ভারাইল! এমন দৃশ্য বিশ্ব মিডিয়া আগে দেখেনি। Islamic World News|| Ja al haq
সারা দুনিয়ায় যে কয়জন
পৃথিবীর সামনে কলমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন তাদের মধ্যে আরো
একজনের নাম গত ৯ জানুয়ারী ২০২০ সালে সংযুক্ত হল, সে সৌভাগ্যবান লোকটির সাথে আজ আমি
আপনাদেরকে পরিচয় করিয়ে দিব।
পৃথিবীর সামনে কলমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন তাদের মধ্যে আরো
একজনের নাম গত ৯ জানুয়ারী ২০২০ সালে সংযুক্ত হল, সে সৌভাগ্যবান লোকটির সাথে আজ আমি
আপনাদেরকে পরিচয় করিয়ে দিব।
আশ্চর্য্যের
বিষয় হল উনার যে বতাকা বা আইডি কাড সে আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার দিনও ছিল ৯ জানুয়ারী ২০২০ সালে আর সেদিনই তিনি একটি মজলিশে
কোরান ও হাদীসের আলোকে বক্তব্য দিচ্ছিলেন,
বিষয় হল উনার যে বতাকা বা আইডি কাড সে আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার দিনও ছিল ৯ জানুয়ারী ২০২০ সালে আর সেদিনই তিনি একটি মজলিশে
কোরান ও হাদীসের আলোকে বক্তব্য দিচ্ছিলেন,
যার
সৌভাগ্যশীল হওয়ার সু সংবাদ আমাদের প্রিয় নবী (দঃ) দিয়ে গেছেন- এরশাদ করেন (মান কানা
আখিরু কালামিহি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু দাখালাল জান্নাহ) যে ব্যক্তির আখেরী কালাম লা
ইলাহা ইল্লাল্লাহ হবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
সৌভাগ্যশীল হওয়ার সু সংবাদ আমাদের প্রিয় নবী (দঃ) দিয়ে গেছেন- এরশাদ করেন (মান কানা
আখিরু কালামিহি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু দাখালাল জান্নাহ) যে ব্যক্তির আখেরী কালাম লা
ইলাহা ইল্লাল্লাহ হবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
ফিলিস্তিনের
সাথে সম্পকিত এই দাঈর নাম শাইখ আবদুল লতিফ আবদুল বাকি। যাকে মানুষ আবু খেতাব । তিনি
ফিলিস্তিনের নাগরিক। তাঁর কাছে জর্ডানের ন্যাশনালিটিও আছে। কিন্তু কয়ে বছর যাবৎ তিনি
কুয়েতে অবস্থান করছেন।সেখানেই তিনি দাওয়াতে ইসলামীর কাজ করে আসছেন।
সাথে সম্পকিত এই দাঈর নাম শাইখ আবদুল লতিফ আবদুল বাকি। যাকে মানুষ আবু খেতাব । তিনি
ফিলিস্তিনের নাগরিক। তাঁর কাছে জর্ডানের ন্যাশনালিটিও আছে। কিন্তু কয়ে বছর যাবৎ তিনি
কুয়েতে অবস্থান করছেন।সেখানেই তিনি দাওয়াতে ইসলামীর কাজ করে আসছেন।
আজও
এই মজলিশে তিনি স্বামী স্ত্রীর হকসমুহের ব্যপারে বয়ান করছিলেন। যেহেতু মজলিশটি পুরুষের
সাথে ছিল তাই তিনি নিজ নিজ স্ত্রীর সাথে ভাল ব্যবহারের ব্যপারে বয়ান করছিলেন।
এই মজলিশে তিনি স্বামী স্ত্রীর হকসমুহের ব্যপারে বয়ান করছিলেন। যেহেতু মজলিশটি পুরুষের
সাথে ছিল তাই তিনি নিজ নিজ স্ত্রীর সাথে ভাল ব্যবহারের ব্যপারে বয়ান করছিলেন।
এমনকি
