোক আল্লাহর আদালতে উপস্থিত হবে প্রথমে নবীগন কবর থেকে উঠবেন।
وَيَوْمَ يُنفَخُ فِي
الصُّورِ فَفَزِعَ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَمَن فِي الْأَرْضِ إِلَّا مَن شَاء
اللَّهُ وَكُلٌّ أَتَوْهُ دَاخِرِينَ
الصُّورِ فَفَزِعَ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَمَن فِي الْأَرْضِ إِلَّا مَن شَاء
اللَّهُ وَكُلٌّ أَتَوْهُ دَاخِرِينَ
যেদিন সিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে, অতঃপর
আল্লাহ যাদেরকে ইচ্ছা করবেন, তারা
ব্যতীত নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যারা আছে, তারা
সবাই ভীতবিহ্বল হয়ে পড়বে এবং সকলেই তাঁর কাছে আসবে বিনীত অবস্থায়। [ সুরা নাম’ল
২৭:৮৭ ]
আল্লাহ যাদেরকে ইচ্ছা করবেন, তারা
ব্যতীত নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যারা আছে, তারা
সবাই ভীতবিহ্বল হয়ে পড়বে এবং সকলেই তাঁর কাছে আসবে বিনীত অবস্থায়। [ সুরা নাম’ল
২৭:৮৭ ]
# প্রত্যেকে নিজ নিজ কবর থেকে বের হবেন, যাকে
কোন প্রাণী খেয়ে ফেলেছিল সে ঐ প্রাণীর
পেট থেকে বের হবে।
কোন প্রাণী খেয়ে ফেলেছিল সে ঐ প্রাণীর
পেট থেকে বের হবে।
#লোকেরা স্ব স্ব কবর থেকে উলঙ্গ, খালী
পা, ও খতনাবীহিন
অবস্থায় উঠবে- আয়শা
প্রশ্ন করল সেদিন একে অপরকে দেখবে না? নবীজি বললেন (এয়া আয়েশাতা আল আমরু আশাদ্দু মিন আইয়্যানজুরু বাদুহুম ইলা বাআদ) হে আয়শা সেদিন এত ভয়াবহ অবস্থা হবে একে অপরের দিকে তাকানোর হুশ থাকবে না ( মুসলিম)
পা, ও খতনাবীহিন
অবস্থায় উঠবে- আয়শা
প্রশ্ন করল সেদিন একে অপরকে দেখবে না? নবীজি বললেন (এয়া আয়েশাতা আল আমরু আশাদ্দু মিন আইয়্যানজুরু বাদুহুম ইলা বাআদ) হে আয়শা সেদিন এত ভয়াবহ অবস্থা হবে একে অপরের দিকে তাকানোর হুশ থাকবে না ( মুসলিম)
৭
প্রকার লোক হাশরের মাঠে আরশের ছায়া পাবেনঃ
প্রকার লোক হাশরের মাঠে আরশের ছায়া পাবেনঃ
১)
ন্যায় পরায়ন বাদশা
ন্যায় পরায়ন বাদশা
২)
যৌবনকালে এবাদতকারী
যৌবনকালে এবাদতকারী
৩)যার
অন্তর মসজিদে আকৃষ্ট
অন্তর মসজিদে আকৃষ্ট
৪)
আল্লাহর জন্য পরস্পরকে ভালবাসা
আল্লাহর জন্য পরস্পরকে ভালবাসা
৫)
সুন্দরী নারীর পাপের কাজের আহ্বানকে আল্লাহর ভয়ে প্রত্যাখান করে
সুন্দরী নারীর পাপের কাজের আহ্বানকে আল্লাহর ভয়ে প্রত্যাখান করে
৬) গোপনে দান সদকাকারী
৭)একাকী আল্লাহর স্মরণে অশ্রু ঝড়ায় এমন
ব্যক্তি।
ব্যক্তি।
#অভাবী ঋণ গ্রহীতাকে ঋণ
পরিশোধে সময় দানকারী হাশরের মাঠে আরশের ছায়া পাবেন (তিরমিযি)
পরিশোধে সময় দানকারী হাশরের মাঠে আরশের ছায়া পাবেন (তিরমিযি)
কারা
নবীর কাছে ও নবী থেকে দুরে থাকবে?
