জুমার খুতবা। ২০ মার্চ ২০২০। মহামারীতে গাইডলাইন। দোয়া আমলসমুহ। মসজিদে সতক...
রজব মাসের ৪র্থ খুতবা
মহামারী ও মৃত্যুর ভয়ে পালানো,
মহামারীর সময় করনীয়
মহামারীতে মসজিদে কিভাবে আসবেন
তুহফাতিল মুমিনিল মউত
মুমিনের তোহফা বা উপহার হল মৃত্যু
এ হাদীস খানা বুঝার জন্য আরো ১টি হাদীস জানতে হবে তাহল নবীয়ে আকরাম (দঃ) এরশাদ করেন দুনিয়া মুমিনের জন্য কয়েদখানা এবং কাফেরের জন্য জান্নাত।
অপর এক হাদীসে আছে (আল মাউতু কাফফারাতু লি কুল্লি মুসলিম) মৃত্যু প্রত্যেক মুসলমানের জন্য গুনাহের কাফফারা স্বরুপ।
এ হাদীস বুঝা আরো সহজ হয় আরেকটি হাদীস দ্বারা তাহল নবী করিম (দঃ) এরশাদ করেন মুমিনের জিন্দেগীতে যতগুলি কষ্ট পেরেশানি আসে যদি ১টি কাঁটাও বিধে তা তাঁর গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়। যদি সামান্য ক্লান্তিও আসে তার বদলায়ও আল্লাহ তায়ালা গুনাহ মাফ করে দেন। এটাও উল্লেখ আছে (হাত্তাল হাম্মু এয়াহুম্মুহু) এমনকি যদি কোন চিন্তায়ও লিপ্ত হয় তার দ্বারাও গুনাহের কাফফারা হয়।
সুতরাং এই রকম ছোট ছোট দুঃখ কষ্ট পেরেশানীর কারনে যদি গুনাহ মাফ হয়, তাহলে চিন্তা করুন দুনিয়ায় সবচেয়ে বড় কষ্টদায়ক বস্তু হল মৃত্যু আর সে মৃত্যু যন্ত্রনা যখন মুমিনের উপর আসে সেটার বদলায় আল্লাহ তাঁর মুমিন মুসলমান বান্দার গুনাহসমুহ মাফ করে দেন।
যন্ত্রনাছাড়া মৃত্যুতে ফজিলত নাকি যন্ত্রনাদায়ক মৃত্যুতেই ফজিলত ?
হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন আমি যখন কাউকে দেখি যে তার মৃত্যু খুবই সহজভাবে হয়েছে, তখন তাঁর প্রতি আমার ঈর্ষা জাগে না, কেননা আমি রাসুলুল্লাহ (দঃ) কে দেখেছি হুযুরের শেষ মুহুর্তের অবস্থা দেখেছি যে হুযুরের পাশে পানি ভর্তি পেয়ালা রাখা হয়েছে তাতে হুযুর হাত রাখতেন আর পানি দিয়ে নিজের চেহেরা বার বার মাসেহ করতেন। হযরত ফাতেমা (রাঃ) হুযুরের এ যন্ত্রনার দৃশ্য দেখে সহ্য করতে পারছিলনা। হযরত আয়শা বলেন যদি সহজে মৃত্যু এসে যাওয়া কষ্ট ছাড়া মরে যাওয়া যদি কোন ফজিলতের কারন হত তাহলে অবশ্যই অবশ্যই রাসুলুল্লাহ (দঃ) এর শেষ মুহুর্ত এত যন্ত্রনা হতনা।
এ হাদীস থেকে আমরা মোটামোটি এ কথাই বুঝতে পারলাম মৃত্যুর সময় যন্ত্রনা হওয়াটাই হল ফজিলতের, সহজ যন্ত্রনাবিহিন মৃত্যুর কোন ফজিলত নাই।
তবে কোন কোন হাদীসে আছে- মুমিনের মৃত্যু খুবই সহজ হয়। মুমিনের রুহ অত্যন্ত সহজ ভাবে কবজ হয়ে যায়। মুমিনের মৃত্যু এমন ভাবে হয় যেন কোন রেশমি কাপড়ের ভিতর করে কিছু তুলে নিয়ে যাওয়া হয়, যার ফলে কোন কষ্ট হয়না, আর কাফেরের মৃত্যু এমনভাবে হয় যেমন কোন কাপড়কে কাটার উপর দিয়ে নিয়ে যায়।কাটার উপর দিয়ে কাপড় নিয়ে যেতে যেমন তেমনি কাফেরর মৃত্যু।
এ হাদীসে দেখা যায় মুমিনের মৃত্যু সহজ কাফেরের মৃত্যু কঠিন, অন্যদিকে হযরত আয়শা (রাঃ) হাদীস দ্বারা বুঝা যায় মুমিনের মৃত্যুতে কষ্ট থাকে কাফেরের মৃত্যুতে কষ্ট থাকে না।
