এনআরসি, সিএএ কুরানেই আছে প্রমাণসহ দেখুন। NRC CAA AVAILABLE IN QURAN|| I...
এনআরসি ও সিএএ নিয়ে বিরাট হাঙ্গামা চলছে সে ব্যপারটিই হুবহু কুরানের কয়েকটি আয়াতের সাথে মিলে যায়,
সারা দুনিয়া জানে ভারতে বর্তমানে কি চলছে, আর সে বিষয়টি পবিত্র কুরআনেই পাওয়া যায়, ভারতে যে এন আরসি ও সি এ এ বিল পাশ হয়েছে আর সে বিলের মাধ্যমে মুদি সরকার যা করতে চাচেছ সে বিষয়টির সাথে পবিত্র কুরআনে কয়েকটি আয়াত হুবহু সামাঞ্জস্য পাওয়া যায়,
মুলত কুরআন এমন এক কিতাব যাকে আল্লাহ তায়ালা তিবিয়ানান লিকুল্লি শাই বলেছেন, অর্থ্যাৎ পবিত্র কুরআন সকল কিছুর জ্ঞান মওজুদ আছে। কিন্তু জ্ঞানের অভাবে মানুষ তা বুঝতে পারে না।
আপনারা জেনে অবাক হবেন ভারতে বর্তমানে যে এনআরসি ও সিএএ নিয়ে বিরাট হাঙ্গামা চলছে সে ব্যপারটিই হুবহু কুরানের কয়েকটি আয়াতের সাথে মিলে যায়, এবং সাথে সাথে এ পরিস্থিতিতে মুসলমানদের জন্য করনীয় তারও গাইড লাইন পাওয়া যায়, এবং মুসলমানরা যদি সে গাইড লাইন ফলো করে তাহলে জালেমদের কি ভয়ানক পরিণতি হবে তার জিকিরও সুস্পষ্ট পাওয়া যায়, আজ আসুন আমরা সে বিষয়টি জানার চেষ্টা করব,
কুরানের আয়াতটি দেখানোর আগে আমি আপনাদের জানাতে চাই এর আর সি কি জিনিষ?
এন আর সি বলতে আমরা বুঝি যারা এই বিলটি করছেন তাদের মধ্যে প্রধান অগ্রগামী হলেন অমিত শাহ, সে অমিত শাহ বলেন এন আর সি বিল দ্বারা মুসলিমদেরকে বের করে দিব এবং যারা অমুসলিম তাদেরকে সি এ এ দ্বারা বৈধতা দান করব। সারকথা এনআরসি ও সি এএ মুলত মুসলমানদেরকেই হিন্দুস্থান থেকে বের করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র।
তাহলে এবার দেখুন আল্লাহ তায়ালা কুরানের সুরা ইবরাহিমের ১৩ নং আয়াতে এরশাদ করছেন
وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُواْ
لِرُسُلِهِمْ لَنُخْرِجَنَّـكُم مِّنْ أَرْضِنَا
لِرُسُلِهِمْ لَنُخْرِجَنَّـكُم مِّنْ أَرْضِنَا
কাফেররা পয়গম্বরগণকে বলেছিলঃ আমরা তোমাদেরকে দেশ থেকে বের
করে দেব
করে দেব
এটা হল এন আর সির সাথে হবুহ মিল
ভারতের হিন্দু কিছু নেতারা এই দাবীই করছে, আমরা মুসলমানদেরকে এই জমিন থেকে বের করে দিব,
যেমন অমিত শাহ এক বক্তব্যে স্পষ্ট বলেন কাশ্মির থেকে নিয়ে কন্যেকুমারা
পর্যন্ত এবং আসাম থেকে নিয়ে গুজরাট পর্যন্ত একজনকেও ছাড়ব না।
যেমন অমিত শাহ এক বক্তব্যে স্পষ্ট বলেন কাশ্মির থেকে নিয়ে কন্যেকুমারা
পর্যন্ত এবং আসাম থেকে নিয়ে গুজরাট পর্যন্ত একজনকেও ছাড়ব না।
ভারতের অমুসলিমরা যে কথা বলছে সে কথা নতুন নয়
অনেক পুরাতন, হাজার বছর আগের অমুসলিমরাও এ
কথাই বলেছে যে আমরা তোমাদেরকে দেশ থেকে বের করে দিব- لَنُخْرِجَنَّـكُم
مِّنْ أَرْضِنَا
অনেক পুরাতন, হাজার বছর আগের অমুসলিমরাও এ
কথাই বলেছে যে আমরা তোমাদেরকে দেশ থেকে বের করে দিব- لَنُخْرِجَنَّـكُم
مِّنْ أَرْضِنَا
তবে তারা মুসলমানদের জন্য ১টি অপশন রেখেছে তা
হল যদি মুসলমানরা অমুসলিম হয়ে যায়, আবদুল্লাহ নাম না হয়ে তার নাম যদি অনিল কুমার হয় তাহলে তাকে নাগরিকত্ব দেয়া
হবে, বৈধতা দেয়া হবে আর বতমানে ভারত সরকার যে সি এএ বিল করেছেন
তার মতলবও হল যদি মুসলমান হয় বের হয়ে যাও যদি অসিম ধর, অনিল কুমার,
হয় অর্থ্যাৎ অমুসলিম হয় তাহলে তার জন্য ছাড় রয়েছে। সে কথাটাই হাজার বছর আগের
অমুসলিমরাও বলেছে যা কুরানে আল্লাহ তায়ালা বলেন
হল যদি মুসলমানরা অমুসলিম হয়ে যায়, আবদুল্লাহ নাম না হয়ে তার নাম যদি অনিল কুমার হয় তাহলে তাকে নাগরিকত্ব দেয়া
