মহামারী সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন মসজিদে নববীর ইমাম। Masjid Nabaw...
করোনা ভাইরাস সবলোকের কেন হচ্ছেনা?
১টি গোপন কথা মসজিদে নববীর ইমাম
জুমার খুতবায় বলে দিয়েছেন
গত
জুমায় মসজিদে নববীর সম্মানিত ইমাম জুমার খুতবায় এমন কিছু তথ্য দিয়েছেন কোরান হাদীসের
আলোকে যা শুনলে আপনি যদি ঈমানদার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার মনের সকল টেনশন ভয় পেরেশানি
দুর হয়ে যাবে, উনার খুতবার সে গুরুত্বপূণ অংশটি আমি হুবহু বাংলায় আপনাদের সামনে তুলে
ধরার চেষ্টা করব- তিনি বলেন
জুমায় মসজিদে নববীর সম্মানিত ইমাম জুমার খুতবায় এমন কিছু তথ্য দিয়েছেন কোরান হাদীসের
আলোকে যা শুনলে আপনি যদি ঈমানদার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার মনের সকল টেনশন ভয় পেরেশানি
দুর হয়ে যাবে, উনার খুতবার সে গুরুত্বপূণ অংশটি আমি হুবহু বাংলায় আপনাদের সামনে তুলে
ধরার চেষ্টা করব- তিনি বলেন
এই
মসিবতের একটি হেকমত এটা যে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই এই কায়েনাতকে চালাচ্ছেন, এই বিষয়ে
আল্লাহর কোন শরিক নাই, ছোট থেকে বড় সকল জিনিষই সবই তাঁরই পরিচালনাধিন। আল্লাহ তায়ালা
বলেন (ফায়ালুল্লিমা ইউরিদ) তিনি যা চান তাই করেন। সুরা বুরুজ-১৬। যদি এই ভাইরাস আল্লাহর
হকুমের এবং তকদীরের তাবে না হত, যদি নিজের ইচ্ছাতেই এই ভাইরাস একজন থেকে অন্যজনের কাছে
ছড়াত তাহলে সকল লোকরই এই ভাইরাস হয়ে যেত, কিন্তু এই ভাইরাস আল্লাহর ইচ্ছার তাবে তিনি
যাকে ইচ্ছা ক্ষতিগ্রস্থ করেন আর যাকে ইচ্ছা বাঁচিয়ে ফেলেন এটাই মুলত আল্লাহর দয়া ও
বিচার।
মসিবতের একটি হেকমত এটা যে, আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই এই কায়েনাতকে চালাচ্ছেন, এই বিষয়ে
আল্লাহর কোন শরিক নাই, ছোট থেকে বড় সকল জিনিষই সবই তাঁরই পরিচালনাধিন। আল্লাহ তায়ালা
বলেন (ফায়ালুল্লিমা ইউরিদ) তিনি যা চান তাই করেন। সুরা বুরুজ-১৬। যদি এই ভাইরাস আল্লাহর
হকুমের এবং তকদীরের তাবে না হত, যদি নিজের ইচ্ছাতেই এই ভাইরাস একজন থেকে অন্যজনের কাছে
ছড়াত তাহলে সকল লোকরই এই ভাইরাস হয়ে যেত, কিন্তু এই ভাইরাস আল্লাহর ইচ্ছার তাবে তিনি
যাকে ইচ্ছা ক্ষতিগ্রস্থ করেন আর যাকে ইচ্ছা বাঁচিয়ে ফেলেন এটাই মুলত আল্লাহর দয়া ও
বিচার।
এটাই
হল আল্লাহর প্রতি আমাদের আকিদা যা নবী করিম (দঃ) বননা করে দিয়েছেন- (লা আদওয়া ওয়ালা
তিয়ারা ওয়ালা হামা ওয়ালা সাফার) ‘রোগ-ব্যধি (তার নিজস্ব ক্ষমতায়) একজনের দেহ থেকে আরেকজনের দেহে লেগে যায় না।’
হল আল্লাহর প্রতি আমাদের আকিদা যা নবী করিম (দঃ) বননা করে দিয়েছেন- (লা আদওয়া ওয়ালা
তিয়ারা ওয়ালা হামা ওয়ালা সাফার) ‘রোগ-ব্যধি (তার নিজস্ব ক্ষমতায়) একজনের দেহ থেকে আরেকজনের দেহে লেগে যায় না।’
বিজ্ঞ
আলেমরা এই হাদীস দ্বারা বয়ান করেন এ হাদীস দ্বারা রোগ ছোয়াছে হওয়াকে অস্বীকার করা হয়েছে।
এর অথ হল রোগ ততক্ষন একজন থেকে অন্যজনের দেহে প্রবেশ করবে না যতক্ষন আল্লাহর ইচ্ছা
না হবে, যতক্ষন আল্লাহ সে রোগকে অন্যের দেহে প্রবেশ করাতে চাইবেন না ততক্ষন তা প্রবেশ
করবেন না। চাই সে লোক ঐ রোগীর পাশেই থাকুক না কেন। এ হাদীসে আইয়্যামে জাহিলিয়াতের সে
বিশ্বাস ও আকিদাকে অস্বীকার করা হয়েছে যে আকিদা ছিল তৎকালিন মুশরিকদের আকিদা। মুশরিকদের আকিদা ছিল যে কোন রোগ আল্লাহর
ইচ্ছা ছাড়া নিজের ইচ্ছায় একজন থেকে অন্যজনের কাছে প্রবেশ করতে পারে। সে জন্য নবী করিম
(দঃ) বলেছেন যদি রোগ একজন থেকে অন্যজনের কাছে নিজ ইচ্ছায় ছড়ায় তাহলে সর্বপ্রথম যে অসুস্থ হয়েছে তাঁর শরীরে সেটি কোথা
থেকে এল?
