২০২০ সালের মহামারী বিশ্ববাসীকে ১২টি চমৎকার শিক্ষা দিয়া যাচ্ছে
করোনা বিশ্ববাসীকে ১২টি
শিক্ষা দিচ্ছে
শিক্ষা দিচ্ছে
করোনা ভাইরাস নামক এই ক্ষুদ্র জিনিষটি সারা বিশ্বের বিবেকবান মানুষকে কিছু ছবক শিখাচ্ছে
১।
কেয়ামতের মাঠে কেহ কারো হবে না, সকলেই এয়া নফসি এয়া নফসি করবে, সে কথাটি আমাদের বুঝে
এসেছে যখন দেখেছি এই করোনার রোগীকে গোসল ও জানাজা ছাড়া গর্তে ছুড়ে ফেলা হচ্ছে।
কেয়ামতের মাঠে কেহ কারো হবে না, সকলেই এয়া নফসি এয়া নফসি করবে, সে কথাটি আমাদের বুঝে
এসেছে যখন দেখেছি এই করোনার রোগীকে গোসল ও জানাজা ছাড়া গর্তে ছুড়ে ফেলা হচ্ছে।
যখন খরব দেখি কারোনায় আক্রান্ত রোগী নিয়ে সাগরে ভাসছে প্রমোদ তরী কোন দেশই
তাদের ভুমিতে নামতে দিচ্ছে না। অনেক ডাক্তার বাহিরে নোটিশ লাগিয়ে দিয়েছে সর্দি জ্বর
কাশির রোগী দেখা হয় না। সকলেরই যেন একই সুর নিজে বাঁচলে বাপের নাম। এয়া নফসি এয়া নফসি।
২।
আল্লাহ সর্বশক্তিমান, মানুষ দুর্বল অসহায়, সুতরাং
অহংকার করিও না।
আল্লাহ সর্বশক্তিমান, মানুষ দুর্বল অসহায়, সুতরাং
অহংকার করিও না।
৩।
আল্লাহ আমাদের উপর এতই নারাজ হয়েছেন তাই রহমতের দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন যেমন আমরা মসজিদে
প্রবেশের সময় বলি (আল্লাহুম্মাফতাহলি আবওয়াবা রহমাতিকা) অর্থ্যাৎ হে আল্লাহ আমাদের
জন্য রহমতের দরজা খুলে দাও, এখন দেখুন মসজিদ এমনকি খানায়ে কাবার দরজাও আজ আমাদের জন্য
বন্ধ হয়ে গেছে।
আল্লাহ আমাদের উপর এতই নারাজ হয়েছেন তাই রহমতের দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন যেমন আমরা মসজিদে
প্রবেশের সময় বলি (আল্লাহুম্মাফতাহলি আবওয়াবা রহমাতিকা) অর্থ্যাৎ হে আল্লাহ আমাদের
জন্য রহমতের দরজা খুলে দাও, এখন দেখুন মসজিদ এমনকি খানায়ে কাবার দরজাও আজ আমাদের জন্য
বন্ধ হয়ে গেছে।
৪।পৃথিবীর
সারা জ্ঞানীগুনি, মহাজ্ঞানী, বিজ্ঞানী, সকল শক্তিধর রাষ্ট্রগুলি আজ অতি সামান্য সর্দি
জ্বরের মত ভাইরাসের মোকাবেলায় ব্যর্থ, সকল প্রযুক্তি আজ ফেইল এক ভাইরাসের কাছে, তাই
আমাদের উচিত সদা সর্বদা মহান আল্লাহর গোলামিতে নিজের মাথা ঝুকিয়ে দেয়া।
সারা জ্ঞানীগুনি, মহাজ্ঞানী, বিজ্ঞানী, সকল শক্তিধর রাষ্ট্রগুলি আজ অতি সামান্য সর্দি
জ্বরের মত ভাইরাসের মোকাবেলায় ব্যর্থ, সকল প্রযুক্তি আজ ফেইল এক ভাইরাসের কাছে, তাই
আমাদের উচিত সদা সর্বদা মহান আল্লাহর গোলামিতে নিজের মাথা ঝুকিয়ে দেয়া।
৫।এ ভাইরাস আমাদেরকে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার শিক্ষা দিচ্ছে
৬। এ ভাইরাস আমাদেরকে ৫ ওয়াক্তে ৫ বার অজুর গুরুত্ব বুঝার শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছে।
৭। যে এলাকায় মহামারী সে এলাকায় যেওনা আর সে এলাকায় থাকলে সেখান থেকে বের হইও
না। এটাই ছিল ১৪শত বছর আগে সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক আল্লাহর হাবিব মুহাম্মদ
(দঃ) এর শিক্ষা, এই করোনা ভাইরাসে মহানবীর সে বানীই লকডাউন নামে সবচেয়ে বড় প্রতিকার
হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
৮।এ ভাইরাস যদি মহামারী হয় তাহলে মহানবী (দঃ) এর একটি ভবিষ্যৎবাণী সত্য প্রমাণিতহয়েছে
হাদীসখানা হল
‘যখন কোনো জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে, তখন তাদের মধ্যে দুর্ভিক্ষ
ও মহামারি ব্যাপক আকার ধারণ করবে।’
৯। কোয়ারেন্টাইনে থেকে আমরা যদিও এই ভাইরাস থেকে মুক্ত হতে পারি কিন্তু যদি
আমাদের অন্তরকে কিংবা কৃত কাজকর্মকে যদি ভাইরাস মুক্ত করতে না পারি তাহলে এমন ধরনের
