কোরআনের ৫টি ধাপ অবশ্যই জানতে হবে || Quran Tilawat in 5 Step
করোনা ভাইরাসের আযাবে
কোরআনের ৫ ধাপ সম্পর্কে
অবশ্যই অবশ্যই জানা দরকার
চারদিকে মহামারী ও আযাব চলছে আর এমন মুহুর্তে পবিত্র কুরআনের
৫টি ধাপের কথা বলব যা জানলে এবং আমল করলে আপনার মন থেকে সকল ভয় পেরেশানী দুর হয়ে যাবে
এবং আপনার জীবন দুনিয়া ও আখেরাতের জন্য হবে কল্যানকর
৫টি ধাপের কথা বলব যা জানলে এবং আমল করলে আপনার মন থেকে সকল ভয় পেরেশানী দুর হয়ে যাবে
এবং আপনার জীবন দুনিয়া ও আখেরাতের জন্য হবে কল্যানকর
আপনারা যারা আমার এই ভিডিও দেখছেন তাদের কাছে আমি প্রশ্ন করব
আপনি মনে মনে সে প্রশ্নের উত্তর দিবেন, আপনি কি সম্পূর্ণ কুরআন জিন্দেগীতে ১ বারও খতম
করেছেন তরজুমা সহ?
আপনি মনে মনে সে প্রশ্নের উত্তর দিবেন, আপনি কি সম্পূর্ণ কুরআন জিন্দেগীতে ১ বারও খতম
করেছেন তরজুমা সহ?
আল্লাহ তায়ালা এই কুরআন এ জন্য প্রেরণ করেননি যে তাঁকে আমরা
অতি সম্মান করে জুজদান দিয়ে মুড়িয়ে ঘরের আলমিরা বা বুক সেলফে সাজিয়ে রাখব।
অতি সম্মান করে জুজদান দিয়ে মুড়িয়ে ঘরের আলমিরা বা বুক সেলফে সাজিয়ে রাখব।
আল্লাহ এ জন্য কুরান নাজিল করেছেন যেন আমরা এই কুরআন শরীফ তেলাওয়াত
করি।
করি।
কিন্তু আফসুসের বিষয় হল আমরা এই জীবন বিধানকে ডেকোরেশন পিস
বানিয়ে ফেলেছি। চুমু খেলাম চোখে লাগালাম বুকে লাগালাম সাদা কভার দিয়ে মুড়িয়ে উপরে রেখে
দিলাম।
বানিয়ে ফেলেছি। চুমু খেলাম চোখে লাগালাম বুকে লাগালাম সাদা কভার দিয়ে মুড়িয়ে উপরে রেখে
দিলাম।
মুসলমানদের ঘরে প্রায় প্রতিদিন সকল ফার্নিচার পরিস্কার হয়,
কিন্তু আল্লাহর কালাম কুরআনের উপর ধুলা বালি পড়তে পড়তে তা হাতে ধরার সুযোগ নাই।
কিন্তু আল্লাহর কালাম কুরআনের উপর ধুলা বালি পড়তে পড়তে তা হাতে ধরার সুযোগ নাই।
অনেকে আছেন বুক ফুলিয়ে বলেন এই রমজানে ২ খতম দিয়েছি, ৩ খতম
দিয়েছি, তাঁকে যদি প্রশ্ন করেন এই কুরআনে আল্লাহ তায়ালা কি পয়গাম দিয়েছেন? তখন তিনি
কিছুই বলতে পারবে না, প্রতিদিন নামাজে সুরা ফাতেহা তেলাওয়াত করেন কিন্তু শতকরা ৯৫%
মুসল্লী সুরা ফাতেহার অর্থ জানে না।
দিয়েছি, তাঁকে যদি প্রশ্ন করেন এই কুরআনে আল্লাহ তায়ালা কি পয়গাম দিয়েছেন? তখন তিনি
কিছুই বলতে পারবে না, প্রতিদিন নামাজে সুরা ফাতেহা তেলাওয়াত করেন কিন্তু শতকরা ৯৫%
মুসল্লী সুরা ফাতেহার অর্থ জানে না।
অনেক অভিভাবক মিষ্টি বিতরন করেন, যদি প্রশ্নকরেন কি ব্যপারে
উত্তর দিবে আমার ছেলে কোরান খতম দিয়েছে, কিন্তু আফসোসের বিষয় শুধু এবারত বা মতন পড়েই
আমরা ক্ষান্ত হয়ে যাই, এর মধ্যে আল্লাহ পাক কি পয়গাম দিয়েছেন তা আমাদের কারোরই জানা
নাই।
