৭টি কারনে নারীদের তাকওয়া আল্লাহর ভয় কম হয়, এর ৭টি প্রতিকার, তাকওয়া অর্জন...
৭টি কারনে নারীরা
আল্লাহকে ভয় করেনা
তাকওয়া বা আল্লাহর
ভয় এটা পুরুষদের তুলনায় নারীদের কম হয়ে থাকে, নারীদের অন্তরে আল্লাহর ভয় কেন কম হয়
এর ৭টি কারন আজ আমি কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে উপস্থাপন করব, এবং এর থেকে বাঁচার উপায়ও
বণনা করব, আশা করি এসব কারন জানার পর আপনার অন্তরে যদি তাকওয়া না থাকে তা আপনি বুঝতে
পারবেন এবং আপনি সংশোধন হয়ে তাকওয়ার জিন্দেগী শুরু করতে পারবেন। তাই আপনি যদি নারী
হয়ে থাকেন আজকের আলোচনাটি আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূণ আর যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে
আপনি শুনে আপনার অধিনস্থ নারীদের এসব বিষয়ে উপদেশ পৌঁছে দিতে পারবেন।
১।
তাকওয়া বা আল্লাহ ভয় অন্তরে সৃষ্টি হওয়ার একটি মাধ্যম হল নেককার পরহেযগার আল্লাহওয়ালা
লোক, যারা আল্লাহকে ভয় করেন তাদের সান্নিধ্যে থাকা, এ ব্যপারে আল্লাহ তায়ালা কুরআনে
এরশাদ করেন (এয়া আইয়্যুহাল্লিাজিনা আমানু ত্তাকুল্লাহা ওয়াবতাগু ইলাইহিল ওয়াসিলা) কিন্তু
পুরুষরা যদিও এই সুযোগ পায় কিন্তু নারীরা এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারেনা, তাই প্রত্যেক
পিতার উচিত কন্যাকে তাকওয়ার নসিহত করা, স্বামীদের দরকার নিজে আল্লাহকে ভয় করা এবং স্ত্রীকেও
সে ভয়ের নসিহত করা।
২।
অনেক নারীরা যদিও নামাজ কালাম পড়ে কিন্তু তাদের যখন পিরিয়ড হয় তখন তারা ধারাবাহিকতা
ধরে রাখতে পারেনা, মাঝখানে বিরতির কারনে তারা অলসতা করে পিরিয়ড শেষ হওয়ার পরপর পুনরায়
এবাদতে মশগুল হতে দেরী করে ফেলে, তাই ধারাবাহিকতা নষ্ট না হওয়ার জন্য পিরিয়ডকালিন সময়ও
নামাজের সময় অজু বানিয়ে জায়নামাজে বসে বসে জিকির করা উচিত।
৩।
নারীদের চিন্তা ভাবনা আজ থেকে ২০/২৫ বছর আগেও তাকওয়া ওয়ালা ছিল, নারী পর্দা পুশিদা
করত আল্লাহর ভয়ে, কিন্তু আজকালকার নারীদের চিন্তা ভাবনা সুন্দর পোষাক, উন্নতমানের ঘর,
দামী প্রসাদন সামগ্রী, নতুন ডিজাইনের অলংকার, পার্লারে গিয়ে রূপ চর্চা এসবের মধ্যেই
বিস্তার লাভ করেছে, পরকাল বলতে যে একটি জিনিষ আছে, কবরে যে যেতে হবে সে কথা আজকালকার
অধিকাংশ নারীরা সম্পূণভাবে ভুলে গেছে।
৪।
যে নারীর কোন সম্মান ছিলনা, নারি জন্ম গ্রহণ করলে জিবন্ত কবর দেয়া হত, যে নারীকে মানুষ
অভিষাপ মনে করত, সে নারীর পায়ের নিচে জান্নাতের ঘোষনা দিয়েছেন আল্লাহর হাবিব (দ), যে
ইসলাম নারীকে এত মর্যাদা দিয়েছে, সে ইসলামীক জীবন যাপনই নারীকে দুনিয়া ও আখেরাতে সম্মানি
ও সুখী করতে পারে, কিন্তু আজকাল নারীরা ইসলামী জিন্দেগীকে অভিশাপ মনে করে একমাত্র
ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞানতার কারনে, আর এই অজ্ঞানতা যেন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা নারী
সমাজকে আল্লাহর নিকট থেকে দিন দিন দুরে সরিয়ে দিচ্ছে।
৫।
নারীরা ওয়াজ নসিহত শুনেনা, সারাক্ষন গান নাটক, সিনেমা, ড্রামা সিরিয়াল, বিধর্মীদের
কৃষ্টি কালচার টিভিতে দেখে দেখে সেটাকেই তারা জিন্দেগীর আসল রূপ মনে করতে থাকে, তারা
জানেনা ইসলাম কি? জানেনা আল্লাহ কে? আল্লাহর ভয় কি? তারা জানে না কবর কি? কবর আযাব
কি? তারা জানেনা জাহান্নাম কি? জাহান্নামের আযাব কেমন? এসব চিরন্তন সত্য থেকে আমাদের
মুসলমান নারী সমাজকে শয়তানের হাতিয়ার দিয়ে ভুলিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছেন মুসলমানের শত্রুরা।
তাই এই সব সিরিয়াল, ড্রামার অভিশাপ থেকে ঘরকে মুক্ত করতে হবে না হয় মুসলমান জাতির মায়েরা
পরবর্তী যে প্রজন্ম জন্ম দিবে তাদের মধ্যে আল্লাহ ওয়ালা তৈরী হবেনা সবগুলি তৈরী হবে
শয়তানের চেলা।
৬।
আল্লাহর প্রিয় হাবিব (দ) কবর জেয়ারত এর দ্বারা মৃত মানুষের তাদফিন তাকফিনে শরিক হওয়ার
দ্বারা তাকওয়া বৃদ্ধি হওয়ার কথা এরশাদ করেছেন কিন্তু নারীরা এসব করার সুযোগ পায়না,
তাই তাদের তাকওয়া কম হয়ে থাকে, তাই নারীদের উচিত আত্মিয় স্বজনের মৃত্যুতে দেখতে যাওয়া।
৭।
নারীদের মন নরম তারা সহজে শয়তানের ধোকায় কাবু হয়ে যায়, যেমন আম্মাজান হাওয়া (আ)কেই
শয়তান প্রথম কাবু করেছিলেন; তাই নারীদেরকে পুরুষের চাইতে বেশী বেশী জিকির করা প্রয়োজন,
কুরআন তেলাওয়াত করা প্রয়োজন, কিন্তু তারা বেশীতো দুরের কথা জিকির করেই না, যাও করে
খুবই অল্প।
আল্লাহ
তায়ালা সকলকে বুঝার ও আমল করার তৌফিক দান করুন।

কোন মন্তব্য নেই