চীনে, ইরানে আসল। বার্মা ইন্ডিয়ায় আসলনা এর কারন কি?







করোনা
ভাইরাস মুসলমানদের উপর জুলুমের কারনে যদি চীনাদের উপর আল্লাহ  আযাব হয় তাহলে
এ আযাব বার্মা ও ইন্ডিয়ায় হচ্ছেনা কেন?
কুরান
হাদীস ও যৌক্তিক আলোচনাটি শুনেন......

কিছু
ইসলাম বিদ্বেষীরা ইথিক্সরা ১টি প্রশ্ন মিডিয়ায় ছেড়ে দিয়েছে যার জবাব আমরা আজ জানব প্রথমে
প্রশ্নটি শুনুন - প্রশ্নটি হল আজকাল মুসলমানরা খুশী উদযাপন করছে, কারন- চাইনিজ লোকেরা
মুসলমানদের উপর যুলুম করেছে আর আল্লাহ তাদের উপর ক্রোনাভায়রাছ এর আকৃতিতে আযাব নাজিল
করেছেন।
তেমনি
অষ্ট্রেলিয়ার মানুষ মুসলমানদের উপর যুলুম করেছে আল্লাহ সেখানে বড় আগুনের আকৃতিতে আযাব
নাজিল করেছেন।
যদি
আল্লাহ মুসলমানদের উপর অত্যাচারের কারনে জুলুমের কারনে চীন ও অষ্ট্রেলিয়ায় আযাব নাজিল
করে থাকেন তাহলে বার্মা, ইন্ডিয়া ও কাশ্মিরে কেন এ ধরনের আযাব আসল না? সেখানেও মুসলমানদের
উপর অনেক যুলুম হচ্ছে। যদি ক্রোনাভায়রাছ আল্লাহর আযাব হয় তাহলে, সৌদি আরব ইরান সহ বিভিন্ন
মুসলিম দেশে কেন এই ভারাস ছড়ালো? তাছাড়া বাংলাদেশের মত মুসলিম প্রধান দেশে প্রতিবছর
বন্যা হয় পাকিস্তানে প্রতিবছর ভুমিকম্প হয়, এসবও কি আল্লাহর আযাব? যদি আযাব হয় তাহলে
এ আযাব কেন মুসলিমদের উপর হয়?

এর
জবাবে মুসলিম স্কলারগন খুব সুন্দর জবাব দিয়েছেন তাহল যদি ক্রোনাভায়রাছ মুসলমানদের উপর
জুলুমের কারনে না হয়ে থাকে তাহলে আপনারাই বলুন এর পিছনে আসল কারন কি? আপনারা সাইন্স
টেকনোলজি নিয়ে বসে আছেন আপনারাই এর প্রকৃত কারন প্রুফ সহ ডিক্লার করে দিন আমরা মেনে
নিব।
ক্রোনাভায়রাছ
চাইনিজদের আক্রমন করেছে যা গোটা বিশ্ব জানে। কিন্তু এই ভাইরাছ হল কেন তা ডিক্লার করে
দেন। কিন্তু আজো কেহই ক্লিয়ার বলতে পারল  না
এর কারন কি? আপনারা যদি ক্লিয়ার কোন কারন সামনে আনতে পারেন তাহলে আমরা মুসলিমরা এ ভাইরাছ
এর যে কারন দাঁড় করিয়েছি তা উইড্র করে নিব। যতদিন আপনারা এই ভাইরাছের কোন কারন দাঁড়
করাতে পারবেন না ততদিন আমরা বলে যাব অবশ্যই এই ভাইরাছ মুসলমানদের উপর জুলুমের কারনে
আল্লাহর আযাব। কেননা আল্লাহ তায়ালা এটাই নিয়ম যে দুনিয়ায় যতদিন আদল ইনসাফ প্রতিষ্ঠা
থাকে ততদিন আল্লাহর রহমত অহরহ নাজিল হতে থাকে, আর যেখানে ন্যায় নীতি ভেঙ্গে জুলুম প্রতিষ্ঠা
হয় তখন আল্লাহ তায়ালা তাঁর নিজস্ব তরিকায় জালেমকে শায়েস্তা করেন।

