সুবহানাল্লাহ! স্ত্রী ঘুমাচ্ছে পাশে স্বামী কাঁদে।কলিজায় লাগে এমন শিক্ষনী...
স্ত্রী শুয়ে আছে পাশে স্বামী কাঁদছে
কলিজা কাপিয়ে দেয়ার মত ঘটনা
একদিন
হযরত হাসান বসরী (রহঃ) এক যুবকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যে হাসছিল।
হযরত হাসান বসরী (রহঃ) এক যুবকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যে হাসছিল।
ফাকাল-
তিনি বললেন (এয়া বুনাইয়্যা হাল জাজতা আলাচ্ছিরাত?) হে যুবক তুমি কি পুলসিরাত পার
হয়ে গেছ? (কালা লা) সে বলল না (কাল হাল তাবায়্যানা লাকা ইন্নাকা কাছিরু ইলাল
জান্নাহ) তোমার কি এ কথা জানা হয়ে গেছে যে তুমি জান্নাতে যাবে? (কালা লা) সে বলল
না। (কালা ফাফিমাদ্দাহিক?) হাসান বসরী বললেন তাহলে তুমি কি কারনে হাসছ? এই নসিহত
পূণ ১টি কথা শুনেই যুবকের কলিজা কেপে উঠল েএর পর থেকে সে যুবক তার সারা জীবনে আর
হাসেননি।
তিনি বললেন (এয়া বুনাইয়্যা হাল জাজতা আলাচ্ছিরাত?) হে যুবক তুমি কি পুলসিরাত পার
হয়ে গেছ? (কালা লা) সে বলল না (কাল হাল তাবায়্যানা লাকা ইন্নাকা কাছিরু ইলাল
জান্নাহ) তোমার কি এ কথা জানা হয়ে গেছে যে তুমি জান্নাতে যাবে? (কালা লা) সে বলল
না। (কালা ফাফিমাদ্দাহিক?) হাসান বসরী বললেন তাহলে তুমি কি কারনে হাসছ? এই নসিহত
পূণ ১টি কথা শুনেই যুবকের কলিজা কেপে উঠল েএর পর থেকে সে যুবক তার সারা জীবনে আর
হাসেননি।
যুবকের
মনে একটা ভাবনার উদয় হল- এখনো মৃত্যু বাকী, কবরের জিন্দেগী বাকী, কেয়ামতের হিসাব
নিকাশ বাকী, পুলসিরাতের উপর দিয়ে পার হওয়া বাকী, আমাদের মনেও যদি এই ভাবনার উদয় হয়
তাহলে সকলের আখেরাতের প্রস্তুতির দিকে ধ্যান যাবে আর মুখের হাসি দুর হয়ে যাবে।
মনে একটা ভাবনার উদয় হল- এখনো মৃত্যু বাকী, কবরের জিন্দেগী বাকী, কেয়ামতের হিসাব
নিকাশ বাকী, পুলসিরাতের উপর দিয়ে পার হওয়া বাকী, আমাদের মনেও যদি এই ভাবনার উদয় হয়
তাহলে সকলের আখেরাতের প্রস্তুতির দিকে ধ্যান যাবে আর মুখের হাসি দুর হয়ে যাবে।
আমাদের
আকাবিরগন আল্লাহকে রাজি করার জন্য কাঁদতেন, আর সে কান্না মানুষকে দেখানোর জন্য ছিল
না, বরং তাঁদের কান্না হত গোপনে। মুহাম্মদ বিন ওয়াছে বলেন (লাকাদ আদরাকতু রিজালান
) আমি এমন এমন লোকদেরকে দেখেছি (কানার রাজুলু এয়াকুনু রাছুহু ওয়া রাছু ইমরাতিহি
আলা বিছাদিন ওয়াহিদিন) স্বামী স্ত্রীর পাশে একই বিছানায় শুয়ে থাকত, বা একই কামরায়
থাকত, স্বামীর চিবুক বেয়ে আল্লাহকে রাজি করার নিয়তে, আল্লাহর ভয়ে চোখের পানি গড়িয়ে
পরত স্ত্রী সে ব্যপারে জানতেও পারত না।
আকাবিরগন আল্লাহকে রাজি করার জন্য কাঁদতেন, আর সে কান্না মানুষকে দেখানোর জন্য ছিল
না, বরং তাঁদের কান্না হত গোপনে। মুহাম্মদ বিন ওয়াছে বলেন (লাকাদ আদরাকতু রিজালান
) আমি এমন এমন লোকদেরকে দেখেছি (কানার রাজুলু এয়াকুনু রাছুহু ওয়া রাছু ইমরাতিহি
আলা বিছাদিন ওয়াহিদিন) স্বামী স্ত্রীর পাশে একই বিছানায় শুয়ে থাকত, বা একই কামরায়
থাকত, স্বামীর চিবুক বেয়ে আল্লাহকে রাজি করার নিয়তে, আল্লাহর ভয়ে চোখের পানি গড়িয়ে
পরত স্ত্রী সে ব্যপারে জানতেও পারত না।
এটাকেই
বলে খালেছ কান্না, একই বালিশে ২ জনের মাথা স্বামীর চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পরে বালিশ
ভিজছে, পাশে স্ত্রীকে বুঝতেও দেয়না যে সে কাঁদছে। (ওয়ালাকাদ আদরাকতু রিজালান) বলেন
আমি এমন বান্দাও দেখেছি যে নামাজের কাতারে বসে বসে কাঁদছে তার পাশেই তাঁর গায়ের
সাথে লেগে অন্য নামাজি বসে আছে তবুও সে বুঝতে পারত না যে তাঁর পাশের ভায়ের চোখ
দিয়ে পানি গড়িয়ে পরছে। এটাই হল এখলাছের কান্না, এমন কান্নাই আল্লাহর পছন্দ।
বলে খালেছ কান্না, একই বালিশে ২ জনের মাথা স্বামীর চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পরে বালিশ
ভিজছে, পাশে স্ত্রীকে বুঝতেও দেয়না যে সে কাঁদছে। (ওয়ালাকাদ আদরাকতু রিজালান) বলেন
আমি এমন বান্দাও দেখেছি যে নামাজের কাতারে বসে বসে কাঁদছে তার পাশেই তাঁর গায়ের
সাথে লেগে অন্য নামাজি বসে আছে তবুও সে বুঝতে পারত না যে তাঁর পাশের ভায়ের চোখ
দিয়ে পানি গড়িয়ে পরছে। এটাই হল এখলাছের কান্না, এমন কান্নাই আল্লাহর পছন্দ।

কোন মন্তব্য নেই