নবীর কাছে ও নবী থেকে দুরে থাকবে?
#উত্তম চরিত্রের লোকেরা
হাশরের মাঠে নবীর খুব কাছে থাকবে আর যারা বেশী কথা বলে, ঠাট্টা বিদ্রুপ করে এবং অহংকার করে কেয়ামতের
দিন মহানবীর কাছ থেকে অনেক দুরে থাকবে (তিরমিযি)
হাশরের মাঠে নবীর খুব কাছে থাকবে আর যারা বেশী কথা বলে, ঠাট্টা বিদ্রুপ করে এবং অহংকার করে কেয়ামতের
দিন মহানবীর কাছ থেকে অনেক দুরে থাকবে (তিরমিযি)
কাদেরকে
উন্নত পোষাক পরাবেন?
উন্নত পোষাক পরাবেন?
# যারা আল্লাহর প্রতি নম্রতা
বশত দুনিয়ায় তৌফিক থাকা সত্বেও সাদাসিধা পোষাক পরিধান করেন তাদেরকে হাশরের মাঠে যে
যেমন চায় তেমন পোষাক পরানো হবে (তিরমিযি)
বশত দুনিয়ায় তৌফিক থাকা সত্বেও সাদাসিধা পোষাক পরিধান করেন তাদেরকে হাশরের মাঠে যে
যেমন চায় তেমন পোষাক পরানো হবে (তিরমিযি)
নবীজি
উম্মতকে কেমনে চিনবে?
উম্মতকে কেমনে চিনবে?
# হাশরের মাঠে ঈমানদারদে
অজুর অঙ্গসমুহ সাদা শুভ্রু হবে তা দেখে নবীজি উম্মতদেরকে চিনতে পারবেন। (বুখারী)
অজুর অঙ্গসমুহ সাদা শুভ্রু হবে তা দেখে নবীজি উম্মতদেরকে চিনতে পারবেন। (বুখারী)
কার গ’লা লম্বা?
# আযান দাতা কেয়ামতের দিন
লম্বা গর্দানের অধিকারী হবেন (ইবনে মাযা)
লম্বা গর্দানের অধিকারী হবেন (ইবনে মাযা)
পছন্দমত
হুর কারা পাবে?
হুর কারা পাবে?
# প্রতিশোধ নেয়ার ক্ষমতা
থাকা সত্বেও যে প্রতিশোধ নেয়নি এমন ব্যক্তিকে হাশরের মাঠে তার পছন্দ মত হুর দেয়া
হবে (আহমদ)
থাকা সত্বেও যে প্রতিশোধ নেয়নি এমন ব্যক্তিকে হাশরের মাঠে তার পছন্দ মত হুর দেয়া
হবে (আহমদ)
হাশরের
মাঠে ইমানদারদের অবস্থা
মাঠে ইমানদারদের অবস্থা
# কাফের মুশরিকদের কাছে হাশরের মাঠের অর্ধেক দিন ৫০ হাজার বছরের মত মনে হবে
# হাশরের মাঠে ৫০ হাজার
বছরের দীর্ঘ সময় ইমানদারদের জন্য ১ ঘন্টার মত মনে হবে। (তাবরানি)
বছরের দীর্ঘ সময় ইমানদারদের জন্য ১ ঘন্টার মত মনে হবে। (তাবরানি)
# হাশরের মাঠের কষ্ট
ঈমানদারদের কাছে সামান্য সর্দির মত কষ্ট মনে হবে
ঈমানদারদের কাছে সামান্য সর্দির মত কষ্ট মনে হবে
