জুমার খুতবা। রজব মাসের ফজিলত আমল এবং রজব মাসের শিক্ষা। Juma Khutba S. M....
বিসমিল্লাহির
রাহমানির রাহিম
রাহমানির রাহিম
ওয়ামা তুকাদ্দিমু লি
আনফুছিকুম মিন খাইরিন তাজিদুহু ইনদাল্লাহে হুয়া খাইরাও ওয়া আজামা আজরা, ওয়াসতাগফিরুল্লাহা।
ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রাহিম
আনফুছিকুম মিন খাইরিন তাজিদুহু ইনদাল্লাহে হুয়া খাইরাও ওয়া আজামা আজরা, ওয়াসতাগফিরুল্লাহা।
ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রাহিম
অথ- তোমরা নিজেদের জন্য যে নেক কাজ পাঠাবে তা আল্লাহর নিকট
গিয়ে অতি উত্তম ও বিরাট আকারে দেখতে পাবে। তোমরা আল্লাহর নিকট এস্তেগফার কর। নিশ্চয়
আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল ও অতি মেহেরবান।
গিয়ে অতি উত্তম ও বিরাট আকারে দেখতে পাবে। তোমরা আল্লাহর নিকট এস্তেগফার কর। নিশ্চয়
আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল ও অতি মেহেরবান।
রজব
মাস হারাম মাস জিলক্বদ জিলহজ্ব মহররম এই ৪টি মাসই হল হারাম মাস।
মাস হারাম মাস জিলক্বদ জিলহজ্ব মহররম এই ৪টি মাসই হল হারাম মাস।
রজব মাস হল বধির মাস- এর কারন হল (১) ফেরেশতারা এ মাসে এত বেশী
নেকী লিখে তারা বদী লেখার আওয়াজই শুনতে পায় না।
নেকী লিখে তারা বদী লেখার আওয়াজই শুনতে পায় না।
(২) বণিত আছে রজব মাস শেষ হলে সে আকাশের দিকে ওঠে তখন আল্লাহ
তাকে প্রশ্ন করেন (আবাজ্জালুকা ওয়া আজ্জামুকা?) বান্দারা তোমার মর্যাদা রক্ষা করেছে
কি? তোমাকে সম্মান প্রদর্শন করেছে কি?
তাকে প্রশ্ন করেন (আবাজ্জালুকা ওয়া আজ্জামুকা?) বান্দারা তোমার মর্যাদা রক্ষা করেছে
কি? তোমাকে সম্মান প্রদর্শন করেছে কি?
(ফা এয়াছকুতু রাজাবা) রজব মাস নিরুত্তর হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, এভাবে
৩ বার প্রশ্ন করার পর রজব জবাব দিলে বলে (ইলাহি আনতা ছাত্তার) হে আল্লাহ! আপনি সাত্তার
বা দোষ গোপনকারী, আপনি আপনার সৃষ্টিকে অন্যের দোষ ত্রুটি গোপন রাখার নির্দেশ দিয়েছেন,
আর আপনার রাসুল আমাকে বধির নামে আখ্যায়িত করেছেন, আমি আপনার বান্দাদের নেক কাজই শুনি
গুনাহ শুনিনা।
৩ বার প্রশ্ন করার পর রজব জবাব দিলে বলে (ইলাহি আনতা ছাত্তার) হে আল্লাহ! আপনি সাত্তার
বা দোষ গোপনকারী, আপনি আপনার সৃষ্টিকে অন্যের দোষ ত্রুটি গোপন রাখার নির্দেশ দিয়েছেন,
আর আপনার রাসুল আমাকে বধির নামে আখ্যায়িত করেছেন, আমি আপনার বান্দাদের নেক কাজই শুনি
গুনাহ শুনিনা।
(৩) ইমাম রাফে’ঈ সা’ঈদের বর্ণনা
লিখেছেন, “রজব নিঃসন্দেহে আল্লাহর মাস। সেটাকে বধির (আসাম্ম) এজন্য বলা হয় যে, জাহেলী
যুগেও লোকেরা এ মাসে যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধ রাখতো এবং নিজেদের হাতিয়ার তুলে রাখতো। লোকেরা
এ মাসে নিরাপদে, শান্তিতে থাকতো। সমস্ত রাস্তা নিরাপদ হতো। কেউ কারো ভয়ে ভীত থাকতো
না। এ গোটা মাসেই নিরাপত্তা ও শান্তি পরিলক্ষিত হতো।
লিখেছেন, “রজব নিঃসন্দেহে আল্লাহর মাস। সেটাকে বধির (আসাম্ম) এজন্য বলা হয় যে, জাহেলী
যুগেও লোকেরা এ মাসে যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধ রাখতো এবং নিজেদের হাতিয়ার তুলে রাখতো। লোকেরা
এ মাসে নিরাপদে, শান্তিতে থাকতো। সমস্ত রাস্তা নিরাপদ হতো। কেউ কারো ভয়ে ভীত থাকতো
