বিপদ থেকে বাচঁতে হলে সকল টিভি চ্যানেল ১টি কবিতা পাঠের আসর বসাও। এমন দাবী...
সকল
টিভি চ্যানেলে ২টি কাজ করলে করোনা ভাইরাস পালাবে
টিভি চ্যানেলে ২টি কাজ করলে করোনা ভাইরাস পালাবে
তেহরিকে লাব্বাইক পাকিস্তান এর চেয়ারম্যান
পাকিস্তানের একজন
আলেম Allama Khadim Hussain Rizvi
সারা দুনিয়ার সময় টিভি চ্যানেলসমুহ সব ধরনের অনুষ্ঠান বন্ধ
করে ২টি কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি বলেন যদি এই ২টি কাজ করতে পারে তাহলে করোনা
ভাইরাসের এই আযাব দুর হয়ে যাবে।
করে ২টি কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি বলেন যদি এই ২টি কাজ করতে পারে তাহলে করোনা
ভাইরাসের এই আযাব দুর হয়ে যাবে।
উনার মুল ভিডিওটি আমি আপনাদেরকে দেখাব একটু পরে আগে তিনি কি
বলেছেন তা মনযোগ দিয়ে শুনুন।
বলেছেন তা মনযোগ দিয়ে শুনুন।
তিনি বলেন আজ সারা বিশ্ব করোনা ভাইরাসের ভয়ে পেরেশান কিন্তু
এর মুল কারন হল অশ্লিলতা এখন এই অশ্লিলতাকে কমিয়ে দিয়ে যদি সমস্ত টিভি চ্যানেল সমুহ
১টি কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান এবং কোরান তেলাওয়াত অনুস্টান প্রচার করতে থাকে তাহলে এই
ভাইরাস পালাবে। তিনি বলেন
এর মুল কারন হল অশ্লিলতা এখন এই অশ্লিলতাকে কমিয়ে দিয়ে যদি সমস্ত টিভি চ্যানেল সমুহ
১টি কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান এবং কোরান তেলাওয়াত অনুস্টান প্রচার করতে থাকে তাহলে এই
ভাইরাস পালাবে। তিনি বলেন
১ম আমল হল কসিদায়ে বুরদা পাঠের আসর করা
২য় আমল হল পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত চালু করা, বিশেষ করে সুরা
আর রাহমান এর তেলাওয়াত করা।
আর রাহমান এর তেলাওয়াত করা।
এবার আসুন আমরা জেনে নিই কসিদায়ে বুরদা কি জিনিষ তা সম্পর্কে
ধারনা নিই
ধারনা নিই
কসিদায়ে বুরদা হল মিশরের একজন বুজুগ কবি যার নাম শরফুদ্দিন
বুসীরী যিনি ১২১৩ ইংরেজী জন্ম গ্রহণ করেন ১২৯০ সালে ইন্তেকাল করেন, তিনি বৃদ্ধ বয়সে
এক দুরারোগ্য ব্যধী পক্ষাঘাত রোগে আক্রান্ত হয়ে যান ফলে এক সাইড অবশ হয়ে যায়
বুসীরী যিনি ১২১৩ ইংরেজী জন্ম গ্রহণ করেন ১২৯০ সালে ইন্তেকাল করেন, তিনি বৃদ্ধ বয়সে
এক দুরারোগ্য ব্যধী পক্ষাঘাত রোগে আক্রান্ত হয়ে যান ফলে এক সাইড অবশ হয়ে যায়
এ রোগ থেকে মুক্তির জন্য তিনি যথাসাধ্য চিকিৎসা করান কিন্তু কোন ফল হয় না। এতে কবি নিরাশ হয়ে পড়েন। একদিন এক অদৃশ্য ইঙ্গিতে ইমাম বুসিরী(রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) এক জু’মার রাতে একা এক নির্জনে ঘরে পূর্ণ ইখলাসের সাথে সরওয়ারে কায়নাত সরদারে দো-জাহান হযুর পুরনূর প্রিয়নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শানে একটি প্রশংসার কবিতা বা কাসীদা রচনা করেন। ইমাম বুসিরী(রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) আশা করেন হয়তবা এই কাসীদার বরকতে মহান আল্লাহ্ সুবহানু তা’আলা তাঁকে দুরারোগ্য ব্যাধি হতে শেফা দান করবেন। মহান