Islami Shariat Bangla (1) ইসলামী শরীয়তের প্রশ্নোত্তর পর্ব-১|| Knowledge ...
প্রঃ কাকে ঘুম
থেকে ডাকা ওয়াজিব?
থেকে ডাকা ওয়াজিব?
উঃ কেহ ঘুমে থাকলে
তাকে যদি ঘুম থেকে ডাকার মত আপনার ক্ষমতা থাকে এবং আপনার যদি পূণ বিশ্বাস থাকে যে যদি
আপনি তাকে নামাজের জন্য ডাকেন তাহলে সে উঠবে নামাজে যাবে তখন আপনার জন্য ওয়াজিব হয়ে
যায় তাকে নামাজের জন্য ঘুম থেকে ডেকে দেয়া। এ ক্ষেত্রে যদি আমরা অবহেলা করি ঘুমন্ত
ব্যক্তি না ডাকি তাহলে গুনাহগার হবেন।
তাকে যদি ঘুম থেকে ডাকার মত আপনার ক্ষমতা থাকে এবং আপনার যদি পূণ বিশ্বাস থাকে যে যদি
আপনি তাকে নামাজের জন্য ডাকেন তাহলে সে উঠবে নামাজে যাবে তখন আপনার জন্য ওয়াজিব হয়ে
যায় তাকে নামাজের জন্য ঘুম থেকে ডেকে দেয়া। এ ক্ষেত্রে যদি আমরা অবহেলা করি ঘুমন্ত
ব্যক্তি না ডাকি তাহলে গুনাহগার হবেন।
প্রঃ কুড়িয়ে পাওয়া
বস্তু ব্যবহার করার নিয়ম
বস্তু ব্যবহার করার নিয়ম
উঃ মনে রাখবেন
যখনই কোন কিছু আপনি কুড়িয়ে পাবেন তখন সেটা যথাযথ মালিকের কাছে পৌঁছে দেয়া আপনার জিম্মাদারী
হয়ে যায়, তখন আপনাকে সে বস্তুটি আসল মালিকের কাছে দেয়ার চেষ্টা চালাতে হবে। কিন্তু
আপনি পাওয়ার সাথে সাথে আসল মালিক না খুঁজে নিজের পকেটে ঢুকিয়ে নিলে গুনাহগার হবেন।
যদি অনেক চেষ্টা তদবীরের পরও মালিক খুঁজে না পান তখন যদি আপনি গরিব হয়ে থাকেন তাহলে
আপনি মোবাইলটি ব্যবহার করতে পারবেন, অথবা সে অজানা মালিকের পক্ষ থেকে এ মোবাইলটি বা
কুড়িয়ে পাওয়া বস্তুটি কাউকে সদকা করে দিবেন। তবে যদি সদকা করার পর যদি আসল মালিকের
ঠিকানা জানা যায় তখন সে জিনিষের মূল্য আপনাকে উক্ত মালিককে আদায় করে দিতে হবে।
যখনই কোন কিছু আপনি কুড়িয়ে পাবেন তখন সেটা যথাযথ মালিকের কাছে পৌঁছে দেয়া আপনার জিম্মাদারী
হয়ে যায়, তখন আপনাকে সে বস্তুটি আসল মালিকের কাছে দেয়ার চেষ্টা চালাতে হবে। কিন্তু
আপনি পাওয়ার সাথে সাথে আসল মালিক না খুঁজে নিজের পকেটে ঢুকিয়ে নিলে গুনাহগার হবেন।
যদি অনেক চেষ্টা তদবীরের পরও মালিক খুঁজে না পান তখন যদি আপনি গরিব হয়ে থাকেন তাহলে
আপনি মোবাইলটি ব্যবহার করতে পারবেন, অথবা সে অজানা মালিকের পক্ষ থেকে এ মোবাইলটি বা
কুড়িয়ে পাওয়া বস্তুটি কাউকে সদকা করে দিবেন। তবে যদি সদকা করার পর যদি আসল মালিকের
ঠিকানা জানা যায় তখন সে জিনিষের মূল্য আপনাকে উক্ত মালিককে আদায় করে দিতে হবে।
প্রঃ যে ৩ জুমা
পড়ল না তার হকুম কি
পড়ল না তার হকুম কি
উঃ হাদীস শরীফের
মফহুম হল যে ব্যক্তি ইচ্ছকৃত ৩ জুমা ছেড়ে দিল সে কুফুরী করল। এ কথার ব্যাখ্যা করতে
গিয়ে ওলামায়ে কেরাম বলে যদি সে ব্যক্তি হারাম মনে করে ছেড়ে দেয়, অথ্যাৎ অলসতার কারনে
ছেড়ে দেয় তবে মনে মনে এটা মান্য করে যে সে কাজটি ভুল করছে তাহলে সে অনেক বড় নাশোকরী
করছে, সে যদিও কাফের হবে না কিন্তু শক্ত গুনাহে কবীরাকারী হিসেবে গন্য হবে। এবং তার
ব্যপারে ভয় আছে হয়ত শয়তান তাকে কুফুরীতে লিপ্ত করে দিবে। আর যদি হালাল মনে করে ছেড়ে