না। এ গোটা মাসেই নিরাপত্তা ও শান্তি পরিলক্ষিত হতো।
সুতরাং
এ মাসের ১টি শিক্ষা হল দোষ গোপন করা
এ মাসের ১টি শিক্ষা হল দোষ গোপন করা
لاَّ يُحِبُّ اللّهُ
الْجَهْرَ بِالسُّوَءِ مِنَ الْقَوْلِ إِلاَّ مَن ظُلِمَ وَكَانَ اللّهُ سَمِيعًا
عَلِيمًا
الْجَهْرَ بِالسُّوَءِ مِنَ الْقَوْلِ إِلاَّ مَن ظُلِمَ وَكَانَ اللّهُ سَمِيعًا
عَلِيمًا
আল্লাহ কোন মন্দ বিষয় প্রকাশ করা পছন্দ করেন না। তবে কারো প্রতি জুলুম হয়ে থাকলে সে কথা আলাদা। আল্লাহ শ্রবণকারী, বিজ্ঞ। [ সুরা নিসা ৪:১৪৮ ]
বুখারি ও মুসলিমের অন্য জায়গায় একটি হাদিস এসেছে। হাদিসটি হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘আমার সব উম্মতের গুনাহ মাফ হবে। কিন্তু দোষ-ত্রুটি প্রকাশকারীর গুনাহ মাফ হবে না। দোষ-ত্রুটি এভাবে প্রকাশ করা হয় : কোনো ব্যক্তি রাতের বেলা কোনো কাজ করবে। অতঃপর সকাল হবে। মহান আল্লাহ তার এ কাজ গোপন রাখবেন। সে (সকালবেলা) বলবে, হে অমুক! আমি গত রাতে এই এই কাজ করেছি। অথচ সে রাতযাপন করেছিল এমন অবস্থায় যে মহান আল্লাহ তার কাজগুলো গোপন রেখেছিলেন আর সকালবেলা আল্লাহর এই আড়ালকে সে সরিয়ে দিল।’
যদি কেউ
অন্যের
পাপের
কথা
জেনে
থাকে
তবে
তার
উচিৎ
তা
গোপন
রাখা। রাসূল (সা:) বলেন: “যে ব্যক্তি দুনিয়ায় একজন মুসলমানের একটা কষ্ট দূর করবে, হাশরের দিন আল্লাহ্ও তার একটা কষ্ট দূর করে দিবেন; যে একজন ঋণগ্রস্তকে ঋণমুক্ত করবে, আল্লাহ্ তার দুনিয়া আর আখিরাত দুটোই সহজ করে দিবেন; আর যে ব্যক্তি একজন মুসলিমের দোষ গোপন রাখবে, দুনিয়া আর আখিরাত দুই জায়গাতেই আল্লাহ্ তার দোষ গোপন রাখবেন।” [ সহীহ্ মুসলিম]
অন্যের
পাপের
কথা
জেনে
থাকে
তবে
তার
উচিৎ
তা
গোপন
রাখা। রাসূল (সা:) বলেন: “যে ব্যক্তি দুনিয়ায় একজন মুসলমানের একটা কষ্ট দূর করবে, হাশরের দিন আল্লাহ্ও তার একটা কষ্ট দূর করে দিবেন; যে একজন ঋণগ্রস্তকে ঋণমুক্ত করবে, আল্লাহ্ তার দুনিয়া আর আখিরাত দুটোই সহজ করে দিবেন; আর যে ব্যক্তি একজন মুসলিমের দোষ গোপন রাখবে, দুনিয়া আর আখিরাত দুই জায়গাতেই আল্লাহ্ তার দোষ গোপন রাখবেন।” [ সহীহ্ মুসলিম]
রহমতে আলম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কত দয়া ও মায়াভরা কণ্ঠে উল্লেখ করেছেন। ‘তোমরা যদি ময়দানে মাহশারে নিজেদের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখতে চাও তাহলে দুনিয়ায় মানুষের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখো।’ সেই বিপদের দিন যেখানে কেউ কারও পরিচয় দেবে না। বড় কঠিন দিন। সেই দিন যদি আমার দোষ-ত্রুটি আল্লাহ প্রকাশ করে দেন এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব নেন, তাহলে নাজাতের কোনোই উপায় থাকবে না।
সাফওয়ান ইবনু মুহরিব আল–মাযিনী (রাঃ)
থেকে বর্ণিত,
থেকে বর্ণিত,
তিনি বলেন, একদিন আমি ইবনু ‘উমর (রাঃ)
–এর সাথে তাঁর হাত ধরে চলছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি এসে বলল, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা
ও তাঁর মু’মিন বান্দার একান্তে কথাবার্তা সম্পর্কে আপনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু
‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে কি বলতে শুনেছেন? তখন তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু
‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা মু’মিন ব্যক্তিকে নিজের কাছে
নিয়ে আসবেন এবং তার উপর স্বীয় আবরণ দ্বারা তাকে ঢেকে নিবেন। তারপর বলবেন, অমুন পাপের
কথা কি তুমি জান? তখন সে বলবে, হ্যাঁ, হে আমার প্রতিপালক! এভাবে তিনি তার কাছ হতে তার
পাপগুলো স্বীকার করিয়ে নিবেন। আর সে মনে করবে যে, তার ধ্বংস অনিবার্য। তখন আল্লাহ তা‘আলা
বলবেন, “আমি পৃথিবীতে তোমার পাপ গোপন রেখেছিলাম। আর আজ আমি তা মাফ করে দিব”। তারপর
তার নেকের আমলনামা তাকে দেয়া হবে। কিন্তু কাফির ও মুনাফিকদের সম্পর্কে সাক্ষীরা বলবে,
এরাই তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে মিথ্যা বলেছিল। সাবধান, যালিমদের উপর আল্লাহর অভিসম্পাত।
(হাদিস- বুখারী-২৪৪১)
–এর সাথে তাঁর হাত ধরে চলছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি এসে বলল, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা
ও তাঁর মু’মিন বান্দার একান্তে কথাবার্তা সম্পর্কে আপনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু
‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে কি বলতে শুনেছেন? তখন তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু
‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা মু’মিন ব্যক্তিকে নিজের কাছে
নিয়ে আসবেন এবং তার উপর স্বীয় আবরণ দ্বারা তাকে ঢেকে নিবেন। তারপর বলবেন, অমুন পাপের
কথা কি তুমি জান? তখন সে বলবে, হ্যাঁ, হে আমার প্রতিপালক! এভাবে তিনি তার কাছ হতে তার
পাপগুলো স্বীকার করিয়ে নিবেন। আর সে মনে করবে যে, তার ধ্বংস অনিবার্য। তখন আল্লাহ তা‘আলা
বলবেন, “আমি পৃথিবীতে তোমার পাপ গোপন রেখেছিলাম। আর আজ আমি তা মাফ করে দিব”। তারপর
তার নেকের আমলনামা তাকে দেয়া হবে। কিন্তু কাফির ও মুনাফিকদের সম্পর্কে সাক্ষীরা বলবে,
এরাই তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে মিথ্যা বলেছিল। সাবধান, যালিমদের উপর আল্লাহর অভিসম্পাত।
(হাদিস- বুখারী-২৪৪১)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত,তিনি
বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন-
''তোমার ভাইকে সাহায্য কর, সে যালিম হোক অথবা মাযলুম। তিনি (আনাস) বললেন, হে আল্লাহর
রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! মাযলুমকে সাহায্য করব, তা তো বুঝলাম। কিন্তু
যালিমকে কি করে সাহায্য করবো? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি
তার হাত ধরে তাকে বিরত রাখবে। (অর্থাৎ তাকে যুলুম করতে দিবে না)।'' (হাদিস- বুখারী-২৪৪৪)
বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন-
''তোমার ভাইকে সাহায্য কর, সে যালিম হোক অথবা মাযলুম। তিনি (আনাস) বললেন, হে আল্লাহর
রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! মাযলুমকে সাহায্য করব, তা তো বুঝলাম। কিন্তু
যালিমকে কি করে সাহায্য করবো? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি
তার হাত ধরে তাকে বিরত রাখবে। (অর্থাৎ তাকে যুলুম করতে দিবে না)।'' (হাদিস- বুখারী-২৪৪৪)
অন্যের দোষ প্রকাশ করলে সমাজে কি ক্ষতি হবে?
