আল্লাহর রহমত নাজিল হচ্ছে তা বুঝার ১৭টি উপায়। Allah ar Rahmat
আপনার উপর আল্লাহর রহমত নাযিল হচ্ছে বুঝার ১৭টি উপায়
১। আল্লাহ আপনার উপর রহমত নাজিল করছেন তার প্রথম প্রমাণ হল আপনি
নিজের দোষ নিজে দেখতে পাবেন।
নিজের দোষ নিজে দেখতে পাবেন।
২। যখন আপনার চোখ দিয়ে নিজের কৃত কোন
ভুলের জন্য পানি গড়িয়ে পরে তখন বুঝে নিন আপনার উপর রহমত বর্ষিত হচ্ছে।
ভুলের জন্য পানি গড়িয়ে পরে তখন বুঝে নিন আপনার উপর রহমত বর্ষিত হচ্ছে।
৩। যদি আপনি মা বাবার খেদমত করতে পারেন
তাহলে বুঝে নিন আল্লাহ আপনার উপর রহমত নাজিল করছেন
তাহলে বুঝে নিন আল্লাহ আপনার উপর রহমত নাজিল করছেন
৪। যদি আপনি রমজান মাস পাওয়ার পর সে মাসের
যথাযথ ইজ্জত করতে পারেন তাহলে বুঝে নেন আল্লাহ আপনার উপর রহমত বর্ষন করছেন
যথাযথ ইজ্জত করতে পারেন তাহলে বুঝে নেন আল্লাহ আপনার উপর রহমত বর্ষন করছেন
৫। যদি আপনি হুযুর (দঃ) এর নাম শুনে দরুদ
পড়তে পারেন তাহলে বুঝে নেন আপনার উপর রহমত বর্ষণ হচ্ছে
পড়তে পারেন তাহলে বুঝে নেন আপনার উপর রহমত বর্ষণ হচ্ছে
৬। যদি নেয়ামতের শোকর আদায়ের সুযোগ হয় -আল্লাহ
বলেন (লাইন শাকারতুম লা আজিদান্নাকুম) যদি শোকর কর তাহলে আমার
নেয়ামত আরো বাড়িয়ে দিব।
বলেন (লাইন শাকারতুম লা আজিদান্নাকুম) যদি শোকর কর তাহলে আমার
নেয়ামত আরো বাড়িয়ে দিব।
৭। যদি দান সদকার সুযোগ হয়- মেশকাত শরীফের রেওযায়েত (ইন্নাস সাদাকাতা তুদফিউ
গাদাবার রাব্বি)নিশ্চয়ই সদকা আল্লাহর রাগকে দমন করে (ওয়া তাদফাউ মি তাতাস সুঈ) এবং
খারাপ মৃত্যু থেকে মানুষকে বাঁচিয়ে ফেলে।
গাদাবার রাব্বি)নিশ্চয়ই সদকা আল্লাহর রাগকে দমন করে (ওয়া তাদফাউ মি তাতাস সুঈ) এবং
খারাপ মৃত্যু থেকে মানুষকে বাঁচিয়ে ফেলে।
৮। যদি আল্লাহ ওয়ালাদের সাথে সম্পর্ক রাখা সম্ভব হয় - আল্লাহ তায়ালা বলেন
(ইন্না রাহমাতাল্লাহে কারিবুম মিনাল মুহসিনিন) নিশ্চিয়ই আল্লাহর রহমত নাজিল হয়
মুহছিন বান্দাদের নিকট
(ইন্না রাহমাতাল্লাহে কারিবুম মিনাল মুহসিনিন) নিশ্চিয়ই আল্লাহর রহমত নাজিল হয়
মুহছিন বান্দাদের নিকট
৯। যদি আপনার হৃদয়ে আল্লাহর প্রতি ভালবাসা
সৃষ্টি হয় -আল্লাহ
তায়ালা এরশাদ করেন (ইউহিব্বুহুম ওয়া ইউহিব্বুনাহু) আল্লাহ তাদের
মহব্বত করে আর তারা আল্লাহকে মহব্বত করে। আপনি আল্লাহকে যদি মহব্বত করেন তাহলে সে
মহব্বতের প্রভাব আপনার অন্তরে আপনি অনুভব করবেন।
সৃষ্টি হয় -আল্লাহ
তায়ালা এরশাদ করেন (ইউহিব্বুহুম ওয়া ইউহিব্বুনাহু) আল্লাহ তাদের