# হাশরের মাঠে ঈমানদারদে
চেহেরা হাসিখুশি আলোকোজ্জল থাকবে
চেহেরা হাসিখুশি আলোকোজ্জল থাকবে
(উজুহুই এয়াউমা ইজিন
মুসফিরাহ, দোয়াহিকাতুন মুছতাবশিরা) সুরা আবাসা
মুসফিরাহ, দোয়াহিকাতুন মুছতাবশিরা) সুরা আবাসা
#ঈমানদারগন দাড়ী বিহিন গোফ বিহিন, লাজুক
চোখ নিয়ে ৩০ বছরের যুবকের মত কবর থেকে বের হবে।
চোখ নিয়ে ৩০ বছরের যুবকের মত কবর থেকে বের হবে।
হাশরের মাঠে কে কি অবস্থায় উত্থিত হবে
#প্রত্যেক লোক যে অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছিল সে অবস্থায় কবর থেকে বের হবে, কেও নিজের ছুরি নিজে খেয়ে আত্মহত্যা করেছে সে নিজেকে নিজে ছুরি মারত থাকবে,
#শহিদ রক্ত ঝড়া অবস্থায় উত্থীত হবে, তার রক্তের রং লাল হবে তবে তার ঘ্রাণ হবে কস্তুরীর সুঘ্রাণ (বুখারী)
# হজ্ব অবস্থায় যারা মৃত্যু বরণ করেছে তারা তলবিয়া পাঠ করতে করতে উঠবে
# মৃতের জন্য যারা বিলাপ করে কাঁদত তারা কেয়ামতের দিন কবর থেকে প্রচন্ড ভাবে শরীর চুলকাতে চুলকাতে উঠবে যাতে তার শরীর যখম হবে (মুসলিম)
#সুয ১ মাইল
দুরে অবস্থান করবেন মানুষ স্ব স্ব আমল অনুযায়ী ঘামে ডুবে যাবে
দুরে অবস্থান করবেন মানুষ স্ব স্ব আমল অনুযায়ী ঘামে ডুবে যাবে
হাশরে কাফের মুনাফেকরা
কিভাবে লাঞ্চীত হবে
কিভাবে লাঞ্চীত হবে
# কিছু লোকের চেহেরা থাকবে
আনন্দিত
আনন্দিত
# কিছু লোকের চেহেরা থাকবে
লাঞ্চিত অপমানিত, আনন্দিত চেহেরা ওয়ালাদের
দেখে তারা আরো অপমান বোধ করবে।
লাঞ্চিত অপমানিত, আনন্দিত চেহেরা ওয়ালাদের
দেখে তারা আরো অপমান বোধ করবে।
# সকলে পোষাক হীন অবস্থায়
উঠবে
উঠবে
# প্রথম হযরত ইবরাহিম (আঃ) এরপর
আম্বিয়াগন, শহিদ, নেককার গনকে পোষাক দেয়া হবে
আম্বিয়াগন, শহিদ, নেককার গনকে পোষাক দেয়া হবে
# কাফের, ফাসেক, মুশরিকরা
পোষাক পাবে না ফলে তারা অপমানিত হবে
পোষাক পাবে না ফলে তারা অপমানিত হবে
#কাফেররা অন্ধ ও চেহারার
উপর ভর করে হাশরের ময়দানে উপস্থিত হবে
উপর ভর করে হাশরের ময়দানে উপস্থিত হবে
হাদীসে এসেছে: আনাস রা.
থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কিয়ামতের দিন কাফেরদের কিভাবে চেহারার উপর
উপুর করে উঠানো হবে? তিনি বললেন: যে মহান সত্ত্বা দুনিয়াতে দু পা দিয়ে চলাচল করিয়েছেন, তিনি কি
কিয়ামতের দিন মুখ-মন্ডল দিয়ে চলাচল করাতে পারবেন না? কাতাদা বললেন : অবশ্যই তিনি পারবেন, মহান রবের
সম্মানের কসম করে বলছি। (বুখারী ও মুসলিম)
থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কিয়ামতের দিন কাফেরদের কিভাবে চেহারার উপর
উপুর করে উঠানো হবে? তিনি বললেন: যে মহান সত্ত্বা দুনিয়াতে দু পা দিয়ে চলাচল করিয়েছেন, তিনি কি
কিয়ামতের দিন মুখ-মন্ডল দিয়ে চলাচল করাতে পারবেন না? কাতাদা বললেন : অবশ্যই তিনি পারবেন, মহান রবের
সম্মানের কসম করে বলছি। (বুখারী ও মুসলিম)
# অপমানিতরা ক্ষুধার্থ
পিপাশায় কাতর থাকবে, ঘামতে থাকবে, সুর্য ১ মাইল দুরে থাকবে অন্যদিকে কিছু লোককে
আরশের ছায়ায় আনন্দিত অবস্থায় দেখে তারা আরো বেশী অপমানিত হবে।
পিপাশায় কাতর থাকবে, ঘামতে থাকবে, সুর্য ১ মাইল দুরে থাকবে অন্যদিকে কিছু লোককে
আরশের ছায়ায় আনন্দিত অবস্থায় দেখে তারা আরো বেশী অপমানিত হবে।
# কেয়ামতের মাঠে সকলকে সেজদা
দিতে বলা হবে সকলে সিজদা করবে কিন্তু অপমানিতরা সিজদা করতে পারবে না ফলে তাঁদের
লাঞ্চনা ও অপমান আরো বেড়ে যাবে
দিতে বলা হবে সকলে সিজদা করবে কিন্তু অপমানিতরা সিজদা করতে পারবে না ফলে তাঁদের
লাঞ্চনা ও অপমান আরো বেড়ে যাবে
يَوْمَ يُكْشَفُ عَن سَاقٍ وَيُدْعَوْنَ
إِلَى السُّجُودِ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ
গোছা পর্যন্ত
পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না। [ সুরা কালাম ৬৮:৪২ ]
পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না। [ সুরা কালাম ৬৮:৪২ ]
خَاشِعَةً أَبْصَارُهُمْ
تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ وَقَدْ كَانُوا يُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ وَهُمْ
سَالِمُونَ
تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ وَقَدْ كَانُوا يُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ وَهُمْ
سَالِمُونَ
তাদের
দৃষ্টি অবনত থাকবে; তারা
লাঞ্ছনাগ্রস্ত হবে, অথচ যখন
তারা সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, তখন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হত। [ সুরা কালাম ৬৮:৪৩ ]
দৃষ্টি অবনত থাকবে; তারা
লাঞ্ছনাগ্রস্ত হবে, অথচ যখন
তারা সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, তখন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হত। [ সুরা কালাম ৬৮:৪৩ ]
#
যারা
যাকাত দেয় না তাদেরকে সোনা চান্দিকে গরম করে ছেকা দেয়া হবে যার কষ্ট ৫০ হাজার বছর
থাকবে। যারা পশুর যাকাত দেয় না তাদেরকে সেদিন সে পশুগুলি পদদলিত করবে ফলে তাদের
লঞ্চনার শেষ থাকবে না
যারা
যাকাত দেয় না তাদেরকে সোনা চান্দিকে গরম করে ছেকা দেয়া হবে যার কষ্ট ৫০ হাজার বছর
থাকবে। যারা পশুর যাকাত দেয় না তাদেরকে সেদিন সে পশুগুলি পদদলিত করবে ফলে তাদের
লঞ্চনার শেষ থাকবে না
# সুদ খোরেরা হাশরের মাঠে
মাতালের মত ৫০ হাজার বছর এদিক সেদিক ঘুরতে থাকবে যেমন সুরা বাকারার ২৭৫ নং আয়াতে