অন্যের দোষ গোপন রাখা একটি মানবীয় গুণ। এর দ্বারা মানুষ বিশ্বস্ত হয় আবার গোপন না করার দ্বারা বিশ্বস্ততা হারায়। সম্পর্ক হয় বিনষ্ট। একটি সুন্দর ও গ্রহণীয় চরিত্রের দাবি হলো তাতে অন্যের দোষ গোপন রাখার সক্ষমতা থাকা। যদি মানুষ ব্যাপক হারে অন্যের দোষ প্রকাশ করতে থাকে; তাহলে পৃথিবী তার গতিপ্রকৃতি হারাবে নিমিষেই। আপনি এখন যাকে মানছেন- যখন তার গোপন ও খারাপিগুলো প্রকাশ হবে; তখন আপনি আর তাকে মানতে পারবেন না। যাকে আপনি বাবা বলছেন- যদি তার এমন গোপন বিষয় ফাঁস হয়, যা আপনি সহ্য করতে পারবেন না, তখন আপনিই বলুন; আপনার অবস্থা কী বেগতিক হবে? এভাবে যদি সকলে অন্যের গোপন দোষ যা আল্লাহ গোপন রাখেন তা ফাঁস করে দেয়, দুনিয়া আর দুনিয়া থাকবে না। একারণেই মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন আমি যদি মানুষের গোপন প্রকাশ করে দেয়; কারো কারো চেহারা কালো কুৎসিত হয়ে যাবে। পাপের দাগ চেহারায় ভেসে উঠবে। আর এরকম করলে মানুষ তার আপন অবস্থায় চলতে পারবে না। আমরা নিজেরাতো জানি আমি কি রকম পাপী! তাহলে কেন আমি অন্যের পাপের প্রকাশক হবো?
জালেমরা নবীদের দোষ বয়ান করতেও ছাড়েনি
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ
آمَنُوا لَا تَكُونُوا كَالَّذِينَ آذَوْا مُوسَى فَبَرَّأَهُ اللَّهُ مِمَّا
قَالُوا وَكَانَ عِندَ اللَّهِ وَجِيهًا
آمَنُوا لَا تَكُونُوا كَالَّذِينَ آذَوْا مُوسَى فَبَرَّأَهُ اللَّهُ مِمَّا
قَالُوا وَكَانَ عِندَ اللَّهِ وَجِيهًا
হে মুমিনগণ! মূসাকে যারা কষ্ট দিয়েছে, তোমরা তাদের মত হয়ো না। তারা যা বলেছিল, আল্লাহ তা থেকে তাঁকে নির্দোষ প্রমাণ করেছিলেন। তিনি আল্লাহর কাছে ছিলেন মর্যাদাবান। [ সুরা আহযাব ৩৩:৬৯ ]
এর ব্যাখ্যা হাদীসে এইভাবে এসেছে যে, মূসা (আঃ) অত্যন্ত লজ্জাশীল নবী ছিলেন, সুতরাং তিনি নিজের শরীর কখনো মানুষের সামনে খুলতেন না; বরং ঢেকে রাখতেন। বানী ইস্রাঈলরা বলতে আরম্ভ করল যে, সম্ভবতঃ মূসা (আঃ) এর শরীরে ধবলের দাগ অথবা ঐ ধরনের কোন খুঁত আছে, যার ফলে তিনি সব সময় পোষাক পরে তা ঢেকে রাখেন। এক দিন মুসা (আঃ) নির্জনে কাপড় খুলে পাথরের উপর রেখে একাকী গোসল করতে লাগলেন, (আল্লাহর আদেশে) পাথর তাঁর সেই কাপড় নিয়ে পালাতে লাগল। আর মূসা (আঃ) তার পিছন পিছন দৌড়তে লাগলেন। পরিশেষে বানী ইসরাঈলের এক সমাবেশে পৌঁছে গেলেন। তারা মূসা (আঃ)-কে উলঙ্গ অবস্থায় দেখে তাদের সব সন্দেহ দূর হয়ে গেল। মূসা (আঃ) একজন সুন্দর এবং সকল প্রকার দাগ ও ত্রুটিমুক্ত ছিলেন। এইভাবে আল্লাহ তাআলা মু'জিযা স্বরূপ পাথর দ্বারা তাঁকে সেই অপবাদ ও সন্দেহ থেকে