২টি হাদীসের মধ্যে সামাঞ্জস্য এভাবে হয় তা হল- মুমিনের মৃত্যুতে যে কষ্টের কথা হযরত আয়শা বলেছেন তা হল মুলত মৃত্যুর আগে রোগের কারনে কষ্ট। আর মুমিনের রুহ যখন কবজ হয় সেটা অত্যন্ত আরাম দায়ক ও সম্পূর্ণ কষ্টছাড়া হয়। আর মৃত্যুর পূর্বে আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাকে এইজন্য কষ্ট দেন যেন সে বান্দা সকল গুনাহ থেকে পাক সাফ হয়ে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হয়।
সুতরাং মৃত্যু হল মুমিনের জন্য তোহফা- কারন এর পর আর কোন পেরেশানী নাই, কোন দুঃখ নাই।
আল্লাহর কাছে যে তোহফা চাওয়ার অনুমতি নাই
অনেকে প্রশ্ন করেন- মৃত্যু তোহফা হলে সে তোহফা জলদি জলদি পাওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা উচিত, এ ব্যপারে ইসলামী শরীয়তের বিধান হল এটা এমন এক তোহফা এমন এক উপহার যা আল্লাহ তায়ালা যখন ইচ্ছা তখন দিবেন, এই তোহফা বা উপহার চাওয়ার অনুমতি কারো নাই। কারন এই মৃত্যু তখনই তোহফা হবে যখন জিন্দেগী আল্লাহর দেয়া বিধান মত চলবে, আর যদি জিন্দেগী আল্লাহর নাফরমানিতে কাটে তাহলে মৃত্যু আর তোহফা হিসেবে আসবে না।
কষ্টে মৃত্যু কামনা করা কেমন?
অনেকে দুনিয়ার কষ্টে, রোগের কষ্টে, পেরেশানিতে পরে মৃত্যু কামনা করে, এটা জায়েজ নাই। হুযুর (দঃ) অত্যন্ত কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন- তিনি এরশাদ করেন (লা এতামান্না আহাদুকুমুল মাউতা) অথ্যাৎ কোন কষ্টের কারনে আল্লাহর কাছে তোমরা মৃত্যু কামনা করিও না।
আপনার শ্বাস প্রশ্বাস যতক্ষন আছে ততক্ষন আপনি এবাদত, তেলাওয়াত, জিকির, দান সদকার মাধ্যমে নিজের আমলনামায় নেকিকে সমৃদ্ধ করতে পারবেন, কিন্তু মৃত্যু কামনা করার ফলে যদি সত্যি সত্যি মৃত্যু এসে যায় তাহলেতো আপনার নেকির খাতা বন্ধ হয়ে যাবে। তাই জীবনের হায়াতের প্রতিটি মুহুর্তের মূল্য দিতে হবে।
মৃত্যু কামনায় দোয়া না করে অন্য ১টি দোয়া করতে পারেন
যা খোদ হুযুর আকরাম (দঃ) করেছেন
(আল্লাহুম্মা আহিয়িনি মা আলিমতাল হায়াতা খাইরাল লি ওয়াতাওয়াফ্ফানি ইজা আলিমতাল ওয়াফাতা খাইরাল লি- ওয়াইজা আরাফতা বিকাউমিন ফিতনাতান ফাতাওয়াফ্ফানি ইলাইকা গাইরা মাফতুন) হে আল্লাহ আমাকে সে সময় পর্যন্ত জীবিত রাখ, যতক্ষন আপনার নিকট আমি জীবিত থাকাটা উত্তম হবে, আর যখন আমার জন্য মৃত্যু বরণ করা উত্তম হবে হে আল্লাহ আমাকে সে সময়টাতে মৃত্যু দান করুন। আর হে আল্লাহ আপনি কোন জাতিকে ফিতনায় লিপ্ত করার ইচ্ছা করেন আমাকে সে ফিতনা আসার আগে আগে আপনার দিকে ডেকে নিন। যাতে আমি সে ফিতনার মধ্যে না পরি।
সুতরাং কেহ মৃত্যু কামনা করতে পারবে না। মৃত্যু কামনা করা হল আল্লাহ ও রাসুলের সাথে নাফরমানি করা।
সারা বিশ্বে যে দুর্যুগ চলছে তাতে আমাদের করনীয় কি?
প্রথমত- প্রত্যেকে নিজ নিজ দেশের সরকারের যে সব সতর্কতামুলক সিদ্ধান্ত জানাচ্ছেন সে সব সতর্কতা মুলক সিদ্ধান্ত পালন করা।
দ্বিতীয়ত- অনেক দেশে মসজিদসমুহ বন্ধ ঘোষনা করেছে, সে সব দেশে আমাদের প্রবাসী ভায়েরা আছেন তাঁদের উচিত প্রবাসে থাকা অবস্থায় সেখানকার সরকারের নির্দেশিকা পালন করা । ৫ ওয়াক্ত নামাজে মসজিদ খোলা না থাকলে ঘরে কয়েকজন মিলে জামাতে পরা, জুমার নামাজের দিনও মসজিদ বন্ধ থাকলে ঘরে জুমার পরিবর্তে জোহর পরা।
নামাজের জামাত ও জুমা বন্ধ করা কি জায়েজ?