আর
একটি প্রশ্ন হল- আল্লাহ বার্মায় কেন দেননি, ইন্ডিয়ায় কেন দিলেন না, এর জবাবে স্কলারগন
বলেন- আল্লাহ কাকে কি ভাবে লাইনে আনবেন সেটা আল্লাহই ভাল জানেন, আমরা বান্দাগন বান্দাই
থাকব, আল্লাহ কাকে কিভাবে শাস্তি দিবেন কাকে পুরস্কার দিবেন সেটা আল্লাহই ভাল বুঝেন।
ইথিক্সরা আল্লাহর ফয়সালায় আঙ্গুল না উঠিয়ে প্রশ্ন না উঠিয়ে আগে এ কারন বের করুন ক্রোনাভাইরাছ
কেন হল।

পবিত্র
কুরানে এ প্রশ্নের জবাব পরিস্কার করে দিয়েছেন- বুখতে নছর ছিল মুর্তিপুঁজারী যে ইরাকী
ছিল যে বায়তুল মুকাদ্দাছে ২ বার হামলা করে, বনি ইসরাইল যারা আল্লাহকে মান্য করত তাদের
উপর এই হামলা হয়েছিল, বায়তুল মুকাদ্দাসকে এই কাফের তছনছ করে দিল। আল্লাহ বলেন আমি এই
আযাব আমাকে মান্যকারী বনি ইসরাইলীদের উপর উপর এই জন্য প্রেরণ করেছি যাতে তারা সংশোধন
হয়ে যায়। এ থেকে বুঝা যায় আল্লাহকে যারা মান্য করেন তাদের উপরও যদি আল্লাহর আযাব এসে
যায় তাহলে সেটা হবে তাদের সংশোধনের জন্য। আর আল্লাহর শত্রুদের উপর আযাব আসে তাদেরকে
ধ্বংস করে দেয়ার জন্য। এটাই হল আল্লাহর তরিকা।

সুতরাং
মুসলমানদের উপর আল্লাহকে মান্য কারীর উপর যদি কোন আযাব আসে তাহবে মুসলমানদেরকে সংশোধন
করার জন্য। সুতরাং আজ ক্রোনাভাইরাছ অমুসলিমদের উপর ভয়াবহ আকার ধারন করেছে সেটা তাঁদের
জন্য আযাব আর সাথে সাথে কিছু কিছু মুসলিম দেশে কিংবা মুসলমানদেরকেও আক্রান্ত করছে তাহল
সে সব মুসলমানদেরকে সংশোধন করার নিমিত্তে।

আজ
ইন্ডিয়ায় বেদ্বীন কাফেরেরা মুসলমানদেরকে মারছে কাটছে, মসজিদ জ্বালিয়ে দিচ্ছে, এটা হল
মুলত ইন্ডিয়ার মুসলমানদের উপর আযাব যেন ইন্ডিয়ার মুসলমানরা সংশোধন হয়ে যায়। আর এই জুলুমে
যদি মুসলমানরা নিজেদের ভুলত্রুটিসমুহ শুধরে নেয়, খালেছ নিয়তে তওবা করে আল্লাহর সাথে
তাকওয়াওয়ালা জিন্দেগীর ওয়াদা করে নেয় তাহলে অবশ্যই অবশ্যই চায়নার মুসলমানদের মত ইন্ডিয়ার
মুসলমানদের উপরও আল্লাহর সাহায্য নেমে আসবে।

আল্লাহ
তায়ালা কুরানে স্পষ্ট বলে দিয়েছেন (ওয়ামা কানাল্লাহু লি ইউয়াজ্জিবাহুম ওয়া আনতা ফিহিম)
আল্লাহ এমন নন যে তাদেরকে আযাব দিবেন, যতক্ষন (হেনবী) আপনি তাদের মাঝে বিদ্যমান আছে।
ছোট  ছোট আযাব আসতে থাকবে যাতে এরা শুধরে যায়।
আগের
অনেক কওমকে আল্লাহ জেরও জবর করে দিয়েছেন, কিন্তু এমন আযাব যদিও কেয়ামত পযন্ত আমাদের
নবীর অছিলায় আসবে না কিন্তু ছোট ছোট আযাব, ভয় আসবে যাতে মুসলমানরা সংশোধন হয়ে যায়।