উত্তর দিবে আমার ছেলে কোরান খতম দিয়েছে, কিন্তু আফসোসের বিষয় শুধু এবারত বা মতন পড়েই
আমরা ক্ষান্ত হয়ে যাই, এর মধ্যে আল্লাহ পাক কি পয়গাম দিয়েছেন তা আমাদের কারোরই জানা
নাই।
আমরা মনে করি কুরান দেখে দেখে না বুঝে তেলাওয়াত করার দ্বারাই
এর হক আদায় হয়ে গেছে, অথচ আমাদের প্রিয় নবীজি এরশাদ করেন আমি ২টি জিনিষ তোমাদের কাছে
রেখে যাচ্ছি, এ গুলিতে শক্তভাবে আকঁড়ে ধরবে। অথ্যাৎ এগুলিকে যদি পড়ে বুঝে এর উপর আমল
করতে পার তাহলে নাজাত পাবে।
এর হক আদায় হয়ে গেছে, অথচ আমাদের প্রিয় নবীজি এরশাদ করেন আমি ২টি জিনিষ তোমাদের কাছে
রেখে যাচ্ছি, এ গুলিতে শক্তভাবে আকঁড়ে ধরবে। অথ্যাৎ এগুলিকে যদি পড়ে বুঝে এর উপর আমল
করতে পার তাহলে নাজাত পাবে।
১টি উদাহারন দিলে আরো সহজে বুঝা আসবে, ধরুন এখন মহামারী চলছে
এমন এক নাজুক মুহুর্তে আমাদের প্রধানমন্ত্রী সকল এমপিদের কাছে ১টি লিখিত পয়গাম পাঠিয়েছেন
তাতে বেশ কিছু কাজের হকুম ও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, এখন এমপি মন্ত্রী মহোদয়গন যদি এই
লিখিত পয়গামটি না পড়ে প্রধানমন্ত্রীর পয়গাম বলে সম্মান করে চোখে লাগাল, মাথার উপর রাখল,
আতর মাখল, র্রেশমি কাপড়ে জড়িয়ে সে লিখিত পয়গামকে যদি থাকের উপর রেখে দেয় এতে কি হকুম
আছে কি নির্দেশনা আছে তা পড়ে না দেখে এবং সে মোতাবেক কোন কাজ না করে তাহলেকি প্রধানমন্ত্রী
এসব এমপি মন্ত্রীকে পুরস্কার দিবে নাকি তিরস্কার করবে? প্রধানমন্ত্রীকি রাগান্বিত হবে
নাকি খুশী প্রকাশ করবে? আপনার আমার জবাব হবে রাগন্বিত হবে। কেন?এমপি মন্ত্রীতো প্রধানমন্ত্রীর
পয়গামকে সম্মান করেছে চোখে লাগিয়েছে মাথায় লাগিয়ে আতর মেখে উঁচু স্থানে সম্মানের সাথে
রেখে দিয়েছে, এরপরও আপনি বলবেন যে প্রধামন্ত্রী রাগান্বিত হবে, কারন প্রধানমন্ত্রী
যে উদ্দেশ্যে এই পয়গাম পাঠিয়েছে এসব লোক সে উদ্দেশ্য বুঝার চেষ্টা করেনি, সে কাজ করেনি,
আর যে কাজের জন্য সে পয়গাম পাঠায়নি সে কাজ করে থাকের উপর রেখে দিয়েছে তাই শাস্তির উপযুক্ত
হয়েছে।
এমন এক নাজুক মুহুর্তে আমাদের প্রধানমন্ত্রী সকল এমপিদের কাছে ১টি লিখিত পয়গাম পাঠিয়েছেন
তাতে বেশ কিছু কাজের হকুম ও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, এখন এমপি মন্ত্রী মহোদয়গন যদি এই
লিখিত পয়গামটি না পড়ে প্রধানমন্ত্রীর পয়গাম বলে সম্মান করে চোখে লাগাল, মাথার উপর রাখল,
আতর মাখল, র্রেশমি কাপড়ে জড়িয়ে সে লিখিত পয়গামকে যদি থাকের উপর রেখে দেয় এতে কি হকুম
আছে কি নির্দেশনা আছে তা পড়ে না দেখে এবং সে মোতাবেক কোন কাজ না করে তাহলেকি প্রধানমন্ত্রী
এসব এমপি মন্ত্রীকে পুরস্কার দিবে নাকি তিরস্কার করবে? প্রধানমন্ত্রীকি রাগান্বিত হবে