অনেকে মহামারী থেকে
বাঁচতে ভাইরাস থেকে বাঁচতে মসজিদ বন্ধ করাকে জায়েজ বললেও অনেকেই এর বিরোধিতা করে
বলেন-
বাঁচতে ভাইরাস থেকে বাঁচতে মসজিদ বন্ধ করাকে জায়েজ বললেও অনেকেই এর বিরোধিতা করে
বলেন-
ইউরোপের দেশসমুহে মসজিদ
বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, কারন সেখানে মুসলমানদের আইন চলেনা, কিন্তু দুঃখের বিষয় হল
মুসলিম অধ্যুশিত সৌদি আরব, দুবাই, কুয়েত
কাতারেও মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হয়, জুমার নামাজ বন্ধ করে দেয়া হয়,
বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, কারন সেখানে মুসলমানদের আইন চলেনা, কিন্তু দুঃখের বিষয় হল
মুসলিম অধ্যুশিত সৌদি আরব, দুবাই, কুয়েত
কাতারেও মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হয়, জুমার নামাজ বন্ধ করে দেয়া হয়,
পাকিস্তানের গ্রান্ড
মুফতি মুনিবুর রহমান এ বিষয়ে একটি ফতোয়াও পাবলিষ্ট করেন- তিনি বলেন যে কোন দ্বীনি
বিষয়ে আল্লাহ ও রাসুলের পরিস্কার হকুম আছে সে বিষয়ে কোন ধরনের এজতেহাদ চলে না,
সবক্ষেত্রে আল্লাহর হকুমকে আমাদের প্রাধান্য দিতে হবে। মুফতি সাহেব স্পষ্ট বলেন
কুরান ও হাদীসের আলোকে এ কথা সুস্পষ্ট যে মসজিদে জামাত এবং জুমা কোন ভাবেই বন্ধ
করা যাবে না।
মুফতি মুনিবুর রহমান এ বিষয়ে একটি ফতোয়াও পাবলিষ্ট করেন- তিনি বলেন যে কোন দ্বীনি
বিষয়ে আল্লাহ ও রাসুলের পরিস্কার হকুম আছে সে বিষয়ে কোন ধরনের এজতেহাদ চলে না,
সবক্ষেত্রে আল্লাহর হকুমকে আমাদের প্রাধান্য দিতে হবে। মুফতি সাহেব স্পষ্ট বলেন
কুরান ও হাদীসের আলোকে এ কথা সুস্পষ্ট যে মসজিদে জামাত এবং জুমা কোন ভাবেই বন্ধ
করা যাবে না।
ভাইরাস ছড়াতে পারে এটা হল
সন্দেহ, আর বিপদ হওয়ার আশংকায় সন্দেহের ভিত্তিতে জামাত ত্যাগ করা কখনো জায়েজ নয়
সন্দেহ, আর বিপদ হওয়ার আশংকায় সন্দেহের ভিত্তিতে জামাত ত্যাগ করা কখনো জায়েজ নয়
কারন যুদ্ধের ময়দানে
সম্মুখ বিপদের সামনে থাকাকালীন শত্রুর সামনে যুদ্ধ রত অবস্থাতেও নামাজের জামাত
আল্লাহ মাফ করেননি, যেমন সুরা নিসার ১০২ নং আয়াতে বলেন
সম্মুখ বিপদের সামনে থাকাকালীন শত্রুর সামনে যুদ্ধ রত অবস্থাতেও নামাজের জামাত
আল্লাহ মাফ করেননি, যেমন সুরা নিসার ১০২ নং আয়াতে বলেন
وَإِذَا
كُنتَ فِيهِمْ فَأَقَمْتَ لَهُمُ الصَّلاَةَ فَلْتَقُمْ طَآئِفَةٌ مِّنْهُم
مَّعَكَ وَلْيَأْخُذُواْ أَسْلِحَتَهُمْ فَإِذَا سَجَدُواْ فَلْيَكُونُواْ مِن
وَرَآئِكُمْ وَلْتَأْتِ طَآئِفَةٌ أُخْرَى لَمْ يُصَلُّواْ فَلْيُصَلُّواْ مَعَكَ
وَلْيَأْخُذُواْ حِذْرَهُمْ وَأَسْلِحَتَهُمْ وَدَّ الَّذِينَ كَفَرُواْ لَوْ
تَغْفُلُونَ عَنْ أَسْلِحَتِكُمْ وَأَمْتِعَتِكُمْ فَيَمِيلُونَ عَلَيْكُم
مَّيْلَةً وَاحِدَةً
كُنتَ فِيهِمْ فَأَقَمْتَ لَهُمُ الصَّلاَةَ فَلْتَقُمْ طَآئِفَةٌ مِّنْهُم
مَّعَكَ وَلْيَأْخُذُواْ أَسْلِحَتَهُمْ فَإِذَا سَجَدُواْ فَلْيَكُونُواْ مِن
وَرَآئِكُمْ وَلْتَأْتِ طَآئِفَةٌ أُخْرَى لَمْ يُصَلُّواْ فَلْيُصَلُّواْ مَعَكَ
وَلْيَأْخُذُواْ حِذْرَهُمْ وَأَسْلِحَتَهُمْ وَدَّ الَّذِينَ كَفَرُواْ لَوْ
تَغْفُلُونَ عَنْ أَسْلِحَتِكُمْ وَأَمْتِعَتِكُمْ فَيَمِيلُونَ عَلَيْكُم
مَّيْلَةً وَاحِدَةً