তিনি শেষ মুহুতে এ কথা বলছেন যে হুযুর (দঃ) তাঁর ওফাত তাঁর বিবির সংস্পশে পান। অথচ
তিনি অনেক জিহাদও করেছেন কিন্তু হুযুরের ওফাত কোন যুদ্ধে হয়নি। বরং স্ত্রীর সান্নিধ্যে
হয়েছে। তিনি লোকদের এটাই বুঝাতে চাচ্ছেন হুযুর নিজের স্ত্রীদের কতটা মহব্বত করতেন।
তিনি আরো বলেন নবী (আঃ) স্ত্রীগন যখন কোন সওয়ারীর উপর সওয়ার হতেন তখন নবী (আঃ) নিজের
রানের উপর টেক লাগানোর জন্য পা নিচু করে বিছিয়ে দিতেন যেন উম্মাহাতুল মুমিনিন সওয়ারীতে
চরতে পারেন।
তিনি শেষ মুহুতে এ কথা বলছেন যে হুযুর (দঃ) তাঁর ওফাত তাঁর বিবির সংস্পশে পান। অথচ
তিনি অনেক জিহাদও করেছেন কিন্তু হুযুরের ওফাত কোন যুদ্ধে হয়নি। বরং স্ত্রীর সান্নিধ্যে
হয়েছে। তিনি লোকদের এটাই বুঝাতে চাচ্ছেন হুযুর নিজের স্ত্রীদের কতটা মহব্বত করতেন।
তিনি আরো বলেন নবী (আঃ) স্ত্রীগন যখন কোন সওয়ারীর উপর সওয়ার হতেন তখন নবী (আঃ) নিজের
রানের উপর টেক লাগানোর জন্য পা নিচু করে বিছিয়ে দিতেন যেন উম্মাহাতুল মুমিনিন সওয়ারীতে
চরতে পারেন।
প্রিয়
নবীর স্ত্রীদের সাথে কি দারুন হুসনে সুলুক ছিল তাই তিনি বয়ান করছিলেন । আমাদেরও নবীর
উম্মত হিসেবে নবীজিকে ফলো করা উচিত। এসব হাদীস বয়ান করছিলেন, আর হঠাৎ করে বক্তব্যের
বাঝে উঁচু আওয়াজে বলে উঠলেন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আর সাথে সাথে তিনি ঢলে পড়লেন মৃত্যুর
কোলে।
নবীর স্ত্রীদের সাথে কি দারুন হুসনে সুলুক ছিল তাই তিনি বয়ান করছিলেন । আমাদেরও নবীর
উম্মত হিসেবে নবীজিকে ফলো করা উচিত। এসব হাদীস বয়ান করছিলেন, আর হঠাৎ করে বক্তব্যের
বাঝে উঁচু আওয়াজে বলে উঠলেন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আর সাথে সাথে তিনি ঢলে পড়লেন মৃত্যুর
কোলে।
তিনি
কেমন খোশ কিচমত লোক যিনি প্রিয় নবীর আখেরী শ্বাস কোন হালতে গিয়েছে তা বয়ান করতে করতে,
কলমা পড়তে পড়তেই সকলের সামনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল।
কেমন খোশ কিচমত লোক যিনি প্রিয় নবীর আখেরী শ্বাস কোন হালতে গিয়েছে তা বয়ান করতে করতে,
কলমা পড়তে পড়তেই সকলের সামনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল।
উনি
শেষ সময়ে কুয়েতে অবস্থান করছিলেন, জডানের নাগরিক আর যেদিন উনার ইন্তেকাল হয়েছে সেদিনই
উনার আইডি কাডের মেয়াদের শেষ দিন ছিল। উনার জন্ম তারিখ লেখা হয়েছে ১৯৪১সালে।
আল্লাহ আমাদেরকেও কলমাশেষ সময়ে কুয়েতে অবস্থান করছিলেন, জডানের নাগরিক আর যেদিন উনার ইন্তেকাল হয়েছে সেদিনই
উনার আইডি কাডের মেয়াদের শেষ দিন ছিল। উনার জন্ম তারিখ লেখা হয়েছে ১৯৪১সালে।
নসিব করুন। কলমা পড়তে পড়তে মৃত্যু বরণ করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

কোন মন্তব্য নেই