২ টি নতুন মাসায়ালার ইসলামী সমাধান। জুমা ও ওমরাহ। Bangla Islamic Question...
প্রশ্নঃ ডেনমার্ক থেকে একজন প্রশ্ন
করেছেন ডেনমার্কের সরকার বড় ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করেছেন। এই সার্কুলারের কারনে আমরা
জুমার নামাজে বড় ধরনের জমায়েত করতে পারছি না। এ অবস্থায় আমরা কি করব?
করেছেন ডেনমার্কের সরকার বড় ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করেছেন। এই সার্কুলারের কারনে আমরা
জুমার নামাজে বড় ধরনের জমায়েত করতে পারছি না। এ অবস্থায় আমরা কি করব?
দেখুন বর্তমানে করোনা ভাইরাসের
কারনে অনেক দেশেই জুমার নামাজের জমায়েতের উপর সরকারী ভাবে নিষেধাজ্ঞা জারী করেছেন.
কারনে অনেক দেশেই জুমার নামাজের জমায়েতের উপর সরকারী ভাবে নিষেধাজ্ঞা জারী করেছেন.
ইরাকের নগরী কারবালা এবং উত্তরাঞ্চলীয় কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায় জুমার নামাজ বাতিল করা হয়েছে
চীন ও ইতালির পর করোনা ভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ইরান এমন পরিস্থিতিতে শুক্রবার দেশটির বড় শহরগুলোতে জুমার নামাজ বাতিল করা হয়।
লেবাননে মসজিদগুলোতে
জুমার
নামাজ
সাময়িকভাবে
স্থগিত
করা
হয়েছে।
জুমার
নামাজ
সাময়িকভাবে
স্থগিত
করা
হয়েছে।
এভাবে ইতালি সহ অসংখ্য দেশেই
জুমার নামাজে জমায়েত হওয়া থেকে মানুষ বিরত থাকছে এখন এসব দেশের মুসলমানদের প্রশ্ন তারা
এ পরিস্থিতিতে কি করবে?
জুমার নামাজে জমায়েত হওয়া থেকে মানুষ বিরত থাকছে এখন এসব দেশের মুসলমানদের প্রশ্ন তারা
এ পরিস্থিতিতে কি করবে?
এই সমস্যার সমাধানে ফোকাহায়ে
কেরাম বলেন- মসজিদে কোন শরীয়তের গ্রহণযোগ্য কারন ছাড়া জুমা বন্ধ রাখা উচিত নয়। কিন্তু
সরকারীভাবে যেহেতু সে সব দেশে সার্কুলার জারি করেছে সে হিসেবে যে দেশে আপনি আছেন সে
দেশের আইন মান্য করা আপনার জন্য ওয়াজিব। যদি বড় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকে তাহলে
সাধারণ লোকদেরকে মসজিদে জুমার নামাজে আসতে নিষেধ করে দেন, জুমার জন্য শর্ত হল ইমাম
সাহেব ছাড়া কমপক্ষে ৩ জন্ মুক্তাদি উপস্থিত থাকতে হবে সুতরাং মসজিদে শুধু ইমাম সাহেব
ছাড়া কমপক্ষে ৩ জন লোক উপস্থিত হয়ে জুমার নামাজ
যথা নিয়মে আদায় করে নিবেন। এই সিস্টেমে জুমাও মসজিদে চালু থাকল এবং আপনার দেশের সরকার
যে সার্কুলার জারি করেছে তাও পালন হয়ে যাবে। আর যারা জুমার সময় মসজিদে আসতে পারলেন
না তারা ঘরে জোহরের নামাজ আদায় করে নিবেন।
কেরাম বলেন- মসজিদে কোন শরীয়তের গ্রহণযোগ্য কারন ছাড়া জুমা বন্ধ রাখা উচিত নয়। কিন্তু
সরকারীভাবে যেহেতু সে সব দেশে সার্কুলার জারি করেছে সে হিসেবে যে দেশে আপনি আছেন সে
দেশের আইন মান্য করা আপনার জন্য ওয়াজিব। যদি বড় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকে তাহলে
সাধারণ লোকদেরকে মসজিদে জুমার নামাজে আসতে নিষেধ করে দেন, জুমার জন্য শর্ত হল ইমাম
সাহেব ছাড়া কমপক্ষে ৩ জন্ মুক্তাদি উপস্থিত থাকতে হবে সুতরাং মসজিদে শুধু ইমাম সাহেব
ছাড়া কমপক্ষে ৩ জন লোক উপস্থিত হয়ে জুমার নামাজ
যথা নিয়মে আদায় করে নিবেন। এই সিস্টেমে জুমাও মসজিদে চালু থাকল এবং আপনার দেশের সরকার
যে সার্কুলার জারি করেছে তাও পালন হয়ে যাবে। আর যারা জুমার সময় মসজিদে আসতে পারলেন
না তারা ঘরে জোহরের নামাজ আদায় করে নিবেন।
প্রশ্নঃ ওমরার জেয়ারতকারী এহরাম
পরিধান করে মক্কায় পৌঁছে গেল, কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখল ওমরা করার সকল রাস্তা বন্ধ।
এখন যারা ওমরার এহরাম ও নিয়ত করে ফেলেছেন তাঁদের জন্য করনীয় কি?