যখন আপনি তাদের মধ্যে থাকেন, অতঃপর নামাযে দাঁড়ান, তখন যেন একদল দাঁড়ায় আপনার সাথে এবং তারা যেন স্বীয় অস্ত্র সাথে নেয়। অতঃপর যখন তারা সেজদা সম্পন্ন করে, তখন আপনার কাছ থেকে যেন সরে যায় এবং অন্য দল যেন আসে, যারা নামায পড়েনি। অতঃপর তারা যেন আপনার সাথে নামায পড়ে এবং আত্মরক্ষার হাতিয়ার সাথে নেয়। কাফেররা চায় যে, তোমরা কোন রূপে অসতর্ক থাক, যাতে তারা একযোগে তোমাদেরকে আক্রমণ করে বসে। [ সুরা নিসা ৪:১০২ ]
সুতরাং যেখানে দুষমন সামনে দাঁড়ানো আছে
নিশ্চিত হামলা করবে সেখানে জামাত যেহেতু মাফ করা হয়নি, তাহলে একটা ভাইরাসের আক্রমন
হতে পারে যা নিশ্চিত নয় এমন সন্দেহজনক কারনে জামাত ও জুমা কখনো মাফ হতে পারে না।
নিশ্চিত হামলা করবে সেখানে জামাত যেহেতু মাফ করা হয়নি, তাহলে একটা ভাইরাসের আক্রমন
হতে পারে যা নিশ্চিত নয় এমন সন্দেহজনক কারনে জামাত ও জুমা কখনো মাফ হতে পারে না।
মুফতি মুনিবুর রহমান আরো বলেন ইসলাম অবশ্যই একটি উপকারী ধর্ম- তাই
এমন সময় যারা জ্বর, সদি, কাশির রোগী তারা মসজিদে না যাওয়াটা উত্তম, যা আমাদের
বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়,
এমন সময় যারা জ্বর, সদি, কাশির রোগী তারা মসজিদে না যাওয়াটা উত্তম, যা আমাদের
বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়,
মুফতি সাহেব আরো বলেন- যারা সুস্থ তারা ঘর থেকে ভালভাবে সাবান দিয়ে
হাত মুখ ধুয়ে অজু করে ঘরে সুন্নত সমুহ পড়ে মসজিদে গিয়ে শুধু জামাতে নামাজ আদায়
করবে এই সতর্কতা পালন করা জায়েজ, সম্পূর্ণ রুপে মসজিদ বন্ধ করে দেয়া জামাত বাতিল
করে দেয়া, জুমা বাতিল করে দেয়া সরাসরি আল্লাহর হকুমের অমান্য করার শামিল হবে।
হাত মুখ ধুয়ে অজু করে ঘরে সুন্নত সমুহ পড়ে মসজিদে গিয়ে শুধু জামাতে নামাজ আদায়
করবে এই সতর্কতা পালন করা জায়েজ, সম্পূর্ণ রুপে মসজিদ বন্ধ করে দেয়া জামাত বাতিল
করে দেয়া, জুমা বাতিল করে দেয়া সরাসরি আল্লাহর হকুমের অমান্য করার শামিল হবে।
সে মুফতি আরো বলেন-
সরকার যদি কোন হকুম দেয় তা যদি আল্লাহর হকুমের বিপরীত না হয় তাতে
অবশ্যই মুসলমানরা একমত হবে কিন্তু যখন সরকারের কোন হকুম আল্লাহর হকুমের বিপরীত হয়ে
যায় তখন সে হকুম পালনে মুসলমানরা বাধ্য নয়। যেমন সরকার স্কুল মাদ্রাসা বন্ধ করতে
বলেছেন সকলে বন্ধ করে দিয়েছে এতে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য হয়নি, কিন্তু যদি সরকার
বলে মসজিদ বন্ধ করে দাও জামাত বন্ধ করে দাও জুমা বন্ধ করে দাও তখন সেটা হবে
আল্লাহর হকুমের বিপরীত তখন সে হকুম পালন করতে আমরা মুসলমানরা বাধ্য নই। যেমন
বর্ণিত আছে (লা তোয়াতা লিমাখলুকিন ফি মাসিয়াতিল্লাহ) অথ্যাৎ যাতে স্রষ্ট্রার
বিরোধীতা দেখা যায় তাতে সৃষ্টির অনুসরন করা যাবে না।
অবশ্যই মুসলমানরা একমত হবে কিন্তু যখন সরকারের কোন হকুম আল্লাহর হকুমের বিপরীত হয়ে
যায় তখন সে হকুম পালনে মুসলমানরা বাধ্য নয়। যেমন সরকার স্কুল মাদ্রাসা বন্ধ করতে
বলেছেন সকলে বন্ধ করে দিয়েছে এতে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য হয়নি, কিন্তু যদি সরকার
বলে মসজিদ বন্ধ করে দাও জামাত বন্ধ করে দাও জুমা বন্ধ করে দাও তখন সেটা হবে
আল্লাহর হকুমের বিপরীত তখন সে হকুম পালন করতে আমরা মুসলমানরা বাধ্য নই। যেমন
বর্ণিত আছে (লা তোয়াতা লিমাখলুকিন ফি মাসিয়াতিল্লাহ) অথ্যাৎ যাতে স্রষ্ট্রার
বিরোধীতা দেখা যায় তাতে সৃষ্টির অনুসরন করা যাবে না।