নির্মল প্রমাণ করলেন, যা বানী ইস্রাঈলদের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি আরোপ করা হচ্ছিল। (বুখারীঃ কিতাবুল আম্বিয়া) মূসা (আঃ)-এর ঘটনা উল্লেখ করে মু'মিনগণকে বোঝানো হয়েছে যে, তোমরা আমার শেষ পয়গম্বর মুহাম্মাদ (সাঃ)-কে বানী ইস্রাঈলদের মত কষ্ট দিও না এবং তাঁর সম্পর্কে এমন কোন কথা বলো না, যা শুনে তাঁর মনে দুশ্চিন্তা ও কষ্ট হয়। যেমন এক সময় গনীমতের (যুদ্ধলব্ধ) মাল বন্টন করার সময় এক ব্যক্তি বলল যে, এ বন্টন ইনসাফের সাথে করা হয়নি। নবী (সাঃ) এই কথা শুনে এমন রাগান্বিত হলেন যে, তাঁর চেহারা মুবারক লাল হয়ে গেল। তিনি বললেন, "মূসা (আঃ) এর উপর আল্লাহর রহমত বর্ষণ হোক। তাঁকে এর থেকেও অধিক কষ্ট দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তিনি ধৈর্য ধারণ করেছেন। (বুখারী ঐ, মুসলিম কিতাবুয যাকাত)
বিশ্বনবি পঠিত বরকতময় দোয়াটি হলো-
اَللهُمَّ
بَارِكْ لَنَا فِىْ رَجَبَ وَ شَعْبَانَ وَ بَلِّغْنَا رَمَضَانَ
بَارِكْ لَنَا فِىْ رَجَبَ وَ شَعْبَانَ وَ بَلِّغْنَا رَمَضَانَ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা বারাকলানা ফি রাজাবা ওয়া শা’বান ওয়া বাল্লিগনা রামাদান।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনি রজব ও শা’বান মাসকে আমাদের জন্য বরকতময় করুন এবং আমাদেরকে রমজান মাস পর্যন্ত (হায়াত দিন) পৌঁছে দিন।’
খাজা গরীবে নেওয়াজের জীবনী
গরীবে নেওয়াজ খাজা মইনুদ্দিন চিশতি (র) ৫৩৬ হিজরী/১১৪১ খ্রিস্টাব্দে পূর্ব পারস্যের সিসটান রাজ্যের চিশতীতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পারস্যে বেড়ে উঠেন। পনের বছর বয়সে তার পিতা-মাতা মৃত্যুবরণ করেন। তিনি তার পিতার কাছ থেকে একটি বাতচক্র (উইন্ডমিল) ও একটি ফলের বাগান উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করেন। কিংবদন্তী অনুসারে, একদিন তিনি তার ফলবাগানে পানি দিচ্ছিলেন তখন তার ফলবাগানে আসেন বিখ্যাত সুফি শেখ ইব্রাহিম কুন্দুজী (কুন্দুজী নামটি জন্মস্থান কুন্দুজ থেকে এসেছে)।. যুবক মইনুদ্দিন তটস্থ হয়ে যান এবং কুন্দুজীকে কিছু ফল দিয়ে আপ্যায়ন করেন। এর প্রতিদানস্বরুপ কুন্দুজী মইনুদ্দিনকে এক টুকরা রুটি দেন ও তা খেতে বলেন। এই পর তিনি তার সম্পত্তি এবং অন্যান্য জিনিসপত্র গরীবদের মাঝে বিতড়ন করে দেন। এরপর তিনি বিশ্বের মায়া ত্যাগ করে জ্ঞনার্জন ও উচ্চ শিক্ষার জন্য বুখারার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী বোখারা থেকে নিশাপুরে আসেন। সেখানে চিস্তিয়া তরীকার অপর প্রসিদ্ধ ছুফি সাধক খাজা উসমান হারুনীর (র) নিকট মুরীদ হন/শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। তার সেবায় ২০ বছর একাগ্রভাবে নিয়োজিত ছিলেন। পরে উসমান হারুনী(র) তাকে খেলাফত বা ছুফি প্রতিনিধিত্ব প্রদান করেন।
