ফ্রান্স কে কাবার ইমাম জুমার খুতবায় আসল কথা বলে দিলেন। Makkah Jummah Khutba


ফ্রান্সের প্রতি কাবার ইমামের কঠোর হুংকার

হে বিশ্ব মুসলমানরা! নবীর প্রতি মুসলমানের ভালোবাসা সাময়িক নয়, বরং সর্বাবস্থায় সর্বক্ষেত্রে জিন্দেগীর প্রতিটিক্ষেত্রে নবীর সাথে উম্মতের এক মজবুত সম্পর্ক।

আজ আমি এই মিম্বর থেকে যা সত্য ও শান্তির মিম্বর, যেখান থেকে সারা বিশ্বের সকল লোকদের জন্য সত্যের দাওয়াত পেশ করা হয়। নবী (দ) এর চরিত্রে চরিত্রবান হয়ে যাও। যিনি সকল মানুষ এবং দ্বীনি ব্যক্তিত্ব এবং সমস্ত আম্বিয়াকেরামের শানে বেয়াদবী, শত্রুতা, ব্যঙ্গ, বিদ্রুপ এবং দোষচর্চার বিরুদ্ধে সোচ্চার কন্ঠ ও জোর দাবীকারী।

আল্লাহ তাবারাক ওয়াতায়ালার ফরমান- লা ইউফারিরুকু বাইনা আহাদিম মির রাসুলিহ অথ্যাৎ- তারা বলে আমরা তাঁর পয়গম্বরদের মধ্যে কোন তারতম্য করিনা।

আমরা সারা বিশ্বের ১৮০ কোটি মুসলমানের পক্ষ থেকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় মকামে নবুয়ত ও রেসালতের উপর এমন বেয়াদবীর প্রতিবাদ জানাই।

খাতেমুল আম্বিয়া তিনি নবীয়ে হেদায়েত ও রহমত, আমাদের সরদার ও নবী মুহাম্মদ (দ) এর শানে বেয়াদবীর কঠিন ঘৃণা ও ধিক্কার জানাই।

তাদের এই কাজ মুলত সন্ত্রাসী কাজেরই একটি ধরন। এটা ঘৃণা ও বিশৃংখলা সৃষ্টিকারী এক জঘন্য ঘৃণিত কাজ। যা ঘৃণা ও বিশৃংখলা সন্ত্রাসবাদকে বৃদ্ধি করবে।

বাক স্বাধীনতা অর্থ এটা নয় যে পবিত্র ও দ্বীনি ব্যক্তিত্বের শানে বেয়াদবী করা হবে। আর তার সাথে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করা হবে, বরং এটা সভ্যতা বিরোধী কাজ। এমন কাজকারী মরদুদ ধিকৃত। বাক স্বাধীনতার জন্য জরুরী সে অবশ্যই মানুষের অনুভুতিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় রাখবে, যে সব বিষয় মানুষের অনুভুতির সাথে সংশ্লিষ্ট। যদি বাক স্বাধীনতা এসব সীমাকে অতিক্রম করে, তখন সে স্বাধীনতা এর প্রকৃত উদ্দেশ্যকে ব্যহত করে দেয়। এই ধরনের কার্য্যক্রম মানব সভ্যতার মাঝে ঘৃণার বীজ বপন করে, বিশৃংখলা সন্ত্রাসীপনা বিস্তার ঘটাতে সাহায্য করে। ইসলাম ধর্ম এসব বিষয় থেকে সম্পূণ পাক। সন্ত্রাসবাদের অপবাদ থেকেও ইসলাম ধর্ম পাক ও পবিত্র। ইসলাম হল নম্রতা দয়াদ্রতা, একাত্বতা ও ঐক্যের ধর্ম। ইসলাম ধর্মে সন্ত্রাসবাদ, সীমালংঘন, বিদ্রুপকারী, আল্লাহর রাসুলগনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টিকারীর কোন জায়গা নাই।

তেমনি ভাবে আমি আহ্বান করছি- জজবাকে কাবুকে রাখতে শিখুন। কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়া কোন ধরনের পদক্ষেপ নেয়া থেকে বিরত থাকুন। কেননা এসব বেয়াদবদের বেয়াদবীর দ্বারা নবুয়ত ও রেসালতের উপর  কোন প্রভাব পড়বে না।

নবীর পক্ষে আল্লাহর ফরমান জানতে সুরা কলমের প্রথম দিকের আয়াত গুলি পড়ুন।

এ মুহুর্তে মুসলমানদের দেমাগ ঠান্ডা রাখতেহবে, এই বিয়াদবীর দ্বারা মুলত বিয়াদবীকারীরাই ক্ষতিগ্রস্থ হবে। আল্লাহ তায়ালা ফরমান যদি তোমরা নবী (দ) কে সাহায্য না কর তাহলে আল্লাহই তাদের সাহায্য করবেন। আর যারা আপনার সাথে বিদ্রুপ করে তাদের শাস্তির জন্য আমিই যথেষ্ট।

إِنَّا كَفَيْنَاكَ الْمُسْتَهْزِئِينَ

বিদ্রুপকারীদের জন্যে আমি আপনার পক্ষ থেকে যথেষ্ট।সুরা হিজর ১৫:৯৫ ]

কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.