বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য ৪টি বড় সুসংবাদ। পোড়ানো হবে নাকি জানাযা হবে দা...
বাংলাদেশের
করোনা রোগীদের ৪টি বড় সুসংবাদ
করোনা রোগীদের ৪টি বড় সুসংবাদ
করোনা ভাইরাস সারা বিশ্বে মহামারীর মত ছড়িয়ে পরেছে, ইতিমধ্যে
প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হয়েছৈ, ১৫ হাজারের অধিক লোক মারা গিয়েছৈন, এবং সুস্থ
হয়েছেন প্রায় লক্ষাধিক। গত ৮ মাচ থেকে এই রোগে আক্রান্ত রোগী বাংলাদেশেও ধরা পরেছে,
এ পযন্ত ৩৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন ৫ জন সুস্থ হয়েছেন এবং ৩ জন মারা গিয়েছেন তথা শহিদ হয়েছেন।
প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হয়েছৈ, ১৫ হাজারের অধিক লোক মারা গিয়েছৈন, এবং সুস্থ
হয়েছেন প্রায় লক্ষাধিক। গত ৮ মাচ থেকে এই রোগে আক্রান্ত রোগী বাংলাদেশেও ধরা পরেছে,
এ পযন্ত ৩৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন ৫ জন সুস্থ হয়েছেন এবং ৩ জন মারা গিয়েছেন তথা শহিদ হয়েছেন।
বাংলাদেশে প্রায় ৯০% মুসলমান, আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাস হল আল্লাহ
মহান দয়াল সর্বশক্তিমান, আমাদের ঈমান হল মৃত্যুর পরই হল আসল জীবন, দুনিয়া হল আখেরাতের
শস্যক্ষেত্র, দুনিয়ায় ভালো কাজ করলেই আখেরাতে পাওয়া যাবে উত্তম প্রতিদান, সে ঈমান আকিদাকে
ধারন করেই এ দেশে কোন মুসলমান মারা গেলে অতি সম্মানের সাথে কাফন দাফন করা অন্য সব মুসলমানের
দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে মনে করে তাই এদেশে কোন মুসলমান যদি করোনা ভাইরাসে মারা যায় সে
হবে শহীদ
মহান দয়াল সর্বশক্তিমান, আমাদের ঈমান হল মৃত্যুর পরই হল আসল জীবন, দুনিয়া হল আখেরাতের
শস্যক্ষেত্র, দুনিয়ায় ভালো কাজ করলেই আখেরাতে পাওয়া যাবে উত্তম প্রতিদান, সে ঈমান আকিদাকে
ধারন করেই এ দেশে কোন মুসলমান মারা গেলে অতি সম্মানের সাথে কাফন দাফন করা অন্য সব মুসলমানের
দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে মনে করে তাই এদেশে কোন মুসলমান যদি করোনা ভাইরাসে মারা যায় সে
হবে শহীদ
আর বাংলার মুসলমান একজন শহীদকে সর্বোচ্চ সম্মানের সাথে জানাজা
পড়া ছাড়া কখনো মাটিতে পুঁথে ফেলতে দিবে না, অনেকে বলছে পুড়িয়ে ফেলতে এই গর্হিত কাজ
একজন শহীদের সাথে বাংলাদেশের মুসলমান করতে দিবে না বরং স্বাভাবিকভাবেই এ দেশের জনগন
তার মুসলমান ভাই বোনকে আত্মিয় স্বজনকে দাফন কাফনের ব্যবস্থা করবে। এটাই হল বাংলাদেশের
মানুষের জন্য সুসংবাদ।
পড়া ছাড়া কখনো মাটিতে পুঁথে ফেলতে দিবে না, অনেকে বলছে পুড়িয়ে ফেলতে এই গর্হিত কাজ
একজন শহীদের সাথে বাংলাদেশের মুসলমান করতে দিবে না বরং স্বাভাবিকভাবেই এ দেশের জনগন
তার মুসলমান ভাই বোনকে আত্মিয় স্বজনকে দাফন কাফনের ব্যবস্থা করবে। এটাই হল বাংলাদেশের
মানুষের জন্য সুসংবাদ।
যদি আপনি মুসলমান হন তাহলে আপনার এই মৃত্যু শহীদি মৃত্যু যেমন
মুয়াত্তা মালেকের হাদীস
মুয়াত্তা মালেকের হাদীস
হজরত জাবের বিন আতিক রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহ তাআলার পথে মৃত্যুবরণ করা ছাড়াও সাত প্রকার শহীদ রয়েছে। হাদিসটি ইমাম মালেক তাঁর মুয়াত্তায় তুলে ধরেছেন। যারা বিভিন্ন কারণে মৃত্যুবরণ করেন। আর তারা হলো-
>> মহামারীতে মৃত্যুবরণকারী;