দেয় তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে।
মফহুম হল যে ব্যক্তি ইচ্ছকৃত ৩ জুমা ছেড়ে দিল সে কুফুরী করল। এ কথার ব্যাখ্যা করতে
গিয়ে ওলামায়ে কেরাম বলে যদি সে ব্যক্তি হারাম মনে করে ছেড়ে দেয়, অথ্যাৎ অলসতার কারনে
ছেড়ে দেয় তবে মনে মনে এটা মান্য করে যে সে কাজটি ভুল করছে তাহলে সে অনেক বড় নাশোকরী
করছে, সে যদিও কাফের হবে না কিন্তু শক্ত গুনাহে কবীরাকারী হিসেবে গন্য হবে। এবং তার
ব্যপারে ভয় আছে হয়ত শয়তান তাকে কুফুরীতে লিপ্ত করে দিবে। আর যদি হালাল মনে করে ছেড়ে
দেয় তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে।
প্রঃ প্রেগনেন্সি
টেস্টের পরকি গোসল ফরয হয়
টেস্টের পরকি গোসল ফরয হয়
উঃ অনেক সময় নারীদেরকে
এমন চেকআপ করাতে হয়, যাকে আভ্যন্তরীন চেকআপ বলা যায়, এতে করে গোসল ফরয হয় কিনা অনেকে
জানতে চান, এর জবাবে ফোকাহায়ে কেরাম বলেন এতে গোসল ফরয হয় না, অনেক সময় এ ধরনের চেকআপে
ভিতরে কোন মেডিসিন রাখা হয় আবার তা বেরিয়ে আসে, এতে অজু অবশ্যই ভঙ্গ হবে তবে গোসল ফরয
হবে না, সুতরাং এমন চেক আপ এর পর অজু পুনরায় করতে হবে, কিন্তু গোসল তখন পর্যন্ত ওয়াজিব
হবে না যতক্ষন ডিসচাজিং না হয়।
এমন চেকআপ করাতে হয়, যাকে আভ্যন্তরীন চেকআপ বলা যায়, এতে করে গোসল ফরয হয় কিনা অনেকে
জানতে চান, এর জবাবে ফোকাহায়ে কেরাম বলেন এতে গোসল ফরয হয় না, অনেক সময় এ ধরনের চেকআপে
ভিতরে কোন মেডিসিন রাখা হয় আবার তা বেরিয়ে আসে, এতে অজু অবশ্যই ভঙ্গ হবে তবে গোসল ফরয
হবে না, সুতরাং এমন চেক আপ এর পর অজু পুনরায় করতে হবে, কিন্তু গোসল তখন পর্যন্ত ওয়াজিব
হবে না যতক্ষন ডিসচাজিং না হয়।
প্রঃ চীন থেকে
এখন কেহ দেশে আসলে কি গুনাহ হবে
এখন কেহ দেশে আসলে কি গুনাহ হবে
উঃ চীনে করোনা
ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চলছে, এ অবস্থায় সেখানে আমাদের দেশের অনেক লোক বিশেষ করে ছাত্র
ছাত্রীও আছেন তারা যদি বাংলাদেশে চলে আসে তাহলে কি গুনাহগার হবে? এ প্রশ্নের জবাবে
ফোকাহায়ে কেরাম বলেছেন গুনাহগার হবে না। আমাদের মাযহাবে ইসলামের দৃষ্টিতে আমাদের আকিদা
হল আল্লাহ যেখানে চান ভাইরাস সেখানে বা সে ব্যক্তির নিকটই বিস্তার হবে, ইসলামী মাযহাব
হল কোন রোগ উড়ে গিয়ে অন্যের উপর লাগে না, এর অথ এটা নয় যে ভাইরাসও উড়ে এসে লাগবে না,
ভাইরাস একজন থেকে অন্যজনের কাছে ছড়াতে পারে তবে সেটাও তখনই আছর করবে যখন আল্লাহর হকুম
হবে। সে জন্য দেখবেন অনেক সময় আমাদের ঘরে চোখের রোগ হতে দেখা যায় যাকে চোখ উঠা রোগ
বলে, এটাও এক প্রকার ভাইরাস তখন লক্ষ করবেন ঘরের সদস্য ৫ জন সেখানে ৩ জনের চোখ উঠা
রোগ হয়ে গেল বাকী ২ জনের হল না। সে জন্য এটা কনফাম নয় যে চীন থেকে আমাদের বাংলাদেশীরা
এদেশে আসলে তাদের দ্বারা ভাইরাস অবশ্যই আসবে তাই তাদের আসতে না দেয়াটা ঠিক নয়, বরং
তাদের আসতে দেয়া উচিত এবং তাদেরকে আসার সময় ভালভাবে চেকআপ করে নিলেই হয়। যদি ভাইরাস
পাওয়া যায় তাকে আলাদা রেখে চিকিৎসা করে তারপর তাকে প্রবেশ করা হলেই হল। সুতরাং তাদের