হবে, বৈধতা দেয়া হবে আর বতমানে ভারত সরকার যে সি এএ বিল করেছেন
তার মতলবও হল যদি মুসলমান হয় বের হয়ে যাও যদি অসিম ধর, অনিল কুমার,
হয় অর্থ্যাৎ অমুসলিম হয় তাহলে তার জন্য ছাড় রয়েছে। সে কথাটাই হাজার বছর আগের
অমুসলিমরাও বলেছে যা কুরানে আল্লাহ তায়ালা বলেন
أَوْ لَتَعُودُنَّ فِي مِلَّتِنَا
অথবা তোমরা আমাদের ধর্মে ফিরে আসবে।
কিন্তু এখানেই কুরানে আয়াত শেষ নয় এরপর মহান আল্লাহ
ঘোষনা দেন
ঘোষনা দেন
فَأَوْحَى إِلَيْهِمْ رَبُّهُمْ لَنُهْلِكَنَّ
الظَّالِمِينَ
الظَّالِمِينَ
তখন তাদের কাছে তাদের পালনকর্তা ওহী প্রেরণ করলেন যে, আমি
জালিমদেরকে অবশ্যই ধ্বংস করে দেব। [ সুরা ইবরাহীম ১৪:১৩ ]
জালিমদেরকে অবশ্যই ধ্বংস করে দেব। [ সুরা ইবরাহীম ১৪:১৩ ]
সুতরাং আজ যারা জুলুম করছেন তাদের জন্য এখানে সতর্কবানী রয়েছে।
আল্লাহ তায়ালা জালেমদের ধ্বংস করবেন এবং মুসলমানদের দ্বারা সে দেশটিকে আবাদ করবেন পরের আয়াতে সে কথাই বলে দিয়েছেন তবে সে জন্য মুসলমানদের বিজয় লাভের জন্য ১টি শর্তও দিয়েছেন তা হল তাকওয়া, যদি
মুসলমানরা তাকওয়া অবলম্বন করেন তাহলে মুসলমানরা বিজয়ী হবেন- আয়াতটি
হল
মুসলমানরা তাকওয়া অবলম্বন করেন তাহলে মুসলমানরা বিজয়ী হবেন- আয়াতটি
হল
وَلَنُسْكِنَنَّـكُمُ
الأَرْضَ مِن بَعْدِهِمْ ذَلِكَ لِمَنْ خَافَ مَقَامِي وَخَافَ وَعِيدِ
الأَرْضَ مِن بَعْدِهِمْ ذَلِكَ لِمَنْ خَافَ مَقَامِي وَخَافَ وَعِيدِ
তাদের পর তোমাদেরকে দেশে আবাদ করব। এটা ঐ ব্যক্তি পায়, যে
আমার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে এবং আমার আযাবের ওয়াদাকে ভয় করে। [ সুরা ইবরাহীম ১৪:১৪ ]
আমার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে এবং আমার আযাবের ওয়াদাকে ভয় করে। [ সুরা ইবরাহীম ১৪:১৪ ]
সুতরাং মুসলমানদের জন্য ভয় নাই ভয় শুধু আল্লাহকে করতে হবে এবং সুরা ইবরাহিমের ১২ নং আয়াতে আরো সুন্দর গাইডলাইন রয়েছে তা হল সবর ও আল্লাহর
উপর ভরসা করা আয়াতটি হল
উপর ভরসা করা আয়াতটি হল
وَمَا لَنَا أَلاَّ
نَتَوَكَّلَ عَلَى اللّهِ وَقَدْ هَدَانَا سُبُلَنَا وَلَنَصْبِرَنَّ عَلَى مَا
آذَيْتُمُونَا وَعَلَى اللّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُتَوَكِّلُونَ
نَتَوَكَّلَ عَلَى اللّهِ وَقَدْ هَدَانَا سُبُلَنَا وَلَنَصْبِرَنَّ عَلَى مَا
آذَيْتُمُونَا وَعَلَى اللّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُتَوَكِّلُونَ
আমাদের আল্লাহর উপর ভরসা না করার কি কারণ থাকতে পারে, অথচ
তিনি আমাদেরকে আমাদের পথ বলে দিয়েছেন। তোমরা আমাদেরকে যে পীড়ন করেছ, তজ্জন্যে
আমরা সবর করব। ভরসাকারিগণের আল্লাহর উপরই ভরসা করা উচিত। [ সুরা ইবরাহীম ১৪:১২ ]
তিনি আমাদেরকে আমাদের পথ বলে দিয়েছেন। তোমরা আমাদেরকে যে পীড়ন করেছ, তজ্জন্যে
আমরা সবর করব। ভরসাকারিগণের আল্লাহর উপরই ভরসা করা উচিত। [ সুরা ইবরাহীম ১৪:১২ ]
আল্লাহ
তায়ালা সারা জাহানের মুসলমানদেরকে সুরা ইবরাহিমের ১২-১৪ নং আয়াত থেকে শিক্ষা অর্জন করেন আল্লাহকে সদা ভয় করা, বিপদে ধৈর্য্য ধরা ও আল্লাহর
উপর ভরসা করার তৌফিক দান করুন।
তায়ালা সারা জাহানের মুসলমানদেরকে সুরা ইবরাহিমের ১২-১৪ নং আয়াত থেকে শিক্ষা অর্জন করেন আল্লাহকে সদা ভয় করা, বিপদে ধৈর্য্য ধরা ও আল্লাহর
উপর ভরসা করার তৌফিক দান করুন।

sura maun ar misti tilawat dakhun aikhane
উত্তরমুছুনhttps://youtu.be/Akf7ioadgzI