আল্লাহ্ সুবহানু তা’আলার শাহী দরবারে রোগ মুক্তির জন্য কান্নাকাটি করলেন এবং প্রার্থনা করতে করতে এই অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়লেন। স্বপ্নে নূরনবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)‘এর জিয়ারত নসীব হল। কবি স্বপ্নে এই কাসীদাটি সম্পূর্ণ আবৃতি সহকারে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে শুনালেন। হযুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শ্রবণ করে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁর পবিত্র হাত মুবারক দ্বারা কবির পক্ষাঘাত আক্রান্তস্থানে মুছে দিলেন ও তাঁর পবিত্র নক্সাদার ইয়ামেনী চাঁদর দ্বারা ইমাম বুসিরী(রাহমাতুল্লাহি আলাইহি)কে ঢেকে দিলেন। ইমাম বুসিরী(রাহমাতুল্লাহি আলাইহি)’এর ঘুম ভেঙ্গে গেল। তিনি জেগে উঠে বসলেন ও দেখতে পেলেন যে তাঁর শরীরে রোগের কোন চিহ্নই নেই! তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেছেন। তিনি আরো অবাক হলেন যে, তাঁর শরীরে একটি নক্সাযুক্ত ইয়ামেনী চাঁদর শোভা পাচ্ছে।
তিনি সকালে ঘর থেকে বের হলে স্বীয় বন্ধু শেখ আবু রাজার সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। তিনি কবিকে বলেন জনাব! আপনার সেই কাসিদাটি দিন তো। যেটি আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রশংসায় রচনা করেছেন। ইতোপূর্বে কবি কাসিদাতুল বুরদাহর কথা কাউকে জানাননি। তিনি বললেন আপনি কোন কাসিদাটি চাচ্ছেন। আমিতো অনেক কাসিদাতেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রশংসা করেছি। বন্ধু বললেন সেইটি যার প্রথম লাইন-
তিনি সকালে ঘর থেকে বের হলে স্বীয় বন্ধু শেখ আবু রাজার সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। তিনি কবিকে বলেন জনাব! আপনার সেই কাসিদাটি দিন তো। যেটি আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রশংসায় রচনা করেছেন। ইতোপূর্বে কবি কাসিদাতুল বুরদাহর কথা কাউকে জানাননি। তিনি বললেন আপনি কোন কাসিদাটি চাচ্ছেন। আমিতো অনেক কাসিদাতেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রশংসা করেছি। বন্ধু বললেন সেইটি যার প্রথম লাইন-
আমিন তাজাক্কুরি জিরানিন বিজি সালামি
মাজাহতা দামআন জারা মিন মুকলাতিন বিদামি
কবি বললেন হে আবু রাজা আপনি কোথা থেকে এই কবিতা মুখস্থ করলেন? আমি তো কাউকে এটা পড়ে শোনাইনি আবু রাজা বললেন- আমি গতকাল শুনছিলাম, আপনি এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামার সামনে আবৃতি করছেন। আর এটি তাঁর পছন্দ হওয়ায় তিনি আন্দোলিত হচ্ছেন, যেমন ফলদ্বরে শাখা বাতাসে আন্দোলিত হয়। ঐ কথা শুনে কবি তখন কাসিদাটি তাকে দিয়েছেন আর তখন থেকে দ্রুত এই কাসিদার কথা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে এবং তার বরকত অসাধারণভাবে পরিলতি হতে থাকে। ক্রমে ক্রমে তা উযির বাহাউদ্দিনের হস্তগত হয়। উযির সাহেব একান্ত শ্রদ্ধাভরে দণ্ডায়মান হয়ে তা প্রতিনিয়ত শ্রবণ করতে থাকেন।
