গরীব থেকে গরীব লোক যদি এ ওজিফা করে কাবার রবের কসম রিজিকের দরজা খুলে যাবে
গরীব থেকে গরীব লোক এই অজিফা করে
কাবার রবের কসম আল্লার হেল্প
নিজ চোখে দেখবেন
রিযিকের
প্রথম দরজা নামাজের গুরুত্ব দেয়া। যদি কেহ
পয়েন্টগুলি লিখে রাখতেন চান তাহলে লিখে রাখেন , এ কথাগুলি খুবই শক্তিশালী দালিলিক
ও প্রমাণিত সত্য কথা।
প্রথম দরজা নামাজের গুরুত্ব দেয়া। যদি কেহ
পয়েন্টগুলি লিখে রাখতেন চান তাহলে লিখে রাখেন , এ কথাগুলি খুবই শক্তিশালী দালিলিক
ও প্রমাণিত সত্য কথা।
নামাজের
এহতেমাম করা। রিযিকের ২য় দরজা হল এসতেগফারের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া। ৩য় দরজা হল
আল্লাহর রাস্তায় খরচ করা। ৪থ দরজা হল তকওয়া অবলম্বন করা। ৫ম দরজা হল এবাদতের
পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া। ৬ষ্ঠ দরজা হল বেশী বেশী ওমরা ও হজ্ব করা। ৭ম হল ভাই বোনের
সাথে, নিকটতম আত্মিয় স্বজনের সাথে সদাচরণ করা। ৮ম দরজা হল দুর্বল লোকদের সাথে
সদাচরণ করা। ৯ম দরজা হল আল্লাহর উপর ভরসা করা। ১০ দরজা হল আল্লাহর শোকর আদায় করা।
১১ তম দরজা হল ঘরবাসীকে সালাম করা। ১২ তম হল পিতা মাতার ফরমাবরদারী করা। ১৩ তম
দরজা হল সদা অজুর সাথে থাকা।১৪ তম দরজা হল চাশতের নামাজ পড়া, এ নামাজকে সালাতে
দোহাও বলে এ নামাজ সকাল ৯টা ১০টার দিকে পড়া হয়। ১৫ তম দরজা হল প্রতিদিন সুরা
ওয়াকিয়া তেলাওযাত করা। ১৬ তম হল আল্লাহর কাছে দোয়া করা।
এহতেমাম করা। রিযিকের ২য় দরজা হল এসতেগফারের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া। ৩য় দরজা হল
আল্লাহর রাস্তায় খরচ করা। ৪থ দরজা হল তকওয়া অবলম্বন করা। ৫ম দরজা হল এবাদতের
পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া। ৬ষ্ঠ দরজা হল বেশী বেশী ওমরা ও হজ্ব করা। ৭ম হল ভাই বোনের
সাথে, নিকটতম আত্মিয় স্বজনের সাথে সদাচরণ করা। ৮ম দরজা হল দুর্বল লোকদের সাথে
সদাচরণ করা। ৯ম দরজা হল আল্লাহর উপর ভরসা করা। ১০ দরজা হল আল্লাহর শোকর আদায় করা।
১১ তম দরজা হল ঘরবাসীকে সালাম করা। ১২ তম হল পিতা মাতার ফরমাবরদারী করা। ১৩ তম
দরজা হল সদা অজুর সাথে থাকা।১৪ তম দরজা হল চাশতের নামাজ পড়া, এ নামাজকে সালাতে
দোহাও বলে এ নামাজ সকাল ৯টা ১০টার দিকে পড়া হয়। ১৫ তম দরজা হল প্রতিদিন সুরা
ওয়াকিয়া তেলাওযাত করা। ১৬ তম হল আল্লাহর কাছে দোয়া করা।

কোন মন্তব্য নেই