করোনা ভাইরাস সংবাদ। মসজিদের মুসল্লী যেন দাগী আসামী। Corona virus News Up...
এখন মসজিদের মুসল্লীরাই যেন দাগী আসামী
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিজ্ঞ আলেমদের কাছে আকুল আবেদন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিজ্ঞ আলেমদের কাছে আকুল আবেদন
মসজিদে যাওয়াই যেন এখন বড় অপরাধ, বিভিন্ন জায়গায় মুসল্লীদের উপর চড়াও হওয়া, মুসল্লীদের মারধর করা, বেধরক পিটানোর ভিডিও সোস্যেল মিডিয়ায় চোখে পরার মত, পুলিশ এমনভাবে পিটাচ্ছে যেন এই লোকটি কোন দাগী আসামী।আলহামদুলিল্লাহ এমন ঘটনা যদিও আমার জানা মতে আমাদের এই দেশে ঘটেনি তবে এমন দৃশ্য আমদের পাশ্ববর্তী দেশ ইন্ডিয়া ও পাকিস্তানে পরিলক্ষিত হয়েছে, পাকিস্তানে মসজিদের অনেক ইমামকে গ্রেফতার করা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে গত ৪ জুমা ধরে মানুষ মসজিদে জুমা পড়তে পারছে না, এক আরবীকে দেখলাম মসজিদের দরজা ধরে বিলাপ করে কাঁদছে, আর ফরিয়াদ করছে আল্লাহ যেন এই রহমতের ঘরের ধরজা যেন খুলে দেয়ার ব্যবস্থা করে দেন,
আজ আমরা জানার চেষ্টা করব কেন মুসলমানরা এত নিষেধাজ্ঞার পরও মসজিদে যাচ্ছে? কেন মুসলমানরা বার বার মার খেয়েও মসজিদেই বার বার ছুটে যাচ্ছে, এর কারন আমাদের প্রিয় নবীর প্রসিদ্ধ সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) এর ভাষায় জানার চেষ্টা করব-
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মসউদ (রাঃ) এক বক্তব্যে নব নব মুসলিম তাবেয়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন- যে হাদীস খানা মুসলিম শরীফের ১৩৭৪ নং হাদীসে উল্লেখ আছে
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
আজ আমরা জানার চেষ্টা করব কেন মুসলমানরা এত নিষেধাজ্ঞার পরও মসজিদে যাচ্ছে? কেন মুসলমানরা বার বার মার খেয়েও মসজিদেই বার বার ছুটে যাচ্ছে, এর কারন আমাদের প্রিয় নবীর প্রসিদ্ধ সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) এর ভাষায় জানার চেষ্টা করব-
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মসউদ (রাঃ) এক বক্তব্যে নব নব মুসলিম তাবেয়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন- যে হাদীস খানা মুসলিম শরীফের ১৩৭৪ নং হাদীসে উল্লেখ আছে
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَلْقَى اللَّهَ غَدًا مُسْلِمًا فَلْيُحَافِظْ عَلَى هَؤُلاَءِ الصَّلَوَاتِ حَيْثُ يُنَادَى بِهِنَّ فَإِنَّ اللَّهَ شَرَعَ لِنَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم سُنَنَ الْهُدَى وَإِنَّهُنَّ مِنْ سُنَنِ الْهُدَى وَلَوْ أَنَّكُمْ صَلَّيْتُمْ فِي بُيُوتِكُمْ كَمَا يُصَلِّي هَذَا الْمُتَخَلِّفُ فِي بَيْتِهِ لَتَرَكْتُمْ سُنَّةَ نَبِيِّكُمْ وَلَوْ تَرَكْتُمْ سُنَّةَ نَبِيِّكُمْ لَضَلَلْتُمْ وَمَا مِنْ رَجُلٍ يَتَطَهَّرُ فَيُحْسِنُ الطُّهُورَ ثُمَّ يَعْمِدُ إِلَى مَسْجِدٍ مِنْ هَذِهِ الْمَسَاجِدِ إِلاَّ كَتَبَ اللَّهُ لَهُ بِكُلِّ خَطْوَةٍ يَخْطُوهَا حَسَنَةً وَيَرْفَعُهُ بِهَا دَرَجَةً وَيَحُطُّ عَنْهُ بِهَا سَيِّئَةً وَلَقَدْ رَأَيْتُنَا وَمَا يَتَخَلَّفُ عَنْهَا إِلاَّ مُنَافِقٌ مَعْلُومُ النِّفَاقِ وَلَقَدْ كَانَ الرَّجُلُ يُؤْتَى بِهِ يُهَادَى بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ حَتَّى يُقَامَ فِي الصَّفِّ
যে ব্যক্তি আগামীকাল কিয়ামাতের দিন মুসলিম হিসেবে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ পেতে আনন্দবোধ করে, সে যেন ঐ সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যেসব সলাতের জন্য আযান দেয়া হয়।
কেননা আল্লাহ তা'আলা তোমাদের নাবীর জন্য হিদায়াতের পন্থা পদ্ধতি বিধিবদ্ধ করেছেন। আর এসব সলাতও হিদায়াতের পন্থা পদ্ধতি, যেমন এক ব্যক্তি সলাতের জামা'আতে উপস্থিত না হয়ে বাড়ীতে সলাত আদায় করে থাকে, অনুরূপ তোমরাও যদি তোমাদের বাড়ীতে সলাত আদায় করো তাহলে নিঃসন্দেহে তোমরা তোমাদের নাবীর সুন্নাত বা পন্থা-পদ্ধতি পরিত্যাগ করলে।