মসিবত বার বার আসতে থাকবে।
১০। ইউরোপের দেশ স্পেনে মুসলিম শাসনের অবসানের
পর প্রকাশ্যে বা উচ্চস্বরে আজান দেয়ার কোনো ইতিহাস নেই। করোনাভাইরাসের ভয়ে এবার প্রকাশ্যে
উচ্চস্বরে আজানের অনুমতি দিল দেশটির প্রশাসন। আজানের ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে মুখরিত
হলো স্পেন।
পর প্রকাশ্যে বা উচ্চস্বরে আজান দেয়ার কোনো ইতিহাস নেই। করোনাভাইরাসের ভয়ে এবার প্রকাশ্যে
উচ্চস্বরে আজানের অনুমতি দিল দেশটির প্রশাসন। আজানের ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে মুখরিত
হলো স্পেন।
শুক্রবার ঘরের
জানালা বা বারান্দায় দাঁড়িয়ে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সম্মিলিতভাবে আজান দেয়
দেশটির মুসলিম কমিউনিটি। স্পেনে বাইরে উচ্চস্বরে আজান দেয়ার অনুমতি না থাকলেও দেশটির
প্রশাসন করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি লাভের আশায় মুসলমানদের এমন আয়োজনের আবেদনে সম্মতি
প্রকাশ করে। তাতে স্পেনের মুসলিম কমিউনিটির প্রতিটি দরজা–জানালায় প্রতিধ্বনিত হয় আজানের
সুর।
জানালা বা বারান্দায় দাঁড়িয়ে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সম্মিলিতভাবে আজান দেয়
দেশটির মুসলিম কমিউনিটি। স্পেনে বাইরে উচ্চস্বরে আজান দেয়ার অনুমতি না থাকলেও দেশটির
প্রশাসন করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি লাভের আশায় মুসলমানদের এমন আয়োজনের আবেদনে সম্মতি
প্রকাশ করে। তাতে স্পেনের মুসলিম কমিউনিটির প্রতিটি দরজা–জানালায় প্রতিধ্বনিত হয় আজানের
সুর।
১১।এ ভাইরাস
যেহেতু মানুষের সংস্পর্শে ছড়ায় তাই মানুষের জীবন রক্ষার স্বার্থে মসজিদের জামাত স্তগিত
রেখে ঘরে নামাজ পড়া এমনকি জুমার নামাজের পরিবর্তে ঘরে জোহর নামাজ পড়া যে শরীয়ত সম্মত
তা বিভিন্ন দেশের ওলামা মাশায়েখরা বিশেষ করে সৌদির সর্বোচচ ওলামা পরিষদ কোরান ও হাদীস
এর আলোকে ফতোয়া দিয়েছে।
যেহেতু মানুষের সংস্পর্শে ছড়ায় তাই মানুষের জীবন রক্ষার স্বার্থে মসজিদের জামাত স্তগিত
রেখে ঘরে নামাজ পড়া এমনকি জুমার নামাজের পরিবর্তে ঘরে জোহর নামাজ পড়া যে শরীয়ত সম্মত
তা বিভিন্ন দেশের ওলামা মাশায়েখরা বিশেষ করে সৌদির সর্বোচচ ওলামা পরিষদ কোরান ও হাদীস
এর আলোকে ফতোয়া দিয়েছে।
১২। প্রত্যেককেই
মৃত্যু বরণ করতে হবে, তাই মৃত্যুর জন্য সদা প্রস্তুত থাকতে হবে, অন্যায় জুলুম অত্যাচার
চালবাজি, ঠকবাজি, ধোকাবাজি, প্রতারনা, এসব করে যারা কোটি কোটি টাকার মালিক তাদেরকেও
মরতে হবে, এই ভাইরাস মৃত্যুর পয়গাম নিয়ে সারা বিশ্বের সকলের দুয়ারে কড়া নারছে, আপনি
যদি মুমিন হয়ে থাকেন ঈমানদার নেককার হয়ে থাকে তাহলে আপনার জন্য মহানবীর (দঃ) এর হাদীস
মোতাবেক এই মৃত্যু হবে উপহারস্বরূপ। আর আপনি যদি বেদ্বীন হয়ে থাকেন গুনাহগার জালেম
অপরাধী হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্য এটি হবে গজব স্বরূপ।
মৃত্যু বরণ করতে হবে, তাই মৃত্যুর জন্য সদা প্রস্তুত থাকতে হবে, অন্যায় জুলুম অত্যাচার
চালবাজি, ঠকবাজি, ধোকাবাজি, প্রতারনা, এসব করে যারা কোটি কোটি টাকার মালিক তাদেরকেও
মরতে হবে, এই ভাইরাস মৃত্যুর পয়গাম নিয়ে সারা বিশ্বের সকলের দুয়ারে কড়া নারছে, আপনি
যদি মুমিন হয়ে থাকেন ঈমানদার নেককার হয়ে থাকে তাহলে আপনার জন্য মহানবীর (দঃ) এর হাদীস
মোতাবেক এই মৃত্যু হবে উপহারস্বরূপ। আর আপনি যদি বেদ্বীন হয়ে থাকেন গুনাহগার জালেম
অপরাধী হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্য এটি হবে গজব স্বরূপ।

কোন মন্তব্য নেই