আব্বা নিজ সন্তানকে যদি মারে তা সন্তানকে সংশোধনের
জন্য, কিন্তু অন্য কাউকে মারলে তাকে মারার জন্যই মারেন, তেমনি আল্লাহও মুমিনকে যখন
মারেন সংশোধনের জন্য আর নাফরমানকে যখন মারেন মারার জন্য মারেন।

আজ সারা দুনিয়ায় চাইনিজদের বের করে দেযা হচ্ছে
এই ভয়ে যেন এই ভাইরাস না লাগে, সারা বিশ্ব চাইনিজদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে,
যে চাইনিজ তাদের দেশ থেকে মুসলমানদের বের করতে চেয়েছে সে চাইনিজরাই আজ সারা বিশ্ব থেকে
বিতাড়িত হচ্ছে, তাদের ফেক্টরী বন্ধ হয়ে গেছে, ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে, এয়ারপোট বন্ধ হয়ে
গেছে, আন্তর্জাতিক সকল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে, এরচেয়ে বড় আযাব চাইনিজদের জন্য এই মুহুর্তে
আর কি হতে পারে?

সুতরাং মুল কথা হল ক্রোনাভাইরাছ নিঃসন্দেহে আল্লাহর
আযাব, অষ্ট্রেলিয়ার আগুন নিঃসন্দেহে আল্লাহর আযাব ছিল। আমাদের নবীর উছিলায় আল্লাহ পূর্বজামানার
আদ সামুদ ফেরাউন লুত জাতীর মত কোন জাতীকে জেরও জবর করে দিবেন না ঠিকই, কিন্তু জুলুম
নাফরমানির কারনে ছোট ছোট আযাব দিয়ে তাদের জুলুমবাজি আল্লাহ ছুটিয়ে দিবেন, আর মুসলমান
যদি এদিক সেদিক করে তাদেরকেও ঝটকা দেন যেন তারা সংশোধন হয়ে যায়। ক্রোনাভাইরাসের আযাবে
সারা দুনিয়ার চাইনিজরা পেরেশান, পক্ষান্তরে বাংলাদেশে প্রতিবছর যে বন্যা হয় তাতে অল্প
কতেক ক্ষয়ক্ষতি যদিও হয় কিন্তু সারা দুনিয়ার বাংলাদেশীরা তাতে পেরেশান নয়। কারন বাংলাদেশেরটা
হল মুসলমানদেরকে সংশোধন করার জন্য আল্লাহর রহমত ওয়ালা থাপ্পর, মহব্বত ভরা থাপ্পর। আর
চাইনিজদের উপর যে ভাইরাস তা হল আল্লাহ আযাবের থাপ্পর। এখন আপনি আমি কে খোদ চাইনিজ বিধর্মীরাই
বুঝতে পেরেছে এটা আল্লাহর আযাব তাই আজ তারাও এই আযাব থেকে বাঁচতে মুসলমানদের খোদাকে
সিজদা করতে মসজিদে এসে নামাজে দাঁড়িয়ে গেছে। তারা ভাবছে এটা এমন কোন এক্সেচাইজ যার
ফলে মুসলমানদের ক্রোনাভাইরাস হচেছ না, তাই তারাও মুসলমানদের সাথে নামাজে উঠাবসা শুরু
করে দিয়েছে।

তাই আল্লাহ বলেছেন (ফাতাবিরু এয়া উলিল আলবাব) হে
জ্ঞানবানরা তোমরা এ থেকে ছবক গ্রহণ কর। শিক্ষা অর্জন কর। সুতরাং এই ধরনের পরিস্থিতিতে
মুলত জ্ঞানবানরাই শিক্ষা লাভ করে।যারা আহম্মক তারাই উল্টা পাল্টা প্রশ্ন করে ঠাট্টা
বিদ্রুপ করে।


কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.