মহামারী বা করোনায় যারা মরে তারা কি জঘন্য গুনাহগার? বড় ধরনের অপরাধী? আল্লাহর আযাব ও গজবপ্রাপ্ত মানুষ? আল্লাহর আযাব থেকে বাঁচার ৩টি কোরআনী আমল। Qur...
মহামারী বা করোনায় যারা মরে তারা কি জঘন্য গুনাহগার?
বড় ধরনের অপরাধী? আল্লাহর আযাব ও গজবপ্রাপ্ত মানুষ?
বড় ধরনের অপরাধী? আল্লাহর আযাব ও গজবপ্রাপ্ত মানুষ?
আমি আগেই বলে দিচ্ছি মহামারীতে শুধু কাফেরগন মারা যায় তা নয় বরং ঈমানদারগনও মারা যান, যেমন আগের অনেক মহামারীতে দেখা গেছে সাহাবা কেরামও মৃত্যু বরণ করেছেন। যদি ঈমানদারগন মারা যান সেটা হবে শহিদী মৃত্যু। যা সুস্পষ্টভাবে আমাদের প্রিয়নবীজি ঘোষনা করেছেন।
তবে আমি আজ পবিত্র কুরআনের ১টি চিত্র আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই যাতে আল্লাহর আযাব ও গোস্বার কারনটা আমরা কিছুটা বুঝতে পারি, এবং সাথে সাথে এর থেকে পরিত্রানের ১টি সুন্দর আমলও আমরা পবিত্র কুরআন থেকে জানতে পারি।
আজ যে মহামারী সারা দুনিয়াকে কাবু করে ফেলেছে এই মহামারী আসার আগের চিত্র একবার ভেবে দেখুন,
তাগুতি শক্তিরা কুরআন পরিবর্তনের দাবী তুলেছে, নরওয়েতে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর কালামকেই পুড়িয়েছে সে দেশের প্রসাশনের সামনে, গত বছর নিউজল্যান্ডে হামলা করে নিরীহ মুসল্লীদের নির্বিচারী হত্যা করেছে। বিনা অপরাধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সন্ত্রাসবাদের ধুয়া তুলে চীনের উইঘুর প্রায় ২০ লাখ সরলমনা নিরীহ মুসলমানদের সেখানকার প্রশাসনের মদদে বছরের পর বছর ইতিহাসের জঘন্যতম জুলুম করেছে। মায়ানমারের মুসলমানদেরকে ঘর বাড়ী ছাড়া নয় শুধু দেশ ছাড়া করেছে এভাবে ফিলিস্তিন, আফগান, কাস্মির সহ সারা বিশ্বে মুসলমানরা নির্যাতিত, তাদের কান্নার আওয়াজ কেহ শুনে না, মুসলমানদের রক্ত নিয়ে যারা বছরের পর বছর হুলি খেলেছে, মুসলমানদের লাশের স্তুপের উপর যারা মাতাল হয়ে নৃত্য করেছে, নির্যাতিত মুসলমান ঈমানদারদের নানা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে দিয়ে সারা বিশ্বে নির্যাতনের স্ট্রীম রোলার চালিয়েছে, যখন দুনিয়ার কেহ এই কান্না শুনে নি, কোন মিডিয়া প্রচার করেনি এই করুন আকুতি, তখন আল্লাহ তায়ালা মুসলমানের কান্নাভেজা সে ফরিয়াদ শুনেছেন, আজ সারা বিশ্ব আতংকিত, ভীত সন্ত্রস্থ, দিশেহারা, মুসলমান মায়ের কোলে ছেলের মৃত দেহ দেখে যারা হেসেছে আজ তাঁরা যেন এক মৃত্যুর নগরীতে বাস করছে, তবুও একজন মানুষ হিসেবে আমাদের সমবেদনা থাকবে আর দোয়া করি আল্লাহ তাদেরকে এখান থেকে শিক্ষা অজন করে ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়ানো মুসলমানদের মিথ্যা অপবাদ দেয়া থেকে বিরত থাকার তৌফিক দান করুন। এবং অতি সহসাত সারা বিশ্বের মানবতাকে শান্তি দান করুন।
তবে আমি আজ পবিত্র কুরআনের ১টি চিত্র আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই যাতে আল্লাহর আযাব ও গোস্বার কারনটা আমরা কিছুটা বুঝতে পারি, এবং সাথে সাথে এর থেকে পরিত্রানের ১টি সুন্দর আমলও আমরা পবিত্র কুরআন থেকে জানতে পারি।
আজ যে মহামারী সারা দুনিয়াকে কাবু করে ফেলেছে এই মহামারী আসার আগের চিত্র একবার ভেবে দেখুন,
তাগুতি শক্তিরা কুরআন পরিবর্তনের দাবী তুলেছে, নরওয়েতে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর কালামকেই পুড়িয়েছে সে দেশের প্রসাশনের সামনে, গত বছর নিউজল্যান্ডে হামলা করে নিরীহ মুসল্লীদের নির্বিচারী হত্যা করেছে। বিনা অপরাধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সন্ত্রাসবাদের ধুয়া তুলে চীনের উইঘুর প্রায় ২০ লাখ সরলমনা নিরীহ মুসলমানদের সেখানকার প্রশাসনের মদদে বছরের পর বছর ইতিহাসের জঘন্যতম জুলুম করেছে। মায়ানমারের মুসলমানদেরকে ঘর বাড়ী ছাড়া নয় শুধু দেশ ছাড়া করেছে এভাবে ফিলিস্তিন, আফগান, কাস্মির সহ সারা বিশ্বে মুসলমানরা নির্যাতিত, তাদের কান্নার আওয়াজ কেহ শুনে না, মুসলমানদের রক্ত নিয়ে যারা বছরের পর বছর হুলি খেলেছে, মুসলমানদের লাশের স্তুপের উপর যারা মাতাল হয়ে নৃত্য করেছে, নির্যাতিত মুসলমান ঈমানদারদের