একবার তিনি এক এলাকা দিয়ে সফর করছিলেন এমন সময় দেখতে পেলেন পথিমধ্যে একটি হুজরা শরীফ দেখা যাচ্ছে। সেই হুজরা শরীফ-এর দরজা খোলা রয়েছে। সেই ঘরের ভিতরে একজন আল্লাহ পাক উনার ওলী বসে রয়েছেন হযরত গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি উনার দিকে সেই ওলীআল্লাহ তিনি তাকালেন এবং উনাকে হাত দিয়ে ইশারা করে ডাক দিলে হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হুজরা শরীফ-এর ভিতরে ঢুকার পূর্বে দেখতে পেলেন হুজরা শরীফ-এর দু’দিকে দুটি বাঘ বসে রয়েছে। তিনি ফিকির করলেন নিশ্চয়ই বাঘ দু’টি আল্লাহ পাক উনার ওলী উনার খাদিম হবে। এরপর তিনি ঘরের ভিতরে প্রবেশ করলেন। যখন তিনি ভিতরে প্রবেশ করলেন তখন সেই আল্লাহ পাক উনার ওলী বললেন, হে বাবা! আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে আপনি মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি হাছিলের লক্ষ্যে মশগুল রয়েছেন। তাহলে আপনি দুটি নছীহত সব সময় মনে রাখবেন যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে।
প্রথম নম্বর হচ্ছে, আপনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে ছাড়া কোনো মাখলুকাতকে ভয় করবেন না, একমাত্র মহান আল্লাহ পাক উনাকেই ভয় করবেন। দ্বিতীয়টি হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার কাছেই সমস্ত কিছু চাবেন বেশি বেশি আরজি ও দোয়া করবেন। হাদীছ শরীফ-এ রয়েছে “যে চায় সে পায়” আর যে চায় না সে কি করে নিয়ামত পেতে পারে। হযরত গরীবে নেওয়াজ খাজা হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এই দুটি নছীহত মুবারক আমার অনেক কাজে লেগেছে। সুবহানাল্লাহ! উনার জীবনী মুবারকে বর্ণিত রয়েছে, তিনি যখন মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশক্রমে হিন্দুস্থানে তাশরীফ আনলেন তখন হিন্দুস্থানের রাজা ছিল পৃথ্বীরাজ। ওই মুহূর্তে হিন্দুস্থানের প্রায় সমস্ত মানুষই ছিল বিধর্মী। কিন্তু হযরত খাজা হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ওই সমস্ত বিধর্মীদেরকে ভয় পাননি। একাই সমস্ত বাতিল, কুফরী, শিরকী, সমূলে মূলোৎপাটন করে গোটা হিন্দুস্থানে ইসলাম জারি করলেন এবং এক কোটিরও বেশি বিধর্মী উনার মুবারক হাতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে খাঁটি মুসলমান হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ!
খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী বোখারা থেকে নিশাপুরে আসেন। সেখানে চিস্তিয়া তরীকার অপর প্রসিদ্ধ ছুফি সাধক খাজা উসমান হারুনীর (র) নিকট মুরীদ হন/শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। তার সেবায় ২০ বছর একাগ্রভাবে নিয়োজিত ছিলেন। পরে উসমান হারুনী(র) তাকে খেলাফত বা ছুফি প্রতিনিধিত্ব প্রদান করেন।
একবার তিনি এক এলাকা দিয়ে সফর করছিলেন এমন সময় দেখতে পেলেন পথিমধ্যে একটি হুজরা শরীফ দেখা যাচ্ছে। সেই হুজরা শরীফ-এর দরজা খোলা রয়েছে। সেই ঘরের ভিতরে একজন আল্লাহ পাক উনার ওলী বসে রয়েছেন হযরত গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি উনার দিকে সেই ওলীআল্লাহ তিনি তাকালেন এবং উনাকে হাত দিয়ে ইশারা করে ডাক দিলে হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হুজরা শরীফ-এর ভিতরে ঢুকার পূর্বে দেখতে পেলেন হুজরা শরীফ-এর দু’দিকে দুটি বাঘ বসে রয়েছে। তিনি ফিকির করলেন নিশ্চয়ই বাঘ দু’টি আল্লাহ পাক উনার ওলী উনার খাদিম হবে। এরপর তিনি ঘরের ভিতরে প্রবেশ করলেন। যখন তিনি ভিতরে প্রবেশ করলেন তখন সেই আল্লাহ পাক উনার ওলী বললেন, হে বাবা! আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে আপনি মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি হাছিলের লক্ষ্যে মশগুল রয়েছেন। তাহলে আপনি দুটি নছীহত সব সময় মনে রাখবেন যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে।
প্রথম নম্বর হচ্ছে, আপনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে ছাড়া কোনো মাখলুকাতকে ভয় করবেন না, একমাত্র মহান আল্লাহ পাক উনাকেই ভয় করবেন। দ্বিতীয়টি হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার কাছেই সমস্ত কিছু চাবেন বেশি বেশি আরজি ও দোয়া করবেন। হাদীছ শরীফ-এ রয়েছে “যে চায় সে পায়” আর যে চায় না সে কি করে নিয়ামত পেতে পারে। হযরত গরীবে নেওয়াজ খাজা হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এই দুটি নছীহত মুবারক আমার অনেক কাজে লেগেছে। সুবহানাল্লাহ! উনার জীবনী মুবারকে বর্ণিত রয়েছে, তিনি যখন মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশক্রমে হিন্দুস্থানে তাশরীফ আনলেন তখন হিন্দুস্থানের রাজা ছিল পৃথ্বীরাজ। ওই মুহূর্তে হিন্দুস্থানের প্রায় সমস্ত মানুষই ছিল বিধর্মী। কিন্তু হযরত খাজা হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ওই সমস্ত বিধর্মীদেরকে ভয় পাননি। একাই সমস্ত বাতিল, কুফরী, শিরকী, সমূলে মূলোৎপাটন করে গোটা হিন্দুস্থানে ইসলাম জারি করলেন এবং এক কোটিরও বেশি বিধর্মী উনার মুবারক হাতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে খাঁটি মুসলমান হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ!
উনি যে কতটুকু সুন্নতের অনুসরণ করতেন সে প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ করা হয়- গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা
ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বয়স মুবারক যখন নব্বই বছর তখন তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশেষ সাক্ষাৎ লাভ করলেন। যদিও ওলীআল্লাহ উনারা সর্বদাই হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাক্ষাৎ লাভ করে থাকেন। যখন বিশেষ সাক্ষাৎ লাভ করলেন তখন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম তিনি উনাকে বললেন, “হে মুঈনুদ্দীন! (মুঈনুদ্দীন
অর্থ- দ্বীনের সাহায্যকারী)! আপনি সত্যিই আমার দ্বীনের সাহায্যকারী, আপনি আমার সব সুন্নতই পালন
করেছেন, তবে একটি সুন্নত এখনো বাকি রয়ে গেল কেন?”
গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি
চিন্তা করে দেখলেন যে, আল্লাহ পাক ও উনার রসূল
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে দ্বীনের খিদমতে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি তখনও বিবাহ করেননি। তাই তিনি নব্বই বৎসর বয়স মুবারকে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশে পর পর দু’টি বিবাহ করে এ সুন্নতও আদায় করলেন। সুবহানাল্লাহ!