আসতে বাধা দেয়া সহিহ নয় অথবা কেহ আসলে তাকে গুনাহগার বলাও সহিহ নয়। তবে কারো মধ্যে
যদি এমন ভাইরাস যদি তাকে আর সে যদি মিথ্যা বলে দেশে ঢুকে যায় তাহলে এই মিথ্যা বলার
কারনে গুনাহগার হবে।
ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চলছে, এ অবস্থায় সেখানে আমাদের দেশের অনেক লোক বিশেষ করে ছাত্র
ছাত্রীও আছেন তারা যদি বাংলাদেশে চলে আসে তাহলে কি গুনাহগার হবে? এ প্রশ্নের জবাবে
ফোকাহায়ে কেরাম বলেছেন গুনাহগার হবে না। আমাদের মাযহাবে ইসলামের দৃষ্টিতে আমাদের আকিদা
হল আল্লাহ যেখানে চান ভাইরাস সেখানে বা সে ব্যক্তির নিকটই বিস্তার হবে, ইসলামী মাযহাব
হল কোন রোগ উড়ে গিয়ে অন্যের উপর লাগে না, এর অথ এটা নয় যে ভাইরাসও উড়ে এসে লাগবে না,
ভাইরাস একজন থেকে অন্যজনের কাছে ছড়াতে পারে তবে সেটাও তখনই আছর করবে যখন আল্লাহর হকুম
হবে। সে জন্য দেখবেন অনেক সময় আমাদের ঘরে চোখের রোগ হতে দেখা যায় যাকে চোখ উঠা রোগ
বলে, এটাও এক প্রকার ভাইরাস তখন লক্ষ করবেন ঘরের সদস্য ৫ জন সেখানে ৩ জনের চোখ উঠা
রোগ হয়ে গেল বাকী ২ জনের হল না। সে জন্য এটা কনফাম নয় যে চীন থেকে আমাদের বাংলাদেশীরা
এদেশে আসলে তাদের দ্বারা ভাইরাস অবশ্যই আসবে তাই তাদের আসতে না দেয়াটা ঠিক নয়, বরং
তাদের আসতে দেয়া উচিত এবং তাদেরকে আসার সময় ভালভাবে চেকআপ করে নিলেই হয়। যদি ভাইরাস
পাওয়া যায় তাকে আলাদা রেখে চিকিৎসা করে তারপর তাকে প্রবেশ করা হলেই হল। সুতরাং তাদের
আসতে বাধা দেয়া সহিহ নয় অথবা কেহ আসলে তাকে গুনাহগার বলাও সহিহ নয়। তবে কারো মধ্যে
যদি এমন ভাইরাস যদি তাকে আর সে যদি মিথ্যা বলে দেশে ঢুকে যায় তাহলে এই মিথ্যা বলার
কারনে গুনাহগার হবে।
এক সাহাবী তার
উটকে আলাদা করছিল তখন নবী প্রশ্ন করলেন তুমি তোমার উট কোথায় নিয়ে যাচ্ছ? সে বলল এয়া
রাসুলাল্লাহ এখানে রোগাক্রান্ত উট আছে তাই আমার উট সরিয়ে নিচ্ছি যাতে এসব রোগাক্রান্ত
থেকে রোগ আমার উটের মধ্যে না লাগে, তখন নবীজি সাহাবীকে বললেন এখানে যেটি ১ম রোগাক্রান্ত
হয়েছে সেটা কিভাবে রোগী হল, তাকে কে রোগ লাগাল?
উটকে আলাদা করছিল তখন নবী প্রশ্ন করলেন তুমি তোমার উট কোথায় নিয়ে যাচ্ছ? সে বলল এয়া
রাসুলাল্লাহ এখানে রোগাক্রান্ত উট আছে তাই আমার উট সরিয়ে নিচ্ছি যাতে এসব রোগাক্রান্ত
থেকে রোগ আমার উটের মধ্যে না লাগে, তখন নবীজি সাহাবীকে বললেন এখানে যেটি ১ম রোগাক্রান্ত
হয়েছে সেটা কিভাবে রোগী হল, তাকে কে রোগ লাগাল?
আশা করি মাসায়ালাটি
বুঝছেন।
বুঝছেন।

As claimed by Stanford Medical, It is indeed the SINGLE reason women in this country get to live 10 years more and weigh on average 42 pounds lighter than us.
উত্তরমুছুন(And really, it is not related to genetics or some secret exercise and really, EVERYTHING about "HOW" they are eating.)
BTW, What I said is "HOW", and not "what"...
Tap on this link to reveal if this little quiz can help you unlock your true weight loss possibilities