যে আমল দেখে আল্লাহর হাবীব মহানবী (দ) রাগে লাল হয়ে যেতেন। Islamic Knowled...
যে আমল দেখে প্রিয় নবী (দঃ)
রাগে লাল হয়ে যেতেন
হযরত আয়শা (রাঃ) বলেন আল্লাহর হাবীব কখনো নিজের ব্যক্তিগত কারনে
রাগ করতেন না, যখনই রাগ দেখাতেন তা উম্মতকে দ্বীন ইসলাম শিখানোর খাতিরে শরীয়ত শিখানোর
জন্য দেখাতেন।
রাগ করতেন না, যখনই রাগ দেখাতেন তা উম্মতকে দ্বীন ইসলাম শিখানোর খাতিরে শরীয়ত শিখানোর
জন্য দেখাতেন।
হযরত আয়শা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ একদিন আমার কাছে আসলেন।
আমি তখন ছবিযুক্ত একটি পর্দা টানাতে ব্যস্ত ছিলাম। তা দেখে আল্লাহর হাবিবের চেহারার
রঙ পরিবর্তন হয়ে গেল। অতঃপর পর্দাটা নিয়ে ছিঁড়ে ফেললেন এবং বললেনঃ কিয়ামতের দিন সবচেয়ে
কঠিন শাস্তি তাদের হবে যারা আল্লাহর সৃষ্টির সাদৃশ্য তৈরী করে। (সহীহ মুসলিম, হাদীস
নং৫৬৪৭)
আমি তখন ছবিযুক্ত একটি পর্দা টানাতে ব্যস্ত ছিলাম। তা দেখে আল্লাহর হাবিবের চেহারার
রঙ পরিবর্তন হয়ে গেল। অতঃপর পর্দাটা নিয়ে ছিঁড়ে ফেললেন এবং বললেনঃ কিয়ামতের দিন সবচেয়ে
কঠিন শাস্তি তাদের হবে যারা আল্লাহর সৃষ্টির সাদৃশ্য তৈরী করে। (সহীহ মুসলিম, হাদীস
নং৫৬৪৭)
হযরত জাবের (রা.) বলেন যে, ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রা) তাওরাতের
একটি কপি নিয়ে রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের কাছে এলেন। অতঃপর বললেন,
হে আল্লাহ্র রাসূল! এটি তাওরাতের একটি কপি। একথা শুনে তিনি চুপ রইলেন। অতঃপর ওমর
(রা.) পড়তে শুরু করলেন। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সা)-এর চেহারা পরিবর্তিত হ’তে থাকল।
তখন আবুবকর (রা.) ওমরকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠলেন, তোমার সর্বনাশ হৌক! তুমি কি রাসূলুল্লাহ
(সা)-এর চেহারার অবস্থা দেখছ না? তখন ওমর রাসূল (সা)-এর চেহারার দিকে তাকালেন। অতঃপর
(ক্ষমা চেয়ে) বললেন, আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ক্রোধ হ’তে আল্লাহ্র আশ্রয় প্রার্থনা
করছি। আমরা আল্লাহকে প্রতিপালক হিসাবে, ইসলামকে দ্বীন হিসাবে এবং মুহাম্মাদকে নবী হিসাবে
পেয়ে সন্তুষ্ট রয়েছি’। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন নিহিত,
তার কসম করে বলছি, যদি আজ মূসা তোমাদের নিকটে আবির্ভূত হ’তেন। আর তোমরা তার অনুসরণ
করতে এবং আমাকে পরিত্যাগ করতে, তাহ’লে অবশ্যই তোমরা সরল পথ হ’তে বিচ্যুত হ’তে। যদি
মূসা বেঁচে থাকতেন ও আমার নবুঅতকাল পেতেন, তাহ’লে অবশ্যই তিনি আমার অনুসরণ করতেন’।
-দারেমী। মিশকাত হা/১৯৪,
সুতরাং হাদীসে দেখতে পাই ওমর (রা) এর মত উচ্চ মর্যাদার সাহাবীর বিকৃত কিতাব পাঠেই রাসূলুল্লাহ
কি পরিমাণ রাগান্বিত হয়েছেন আর সাধারণ মুসলিমদের কথাত বাদ ।
একটি কপি নিয়ে রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের কাছে এলেন। অতঃপর বললেন,
হে আল্লাহ্র রাসূল! এটি তাওরাতের একটি কপি। একথা শুনে তিনি চুপ রইলেন। অতঃপর ওমর
(রা.) পড়তে শুরু করলেন। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সা)-এর চেহারা পরিবর্তিত হ’তে থাকল।
তখন আবুবকর (রা.) ওমরকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠলেন, তোমার সর্বনাশ হৌক! তুমি কি রাসূলুল্লাহ
(সা)-এর চেহারার অবস্থা দেখছ না? তখন ওমর রাসূল (সা)-এর চেহারার দিকে তাকালেন। অতঃপর
