মহিলাদের জন্য আজান দেয়া কখন জায়েজ কখন না জায়েজ? Jaalhaq


প্র- কোন সময় নারীর জন্য আযান দেয়া জায়েজ কোন সময় না জায়েজ?

 


উ- ৫ ওয়াক্ত নামাজের জন্য যে আযান দেয়া হয় সে আযানকে এলাম বলা হয়, আর এলাম অথ হল খবর দেয়া, নামাজের ওয়াক্ত হয়েছে বলে মানুষকে ঘোষনা দেয়া, আর নামাজের এই আযান উচ্চ আওয়াজে দিতে হয় যাতে দুর দুরান্তে মানুষের কানে আযানের আওয়াজ পৌছেঁ যায়। যাতে মানুষ বুঝতে পারে যে জামাতের ওয়াক্ত হয়েগেছে এবং লোকজন নামাজের জন্য জামায়াতের জন্য মসজিদে আসা আরম্ভ করে । আর তাতে নারীর আযান দেয়া মাকরুহ, কেননা নারীর আওয়াজ দুর দুরান্তে পৌঁছবে আর নারীর আওয়াজে এক প্রকারের মধুরতা আছে যার কারনে আযান শ্রোতার মনে কু খেয়াল আসতে পারে, তাই নারীর জন্য উচ্চ আওয়াজে আযান দেয়া মাকরুহ রাখা হয়েছে।

কিন্তু যখন কোন বাচ্চা জন্ম গ্রহণ করে তার কানে যে আযান দেয়া হয় তার উদ্দেশ্য এলাম বা ঘোষনা দেয়া নয়, কিংবা নামাজের জন্য আহ্বান নয়,  বরং বাচ্চার কানের আযান শুধু বরকতের জন্য দেয়া হয়, যাতে বাচ্চার মেমোরিতে সবার আগে আল্লাহ তায়ালার নাম মাহফুজ হয়ে যায়, আযানের মধ্যে যে পাকিজা কালিমা আছে সে কালিমাসমুহের ফয়েজ যেন কানের ভিতর দিয়ে বাচ্চার রুহ পযন্ত পৌঁছে যায় সে জন্য এই আযান চাই পুরুষ দান করুন কিংবা মহিলা দান করুন যে কেহ দিলে সুন্নত আদায় হয়ে যাবে।

তবে সুন্নতে মুতাওয়ারেছা হল পুরুষই বাচ্চার কানে আযান একামত দেন কিন্তু যদি কোন মহিলা বাচ্চার কানে আযান দিতে চায় তাও বিলকুল জায়েজ হবে।

আর বাচচার কানে আযান দেয়ার নিয়ম হল যে আযান দিবে সে তার হাতে নিবে এবং তার ডান কানে আযান দিবে এবং বাচ্চাকে ঘুরিয়ে নিবে এবং তার বাম কানে একামত দিবে। একবার একবার আযান ও একামত দেয়াই যথেষ্ট। তবে অনেকে ৩ বার আযান এবং ২ বার একামতের কথা বলে থাকেন - অথ্যাৎ প্রথমে আযান আবার একামত আবার আযান আবার একামত আবার আযান। এভাবে ৩ বার আযান ২ বার একামত । তবে যদি এত লম্বা না দিয়ে শুধু কেহ ডান কানে আযান দিয়ে দেয় তাও যথেষ্ট। আর যদি চায় তাহলে ১ বার আযান ডান কানে ১ বার একামত বাম কানে দিলেও যথেষ্ট হবে।



কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.