স্মরণীয় যে, হযরত খাজা হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ফাযায়িল-ফযীলত বেমেছাল। এমন ব্যক্তিত্ব যাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা স্বয়ং লক্বব মুবারক দিয়েছেন ‘ইয়া কুতুবাল হিন্দ, ইয়া কুতুবাল মাশায়িখ’। উনার বিছাল শরীফ-এর পর উনার কপাল মুবারকে কুদরতীভাবে লিখা উঠেছিলো “হাযা হাবীবুল্লাহ মাতা ফি হুব্বিল্লাহ” অর্থাৎ তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বতে বিছাল শরীফ লাভ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বয়স মুবারক যখন নব্বই বছর তখন তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশেষ সাক্ষাৎ লাভ করলেন। যদিও ওলীআল্লাহ উনারা সর্বদাই হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাক্ষাৎ লাভ করে থাকেন। যখন বিশেষ সাক্ষাৎ লাভ করলেন তখন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম তিনি উনাকে বললেন, “হে মুঈনুদ্দীন! (মুঈনুদ্দীন
অর্থ- দ্বীনের সাহায্যকারী)! আপনি সত্যিই আমার দ্বীনের সাহায্যকারী, আপনি আমার সব সুন্নতই পালন
করেছেন, তবে একটি সুন্নত এখনো বাকি রয়ে গেল কেন?”
গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি
চিন্তা করে দেখলেন যে, আল্লাহ পাক ও উনার রসূল
হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে দ্বীনের খিদমতে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি তখনও বিবাহ করেননি। তাই তিনি নব্বই বৎসর বয়স মুবারকে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশে পর পর দু’টি বিবাহ করে এ সুন্নতও আদায় করলেন। সুবহানাল্লাহ!
স্মরণীয় যে, হযরত খাজা হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ফাযায়িল-ফযীলত বেমেছাল। এমন ব্যক্তিত্ব যাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা স্বয়ং লক্বব মুবারক দিয়েছেন ‘ইয়া কুতুবাল হিন্দ, ইয়া কুতুবাল মাশায়িখ’। উনার বিছাল শরীফ-এর পর উনার কপাল মুবারকে কুদরতীভাবে লিখা উঠেছিলো “হাযা হাবীবুল্লাহ মাতা ফি হুব্বিল্লাহ” অর্থাৎ তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বতে বিছাল শরীফ লাভ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী ৬৩৩ হিজরীর ৫ রজব দিবাগত রাত অর্থাৎ ৬
রজব সূর্যোদয়ের সময় পর্দা গ্রহন করেন। তখন তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর। তার বড় ছেলে
খাজা ফখরুদ্দীন চিশতী তার নামাজে জানাজায় ইমামতি করেন। প্রতিবছর ১লা রজব হতে ৬ রজব
পর্যন্ত আজমির শরীফে তার সমাধিস্থলে ওরছ অনুষ্ঠিত হয়
রজব সূর্যোদয়ের সময় পর্দা গ্রহন করেন। তখন তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর। তার বড় ছেলে
খাজা ফখরুদ্দীন চিশতী তার নামাজে জানাজায় ইমামতি করেন। প্রতিবছর ১লা রজব হতে ৬ রজব
পর্যন্ত আজমির শরীফে তার সমাধিস্থলে ওরছ অনুষ্ঠিত হয়
আফসুসের বিষয় যে হিন্দুস্থানে একসময় হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই
বলে শ্লোগান দিত আজ সেখানে মুসলমানরা সবচেয়ে বেশী নির্যাতিত। আজো মুসলমানরা যদি শুধু
আল্লাহর উপর পূণ আস্থা রাখে, সুন্নতের পরিপূণ অনুসরনে জীবন যাপন করে, সারা দুনিয়া মুসলমানরা
শাসন করতে পারবে।
বলে শ্লোগান দিত আজ সেখানে মুসলমানরা সবচেয়ে বেশী নির্যাতিত। আজো মুসলমানরা যদি শুধু
আল্লাহর উপর পূণ আস্থা রাখে, সুন্নতের পরিপূণ অনুসরনে জীবন যাপন করে, সারা দুনিয়া মুসলমানরা
শাসন করতে পারবে।

কোন মন্তব্য নেই