নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াছাল্লামের এর মোজেজা। ১০০টি নেকড়ের ...







Miracle of Prophet Muhammad (pbuh) 100 Wolves Request to
Prophet Muhammad (PBUH)




আবু নুআয়ম বলেন, যদি বলা হয় যে, আল্লাহ্ হযরত সালিহ্ ()-কে আশ্বর্য রকম

মুজিযা দান করেছিঙ্কলন-পাথরের মধ্য থেকে উটনী বের করেন; এবং উটনীর জন্য তার

সম্প্রদায়ের জন্য পানি পান করার দিন নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন তবে এর উত্তরে বলা যায় যে,

আল্লাহ্ হযরত মুহাম্মদ (না)-কে এরুপ বরং তার চাইতেও অধিক আশ্চর্যজনক মুজিযা দান

করেছেন কেননা সালিহ্ ()-এর উটনীর বাক্শক্তি ছিল না, সে তার সাথে কোন কথা

বলেনি এবং তার নবুওতের পক্ষে কোন সাক্ষ্য দেয়নি পক্ষান্তরে হযরত মুহাম্মদ (না)-এর

সাথে উট কথা বলেছে, নবুওতের সাক্ষী দিয়েছে এবং অভিযোগ করেছে যে, তার মালিক

তাকে আহ ড়ার্য দেয় না এবং তাকে যবেহ করতে ইচ্ছুক



এক ইহুদী একবার রাসূল সা.-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে খুব কঠোর ভঙ্গিমায় বলল, আপনি কি সেই মুহাম্মদ সা. যিনি নবুওয়াতের দাবি করেছেন?
জবাবে বিনয়ের সাথে প্রিয় নবীজী সা. বললেন, হ্যাঁ, তখন ইহুদী দম্ভের সাথে বলল আমার কওমের সাথে চুক্তিবদ্ধ না থাকলে আমি এই মুহূর্তে আপনাকে মেরে ফেলতাম! এরপর সে সাথে থাকা একটি থলে থেকে মরা একটি গুই সাপ বের করল! তারপর বলল এই সাপটি ঈমান আনার আগে আমি কোনোদিন ঈমান আনব না
এবার সেই মরা সাপের প্রতি লক্ষ্য করে বিশ্বনবী সা. বললেন
: 
হে গুইসাপ! তাৎক্ষণিক মরা গুই সাপটি বলে উঠল,
লাব্বাইক ওয়া সাদাইক এয়া যাইনামান ওয়াফা এয়াউমাল
কিয়ামা (আমি হাজির আমি উপস্থিত আমার ভাগ্য আজ জেগে উঠেছে আমি আজ বড়ই ভাগ্যবান, যে
আপনি নবুয়তের জবানে আমাকে ডাক দিয়েছেন, আমি হাজের এয়া রাসুলাল্লাহ,  সে গুই সাপ নবীজিকে যে নামে ডেকেছে তা অত্যন্ত
আশ্চয্যজনক (এয়া যাইনামান ওয়াফা এয়াউমাল কিয়ামা) কেয়ামতের দিনটা অত্যন্ত
ভয়ংকর,  কেয়ামতের দিন বড়ই মারাত্মক বিপদের,
তবে এয়া রাসুলাল্লাহ যেহেতু আপনি সেখানে থাকবেন তাই আপনার বরকতে সে দিনটিও চমৎকার
হয়ে যাবে। সুন্দর হয়ে যাবে। সুবহানাল্লাহ




হে মুসলমান ভায়েরা একটা গুই সাপের মত নবী প্রেম
মনে জায়গা দাও তাহলে আমাদের মুসলমানদের ইজজত অটোমেটিক বেড়ে যাবে। আজ সারা জাহানে
মুসলমান মার খাচ্ছে কারন আজ মুসলমান একে অপরকে ইজ্জত করে না, একে