বর্ণিত আছে, উযিরের নায়েব সায়াদুদ্দীন ফারুকী সাহেব দৃষ্টি শক্তিহীন হয়ে যায়। স্বপ্নে এক বুযুর্গ ব্যক্তি তাঁহাকে বলেন- তুমি বাহাউদ্দীনের নিকট হতে ‘কাসিদায়ে বুরদা’ নিয়ে আপন নেত্র যুগলে বুলিয়ে দাও । সকালে উঠে তিনি তাই করেন এবং খোদার মর্জিতে পূর্ণ আরোগ্য লাভ করেন। তাই এই কাসিদাশরীফ যে কোন লোক রুগমুক্তির আশায় পাঠ করবে আল্লাহপাক এই কাসিদার উছিলায় রোগমুক্ত করে দেবেন ইনশাআল্লাহ ।
বর্ণিত আছে, উযিরের নায়েব সায়াদুদ্দীন ফারুকী সাহেব দৃষ্টি শক্তিহীন হয়ে যায়। স্বপ্নে এক বুযুর্গ ব্যক্তি তাঁহাকে বলেন- তুমি বাহাউদ্দীনের নিকট হতে ‘কাসিদায়ে বুরদা’ নিয়ে আপন নেত্র যুগলে বুলিয়ে দাও । সকালে উঠে তিনি তাই করেন এবং খোদার মর্জিতে পূর্ণ আরোগ্য লাভ করেন। তাই এই কাসিদাশরীফ যে কোন লোক রুগমুক্তির আশায় পাঠ করবে আল্লাহপাক এই কাসিদার উছিলায় রোগমুক্ত করে দেবেন ইনশাআল্লাহ ।
এর একটি নাম বুরআহ অর্থাৎ আরোগ্য।
যেহেতু কবি এই কাসিদার বদৌলতে রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করেছিলেন। তাই এই নামকরণ। তবে এই
কাসিদার সর্বাধিক পরিচিতি নাম ‘আল বুরদাহ’। বুরদাহ শব্দের অর্থ ডোরাকাটা বা নকশি চাদর।
যেহেতু কবি এই কাসিদার বদৌলতে রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করেছিলেন। তাই এই নামকরণ। তবে এই
কাসিদার সর্বাধিক পরিচিতি নাম ‘আল বুরদাহ’। বুরদাহ শব্দের অর্থ ডোরাকাটা বা নকশি চাদর।
এই কসিদা বা কবিতায় ১৬৫টি পংক্তি
আছে যা মাওলানা রুহুল আমিন খান বাংলা কাব্যানুবাদ সহ বই আকারে ছাপিয়েছেন, আপনি ইন্টারনেট
থেকে ডাউনলোড করে আমল করতে পারেন আমি ডেসক্রিপশন বক্সে লিংক দিয়ে দিব
আছে যা মাওলানা রুহুল আমিন খান বাংলা কাব্যানুবাদ সহ বই আকারে ছাপিয়েছেন, আপনি ইন্টারনেট
থেকে ডাউনলোড করে আমল করতে পারেন আমি ডেসক্রিপশন বক্সে লিংক দিয়ে দিব
কাসিদায়ে বুরদা পাঠ করার নিয়ম
এই কাসিদাখানি অযু সহকারে ক্বিবলামুখী হয়ে নামাযে বসার ন্যায় বসে দৃঢ় বিশ্বাসে মহানবী
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি ভক্তিসহকারে পড়তে হয়। কাসিদার আগে-পরে ১৭বার
করে এই দরূদশরীফখানা পাঠ করবেন-
এই কাসিদাখানি অযু সহকারে ক্বিবলামুখী হয়ে নামাযে বসার ন্যায় বসে দৃঢ় বিশ্বাসে মহানবী
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি ভক্তিসহকারে পড়তে হয়। কাসিদার আগে-পরে ১৭বার
করে এই দরূদশরীফখানা পাঠ করবেন-
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম-
আল্লাহুম্মা ছাল্লে আলা সায়্যেদেনা মুহাম্মাদানিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়ালা আলিহি
ওয়া আসহাবিহি ওয়াবারিক ওয়াছাল্লিম
অতঃপর বুরদাশরীফ পাঠ শুরু করবেন।
আল্লাহুম্মা ছাল্লে আলা সায়্যেদেনা মুহাম্মাদানিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়ালা আলিহি
ওয়া আসহাবিহি ওয়াবারিক ওয়াছাল্লিম
অতঃপর বুরদাশরীফ পাঠ শুরু করবেন।

কোন মন্তব্য নেই