পরিধান করে মক্কায় পৌঁছে গেল, কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখল ওমরা করার সকল রাস্তা বন্ধ।
এখন যারা ওমরার এহরাম ও নিয়ত করে ফেলেছেন তাঁদের জন্য করনীয় কি?
এর জবাবে ফোকাহায়ে কেরাম বলেন-
যদি কেহ এহরামের অবস্থায় মক্কায় পৌঁছে বা ওমরার নিয়ত করে ফেলে কিন্তু কোন কারনে যদি
সে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় তাকে ইসলামী পরীভাষায় মুহছর বলে। এহছার অথ হল বাঁধা দেয়া আর মুহছর
অথ যাকে বাঁধা দেয়া হয়েছে। এ ধরনের ব্যক্তির জন্য সমাধান হল যা হুদায়বিয়ার সন্ধীর সময়
আমাদের প্রিয় নবী করিম (দঃ) এর সাথে হয়েছে। আমাদের প্রিয় নবী মক্কা বিজয়ের আগে যখন
ওমরা করতে গেলেন তখন হুদায়বিয়া ময়দানে মক্কার কাফেরেরা মুসলমানদেরকে বাঁধা প্রদান করে
এবং বলে আমরা আপনাদেরকে মক্কায় প্রবেশ করতে দিব না। তখন একটি চুক্তি হল যে মুসলমানরা
এ বছর ওমরা না করে মদীনায় ফিরে যাবে পরের বছর ওমরা করতে আসবে। এই সময় নবী করিম (দঃ)
সকল সাহাবাদের নির্দেশ দিলেন তারা যেন সকলের সাথে থাকা যে দমের প্রাণী আছে তা হেরেমের
সীমানায় গিয়ে যেন তা জবেহ করে দেয়, সকলে তাই করল এরপর নবী করিম (দঃ) ফরমালেন এবার তোমরা
এহরাম থেকে মুক্ত হয়ে গেলে। সুতরাং কেহ যদি এহরাম অবস্থায় মক্কায় পৌঁছে যায় সে যদি
কোন কারনে বাঁধাগ্রস্থ হয় ওমরা করতে না পারে সে যেন কাফফারা স্বরূপ কোন দুম্বা বা ছাগল
জবেহ করিয়ে দেয়, এরপর মাথা মুন্ডিয়ে এহরাম থেকে মুক্ত হয়ে যায়। এরপর পরবর্তীতে যদি
কোন সময় আবার সুযোগ ও সামর্থ থাকে সে যেন পুনরায় তা পরবর্তীতে আদায় করে।
যদি কেহ এহরামের অবস্থায় মক্কায় পৌঁছে বা ওমরার নিয়ত করে ফেলে কিন্তু কোন কারনে যদি
সে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় তাকে ইসলামী পরীভাষায় মুহছর বলে। এহছার অথ হল বাঁধা দেয়া আর মুহছর
অথ যাকে বাঁধা দেয়া হয়েছে। এ ধরনের ব্যক্তির জন্য সমাধান হল যা হুদায়বিয়ার সন্ধীর সময়
আমাদের প্রিয় নবী করিম (দঃ) এর সাথে হয়েছে। আমাদের প্রিয় নবী মক্কা বিজয়ের আগে যখন
ওমরা করতে গেলেন তখন হুদায়বিয়া ময়দানে মক্কার কাফেরেরা মুসলমানদেরকে বাঁধা প্রদান করে
এবং বলে আমরা আপনাদেরকে মক্কায় প্রবেশ করতে দিব না। তখন একটি চুক্তি হল যে মুসলমানরা
এ বছর ওমরা না করে মদীনায় ফিরে যাবে পরের বছর ওমরা করতে আসবে। এই সময় নবী করিম (দঃ)
সকল সাহাবাদের নির্দেশ দিলেন তারা যেন সকলের সাথে থাকা যে দমের প্রাণী আছে তা হেরেমের
সীমানায় গিয়ে যেন তা জবেহ করে দেয়, সকলে তাই করল এরপর নবী করিম (দঃ) ফরমালেন এবার তোমরা
এহরাম থেকে মুক্ত হয়ে গেলে। সুতরাং কেহ যদি এহরাম অবস্থায় মক্কায় পৌঁছে যায় সে যদি
কোন কারনে বাঁধাগ্রস্থ হয় ওমরা করতে না পারে সে যেন কাফফারা স্বরূপ কোন দুম্বা বা ছাগল
জবেহ করিয়ে দেয়, এরপর মাথা মুন্ডিয়ে এহরাম থেকে মুক্ত হয়ে যায়। এরপর পরবর্তীতে যদি
কোন সময় আবার সুযোগ ও সামর্থ থাকে সে যেন পুনরায় তা পরবর্তীতে আদায় করে।

কোন মন্তব্য নেই