এটি মহামারী নয়। হাদীস শরীফের আলোকে প্রমাণিত।





হাদীস দ্বারা প্রমাণ হয় করোনা মহামারী নয়
আজকে বুখারী শরীফের ১টি হাদীস দ্বারা প্রমাণ করব করোনা কোন মহামারী নয়,
বুধবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ ভাইরাসকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করেছে।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা ঘোষণা করেন,
তবে তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন দেশ এটা দেখাতে পেরেছে যে এই নতুন করোনাভাইরাসের বিস্তারকে দমন এবং নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
এই ভাইরাস ইতিমধ্যে চীনের উহান শহর থেকে বিশ্বের প্রায় ১৭৩টি দেশে ছড়িয়ে পরেছে, এমনকি মক্কা মদীনা মসজিদে হেরেমেও এই ভাইরাস হানা দিয়েছে, ফলে
মুসলমানদের সবচেয়ে পবিত্র দুটো স্থান, মক্কা এবং মদিনায় অবস্থিত দুটো মসজিদের বাইরের চত্বরে নামাজ পড়া স্থগিত করেছে সৌদি আরব সরকার।
সৌদি গেজেট পত্রিকা এবং বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কাবা এবং মসজিদে নববীর বাইরের চত্বরে নামাজ বন্ধের এই সিদ্ধান্ত ২০ মার্চ ২০২০ শুক্রবার থেকেই কার্যকর হয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এই পদেক্ষপ সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
সৌদি আরবে এখনো পর্যন্ত ২৭৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
এর আগে গত ২৭শে ফেব্রুয়ারি করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পরা প্রতিরোধ করতে সতর্কতা হিসেবে বিদেশীদের জন্য ওমরাহ করার সুবিধা স্থগিত করে সৌদি আরব।
এছাড়া পর্যটন ভিসা থাকা সত্ত্বেও করোনাভাইরাস ধরা পরেছে এমন এলাকা থেকে আসা বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরবে প্রবেশ না করতে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির কর্তৃপক্ষ।
যে ভাইরাস মদীনায় ঢুকতে পেরেছে সেটি কখনো মহামারী হতে পারে না সেটি ভাইরাসই বলা চলে যেমন বুখারী শরীফের ৫৭৩১ নং হাদীস হযরত আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ ‘’মদীনায় মাসীহ দাজ্জাল ঢুকতে পারবে না এবং মদীনায় কোন মহামারীও ঢুকতে পারবে না’’ বুখারী ৫৭৩১
এ হাদীসের আলোকে বুঝা যাচ্ছে মদীনায় কোন মহামারী ঢুকতে পারবে না, অথচ সে মদীনাতেই করোনা ভাইরাস আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছে যার ফলে জেয়ারত, নামাজ জুমাতে নানারুপ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তাই সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে বলা যায় করোনা মহামারী নয়, যদি মহামারী হত তাহলে মদীনায় প্রবেশ করতে পারত না।
এ ব্যপারে আপনার জানা মতে কোন বিষেশজ্ঞ মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন।
সবশেষে আরজ করব করোনা নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কত হউক,
এর আগেও পৃথিবীতে প্রাণঘাতী আরো রোগ ভয়াবহ আকারে ছড়িয়েছিলো। যেমন চতুর্দশ শতকে প্লেগে ইউরেশিয়া অঞ্চলের কমপক্ষে সাড়ে সাত কোটি থেকে ২০ কোটি মানুষ মারা যায়। এই প্লেগকে বলা হতো ‘ব্ল্যাক ডেথ’। এটি ইঁদুর থেকে ছড়িয়েছিলো।
১৯১৮ সালে ‘স্প্যানিশ ফ্লু’ নামে পরিচিত ইনফ্লুয়েঞ্জা ৫০ কোটি মানুষকে আক্রান্ত করে। যাতে ১.৭ কোটি থেকে ৫ কোটি মানুষ মারা যায়।




আল্লাহ সকলকে হেফাজত করুন। আমিন।

কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.