আলেমরা এই হাদীস দ্বারা বয়ান করেন এ হাদীস দ্বারা রোগ ছোয়াছে হওয়াকে অস্বীকার করা হয়েছে।
এর অথ হল রোগ ততক্ষন একজন থেকে অন্যজনের দেহে প্রবেশ করবে না যতক্ষন আল্লাহর ইচ্ছা
না হবে, যতক্ষন আল্লাহ সে রোগকে অন্যের দেহে প্রবেশ করাতে চাইবেন না ততক্ষন তা প্রবেশ
করবেন না। চাই সে লোক ঐ রোগীর পাশেই থাকুক না কেন। এ হাদীসে আইয়্যামে জাহিলিয়াতের সে
বিশ্বাস ও আকিদাকে অস্বীকার করা হয়েছে যে আকিদা ছিল তৎকালিন মুশরিকদের আকিদা। মুশরিকদের আকিদা ছিল যে কোন রোগ আল্লাহর
ইচ্ছা ছাড়া নিজের ইচ্ছায় একজন থেকে অন্যজনের কাছে প্রবেশ করতে পারে। সে জন্য নবী করিম
(দঃ) বলেছেন যদি রোগ একজন থেকে অন্যজনের কাছে নিজ ইচ্ছায় ছড়ায় তাহলে সর্বপ্রথম যে অসুস্থ হয়েছে তাঁর শরীরে সেটি কোথা
থেকে এল?
বর্তমানে
মুসলমানদের জায়েজ পদ্ধতি অবলম্বন করে এসব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা সতর্কতা অবলম্বন
করা জায়েজ, তবে পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর উপর ভরসা রেখেই এসব বিষয়ে পর্যালোচনা ও সতর্কতা
অবলম্বন করতে হবে। যেমন নবী করিম (দঃ) এরশাদ করেন কোড়ার রোগ থেকে তুমি সেভাবে পলায়ন
কর যেভাবে হিংস্র বাঘ থেকে পলায়ন কর,
মুসলমানদের জায়েজ পদ্ধতি অবলম্বন করে এসব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা সতর্কতা অবলম্বন
করা জায়েজ, তবে পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর উপর ভরসা রেখেই এসব বিষয়ে পর্যালোচনা ও সতর্কতা
অবলম্বন করতে হবে। যেমন নবী করিম (দঃ) এরশাদ করেন কোড়ার রোগ থেকে তুমি সেভাবে পলায়ন
কর যেভাবে হিংস্র বাঘ থেকে পলায়ন কর,
এই
হল মসজিদে নববীর মুল খুতবা যার সারসংক্ষেপ হল
হল মসজিদে নববীর মুল খুতবা যার সারসংক্ষেপ হল
সুস্থতা-অসুস্থতা আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়। সুস্থতার যেমন বিভিন্ন কারণ রয়েছে তদ্রূপ অসুস্থতারও বিভিন্ন কারণ আছে। রোগের মধ্যে ক্রিয়া করার নিজস্ব ক্ষমতা নেই। তাই আল্লাহ চাইলে রোগাক্রান্ত হবে নতুবা হবে না। এজন্যই দেখা যায়, সংস্পর্শে যাওয়ার পরও অনেকে রোগাক্রান্ত হয় না।
আল্লাহ তাআলা ক্রিয়া করার ক্ষমতা না দিলে এগুলো ক্রিয়া করতে পারবে না। এজন্যই ইবরাহীমকে (আ.) আগুনে নিক্ষেপের পরও আল্লাহর হুকুম না হওয়ার কারণে আগুন কোনো ক্রিয়া করতে পারেনি।
নিরাপদ দুরত্ব ও সতর্কতা এসবই জায়েজ তবে এসবও হতে হবে আল্লাহর
উপর পূণ আস্তা রেখে।
উপর পূণ আস্তা রেখে।
আমরা যদি ইসলামের এই মুলনিতি বুঝতে পারি তাহলে বর্তমানে যে বিপর্যয়
দেখা দিয়েছে, ডাক্তারেরা ডিউটি করছে না, সন্তানেরা মৃত মা বাবার লাশ নিতে চাচ্ছে
না, এলাকার মানুষ রোগীকে এলাকায় ঢুকতে দিচ্ছে না, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ
কারীকে কবরস্থানে দাফন করতে দিচ্ছে না, এসব বিপযয় হত না। এখনও যদি আমরা ইসলামের
এইসব মুলনীতিকে পরিপূণভাবে ধারন করি তাহলে এসব মানবিক বিপযয় আর থাকবে না।
দেখা দিয়েছে, ডাক্তারেরা ডিউটি করছে না, সন্তানেরা মৃত মা বাবার লাশ নিতে চাচ্ছে
না, এলাকার মানুষ রোগীকে এলাকায় ঢুকতে দিচ্ছে না, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ
কারীকে কবরস্থানে দাফন করতে দিচ্ছে না, এসব বিপযয় হত না। এখনও যদি আমরা ইসলামের
এইসব মুলনীতিকে পরিপূণভাবে ধারন করি তাহলে এসব মানবিক বিপযয় আর থাকবে না।

কোন মন্তব্য নেই