করোনা আপডেট: জুমার দিন জোহর নামাজ ঘরে কিভাবে পড়া যাবে







জুমার
দিন যারা জোহর আদায় করবে তারা একাকি পড়বে নাকি জামাতের সঙ্গে?
করোনা
ভাইরাসের কারনে যারা জুমার নামাজ পড়তে পারছেন না তারা জোহরের নামাজ ঘরে জামাতে পড়া
যাবে কিনা এ ব্যপারে ফতোয়ার কিতাবে ১টি মাসায়ালা আছে তা আজ আমি বননা করব,

আপনারা
জানেন করোনা ভাইরাসের কারনে বাংলাদেশ সরকারের ধম মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে ৫ ওয়াক্ত
নামাজে সর্বোমোট ৫ জন এবং জুমার নামাজের সর্বমোট ১০ জন উপস্থিত হওয়ার অনুমতি দেয়া
হয়েছে, এখন যারা ৫ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে যাচেছন না তারা ঘরের সকলে মিলে ঘরেই
জামাতের ব্যবস্থা করতে পারবেন এ ব্যপারে সকলেই একমত, কিন্তু জুমার দিন যদি আপনি
জুমার নামাজের জন্য মসজিদে যেতে না পারেন তাহলে ঘরে জুমার পরিবর্তে জোহর নামাজ
আদায় করতে হবে, এখন প্রশ্ন হল এই জুমার নামাজের পরিবর্তে যে জোহরের নামাজ হবে সে
নামাজও কি অন্যান্য দিনের মত জামাতে পড়া যাবে?

ব্যপারে ফোকাহায়ে কেরামের মত হল জুমার দিন জুমার পরিবতে যদি জোহর পড়া হয় সে জোহর
নামাজ জামাতে পড়া মাকরুহে তাহরীমি।
প্রসিদ্ধ
ফতোয়ার কিতাব ফতোয়ায়ে শামীর ৩য় খন্ডের ৩৩ পৃষ্ঠায় ষ্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে জুমার
দিন ঘরে বা অন্য কোথাও জোহরের নামাজ পড়ার সময় একাকী পড়তে হবে যেমন সে এবারতটি হল
(বিগাইরি আযানিন ওয়ালা একামিতন ওয়ালা জামায়াতিন) অথ্যাৎ আযান ব্যতীত একামত ছাড়া
জামাত ছাড়া জোহর নামাজ পড়তে হবে।

এখানে
একটি কথা মনে রাখবেন আপনি এমন জায়গায় আছেন যেখানে জুমার যে সব শত থাকা প্রয়োজন সে
সব শত যদি পাওয়া  না যায় যেমন আপনি এমন এক
পাহাড়ী অঞ্চল গ্রাম অঞ্চল যেখানে জুমার নামাজ পড়া জায়েজ নাই, সেখানে যেহেতু জুমার
নামাজ হয়না সেহেতু আপনি সেখানে জুমার পরিবর্তে জোহরের নামাজ পড়তে পারবেন এবং
জামাতের সাথেই আযান একামতের সাথেই পড়তে পারবেন।
কিন্তু
যেখানে জুমার নামাজ পূর্বথেকেই কায়েম হয়ে আসছে, সেখানে যদি আপনি কোন কারনে জুমার
নামাজে শরীক হতে না পারেন, েযমন এখন লকডাউন চলছে মাত্র ১০ জন মসজিদে যেতে পারবে
বাকীরা নিজ নিজ ঘরে জোহরের নামাজ আদায় করবেন এখন কেহ যদি জোহরের নামাজ জুমার দিন
জামাতের সাথে পড়ে নেয় তাহলে নামাজ হয়ে যাবে তবে মাকরুহে তাহরীমি হবে। জুমার দিন
জোহরের জামায়াত জায়েজ নাই। সেজন্য যারা জুমার দিন জোহর নামাজ পড়বেন তারা একাকী
ভাবে পড়বেন জামাতের সাথে পড়বেন না।

জুমার
দিন আরো ১টি মাসায়ালা মনে রাখবেন জুমার দিন আপনি যদি জোহর নামাজ পড়েন তাহলে আপনার
পাশের মসজিদে জুমার নামাজ হয়ে যাওয়ার পরই ঘরে জোহরের নামাজ পড়া উত্তম। মসজিদে জুমা
হওয়ার আগে ঘরে জোহর নামাজ পড়া উত্তম নয়।

আল্লাহ
তায়ালা আমাদের প্রত্যেককে সঠিক জ্ঞান দান করুন, বুঝার তৌফিক দান করুন এই মহামারী
থেকে সকলকে হেফাজতত করুন আমিন।

কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.