কাদের কবর থেকে জান্নাতি খুশবু ছড়ায়? প্রমাণসহ ৩টি ঘটনা। Jaalhaq
যাদের কবর থেকে জান্নাতের খুশবু ছড়ায়
যাদের কবর থেকে
খুশবু ছড়িয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর পেয়ারা হাবিব (দ) এর্রশাদ করেন নিশ্চয় কবরসমুহ জান্নাতের
বাগানসমুহ থেকে একটি বাগান, কিংবা জাহান্নামের গর্ত থেকে একটি গত।
প্রত্যেক মুমিন
মুত্তাকির কবরে জান্নাতের কবর খোলা হয়। যার দ্বারা কবরে জান্নাতের খুশবু ও ঠান্ডা বাতাস
আসতে থাকে। কিন্তু সাধারণত দুনিয়ার লোকদের কাছে এর প্রকাশ হয়না। কিন্তু কখনো কখনো আল্লাহ
তায়ালা তার কোন কোন প্রিয় বান্দার কবর থেকে সে খুশবু সাধারণের কাছে প্রকাশ করে দেন।
১। সে রকম প্রথম
ঘটনাটি হল- মেরাজের রাতে রাসুলুল্লাহ (দ) যখন বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে সফর করছিলেন,
পথে এক উপত্যকা থেকে প্রচুর খুশবু আসছিল; তখন হুযুর (দ) হযরত জিবরাইল (আ) এর কাছে প্রশ্ন
করল এই খুশবু কোথা থেকে ছড়াচ্ছে? তখন হযরত জিবরাইল (আ) বললেন ফেরাউনের মহলে মাশাতা
নামক এক চাকরানি ছিল। যে মুসা (আ) এর রবের প্রতি ঈমান আনার কারনে তাকে ও তার বাচ্চাদেরকে
ফেরাউন গরম তেলে নিক্ষেপ করে জালিয়ে ফেলেছিল, তাদের হাড্ডিসমুহ যেখানে দাফন করা হয়েছিল
সেখান থেকে খুশবু ছড়াতে থাকে।
২। ইমাম বায়হাকি
(র) তার প্রসিদ্ধ কিতাব দালায়েলুন নবুয়তে লিখেন- গযওয়ায়ে উহুদের ৪৬ বছর পর হযরত আমিরে
মোয়াবিয়া (রা) যখন উহুদের ময়দানের কুয়া খনন করাচ্ছিলেন সে খননের সময় এক শহিদের পায়ে
কোদাল লাগলে তা থেতে তাজা রক্ত বের হওযা আরম্ভ হয়, তখন সে শহিদের কবর থেকে এবং কবরের
মাটি থেকে কস্তুরির খুশবু বের হওয়া আরম্ভ হল।
৩। ইমাম বুখারী
(রহ) যার মাজার উযবেকিস্তানের কাছে সমরকন্দ শহরে রয়েছে। ইমাম বুখারীর দাফনের পর তার
কবর থেকে এমন সুভাশ ছড়ালো, দুর দুরান্ত থেকে মানুষ তার কবরের মাটি নিয়ে যেতে আরম্ভ
করল, তখন ইমাম বুখারীর আশেকরা তার কবরের মাটি হেফাজতের জন্য মজবুরান পাকা করে দিল।
এছাড়া
সারা জাহানে অসংখ্য আল্লাহ ওয়ালার কবর থেকে জান্নাতি খুশবু ছড়ানোর ঘটনা প্রসিদ্ধ আছে,
বিশেষ করে শোহাদায়ে কেরামের শরীর ও রক্ত এবং কবর থেকেও জান্নাতি খুশবু বের হওয়ার অহরহ
ঘটনা ওলামায়ে কেরাম এবং যারা নিজেরা এমন খুশবু পেয়েছে এমন বয়ান ওলামাদের জবানি বয়ানেও
পাওয়া যায়।

কোন মন্তব্য নেই