নাকি খুশী প্রকাশ করবে? আপনার আমার জবাব হবে রাগন্বিত হবে। কেন?এমপি মন্ত্রীতো প্রধানমন্ত্রীর
পয়গামকে সম্মান করেছে চোখে লাগিয়েছে মাথায় লাগিয়ে আতর মেখে উঁচু স্থানে সম্মানের সাথে
রেখে দিয়েছে, এরপরও আপনি বলবেন যে প্রধামন্ত্রী রাগান্বিত হবে, কারন প্রধানমন্ত্রী
যে উদ্দেশ্যে এই পয়গাম পাঠিয়েছে এসব লোক সে উদ্দেশ্য বুঝার চেষ্টা করেনি, সে কাজ করেনি,
আর যে কাজের জন্য সে পয়গাম পাঠায়নি সে কাজ করে থাকের উপর রেখে দিয়েছে তাই শাস্তির উপযুক্ত
হয়েছে।
এবং এই বিষয়টি পবিত্র কুরআনের বেলায় একটু চিন্তা করুন, আমরা
এই কুরআনের সাথে কি আচরন করছি? দুনিয়ার সব কাজ করার সময় আছে সকল সামাজিকতা আমরা পুরন
করছি, সারা দুনিয়ার খবর পড়ছি দেখছি, ফেইসবুকে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় দিচ্ছি, কিন্তু আল্লাহর
সে পয়গাম পড়ার সে বাণী সে কালাম পড়ার সময় আমাদের নাই।
এই কুরআনের সাথে কি আচরন করছি? দুনিয়ার সব কাজ করার সময় আছে সকল সামাজিকতা আমরা পুরন
করছি, সারা দুনিয়ার খবর পড়ছি দেখছি, ফেইসবুকে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় দিচ্ছি, কিন্তু আল্লাহর
সে পয়গাম পড়ার সে বাণী সে কালাম পড়ার সময় আমাদের নাই।
আমাদের নবী সাহাবীদের কাছে এই কুরআন তেলাওয়াত করেছেন (ওয়া ইউজাক্কিহিম)
এই কুরআনের নুর দ্বারা তাদেরকে পাক পবিত্র করেন,
সাহাবীরা আরবী ভাষাভাষি তবুও আল্লাহ বলছেন (ওয়া ইউআল্লিমুহুমুল কিতাবা ওয়াল
হিকমা) সাহাবাগন নবী থেকে এই কুরআন শিখেছেন। সাহাবা আরবী ভাষা জানা সত্বেও নবীর কাছ
থেকে কুরআন শিখছে। এর অর্থ হল তারা আরবী পড়তে জানত কিন্তু এর হেকমত বুঝতেন হুযুর (দঃ)
তাই সাহাবাগন নবীর কাছ থেকে কুরআন বুঝতেন। এখন আমাদেরও এই কুরআন বুঝার চেষ্টা করতে
হবে, সময় বের করে অনুবাদ তফসীর সহ পড়তে হবে। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য কি দিক নির্দেশনা
দিয়েছেন তা জানতে হবে।
এই কুরআনের নুর দ্বারা তাদেরকে পাক পবিত্র করেন,
সাহাবীরা আরবী ভাষাভাষি তবুও আল্লাহ বলছেন (ওয়া ইউআল্লিমুহুমুল কিতাবা ওয়াল
হিকমা) সাহাবাগন নবী থেকে এই কুরআন শিখেছেন। সাহাবা আরবী ভাষা জানা সত্বেও নবীর কাছ
থেকে কুরআন শিখছে। এর অর্থ হল তারা আরবী পড়তে জানত কিন্তু এর হেকমত বুঝতেন হুযুর (দঃ)
তাই সাহাবাগন নবীর কাছ থেকে কুরআন বুঝতেন। এখন আমাদেরও এই কুরআন বুঝার চেষ্টা করতে
হবে, সময় বের করে অনুবাদ তফসীর সহ পড়তে হবে। মহান আল্লাহ আমাদের জন্য কি দিক নির্দেশনা
দিয়েছেন তা জানতে হবে।
আজ আমরা জানি না মুসলমানের বৈশিষ্ট কি হওয়া উচিত, আমরা জানি