 অপরের
সাথে মারামারি কাটাকাটি দ্বন্দ ফসাদে লিপ্ত,




এবার আসুন আরো একটি ঘটনা শুনি



একদিন মহানবী (দঃ) ফজরের নামাজ পড়ে বের হলেন
সামনে ১০০টি নেকড়ে এসে সসম্মানে দাঁড়িয়ে গেল,তারা কিছু একটা বলছে আর আমাদের প্রিয়
নবী তাদের কথাগুলি শুনছেন, নবীজি বয়ান করেন তারা বলছিল এয়া রাসুলাল্লাহ আমরা এ
এলাকায় থাকি আমাদের রিযিক হল এ এলাকার বকরী, কিন্তু আমাদের ইচ্ছা করে না আপনার
বন্ধু আপনার সাহাবীদের বকরীগুলি খেতে, সেগুলিকে আক্রমণ করতে আমাদের ইচ্ছে করে,
আপনার ইজ্জতের খাতিরে আমরা এটা করতে লজ্জাবোধ করি। আর আমাদের রিযিক এসব বকরীর
মধ্যে, এখন আমরা কি করব?




চিন্তা করুন নবীজির ইজজতের খাতিরে এসব হিংস্র
প্রাণী মুসলমানদের কতই ইজ্জত করছে সম্মান দেখাচেছ, আর আজ এক মুসলমান অপর মুসলমানের
গর্দাণ কাটতেও দ্বিধাবোধ করে না। ১০ টাকার জন্য ১টি মোবাইলের জন্য খুন করছে। একে
অপরকে। রাজনৈতিক কারনে গোটা দেশকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আল আমান আল হাফিজ।




তখন হুযুর (দঃ) কে নেকড়েগুলি অনুরোধ করল এয়া
রাসুলাল্লাহ আপনি আমাদের জন্য ১টি রাস্তা বলে দিন, আমাদের জন্য যদি আপনি একটা কোটা
নির্ধারন করে দিন তা ছাড়া অন্য কোন প্রাণীতে আমরা হাতও লাগাব না। তখন নবী করিম
(দঃ) সাহাবাদের সাথে পরামর্শ করলেন সাহাবাগন মত প্রকাশ করল এয়া রাসুলাল্লাহ আমাদের
পালিত জানোয়ার নেকড়ের মুখে ঠেলে দিতে আমাদের মন চায় না, তখন নবীজি নেকড়েদেরকে বলল
আমার সাহাবাগন তাদের বকরী হেফাজত করবে আর তোমরা তোমাদের চেষ্টায় যা করতে পার করবে,




(ফারাজানা ওয়ালা আন্না জিবা) একথা শুনে নেকড়েগুলি
কাঁদতে কাঁদতে যেতে লাগল। নেকড়ে বুঝতে পারল এ কাজ আমাদের মন না চাইলেও করতে হবে।




সুবহানাল্লাহ নেকড়ে চিনতে পারে কিন্তু আমরা চিনতে
পারি না।








কার
লাগিয়া কন্দোরে মন কার লাগিয়া
বান্দো
কেউ
তো তোমার আপন হবে
না না না
যেজন
হবে আপনা সেইতো মদিনা
এই
দুনিয়ার আপনজনা আজকে আছে
কালকে নাই
দয়ার
নবী মায়ার নবী আপনা
সদায় আপনা সদায়
এমনও
আপনা তিনি যার নাই
উপমা ঐ
কবর
হাশর পুলসিরাতে কোন আপন পাবে
না
যেজন
পাবে সেজন হবে শাহে
মদিনা শাহে মদিনা
উম্মতেরও
কষ্টনবী সইতে পারে না
নিজের জন্য
দয়াল নবী একটুও কান্দেন নাই
সারা জীবন
কেদেছিলেন উম্মতের মায়ায় উম্মতের মায়ায়
এখনো কাদেন
তিনি সোনার মদিনায় ঐ

1 টি মন্তব্য:

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.