কুরআনে শানে মোস্তফার (দঃ) গোপন রহস্য। নবীর ১০টি নামের শান । মহানবীর জীবন...
কুরআনে শানে মোস্তফার গোপন রহস্য। নবীর ১০টি নামের শান । মহানবীর জীবনী। Sane Mustafa
আল্লাহ কুরআনে কোন কোন জায়গায় নবীকে নিজের নামের পোষাক পরিধান করিয়ছেন?
যেমন-
১। রাউফুর রাহিম- আল্লাহ নিজের ব্যপারে এরশাদ করেন
إِنَّ اللّهَ بِالنَّاسِ لَرَؤُوفٌ رَّحِيمٌ
নিশ্চয়ই আল্লাহ, মানুষের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল, করুনাময়। [ সুরা বাকারা ২:১৪৩ ]
নিজের হাবিবের ব্যপারে এরশাদ করেন
لَقَدْ جَاءكُمْ رَسُولٌ مِّنْ أَنفُسِكُمْ عَزِيزٌ عَلَيْهِ مَا عَنِتُّمْ حَرِيصٌ عَلَيْكُم بِالْمُؤْمِنِينَ رَؤُوفٌ رَّحِيمٌ
তোমাদের কাছে এসেছে তোমাদের মধ্য থেকেই একজন রসূল। তোমাদের দুঃখ-কষ্ট তার পক্ষে দুঃসহ। তিনি তোমাদের মঙ্গলকামী, মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল, দয়াময়। [ সুরা তাওবা ৯:১২৮ ]
কুরআনে শানে মোস্তফার গোপন রহস্য। নবীর ১০টি নামের শান । মহানবীর জীবনী। Sane Mustafa
২। হাক্কুল মুবিন- সুরা নুরে এরশাদ করেছেন
يَوْمَئِذٍ يُوَفِّيهِمُ اللَّهُ دِينَهُمُ الْحَقَّ وَيَعْلَمُونَ أَنَّ اللَّهَ هُوَ الْحَقُّ الْمُبِينُ
সেদিন আল্লাহ তাদের সমুচিত শাস্তি পুরোপুরি দেবেন এবং তারা জানতে পারবে যে, অল্লাহই সত্য, স্পষ্ট ব্যক্তকারী। [ সুরা নুর ২৪:২৫ ]
নিজের মাহবুবের শানে এরশাদ করেছেন
فَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ إِنَّكَ عَلَى الْحَقِّ الْمُبِينِ
অতএব, আপনি আল্লাহর উপর ভরসা করুন। নিশ্চয় আপনি সত্য ও স্পষ্ট পথে আছেন। [ সুরা নাম’ল ২৭:৭৯ ]
৩। নুর- আল্লাহ নিজেকে নুর ৩৫ নং আয়াতে বলেন
اللَّهُ نُورُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ
আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের জ্যোতি, [ সুরা নুর ২৪:৩৫ ]
নবীর শানে বলেন সুরা মায়েদার ১৫ নং আয়াতে বলেন
قَدْ جَاءكُم مِّنَ اللّهِ نُورٌ وَكِتَابٌ مُّبِينٌ
তোমাদের কাছে একটি উজ্জল জ্যোতি এসেছে এবং একটি সমুজ্জল গ্রন্থ। [ সুরা মায়েদা ৫:১৫ ]
৪। শাহিদ- সুরা নিসার ৭৯ নং আয়াতে আল্লাহ নিজের নাম বলেছেন
وَكَفَى بِاللّهِ شَهِيدًا
আর আল্লাহ সব বিষয়েই যথেষ্ট-সব বিষয়ই তাঁর সম্মুখে উপস্থিত। [ সুরা নিসা ৪:৭৯ ]
এদিকে সুরা বাকারার ১৪৩ নং আয়াতে নবীর শানে বলেন
وَكَذَلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا لِّتَكُونُواْ شُهَدَاء عَلَى النَّاسِ وَيَكُونَ الرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيدًا
এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমন্ডলীর জন্যে এবং যাতে রসূল সাক্ষ্যদাতা হন তোমাদের জন্য।
৫। কারিম- সুরা ইনফিতারে আল্লাহ নিজের ব্যপারে বলেন ৬ নং আয়াতে বলেন
يَا أَيُّهَا الْإِنسَانُ مَا غَرَّكَ بِرَبِّكَ الْكَرِيمِ
হে মানুষ, কিসে তোমাকে তোমার রব্বে কারিম সম্পর্কে বিভ্রান্ত করল? [ সুরা ইনফিতার ৮২:৬ ]
অপরদিকে সুরা তাকভিরের ১৯ নং আয়াতে হুজুরের ব্যপারে ফরমালেন