আজ নাস্তিকরা বিভিন্ন
আরব দেশে মসজিদসমুহ বন্ধ করে দেয়ায় খুশী প্রকাশ করছে, যা খুবই দুঃখজনক। তাই আমাদের
আল্লাহ হকুমের অবাধ্য হওয়া কিছুতেই জায়েজ হবে না, তবে যে সব বিষয় মুস্তাহাব যেমন
কারো সাথে মুছাফাহা করা, কোলাকুলি করা এসব যেহেতু মুস্তাহাব তা থেকে বিরত থাকাতে
তেমন ক্ষতি নাই।
আরব দেশে মসজিদসমুহ বন্ধ করে দেয়ায় খুশী প্রকাশ করছে, যা খুবই দুঃখজনক। তাই আমাদের
আল্লাহ হকুমের অবাধ্য হওয়া কিছুতেই জায়েজ হবে না, তবে যে সব বিষয় মুস্তাহাব যেমন
কারো সাথে মুছাফাহা করা, কোলাকুলি করা এসব যেহেতু মুস্তাহাব তা থেকে বিরত থাকাতে
তেমন ক্ষতি নাই।
তৃতীয়ত- বেশী বেশী দোয়া করা, আর বেশী বেশী গুনাহ মাফ চাওয়া, অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে নিজের কৃত সকল গুনাহ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেয়া।
চতুথত- কেহ কোন টাকা পয়সা পাওনা থাকলে তা দিয়ে দেয়া, কারো উপর কোন অন্যায় জুলুম করলে তার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেয়া।
পঞ্চমত- স্বাস্থ্য বিভাগ যে সব সতর্কতা অবলম্বন করতে বলছেন তা যদি আল্লাহর হকুমের
বিরোধী না হয় তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা।
বিরোধী না হয় তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে কিছু উপদেশ দিচ্ছে। আসুন, জেনে নেওয়া যাক।
১. বারবার হাত ধোয়া
নিয়মিত এবং ভালো করে বারবার হাত ধোবেন (অন্তত ২০ সেকেন্ড যাবৎ)। কেন? এ কথা প্রমাণিত যে সাবান–পানি দিয়ে ভালো করে হাত ধুলে এই ভাইরাসটি হাত থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। হাতে ময়লা বা নোংরা দেখা না গেলেও বারবার হাত ধুতে পারেন। তবে বিশেষ করে হাত ধোবেন অসুস্থ ব্যক্তির পরিচর্যার পর, হাঁচি–কাশি দেওয়ার পর, খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের আগে, টয়লেট ব্যবহারের পর, পশুপাখির পরিচর্যার পর।
নিয়মিত এবং ভালো করে বারবার হাত ধোবেন (অন্তত ২০ সেকেন্ড যাবৎ)। কেন? এ কথা প্রমাণিত যে সাবান–পানি দিয়ে ভালো করে হাত ধুলে এই ভাইরাসটি হাত থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। হাতে ময়লা বা নোংরা দেখা না গেলেও বারবার হাত ধুতে পারেন। তবে বিশেষ করে হাত ধোবেন অসুস্থ ব্যক্তির পরিচর্যার পর, হাঁচি–কাশি দেওয়ার পর, খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের আগে, টয়লেট ব্যবহারের পর, পশুপাখির পরিচর্যার পর।
২. দূরে থাকুন
এই সময় যেকোনো সর্দি–কাশি, জ্বর বা অসুস্থ ব্যক্তির কাছ থেকে অন্তত এক মিটার বা ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন। কেন? আর সব ফ্লুর মতোই এই রোগও কাশির ক্ষুদ্র ড্রপলেট বা কণার মাধ্যমে অন্যকে সংক্রমিত করে। তাই যিনি কাশছেন, তাঁর থেকে দূরে থাকাই ভালো। ইতিমধ্যে আক্রান্ত এমন ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। অসুস্থ পশুপাখি থেকে দূরে থাকুন।
এই সময় যেকোনো সর্দি–কাশি, জ্বর বা অসুস্থ ব্যক্তির কাছ থেকে অন্তত এক মিটার বা ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন। কেন? আর সব ফ্লুর মতোই এই রোগও কাশির ক্ষুদ্র ড্রপলেট বা কণার মাধ্যমে অন্যকে সংক্রমিত করে। তাই যিনি কাশছেন, তাঁর থেকে দূরে থাকাই ভালো। ইতিমধ্যে আক্রান্ত এমন ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। অসুস্থ পশুপাখি থেকে দূরে থাকুন।