আছে
মাতালের মত ৫০ হাজার বছর এদিক সেদিক ঘুরতে থাকবে যেমন সুরা বাকারার ২৭৫ নং আয়াতে
আছে
الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبَا لاَ يَقُومُونَ
إِلاَّ
إِلاَّ
كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ
الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ
الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ
যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়।
#হত্যাকারীর মাথা নিয়ে
নিহত ব্যক্তি হাশরের মাঠে উপস্থিত হবে। (তিরমিযি) যা হত্যাকারীর জন্য অপমান ও
লঞ্চনার কারন হবে
নিহত ব্যক্তি হাশরের মাঠে উপস্থিত হবে। (তিরমিযি) যা হত্যাকারীর জন্য অপমান ও
লঞ্চনার কারন হবে
#জমিন ছিনিয়ে নিলে ৭ তবক জমিন ছিনতাইকারীর গলায় ঝুলিয়ে দেয়া হবে
(বুখারী) যা যবরদখলকারীর জন্য সাংঘাতিক লঞ্চনাদায়ক হবে।
(বুখারী) যা যবরদখলকারীর জন্য সাংঘাতিক লঞ্চনাদায়ক হবে।
# জালেম হাশরের মাঠে শুধু
অন্ধকার দেখতে পাবে, সেখানে সে তার কোন সাহায্যকারীকে খুজে পাবে না। (বুখারী)
অন্ধকার দেখতে পাবে, সেখানে সে তার কোন সাহায্যকারীকে খুজে পাবে না। (বুখারী)
#নেতাদেরকে হাশরের মাঠে
তাদের হাত গর্দানের সাথে বাঁধা অবস্থায় নিয়ে আসা হবে।(আহমদ)
তাদের হাত গর্দানের সাথে বাঁধা অবস্থায় নিয়ে আসা হবে।(আহমদ)
# অহংকারীদের সাইজ হবে
পিপঁড়ার মত, তবে চেহেরা হবে মানুষের মত, ফলে তাকে লঞ্চনা চেঁপে ধরবে। (তিরমিযি)
পিপঁড়ার মত, তবে চেহেরা হবে মানুষের মত, ফলে তাকে লঞ্চনা চেঁপে ধরবে। (তিরমিযি)
# ওয়াদা ভঙ্গকারীদের পিঠে
পতাকা লাগানো থাকবে ফলে সকলে মুঝবে কে কি ধরনের ওয়াদা ভঙ্গ করেছে। (মুসলিম)
পতাকা লাগানো থাকবে ফলে সকলে মুঝবে কে কি ধরনের ওয়াদা ভঙ্গ করেছে। (মুসলিম)
# ভিক্ষুক- আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে
বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি সবসময় মানুষের কাছে চাইতে
থাকে, সে কিয়ামতের দিন এমনভাবে উপস্থিত হবে যে, তার চেহারায় কোন গোশত থাকবেনা (বুখারী)
বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি সবসময় মানুষের কাছে চাইতে
থাকে, সে কিয়ামতের দিন এমনভাবে উপস্থিত হবে যে, তার চেহারায় কোন গোশত থাকবেনা (বুখারী)
# একাধিক স্ত্রীর সাথে যারা সমতা বিধান করে না তাঁরা
কেয়ামতের দিন অর্ধশরীর
অকেজু অবস্থায় উত্থিত হবে। (আবু দাউদ)
কেয়ামতের দিন অর্ধশরীর
অকেজু অবস্থায় উত্থিত হবে। (আবু দাউদ)
# চোর হাশরের মাঠে চুরির মাল কাঁধে নিয়ে
উপস্থিত হবে
উপস্থিত হবে
# বেনামাজিরা হাশরের মাঠে কারুন হামান
ফেরাউন উবাই বিন খালফ এর সাথে থাকবে
ফেরাউন উবাই বিন খালফ এর সাথে থাকবে
#কুরআন ভুলে যাওয়ার জন্যে হাশরের ময়দানে কঠোর শাস্তি : যে
কুরআন শরিফ ভুলে গেছে তার কঠিন অবস্থা হবে। হযরত সাদ ইবনে ওবাদা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ
সা. ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি কুরআন শরিফ পড়েছে, অতঃপর (অলসতা অমনোযোগিতার কারণে) ভুলে গেছে, সে কুষ্ঠ রোগে
আক্রান্ত অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করবে। (মেশকাত শরিফ)