মহব্বত করে আর তারা আল্লাহকে মহব্বত করে। আপনি আল্লাহকে যদি মহব্বত করেন তাহলে সে
মহব্বতের প্রভাব আপনার অন্তরে আপনি অনুভব করবেন।
১০। যদি আপনি যেনা ও অশ্লিলতা থেকে বেঁচে
থাকতে পারেন- (ওয়ানাহান নাফসি আনিল হাওয়া, ফাইন্নাল জান্নাতা হিয়াল মাওয়া) যে
আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে ভয় পায় এবং নিজের খাহেশাতে নফসকে দমন করে তার ঠিকানা
জান্নাত। হাদীস শরীফে আছে যে লোককে কোন উচ্চবংশের মেয়ে সুন্দরী রমনী গুনাহের দিকে
ডাকে আর সে বলে দেয় আমি আল্লাহকে ভয় পাই তাহলে সে আমলই তাকে কেয়ামতের দিন আরশের
ছায়া দান করবে।
থাকতে পারেন- (ওয়ানাহান নাফসি আনিল হাওয়া, ফাইন্নাল জান্নাতা হিয়াল মাওয়া) যে
আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে ভয় পায় এবং নিজের খাহেশাতে নফসকে দমন করে তার ঠিকানা
জান্নাত। হাদীস শরীফে আছে যে লোককে কোন উচ্চবংশের মেয়ে সুন্দরী রমনী গুনাহের দিকে
ডাকে আর সে বলে দেয় আমি আল্লাহকে ভয় পাই তাহলে সে আমলই তাকে কেয়ামতের দিন আরশের
ছায়া দান করবে।
১১। আযানের সময় আযানের জবাব দেয়ার এবং
আযানের দোয়া পড়ার তৌফিক নসিব হলে- বুখারী শরীফের হাদীস নবী করিম (দঃ) এরশাদ করেন
যে আযানের পর দোয়া পাঠ করবে (হাল্লাত লাহু
শাফাআতি) কেয়ামতের দিন সে বান্দার আমার শাফায়াত নসিব হবে।
আযানের দোয়া পড়ার তৌফিক নসিব হলে- বুখারী শরীফের হাদীস নবী করিম (দঃ) এরশাদ করেন
যে আযানের পর দোয়া পাঠ করবে (হাল্লাত লাহু
শাফাআতি) কেয়ামতের দিন সে বান্দার আমার শাফায়াত নসিব হবে।
১২। যারা বিচারক তারা যদি ন্যায় বিচার
করার তৌফিক পায়-
করার তৌফিক পায়-
১৩। যৌবন কালে যদি এবাদত করার সুযোগ হয়-
১৪। যার অন্তর সদা সর্বদা মসজিদের সাথে
আন্তরিকভাবে আটকানো থাকে-
আন্তরিকভাবে আটকানো থাকে-
১৫। যারা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির
উদ্দেশ্যে পরস্পরকে ভালবাসতে পারে
উদ্দেশ্যে পরস্পরকে ভালবাসতে পারে
১৬। যাদের আল্লাহর জিকিরের সুযোগ নসিব হয়
এবং আল্লাহর ভয়ে কান্না করার সুযোগ হয়
এবং আল্লাহর ভয়ে কান্না করার সুযোগ হয়
১৭। যারা গোপনে আল্লাহর সুন্তুষ্টির জন্য
দান সদকা করতে পারেন।
দান সদকা করতে পারেন।
তাঁরা বুঝে নিবেন অবশ্যই অবশ্যই আল্লাহর
রহমত তাঁদের উপর বর্ষিত হচেছ।
রহমত তাঁদের উপর বর্ষিত হচেছ।

surah maun bangla translation | সূরা আল-মাউন | Noor
উত্তরমুছুন