إِنَّهُ لَقَوْلُ رَسُولٍ كَرِيمٍ
নিশ্চয় কোরআন রাসুলে কারিমের আনীত বাণী, [ সুরা তাকভীর ৮১:১৯ ]
৬। আজিম- সুরা বাকারার ২৫৫ নং আয়াতে নিজের ব্যপারে এরশাদ করেন
وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান। [ সুরা বাকারা ২:২৫৫ ]
আবার সুরা ক্বলমে নবীর শানে বলেন
وَإِنَّكَ لَعَلى خُلُقٍ عَظِيمٍ
আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী। [ সুরা কালাম ৬৮:৪ ]
৭। আল খাবির- সুরা আনয়াম ১৮ নং আয়াতে এরশাদ করেন
وَهُوَ الْقَاهِرُ فَوْقَ عِبَادِهِ وَهُوَ الْحَكِيمُ الْخَبِيرُ
তিনিই পরাক্রান্ত স্বীয় বান্দাদের উপর। তিনিই জ্ঞানময়, সর্বজ্ঞ। [ সুরা আন’য়াম ৬:১৮ ]
সুরা ফুরকানের ৫৯ নং আয়াতে নিজের মাহবুবের ব্যপারে এরশাদ করেন
الرَّحْمَنُ فَاسْأَلْ بِهِ خَبِيرًا
তাঁর সম্পর্কে যিনি অবগত, তাকে জিজ্ঞেস কর। [ সুরা ফুরকান ২৫:৫৯ ]
৮। শাকুর- সুরা তাগাবুনের ১৭ নং আয়াতে আল্লাহ নিজের ব্যপারে বলেন-
إِن تُقْرِضُوا اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا يُضَاعِفْهُ لَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ وَاللَّهُ شَكُورٌ حَلِيمٌ
যদি তোমরা আল্লাহকে উত্তম ঋণ দান কর, তিনি তোমাদের জন্যে তা দ্বিগুণ করে দেবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। আল্লাহ গুণগ্রাহী, সহনশীল। [ সুরা তাগাবুন ৬৪:১৭ ]
আবার সুরা বনি ইসরাইলের ৩ নং আয়াতে এরশাদকরেন-
ذُرِّيَّةَ مَنْ حَمَلْنَا مَعَ نُوحٍ إِنَّهُ كَانَ عَبْدًا شَكُورًا
তোমরা তাদের সন্তান, যাদেরকে আমি নূহের সাথে সওয়ার করিয়েছিলাম। নিশ্চয় সে ছিল কৃতজ্ঞ বান্দা। [ সুরা বনী-ইসরাঈল ১৭:৩ ]
৯। আলিম- সুরা আনফালের ৭৫ নং আয়াতে এরশাদ করেন
إِنَّ اللّهَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ
নিশ্চয়ই আল্লাহ যাবতীয় বিষয়ে সক্ষম ও অবগত। [ সুরা আনফাল ৮:৭৫ ]
নবীর শানে সুরা ইউসুফের ৭৬ নং আয়াতে বলেন
وَفَوْقَ كُلِّ ذِي عِلْمٍ عَلِيمٌ
মর্যাদায় উন্নীত করি এবং প্রত্যেক জ্ঞানীর উপরে আছে অধিকতর এক জ্ঞানীজন। [ সুরা ইউসুফ ১২:৭৬ ]
১০। হামিদ-
لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَإِنَّ اللَّهَ لَهُوَ الْغَنِيُّ الْحَمِيدُ
নভোমন্ডল ও ভুপৃষ্ঠে যা কিছু আছে, সব তাঁরই এবং আল্লাহই অভাবমুক্ত প্রশংসার অধিকারী। [ সুরা হাজ্জ্ব ২২:৬৪ ]
وَمِنَ اللَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِهِ نَافِلَةً لَّكَ عَسَى أَن يَبْعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامًا مَّحْمُودًا
রাত্রির কিছু অংশ কোরআন পাঠ সহ জাগ্রত থাকুন। এটা আপনার জন্যে অতিরিক্ত। হয়ত বা আপনার পালনকর্তা আপনাকে মোকামে মাহমুদে পৌঁছাবেন। [ সুরা বনী-ইসরাঈল ১৭:৭৯ ]
Youtube link
https://www.youtube.com/c/jaalhaq
Blog
https://myjaalhaq.blogspot.com/
Facebook Link
https://www.facebook.com/Jaalhaqbd
Instagram Link
www.instagram.com/jaalhaq.bd/

কোন মন্তব্য নেই