যে ব্যক্তি আগামীকাল কিয়ামাতের দিন মুসলিম হিসেবে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ পেতে আনন্দবোধ করে, সে যেন ঐ সলাতের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যেসব সলাতের জন্য আযান দেয়া হয়।
কেননা আল্লাহ তা'আলা তোমাদের নাবীর জন্য হিদায়াতের পন্থা পদ্ধতি বিধিবদ্ধ করেছেন। আর এসব সলাতও হিদায়াতের পন্থা পদ্ধতি, যেমন এক ব্যক্তি সলাতের জামা'আতে উপস্থিত না হয়ে বাড়ীতে সলাত আদায় করে থাকে, অনুরূপ তোমরাও যদি তোমাদের বাড়ীতে সলাত আদায় করো তাহলে নিঃসন্দেহে তোমরা তোমাদের নাবীর সুন্নাত বা পন্থা-পদ্ধতি পরিত্যাগ করলে।
আর তোমরা যদি এভাবে তোমাদের নাবীর সুন্নাত বা পদ্ধতি পরিত্যাগ করো তাহলে অবশ্যই পথ হারিয়ে ফেলবে।
কেউ যদি অতি উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জন করে (সলাত আদায় করার জন্য) কোন একটি মাসজিদে উপস্থিত হয় তাহলে মাসজিদে যেতে সে যতবার পদক্ষেপ ফেলবে তার প্রতিটি পদক্ষেপের পরিবর্তে আল্লাহ তা'আলা তার জন্য
একটি নেকী লিখে দেন,
তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন এবং
একটি করে পাপ দূর করে দেন।
একটি নেকী লিখে দেন,
তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন এবং
একটি করে পাপ দূর করে দেন।
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, আমরা মনে করি যার মুনাফিকী সর্বজনবিদিত অথ্যাৎ যে প্রকাশ্য মুনাফিক এমন মুনাফিক ছাড়া কেউ-ই জামা'আতে সলাত আদায় করা ছেড়ে দেয় না। অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় এমন ব্যক্তি জামা'আতে উপস্থিত হত যাকে দু’জন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে এসে সলাতের কাতারে দাঁড় করিয়ে দেয়া হত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৬১, ইসলামীক সেন্টার ১৩৭৩)
এটি শুধু মাত্র ১টি হাদীসেই কত শক্তভাবে মসজিদ ও জামাত ত্যাগ করার ব্যপারে ধমক দেয়া হয়েছে, কতগুলি ফজিলত বননা করা হয়েছে এমন হাজারো হাদীস আছে মসজিদে জামাতের সাথে নামাজ পড়ার ফজিলতের ব্যপারে, জামাতে উপস্থিত না হওয়ার ক্ষতির ব্যপারে, যা জানার পর মুসলমানরা মসজিদের জন্য জামাতের জন্য পাগল হয়ে যায়, তাই হঠাৎ করে যখন এই মসজিদ এই জামাত জুমা বন্ধ হয়ে যায় তখন এসব ঈমানদারের কলিজা ফেটে যায়, তারা দাগী আসামীর মত অপরাধীর মত মার খেয়েও মসজিদ ছাড়তে চায় না, আসুন আজ আমার সে সব মসজিদ পাগল জুমা জামাতের আশেক ঈমানদার ভাইদের মসজিদে ছুটে যাওয়াকে ঘৃণার চোখে নয় বরং ভালবাসার দৃষ্টিকোন থেকে বিচার করি, এবং তাঁদের আবেগ অনুভুতিকে বুঝার চেষ্টা করি, এবং দোয়া করি আল্লাহ যেন অতি সহসাত আবার আমাদের এই বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য মসজিদ তথা রহমতের ঘরসমুহ উম্মুক্ত করে দেয়ার ব্যবস্থা করেন। সাথে সাথে আমাদের দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের কাছে আকুল আবেদন থাকবে যেন রমজানের আগে আগে মসজিদের বিধি নিষেধ তুলে দেয়া হয়, অন্তত ফাঁক ফাকঁ করে দাঁড়িয়ে হলেও মসজিদে সকলে যাতে নামাজ পড়তে পারে সে বিষয়টি বিবেচনার দাবী জানাচ্ছি, এবং জুমার নামাজে যে ১০ জনের কোটা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে ওলামায়ে কেরাম এমন শর্ত দিয়ে জুমার নামাজ আদায় হবেনা বলে মতামত প্রকাশ করছেন সে বিষয়টিও দ্রুত সমাধানের দাবী জানাচ্ছি।
আল্লাহ সারা বিশ্ববাসীকে হেফাজত করুন, বাংলাদেশকে হেফাজত করুন, করোনা ভাইরাস তথা মহামারী থেকে মুক্তি দান করুন। আমিন।
আল্লাহ সারা বিশ্ববাসীকে হেফাজত করুন, বাংলাদেশকে হেফাজত করুন, করোনা ভাইরাস তথা মহামারী থেকে মুক্তি দান করুন। আমিন।

কোন মন্তব্য নেই