করোনা সংবাদ।১৩ টি শর্তে মসজিদ সমুহ খোলা থাকবে। মসজিদে লকডাউন নাই পাকিস্ত...







বিসমিল্লাহির
রাহমানির রাহিম
করোনায়
সুসংবাদ- ১৩টি শর্তে মসজিদের লকডাউন শিথিল
সুসংবাদটা
আমরাও চাই।

করোনা ভাইরাসের কারনে গত কযেকদিন যাবৎ ৫ ওয়ায়াক্ত নামাজে ৩
জন জুমাতে ৫ জন করে নামাজের ফতোয়া দিয়েছিল পাকিস্তানের ওলামা পরিষদ, উক্ত ওলামা পরিষদের
১টি সভা গতকাল পাকিস্তানে পুনরায় অনুষ্ঠিত হয় এবং তাতে তাদের নতুন ঘোষনা আসে সে ঘোষনাটা
আমি হুবহু তুলে ধরার চেস্টা করব এবং আমাদের দেশের ওলামায়ে কেরাম কে সে বিষয়টি গুরুত্ব
সহকারে গ্রহণ পূর্বক রমজানের আগে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ করব
পাকিস্তান ওলামা পরিষদের পক্ষ থেকে লিখিত ঘোষনা পড়ে শুনান মাওলানা
মুফতি মোহাম্মদ তকি ওসমানী লিখিত ঘোষনায় তিনি বলেন-  
# একজন মুসলমানের জন্য মসজিদে বা জামাত নামাজ এবং জুমার এজতেমা
একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।বিশেষ করে রমজানে মসজিদে উপস্থিতি এবং বা জামাতে নামাজ
শুধু ১টি প্রয়োজনই নয় বরং এই মহামারী বা পরীক্ষার সময় বিশেষ করে আল্লাহর দিকে ফিরে
আসার ফলে েএই মহামারীকে দুর করার শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে।
# এই জুমা জামাতকে যথা সম্ভব সতর্কতার সাথে জারি রাখা খুবই
জরুরী।
# এই সতর্কতার সীমা সকল ক্ষেত্রে স্থান কাল পাত্র ভেদে প্রয়োগ
করা যেতে পারে। মসজিদে জুমা জামাতের জন্য কয়েকটি বিষয় জরুরী।
১। সতর্কতার সাথে মসজিদসমুহ খোলা থাকবে। তাতে ৫ ওয়াক্ত নামাজ
বা জামাত এবং নামাজে জুমা জারি থাকবে। ৩ জন ও ৫ জনের যে সীমাবদ্ধতা দেয়া হয়েছিল তা
গ্রহণ যোগ্য হচ্ছে না।
২। যে সব লোক অসুস্থ বা ভাইরাসে আক্রান্ত, তারা মসজিদে আসবে
না। ইনশাল্লাহ তারা ঘরেই জামাতের সাওয়াব পাবে।
৩। বয়োবৃদ্ধ দুর্বল লোকেরা মসজিদে আসা থেকে বিরত থাকবেন।
৪। মসজিদের সকল কাপেট সরিয়ে ফেলতে হবে, নামাজ শেষে যথাসম্ভব
জিবানুনাশক স্প্রে দ্বারা মসজিদ পরিচ্ছন্ন করা অতীব জরুরী।
৫। প্রত্যেক মসজিদের দরজায় সেনিটাইজার লাগানোর ব্যবস্থা করতে
হবে। মহল্লার জনদরদীরা এর ব্যবস্থা করে দিবেন।
৬। মসজিদের কাতারে ২ কাতারের মাঝে ১ কাতার বেশী দুরত্ব রেখে
দাঁড়াবে। এবং কাতারেবন্দিতেও মুসল্লীরা মাঝখানে ফাঁক রেখে রেখে দাঁড়াবেন। যদিও মাঝখানে
ফাকা রাখা মাকরুহ কিন্তু ওজরের কারনে এই মাকরুহ বাকী থাকবেনা।
৭। সকল মুসল্লী অজু ঘর থেকে করে আসবেন,
৮। সকল মুসল্লী অজুর সময় হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে আসবে েএবং মাস্ক
পরিধান করে মসজিদে আসবে।
৯। সকল মুসল্লী সুন্নতসমুহ ঘরে থেকেই পড়ে আসবেন। েএবং ফরযের
পর বাকী সুন্নত নফল ঘরে গিয়ে পড়বেন।
১০। নামাজে জুমায় উদু বয়ান বন্ধ করে দিবেন। শুধু ৫ মিনিটে মানুষকে
করোনা থেকে সতকতামুলক বয়ান দিতে পারেন।
১১। আরবী খুতবাও অতি সংক্ষেপে দিতে হবে।
১২। নামাজের পর সকল মুসল্লীরা হুড়ুহুরি না করে দুরত্ব বজায়
রেখে মসজিদে থেকে বের হবে এবং ঘরে চলে যাবে।
১৩। মসজিদের মুসল্লীরা যেন এসব সতর্কতা অবলম্বন করেন সে বিষয়ে
ইমামরা মুসল্লীদের বুঝাবেন, আর এসব সতর্কতা পালন করতে বাধ্য করানোর দায়িত্ব মসজিদ পরিচালনা
কমিটির। বাধ্য করার জিম্মা ইমামগনের বলে গন্য হবে না।
এ ধরনের শর্তে আমাদের দেশেও রমজানের আগে মুসল্লীদের জন্য মসজিদের
লকডাউন শিথিল করা হউক।

কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.