নানা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে দিয়ে সারা বিশ্বে নির্যাতনের স্ট্রীম রোলার চালিয়েছে, যখন দুনিয়ার কেহ এই কান্না শুনে নি, কোন মিডিয়া প্রচার করেনি এই করুন আকুতি, তখন আল্লাহ তায়ালা মুসলমানের কান্নাভেজা সে ফরিয়াদ শুনেছেন, আজ সারা বিশ্ব আতংকিত, ভীত সন্ত্রস্থ, দিশেহারা, মুসলমান মায়ের কোলে ছেলের মৃত দেহ দেখে যারা হেসেছে আজ তাঁরা যেন এক মৃত্যুর নগরীতে বাস করছে, তবুও একজন মানুষ হিসেবে আমাদের সমবেদনা থাকবে আর দোয়া করি আল্লাহ তাদেরকে এখান থেকে শিক্ষা অজন করে ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়ানো মুসলমানদের মিথ্যা অপবাদ দেয়া থেকে বিরত থাকার তৌফিক দান করুন। এবং অতি সহসাত সারা বিশ্বের মানবতাকে শান্তি দান করুন।
আপনি যদি পবিত্র কুরআনের সুরা আহজাবের ৫৭ ও ৭৮ নং আয়াত পাঠ করেন তাতে বুঝা যায় আল্লাহ কেহ আযাব দেন যেমন
আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন
আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন
إِنَّ الَّذِينَ يُؤْذُونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ لَعَنَهُمُ اللَّهُ فِي الدُّنْيَا وَالْآَخِرَةِ وَأَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا مُهِينًا (57) وَالَّذِينَ يُؤْذُونَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ بِغَيْرِ مَا اكْتَسَبُوا فَقَدِ احْتَمَلُوا بُهْتَانًا وَإِثْمًا مُبِينًا (58)"যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি ইহকালে ও পরকালে আযান দেন এবং তাদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছেন অবমাননাকর শাস্তি।" (৩৩:৫৭)
"যারা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে কষ্ট দেয়, তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে।" (৩৩:৫৮)
মোটকথা সুরা আহযাবের এই ২ আয়াতে আল্লাহর আযাব আসার ২টি কারন আমরা স্পষ্ট বুঝতে পারি নাম্বার ১ আল্লাহ ও রাসুলকে কষ্ট দেয়া, যেমন কুরান পোড়ানো এর মধ্যে অন্যতম। আর ২নাম্বার হল নিরীহ মুমিন নারী পুরুষকে কষ্ট দেয়া আর সেটা কিভাবে দেয় মিথ্যা অপবাদের মাধ্যমে।
আমরা যে দরুদ পাঠ করি তার হকুম সুরা আহযাবের ৫৬ নং আয়াতে আল্লাহ দিয়েছেন কিন্তু এই ৫৬ নং আয়াতের পর যখন আপনি ৫৭ ও ৫৮ নং আয়াত পড়বেন তখন স্পষ্ট বুঝতে পারবেন এই মহামারীর বর্তমান চিত্র, যা আজ আমাদের সামনে ফুটে উঠেছে।
এই দরুদ ফেরেশতাদের অজিফা, আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের এই অজিফা বেশী বেশী করার হকুম দিয়েছেন এবং স্বয়ং আল্লাহ তায়ালাও এটি করেন যেমন সুরা আহজাবের ৫৬ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন:
إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا (56)"আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠান। হে মুমিনরা! তোমরাও নবীর জন্যে দরুদ পাঠাও এবং তাঁর প্রতি সালাম পেশ কর ও তাঁর নির্দেশের অনুগত হও।" (৩৩:৫৬)
আসুন আমরা এই মহা দুযুগ পূণ মুহুর্তে আল্লাহ ও রাসুল কষ্ট পায় এমন সব কাজ ছেড়ে দিই, মুসলমানদেরকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে নির্যাতন থেকে বিরত থাকি এবং বেশী বেশী দরুদ পাঠ করি।
এই দরুদ ফেরেশতাদের অজিফা, আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের এই অজিফা বেশী বেশী করার হকুম দিয়েছেন এবং স্বয়ং আল্লাহ তায়ালাও এটি করেন যেমন সুরা আহজাবের ৫৬ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন:
إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا (56)"আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠান। হে মুমিনরা! তোমরাও নবীর জন্যে দরুদ পাঠাও এবং তাঁর প্রতি সালাম পেশ কর ও তাঁর নির্দেশের অনুগত হও।" (৩৩:৫৬)
আসুন আমরা এই মহা দুযুগ পূণ মুহুর্তে আল্লাহ ও রাসুল কষ্ট পায় এমন সব কাজ ছেড়ে দিই, মুসলমানদেরকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে নির্যাতন থেকে বিরত থাকি এবং বেশী বেশী দরুদ পাঠ করি।

কোন মন্তব্য নেই