(ক্ষমা চেয়ে) বললেন, আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ক্রোধ হ’তে আল্লাহ্র আশ্রয় প্রার্থনা
করছি। আমরা আল্লাহকে প্রতিপালক হিসাবে, ইসলামকে দ্বীন হিসাবে এবং মুহাম্মাদকে নবী হিসাবে
পেয়ে সন্তুষ্ট রয়েছি’। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন নিহিত,
তার কসম করে বলছি, যদি আজ মূসা তোমাদের নিকটে আবির্ভূত হ’তেন। আর তোমরা তার অনুসরণ
করতে এবং আমাকে পরিত্যাগ করতে, তাহ’লে অবশ্যই তোমরা সরল পথ হ’তে বিচ্যুত হ’তে। যদি
মূসা বেঁচে থাকতেন ও আমার নবুঅতকাল পেতেন, তাহ’লে অবশ্যই তিনি আমার অনুসরণ করতেন’।
-দারেমী। মিশকাত হা/১৯৪,
সুতরাং হাদীসে দেখতে পাই ওমর (রা) এর মত উচ্চ মর্যাদার সাহাবীর বিকৃত কিতাব পাঠেই রাসূলুল্লাহ
কি পরিমাণ রাগান্বিত হয়েছেন আর সাধারণ মুসলিমদের কথাত বাদ ।
"আবু
মুসা আশ‘আরী (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্(ﷺ) -কে কতকগুলো বিষয়ে প্রশ্ন করা হল
যা তিনি অপছন্দ করলেন। লোকেরা যখন তাঁকে অধিক অধিক প্রশ্ন করতে লাগল, তিনি রাগান্বিত
হলেন এবং বললেনঃ আমাকে প্রশ্ন কর। তখন এক লোক দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসুল!
আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা হল হুজাফাহ। এরপর আরেকজন দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল,
হে আল্লাহর রাসুল! আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা শায়বাহর আযাদকৃত গোলাম সালিম।
উমার(রা.) রাসুলুল্লাহ্(ﷺ)-এর চেহারায় রাগের আলামত দেখে বললেন,
আমরা আল্লাহর কাছে তাওবাহ করছি"
মুসা আশ‘আরী (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্(ﷺ) -কে কতকগুলো বিষয়ে প্রশ্ন করা হল
যা তিনি অপছন্দ করলেন। লোকেরা যখন তাঁকে অধিক অধিক প্রশ্ন করতে লাগল, তিনি রাগান্বিত
হলেন এবং বললেনঃ আমাকে প্রশ্ন কর। তখন এক লোক দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসুল!
আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা হল হুজাফাহ। এরপর আরেকজন দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল,
হে আল্লাহর রাসুল! আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা শায়বাহর আযাদকৃত গোলাম সালিম।
উমার(রা.) রাসুলুল্লাহ্(ﷺ)-এর চেহারায় রাগের আলামত দেখে বললেন,
আমরা আল্লাহর কাছে তাওবাহ করছি"
[সহীহ
বুখারী, হাদিস নং : ৬৭৯৩ ]
বুখারী, হাদিস নং : ৬৭৯৩ ]
তেমনি একটি আল্লাহর হাবীব এক সাহাবীর সাথে দেখা করতে গেলেন
দেখলেন সে ২ মনজিল বিশিষ্ট ঘর বানিয়েছে, (তখন সাহাবীদের যুগ ছিল সে যুগে এমন ঘরের প্রয়োজন
ছিলনা) সরকারে মাদিনা সে সাহাবীর সাথে সাক্ষাৎ না করেই চলে আসলেন, তখন কেহ সে সাহাবীকে
বলে দিল তোমার ঘরে সরকার (দঃ) এসেছিল কিন্তু তোমার এই ঘর দেখে নারাজ হয়ে চলে গেলেন,
সে কথা শুনে সাহাবী বারোগাহে রেসালতে পরে তশরীফ আনলেন কিন্তু তার আগে নিজের সে ২ মনজিলের
ঘর নিজ হাতে ভেঙ্গে ফেললেন। এরপর সরকারের বারেগাহে এসে ক্ষমা চাইল এয়া রাসুলাল্লাহ
আমার জানা ছিলনা তাই দ্বীতল ভবন বানিয়েছি, এখন আপনার অসন্তুষ্টির কথা শুনে তা ভেঙে্গে
ফেলেছি
দেখলেন সে ২ মনজিল বিশিষ্ট ঘর বানিয়েছে, (তখন সাহাবীদের যুগ ছিল সে যুগে এমন ঘরের প্রয়োজন