৩. নাক–মুখ স্পর্শ নয়
হাত দিয়ে আমরা সারা দিন নানা কিছু স্পর্শ করি। সেই বস্তু থেকে ভাইরাস হাতে লেগে যেতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে কখনো নাক–মুখ–চোখ স্পর্শ করবেন না।
হাত দিয়ে আমরা সারা দিন নানা কিছু স্পর্শ করি। সেই বস্তু থেকে ভাইরাস হাতে লেগে যেতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন। অপরিষ্কার হাত দিয়ে কখনো নাক–মুখ–চোখ স্পর্শ করবেন না।
৪. কাশির আদব মেনে চলুন
কাশি বা হাঁচি দেওয়ার সময় নাক, মুখ রুমাল বা টিস্যু, কনুই দিয়ে ঢাকুন। টিস্যুটি ঠিক জায়গায় ফেলুন।
কাশি বা হাঁচি দেওয়ার সময় নাক, মুখ রুমাল বা টিস্যু, কনুই দিয়ে ঢাকুন। টিস্যুটি ঠিক জায়গায় ফেলুন।
৫. প্রয়োজনে
ঘরে থাকুন
অসুস্থ হলে ঘরে থাকুন, বাইরে যাওয়া অত্যাবশ্যক হলে নাক-মুখ ঢাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার করুন।
ঘরে থাকুন
অসুস্থ হলে ঘরে থাকুন, বাইরে যাওয়া অত্যাবশ্যক হলে নাক-মুখ ঢাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার করুন।
৬. খাবারের
ক্ষেত্রে সাবধানতা
কাঁচা মাছ–মাংস আর রান্না করা খাবারের জন্য আলাদা চপিং বোর্ড, ছুরি ব্যবহার করুন। কাঁচা মাছ–মাংস ধরার পর ভালো করে সাবান–পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন। ভালো করে সেদ্ধ করে রান্না করা খাবার গ্রহণ করুন। অসুস্থ প্রাণী কোনোমতেই খাওয়া যাবে না।
ক্ষেত্রে সাবধানতা
কাঁচা মাছ–মাংস আর রান্না করা খাবারের জন্য আলাদা চপিং বোর্ড, ছুরি ব্যবহার করুন। কাঁচা মাছ–মাংস ধরার পর ভালো করে সাবান–পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন। ভালো করে সেদ্ধ করে রান্না করা খাবার গ্রহণ করুন। অসুস্থ প্রাণী কোনোমতেই খাওয়া যাবে না।
৭. ভ্রমণে
সতর্ক থাকুন
জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বিদেশভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকুন এবং অন্য দেশ থেকে প্রয়োজন ছাড়া বাংলাদেশ ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করুন। অত্যাবশ্যকীয় ভ্রমণে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
সতর্ক থাকুন
জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বিদেশভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকুন এবং অন্য দেশ থেকে প্রয়োজন ছাড়া বাংলাদেশ ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করুন। অত্যাবশ্যকীয় ভ্রমণে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
৮. অভ্যর্থনায়
সতর্কতা
কারও সঙ্গে হাত মেলানো (হ্যান্ড শেক), কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন
সতর্কতা
কারও সঙ্গে হাত মেলানো (হ্যান্ড শেক), কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন
মহামারীতে সবচেয়ে বেশী
যে বিষয়টি প্রত্যেকের জন্য খুবই উপকারী তা হল আমার নবীর শিক্ষা, আর তা হল যে
যেখানে আছেন সেখানে অবস্থান করা, মহামারী ও মৃত্যুর ভয়ে পালিয়ে না আসা-
যে বিষয়টি প্রত্যেকের জন্য খুবই উপকারী তা হল আমার নবীর শিক্ষা, আর তা হল যে
যেখানে আছেন সেখানে অবস্থান করা, মহামারী ও মৃত্যুর ভয়ে পালিয়ে না আসা-
মহানবী (দঃ) এরশাদ করেন যখন কোন এলাকায় মহামারী হয় বাহিরের লোক সে এলাকায় প্রবেশ করিও না এবং সে এলাকার লোক বাহিরে বের হবে না, তাহলে সে মহামারী আর ছড়াতে পারবে না।