>> পানিতে নিমজ্জিত ব্যক্তি;
>> শয্যাশায়ী অবস্থায় মৃত শহীদ;
>> পেটের রোগে মৃত্যুবরণকারী;
>> আগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণকারী;
>> যে ব্যক্তি ধ্বংসাবশেষের নিচে পড়ে মারা যায়,
>> প্রসবকালীন সময়ে মৃত্যুবরণকারী নারী। (মুয়াত্তা মালিক)
>> মহামারীতে মৃত্যুবরণকারী;
>> পানিতে নিমজ্জিত ব্যক্তি;
>> শয্যাশায়ী অবস্থায় মৃত শহীদ;
>> পেটের রোগে মৃত্যুবরণকারী;
>> আগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণকারী;
>> যে ব্যক্তি ধ্বংসাবশেষের নিচে পড়ে মারা যায়,
>> প্রসবকালীন সময়ে মৃত্যুবরণকারী নারী। (মুয়াত্তা মালিক)
তাছাড়া মুসলমানদের আরো বিশ্বাস হল মৃত্যু কখন হবে কিভাবে হবে
তা নির্ধারিত, তাই সদা মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, অন্যায় অপরাদ গুনাহ পাপমুক্ত
জীবন যাপন করতে হবে তাহলে মুসলমানের জন্য এই মৃত্যু হবে উপহার স্বরুপ।
তা নির্ধারিত, তাই সদা মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, অন্যায় অপরাদ গুনাহ পাপমুক্ত
জীবন যাপন করতে হবে তাহলে মুসলমানের জন্য এই মৃত্যু হবে উপহার স্বরুপ।
যেমন হাদীস শরীফে আছে মৃত্যু হল মুমিনের জন্য উপহার স্বরুপ।
তাই কোন মুসলমান যেমন মৃত্যুকে ভয় করে না, আবার মুসলমানরা মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থেকে
অন্যায় জুলুম ও পাপও করে না,
তাই কোন মুসলমান যেমন মৃত্যুকে ভয় করে না, আবার মুসলমানরা মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থেকে
অন্যায় জুলুম ও পাপও করে না,
অপর এক হাদীসে আছে (আল মাউতু কাফফারাতু লি কুল্লি মুসলিম) মৃত্যু প্রত্যেক মুসলমানের জন্য গুনাহের কাফফারা স্বরুপ।
এ হাদীস বুঝা আরো সহজ হয় আরেকটি হাদীস দ্বারা তাহল নবী করিম (দঃ) এরশাদ করেন মুমিনের জিন্দেগীতে যতগুলি কষ্ট পেরেশানি আসে যদি ১টি কাঁটাও বিধে তা তাঁর গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়। যদি সামান্য ক্লান্তিও আসে তার বদলায়ও আল্লাহ তায়ালা গুনাহ মাফ করে দেন। এটাও উল্লেখ আছে (হাত্তাল হাম্মু এয়াহুম্মুহু) এমনকি যদি কোন চিন্তায়ও লিপ্ত হয় তার দ্বারাও গুনাহের কাফফারা হয়।
সুতরাং এই রকম ছোট ছোট দুঃখ কষ্ট পেরেশানীর কারনে যদি গুনাহ মাফ হয়, তাহলে চিন্তা করুন দুনিয়ায় সবচেয়ে বড় কষ্টদায়ক বস্তু হল মৃত্যু আর সে মৃত্যু যন্ত্রনা যখন মুমিনের উপর আসে সেটার বদলায় আল্লাহ তাঁর মুমিন মুসলমান বান্দার গুনাহসমুহ মাফ করে দেন।
অতএব করোনা ভাইরাসে মৃত ব্যক্তি যদি মুসলমান হন তার জন্য
প্রথম সুসংবাদ হল- সে যদি মৃত্যুও বরণ করে তার মৃত্যু হবে শহিদী
মৃত্যু
মৃত্যু
দ্বিতয়ত- সে যদি মুমিন হয় পাপাচারী না হয় তাহলে এই মৃত্যু তাঁর
জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে উপহার স্বরুপ।
জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে উপহার স্বরুপ।
তৃতীয়ত- সে যদি গুনাহগারও হয় এই ভাইরাসে কষ্ট পাওয়ার ফলে আল্লাহ
তাঁর সকল গুনাহসমুহ ক্ষমা করে দিবেন। এবং সে নিস্পাপ হয়ে যাবে।
তাঁর সকল গুনাহসমুহ ক্ষমা করে দিবেন। এবং সে নিস্পাপ হয়ে যাবে।
চতুর্থত- এ দেশের মুসলমান একজন করোনার রোগীকেও ইনশাআল্লাহ জানাজা
ছাড়া দাফন করবেন না।
ছাড়া দাফন করবেন না।

কোন মন্তব্য নেই