ছিলনা) সরকারে মাদিনা সে সাহাবীর সাথে সাক্ষাৎ না করেই চলে আসলেন, তখন কেহ সে সাহাবীকে
বলে দিল তোমার ঘরে সরকার (দঃ) এসেছিল কিন্তু তোমার এই ঘর দেখে নারাজ হয়ে চলে গেলেন,
সে কথা শুনে সাহাবী বারোগাহে রেসালতে পরে তশরীফ আনলেন কিন্তু তার আগে নিজের সে ২ মনজিলের
ঘর নিজ হাতে ভেঙ্গে ফেললেন। এরপর সরকারের বারেগাহে এসে ক্ষমা চাইল এয়া রাসুলাল্লাহ
আমার জানা ছিলনা তাই দ্বীতল ভবন বানিয়েছি, এখন আপনার অসন্তুষ্টির কথা শুনে তা ভেঙে্গে
ফেলেছি
সালামা ইবনুল আকওয়া রা. থেকে বর্ণিত, আমরা নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মজলিশে ছিলাম। তখন একজন মায়্যিত উপস্থিত করা হল। লোকেরা তাঁকে নামায পড়ানোর অনুরোধ করলে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তার উপর কি কোনো ঋণ আছে? লোকেরা বলল, জ্বী না। আবার জিজ্ঞাসা করলেন, সে কি কিছু রেখে গিয়েছে? তারা বলল, জ্বী না। তখন তিনি নামায পড়ালেন। তারপর আরেকজন মায়্যিত উপস্থিত করা হল। লোকেরা তাঁকে নামায পড়ানোর অনুরোধ করলে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তার উপর কি কোনো ঋণ আছে? বলা হল, জ্বী হাঁ। জিজ্ঞাসা করলেন, সে কি কিছু রেখে গিয়েছে? লোকেরা বলল, তিন দিনার রেখে গিয়েছে। তখন তিনি নামায পড়ালেন। এরপর আরেকজন মায়্যিত আনা হল। লোকেরা তাঁকে নামায পড়ানোর অনুরোধ করলে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, সে কি কিছু রেখে গিয়েছে? তারা বলল, জ্বী না। জিজ্ঞাসা করলেন, তার উপর কি কোনো ঋণ আছে? বলা হল, তিন দিনার আছে। তিনি বললেন, তোমাদের সাথীর নামায তোমরাই পড়। এ কথা শুনে আবু কাতাদা রা. বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি নামায পড়িয়ে দিন, তার ঋণ আমার জিম্মায়। তখন তিনি নামায পড়ালেন। -সহীহ বুখারী, হাদীস ২২৮৯
আল্লাহর হাবিবের জানাযায় এ অসম্মতির মধ্য দিয়ে তিনি
উম্মতকে এই বার্তা দিতে চেয়েছেন যে, ঋণের বিষয়টি
অত্যন্ত স্পর্শকাতর! কেউই যেন বিশেষ প্রয়োজন এবং পরিশোধের প্রবল ধারণা ছাড়া ঋণ না
নেয়। বিশেষ প্রয়োজনে নিলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করে ফেলে। পরিশোধ না করে
বা অন্তত পরিশোধ করার জন্য কিছু না রেখে মৃত্যুবরণ না করে।
উম্মতকে এই বার্তা দিতে চেয়েছেন যে, ঋণের বিষয়টি
অত্যন্ত স্পর্শকাতর! কেউই যেন বিশেষ প্রয়োজন এবং পরিশোধের প্রবল ধারণা ছাড়া ঋণ না
নেয়। বিশেষ প্রয়োজনে নিলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করে ফেলে। পরিশোধ না করে
বা অন্তত পরিশোধ করার জন্য কিছু না রেখে মৃত্যুবরণ না করে।
এক সাহাবী সরকারের বয়ানগুলি লিখে নিত, একজন সাহাবী
তাকে নিষেধ করল কারন সরকারে দো আলম কখনো রাগের মাথায় অনেক কিছু বলেন তাই সব কিছু লেখার
প্রয়োজন নাই, পরের দিন যখন সে সাহাবী লেখছেন না তখন সরকার তাকে না লেখার কারন জিজ্ঞাসা
করলেন সে কারন বয়ান করলে আল্লাহর হাবিব বললেন তুমি লিখে নাও কারন রাগের মধ্যেও আমি
যা বলি তা হক কথাই বলি।
তাকে নিষেধ করল কারন সরকারে দো আলম কখনো রাগের মাথায় অনেক কিছু বলেন তাই সব কিছু লেখার
প্রয়োজন নাই, পরের দিন যখন সে সাহাবী লেখছেন না তখন সরকার তাকে না লেখার কারন জিজ্ঞাসা
করলেন সে কারন বয়ান করলে আল্লাহর হাবিব বললেন তুমি লিখে নাও কারন রাগের মধ্যেও আমি
যা বলি তা হক কথাই বলি।

কোন মন্তব্য নেই