আজকে দেখুন বাংলাদেশে এই রোগ কয়দিন আগেও ছিলনা কিন্তু কিছু দেশের প্রবাসী ভায়েরা আসার পর এ রোগ আমাদের দেশেও বিস্তার লাভ করছে।
প্রবাসীরা ভয়ে পালিয়ে আসছে অথচ মুমিন মুসলমান মৃত্যুকে ভয় পাওয়া উচিত
নয় যেমন-
নয় যেমন-
পবিত্র কুরআনের এ আয়াতগুলি দ্বারাও বুঝা যায় মৃত্যু মুমিনের জন্য বড়ই উপহার
আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন -
يَا أَيَّتُهَا النَّفْسُ
الْمُطْمَئِنَّةُ
হে প্রশান্ত মন, [ সুরা ফা’জর ৮৯:২৭ ]
ارْجِعِي إِلَى رَبِّكِ
رَاضِيَةً مَّرْضِيَّةً
رَاضِيَةً مَّرْضِيَّةً
তুমি তোমার পালনকর্তার নিকট ফিরে যাও সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে। [ সুরা ফা’জর ৮৯:২৮ ]
فَادْخُلِي فِي عِبَادِي
অতঃপর আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও। [ সুরা ফা’জর ৮৯:২৯ ]
وَادْخُلِي جَنَّتِي
এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ কর। [ সুরা ফা’জর ৮৯:৩০ ]
সুতরাং মৃত্যু যখন আসার তখনই আসবে, আর সে মৃত্যু আসার আগে আগেই আমলনামা ভরপুর করে ফেলুন, যখন আল্লাহর মর্জি তখন যদি মৃত্যু আসে তাকে মুচকি হাসির মাধ্যমে স্বাগতম জানাও।
যে কারণে মৃত্যুকে বেশি স্মরণ করবেন
>> কুরআনে আল্লাহ তাআলা মৃত্যুকে একটি সুনিশ্চিত বিষয় হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। আর একজন মুসলিমের জন্য করণীয় বিষয় হলো বেশি বেশি মৃত্যুর কথা স্মরণ করা। সব সময় মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকা। দুনিয়ার জীবনেই পরকালের চিরস্থায়ী জীবনের জন্য পাথেয় সংগ্রহ করা।
>> কুরআনে আল্লাহ তাআলা মৃত্যুকে একটি সুনিশ্চিত বিষয় হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। আর একজন মুসলিমের জন্য করণীয় বিষয় হলো বেশি বেশি মৃত্যুর কথা স্মরণ করা। সব সময় মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকা। দুনিয়ার জীবনেই পরকালের চিরস্থায়ী জীবনের জন্য পাথেয় সংগ্রহ করা।
প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘পাঁচটি জিনিসকে পাঁচটি জিনিসের আগে মর্যাদা দেয়া। (যার প্রথমটিই হলো) তোমার জীবনকে মৃত্যুর আগে মর্যাদা দাও।’ (মুসনাদে আহমদ) এ কারণেই বেশি বেশি মৃত্যুর স্মরণ এবং মৃত্যুর প্রস্তুতি নেয়া দরকার।
>> কোনো মানুষই জানেনা তার হায়াত বা দুনিয়ার জীবন কতদিনের। এটি এমন এক গোপন রহস্য যে, সে কখন কোথায় কিভাবে মরবে তা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। আর তা জেনে কেউ মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নিবে সে সুযোগও কোনো মানুষের নেই। এ কারণেই সব সময় মৃত্যুর স্মরণ করা।
>> মৃত্যু এমন এক জিনিস; যা দমন বা প্রতিহত করা যেমন সম্ভব নয়, তেমনি তা থেকে পলায়ন বা তা পিছিয়ে দেয়াও সম্ভব নয়। আল্লাহ বলেন, ]
وَلِكُلِّ أُمَّةٍ أَجَلٌ فَإِذَا
جَاء أَجَلُهُمْ لاَ يَسْتَأْخِرُونَ سَاعَةً وَلاَ يَسْتَقْدِمُونَ
جَاء أَجَلُهُمْ لاَ يَسْتَأْخِرُونَ سَاعَةً وَلاَ يَسْتَقْدِمُونَ
প্রত্যেক সম্প্রদায়ের একটি মেয়াদ রয়েছে। যখন তাদের মেয়াদ এসে যাবে, তখন তারা না এক মুহুর্ত পিছে যেতে পারবে, আর না এগিয়ে আসতে পারবে।
[ সুরা আরাফ ৭:৩৪ ]
[ সুরা আরাফ ৭:৩৪ ]