কুরআন শরিফ ভুলে গেছে তার কঠিন অবস্থা হবে। হযরত সাদ ইবনে ওবাদা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ
সা. ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি কুরআন শরিফ পড়েছে, অতঃপর (অলসতা অমনোযোগিতার কারণে) ভুলে গেছে, সে কুষ্ঠ রোগে
আক্রান্ত অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করবে। (মেশকাত শরিফ)
কাদের সাথে সেদিন
আল্লাহ কথা বলবেন না
#অহংকার বশত টাখনার নিচে কাপড় পরিধান
কারীর সাথে আল্লাহ কেয়ামতের দিন কথা বলবেন না, অনুগ্রহ করে খোটা দাতার সাথেও কথা
বলবেন না, মিথ্যা কসম করে মাল বিক্রী কারীর সাথেও কথা বলবেন না
কারীর সাথে আল্লাহ কেয়ামতের দিন কথা বলবেন না, অনুগ্রহ করে খোটা দাতার সাথেও কথা
বলবেন না, মিথ্যা কসম করে মাল বিক্রী কারীর সাথেও কথা বলবেন না
যাদের প্রতি আল্লাহ দৃষ্টিপাত করবেন না
#পিতা মাতার অবাধ্য (নাসাই)
#দাইউস (নাসাই)
#মহিলা পুরুষের পুরুষ মহিলার মত চলা
(নাসাই)
(নাসাই)
# বৃদ্ধ যেনাকারী (মুসলিম)
#শাসক তার অধিনস্থদের সাথে মিথ্যা বলা
(মুসলিম)
(মুসলিম)
#অভাবী অবস্থায় গৌরব করা (মুসলিম)
হাশরের ময়দানে পাঁচটি প্রশ্নের
জওয়াব : হাশরের ময়দানে ৫টি
সুওয়ালের জাওয়াব না দেয়া পর্যন্ত কেউই তার ক্বদম নড়াতে পারবে না। রাসূল স. এরশাদ
করেন, হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার কোনো সন্তান অর্থাৎ কোনো মানুষ হাশরের ময়দানে তার
ক্বদম নড়াতে পারবে না ৫টি প্রশ্নের বা সুওয়ালের জাওয়াব না দেয়া পর্যন্ত। (এক) তার
হায়াতে জিন্দেগী কিভাবে সে অতিবাহিত করেছে। (দুই) তার যৌবনকাল কিভাবে সে কাটিয়েছে।
(তিন) তার অর্থ-সম্পদ কিভাবে সে উপার্জন ও অর্জন করেছে। (চার) তার উপার্জিত ও
অর্জিত অর্থ-সম্পদ কোন পথে সে ব্যয় করেছে। (পাঁচ) সে যে ইলম অর্জন করেছে তাদনুযায়ী
সে কি আমল করেছে। এই পাঁচটি সুওয়ালের জাওয়াব না দেয়া পর্যন্ত সে তার ক্বদম নড়াতে
পারবে না। কাজেই, পুরুষ-মহিলা প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার ইন্তিকালের পূর্বে হায়াতের মধ্যেই উক্ত
সুওয়ালের জাওয়াব সমূহ ঠিক করে নিতে হবে। অন্যথায় কঠিন অবস্থার সম্মুখীন হতে হবে।
জওয়াব : হাশরের ময়দানে ৫টি
সুওয়ালের জাওয়াব না দেয়া পর্যন্ত কেউই তার ক্বদম নড়াতে পারবে না। রাসূল স. এরশাদ
করেন, হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার কোনো সন্তান অর্থাৎ কোনো মানুষ হাশরের ময়দানে তার
ক্বদম নড়াতে পারবে না ৫টি প্রশ্নের বা সুওয়ালের জাওয়াব না দেয়া পর্যন্ত। (এক) তার
হায়াতে জিন্দেগী কিভাবে সে অতিবাহিত করেছে। (দুই) তার যৌবনকাল কিভাবে সে কাটিয়েছে।
(তিন) তার অর্থ-সম্পদ কিভাবে সে উপার্জন ও অর্জন করেছে। (চার) তার উপার্জিত ও
অর্জিত অর্থ-সম্পদ কোন পথে সে ব্যয় করেছে। (পাঁচ) সে যে ইলম অর্জন করেছে তাদনুযায়ী
সে কি আমল করেছে। এই পাঁচটি সুওয়ালের জাওয়াব না দেয়া পর্যন্ত সে তার ক্বদম নড়াতে
পারবে না। কাজেই, পুরুষ-মহিলা প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার ইন্তিকালের পূর্বে হায়াতের মধ্যেই উক্ত
সুওয়ালের জাওয়াব সমূহ ঠিক করে নিতে হবে। অন্যথায় কঠিন অবস্থার সম্মুখীন হতে হবে।

Beautiful recitation of sura al maun
উত্তরমুছুনhttps://youtu.be/Akf7ioadgzI