না গুনাহ কি জিনিষ, হারাম হালাল বুঝি না, তাই আল্লাহর আযাব আমাদেরকে নানান ভাবে ঘিরে
ফেলে, তখন আমরা আল্লাহকে ডাকি। কিন্তু যখন আবার অবস্তা একটু স্বাভাবিক হয়ে যায় আবার
সে আগের মত গুনাহে গা ভাসিয়ে দিই, কিন্ত আমরা যদি পবিত্র কুরআনের বিধান সমুহ মহান রবের
আযাব কি কারনে আসে, কি কারনে আল্লাহ নারাজ হন, হারাম কি হালাল কি তা পবিত্র কুরআনের
আয়াত পড়ে পড়ে বুঝতে পারব তখন আমাদের মধ্যে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি হবে, অন্যায় অপরাধ, অশ্লিলতা
জুলুম, প্রতারনা, জবরদখল, আত্মসাৎ, ধোকা, চুরি, সুদ, ঘুষ, এ সব সমাজ ও রাষ্ট্র বিধ্বংসী
কাজ থেকে আমরা বিরত থাকতে পারব, আর সমাজ ও রাষ্ট্র যখন অশ্লিলতা, জুলুম, ও এসব পাপ
মুক্ত থাকবে তখন আল্লাহর আযাব গযব মহামারী যাই পৃথিবীর বুকে আসুক না কেন একজন নেককার
খোদাভিরুকে সে আযাব সে গযব কোন ধরনের পেরেশানীতে ফেলতে পারবে না, সে মৃত্যুকেও হাসি
মুখে বরণ করতে পারবে, কারন সে জানে সে বেগুনাহ, আর তার মৃত্যু নির্ধারিত, সে যেহেতু
পাপমুক্ত হারাম মুক্ত জীবন যাপন করছে তাই তার মৃত্যুর পরের জিবনটাও হবে আল্লাহর সাথে
সাক্ষাতের এবং সুখের। সে জন্য আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন (আলা ইন্না আউলিয়াল্লাহে লা
খাউফুন আলাইহিম ওয়ালাহুম এয়াখজানুন) যারা আল্লাহর বন্ধু তাদের জন্য কোন ভয় ও পেরেশানী
নাই তাদের জন্য রয়েছে খজিনা।
না গুনাহ কি জিনিষ, হারাম হালাল বুঝি না, তাই আল্লাহর আযাব আমাদেরকে নানান ভাবে ঘিরে
ফেলে, তখন আমরা আল্লাহকে ডাকি। কিন্তু যখন আবার অবস্তা একটু স্বাভাবিক হয়ে যায় আবার
সে আগের মত গুনাহে গা ভাসিয়ে দিই, কিন্ত আমরা যদি পবিত্র কুরআনের বিধান সমুহ মহান রবের
আযাব কি কারনে আসে, কি কারনে আল্লাহ নারাজ হন, হারাম কি হালাল কি তা পবিত্র কুরআনের
আয়াত পড়ে পড়ে বুঝতে পারব তখন আমাদের মধ্যে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি হবে, অন্যায় অপরাধ, অশ্লিলতা
জুলুম, প্রতারনা, জবরদখল, আত্মসাৎ, ধোকা, চুরি, সুদ, ঘুষ, এ সব সমাজ ও রাষ্ট্র বিধ্বংসী
কাজ থেকে আমরা বিরত থাকতে পারব, আর সমাজ ও রাষ্ট্র যখন অশ্লিলতা, জুলুম, ও এসব পাপ
মুক্ত থাকবে তখন আল্লাহর আযাব গযব মহামারী যাই পৃথিবীর বুকে আসুক না কেন একজন নেককার
খোদাভিরুকে সে আযাব সে গযব কোন ধরনের পেরেশানীতে ফেলতে পারবে না, সে মৃত্যুকেও হাসি
মুখে বরণ করতে পারবে, কারন সে জানে সে বেগুনাহ, আর তার মৃত্যু নির্ধারিত, সে যেহেতু
পাপমুক্ত হারাম মুক্ত জীবন যাপন করছে তাই তার মৃত্যুর পরের জিবনটাও হবে আল্লাহর সাথে
সাক্ষাতের এবং সুখের। সে জন্য আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন (আলা ইন্না আউলিয়াল্লাহে লা