যেসব প্রবাসী মৃত্যুভয়ে পালিয়ে এসেছেন তাদের উদ্দেশ্যে আল্লাহ
পবিত্র কুরআনে কি বলেছেন শুনুন
পবিত্র কুরআনে কি বলেছেন শুনুন
মৃত্যুকে বাড়ির নিরাপত্তা প্রহরী আটকাতে পারে না। মৃত্যু থেকে কেউ বাঁচতে পারে না— কী ছোট, কী বড়, ধনী বা দরিদ্র।
أَيْنَمَا تَكُونُواْ يُدْرِككُّمُ
الْمَوْتُ وَلَوْ كُنتُمْ فِي بُرُوجٍ مُّشَيَّدَةٍ
الْمَوْتُ وَلَوْ كُنتُمْ فِي بُرُوجٍ مُّشَيَّدَةٍ
তোমরা যেখানেই থাক না কেন; মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই। যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান কর, তবুও। [ সুরা নিসা ৪:৭৮ ]
قُلْ إِنَّ الْمَوْتَ الَّذِي
تَفِرُّونَ مِنْهُ فَإِنَّهُ مُلَاقِيكُمْ ثُمَّ تُرَدُّونَ إِلَى عَالِمِ
الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ فَيُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
تَفِرُّونَ مِنْهُ فَإِنَّهُ مُلَاقِيكُمْ ثُمَّ تُرَدُّونَ إِلَى عَالِمِ
الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ فَيُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
বলুন, তোমরা যে মৃত্যু থেকে পলায়নপর, সেই মৃত্যু অবশ্যই তোমাদের মুখামুখি হবে, অতঃপর তোমরা অদৃশ্য, দৃশ্যের জ্ঞানী আল্লাহর কাছে উপস্থিত হবে। তিনি তোমাদেরকে জানিয়ে দিবেন সেসব কর্ম, যা তোমরা করতে। [ সুরা জুম’য়া ৬২:৮ ]
মোটকথা- করোনা ভাইরাস একটি বৈশ্বিক মহামারী এই মহামারী থেকে বাঁচতে হলে আমাদেরকে সর্বোচ্চ সতর্কতামুলক সকল সরকারী পরামর্শ অনুসরন করতে হবে,
কিছু কিছু দেশ সব ধরনের জনসমাগম বন্ধ করেছেন, এমনকি মসজিদ পর্যন্ত বন্ধ
করে দিয়েছে, তবে আমাদের সরকার যে পরামর্শ দিয়েছেন তা খুবই সুন্দর ও যুক্তিযুক্ত মনে
হয়েছে, আমাদের সরকার প্রধান পরামর্শ দিয়েছেন যাদের কাশি সর্দি জ্বর তারা যেন মসজিদে
না এসে ঘরে নামাজ আদায় করেন, এ পরামর্শটা আমার কাছে মসজিদ একেবারে বন্ধ করে দেয়ার চাইতে
উত্তম পন্থা বলে মনে হয়েছে।
করে দিয়েছে, তবে আমাদের সরকার যে পরামর্শ দিয়েছেন তা খুবই সুন্দর ও যুক্তিযুক্ত মনে
হয়েছে, আমাদের সরকার প্রধান পরামর্শ দিয়েছেন যাদের কাশি সর্দি জ্বর তারা যেন মসজিদে
না এসে ঘরে নামাজ আদায় করেন, এ পরামর্শটা আমার কাছে মসজিদ একেবারে বন্ধ করে দেয়ার চাইতে
উত্তম পন্থা বলে মনে হয়েছে।
পাকিস্তানের একজন মুফতি পরামর্শ দিয়েছেন এই পরিস্থিতিতে যেহেতু জনসমাগম
ক্ষতিকর তাই মসজিদে শুধু ফরয নামাজ ছোট ছোট সুরা দিয়ে পরার পরামশ দিয়েছেন এবং সুন্নত
ও নফল নামাজ মসজিদ থেকে যেহেতু ঘরে পড়া উত্তম বর্তমানে সুন্নত ও নফল নামাজ ঘরে পড়ার
পরামর্শ দিয়েছেন।
ক্ষতিকর তাই মসজিদে শুধু ফরয নামাজ ছোট ছোট সুরা দিয়ে পরার পরামশ দিয়েছেন এবং সুন্নত
ও নফল নামাজ মসজিদ থেকে যেহেতু ঘরে পড়া উত্তম বর্তমানে সুন্নত ও নফল নামাজ ঘরে পড়ার
পরামর্শ দিয়েছেন।
প্রবাসী ভায়েরা যে যে দেশে আছেন নিজ নিজ স্থানে থেকে দোয়া করতে থাকুন। মৃত্যু ভয়ে পলায়ন করা হবে বোকামী। আর এই পালানোর ফলে আপনার উপর ভর করে আপনার প্রিয় দেশে এই মহামারী ছড়াবে তাতে আপনার ঘরের লোক, আত্মিয় স্বজন, আপনজনরাই ক্ষতির সম্মুখিন হবে, আপনার দেশ হুমকির মুখে পরবে। এবং আপনার
এই পালানো হবে ইসলামী শরীয়তের বিপরীত একটি কাজ।
এই পালানো হবে ইসলামী শরীয়তের বিপরীত একটি কাজ।

কোন মন্তব্য নেই