তাওয়াফ বন্ধ। উমরাহ বন্ধ। দুবাইতে সংক্ষিপ্ত নামাজের নির্দেশ। Makkah Madin...







করোনা
ভাইরাস, এখন অসংখ্য দেশে ছড়িয়ে পরেছে, তবে এই ভাইরাসকে কেন্দ্র করে এবাদতে যে সব
নিষেধাজ্ঞা আসছে তা কতটুকু যুক্তি সংগত তা বুঝে আসছে না, অবশ্যই যারা নিষেধাজ্ঞা
জারি করছেন তারা মানুষের কল্যানেই করছেন কিন্তু তবুও যখন কাবার তাওয়াফের স্তানটা
যখন একেবারে শূণ্য দেখছি তখন বুকের ভিতর কেমন যেন হাহাকার করে উঠল, এই নগরী যাকে
আল্লাহ বালাদুন আমিন বলেছেন যে হেরেমে কোন মহামারী দাজ্জাল প্রবেশ করতে পারবেনা
বলে আল্লাহর নবী ঘোষনা করেছেন সেখানে উমরা বন্ধ তাওয়াফ বন্ধ করাটা কতটুকু সমীচীন
বলে আপনি মনে করেন? গত ২সপ্তাহ ধরে বহিরাগতদের জন্য ওমরা বন্ধ ছিল, তবে স্থানীয়দের
জন্য ওমরা তাওয়াফ বন্ধ ছিল না, কিন্তু গতকাল থেকে স্থানীয়দের জন্যও ওমরা এবং
তাওয়াও বন্ধ করে দেয়া হয়, কাবা ঘরের এমন দৃশ্য আমি আমারে জীবনে আর দেখিনি। আমাদের
জন্য এটা খুবই দুঃখজনক।

আমিরাতে জেনারেল অথরিটি অব ইসলামিক অ্যফেয়ার্স অ্যান্ড এন্ডোমেন্টস দেশটির ইমামদের জুমার নামাজের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বান জানিয়েছে
বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, জুমার নামাজের সময় পবিত্র কুরআনের মাত্র দুটি আয়াত তিলাওয়াত করতে হবে ইমামদের। নামাজে ১০ মিনিটের বেশি সময় নেয়া উচিত হবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে
এতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলো ভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করতে সহায়তা করবে

এভাবে
নামাজে এবাদতে যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে তাকি আদৌ আমাদের জন্য কল্যান বয়ে
আনবে?
আমার
নিজস্ব মত হল এমন অবস্থায় এবাদতের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া, তওবা এসতেগফার বাড়িয়ে দেয়া,
নামাজ আরো দীঘ করা যাতে আল্লাহর রহমত নেমে আসে এবং অবশ্যই আল্লাহর রহমতই একমাত্র
আমাদেরকে মসিবত থেকে বাঁচাতে পারে।
তাই
আমার মতে উমরা ভিসা বন্ধ করার পর এখন স্থানীয়দেরকে একেবারে তাওয়াফ বন্ধ করে দেয়া আরব
আমিরাতে নামাজে সুরা সংক্ষেপ করার হকুম জারি করা এসব দ্বারা আমার মনে হয়
দায়িত্বশীলরা আমাদেরকে আরো বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
আল্লাহই
ভাল জানেন- দোয়া করি আল্রাহ যেন সকল মুসলমানদেরকে হেফাজত করেন, এবং এমন গযবনাক
পরিস্থিতি থেকৈ সকলকে উদ্ধার করেন, কাবার মাতাফ যেন আবার জাক জমক অবস্থা ফিরে পায়।
আমিন।

কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.