খাউফুন আলাইহিম ওয়ালাহুম এয়াখজানুন) যারা আল্লাহর বন্ধু তাদের জন্য কোন ভয় ও পেরেশানী
নাই তাদের জন্য রয়েছে খজিনা।
কুরআন পড়ার সময় যদি আপনার তা তরজুমা বা ভাবাথ বুঝে আসে তাহলে
এর গুরুত্ব আপনার বুঝে আসত, কিন্তু আমরা শুধুই অন্ধের মত তেলাওয়াত করি, যেমন অনেক লোক
ঘরের মধ্যে হাফেজদের দ্বারা কুরআন খতম করান দেখা যায় সে কুরআনের আল্লাহর আযাবের আয়াতসমুহ
পড়ছে আর পাশের সাথীর দিকে দেখে দেখে হাসছে, কারন সে কুরআন তেলাওয়াত করছে ঠিকই সে এর
অথ জানে না বুঝে না, এখন বলুন আল্লাহ আযাবের আয়াত নাজিল করেছেন ভীতির জন্য সেখানে আমরা
হাসছি, তাহলে আল্লাহ কি সে তেলাওয়াত কবুল করবেন? কখনো করবেন না।
এর গুরুত্ব আপনার বুঝে আসত, কিন্তু আমরা শুধুই অন্ধের মত তেলাওয়াত করি, যেমন অনেক লোক
ঘরের মধ্যে হাফেজদের দ্বারা কুরআন খতম করান দেখা যায় সে কুরআনের আল্লাহর আযাবের আয়াতসমুহ
পড়ছে আর পাশের সাথীর দিকে দেখে দেখে হাসছে, কারন সে কুরআন তেলাওয়াত করছে ঠিকই সে এর
অথ জানে না বুঝে না, এখন বলুন আল্লাহ আযাবের আয়াত নাজিল করেছেন ভীতির জন্য সেখানে আমরা
হাসছি, তাহলে আল্লাহ কি সে তেলাওয়াত কবুল করবেন? কখনো করবেন না।
এর চেয়েও বড় হারাম কাজ যেটা সেটা হল ঘরে কোরানখানি হচ্ছে সকলেই
চিৎকার করে উচ্চ স্বরে পড়ছে, অথচ বাহারে শরীয়তে স্পষ্ট এই মাসায়ালা লিখা হয়েছে যদি
কয়েকজন মিলে উচ্চস্বরে কুরআন তেলাওয়াত করে তা জায়েজ নাই হারাম।
চিৎকার করে উচ্চ স্বরে পড়ছে, অথচ বাহারে শরীয়তে স্পষ্ট এই মাসায়ালা লিখা হয়েছে যদি
কয়েকজন মিলে উচ্চস্বরে কুরআন তেলাওয়াত করে তা জায়েজ নাই হারাম।
এভাবে হাসি মসকরা করতে করতে কুরান পড়া, অমনযোগীতার সাথে পড়া,
পড়ার সময় মাঝে মাঝে কথা বলা, কয়েকজন থাকলে সকলেই উচ্চস্বরে পড়া, না বুঝে বুঝে গোটা জীবন তেলাওয়াত করে যাওয়া, এতে
কোন ফায়দা নাই।
পড়ার সময় মাঝে মাঝে কথা বলা, কয়েকজন থাকলে সকলেই উচ্চস্বরে পড়া, না বুঝে বুঝে গোটা জীবন তেলাওয়াত করে যাওয়া, এতে
কোন ফায়দা নাই।
কোরআন অবশ্যই ৫টি ধাপে তেলাওয়াত হবে
নাম্বার ১- আরবী মতন পড়া
নাম্বার ২- তরজমা সহকারে পড়া
নাম্বার ৩- তফসীর সহকারে পড়া
নাম্বার ৪- কুরআনের বাণীকে নিজের সকল কাজের সাথে নিজের সকল
আচরনের সাথে যাচাই করে দেখা
আচরনের সাথে যাচাই করে দেখা
নাম্বার ৫- আমল করা।
এই ৫টি বিষয় যদি আপনি পবিত্রকুরআন তেলাওয়াতে গুরুত্ব না দেন তাহলে এই কুরআন থেকে আপনি কখনো বরকত হাসিল করতে পারবে
না। আর এই ৫টি ধাপে যদি আপনি কুরআনকে তেলাওয়াত করতে পারেন তাহেল আপনার দুনিয়া ও আখেরাত
সফল সফল সফল।

কোন মন্তব্য নেই