করোনার রোগী শহিদ তাহলে তাঁদেরকে গোসল দেয়ার দরকার কি?
3.
করোনায়
মৃত লোক শহিদ, তাহলে গোসল কেন দিব?
মৃত লোক শহিদ, তাহলে গোসল কেন দিব?
কেহ শহিদ হলে তাঁদের জানাযা ও
দাফন হবে কিন্তু গোসল দিতে হবে না, এটাই হল শরীয়তের বিধান। এখন যারা করোনা ভাইরাসে
মৃত্যু বরণ করছেন তাঁরা যদি মুসলিম ও ঈমানদার হয় তাদেরকে ইসলামের পরিভাষায় শহিদ বলা
হচ্ছে, এখন করোনা রোগী মারা গেলে তাকে গোসল দিতে হবে কিনা? এমন একটি প্রশ্ন সকলের মনে
মনে ঘুরে ফিরছে, এই প্রশ্নের জবাব ইনশা আল্লাহ আজ আমি আপনাদের সামনে কোরান হাদীস ও
ফোকাহায়ে কেরামের মতামতের ভিত্তিতে উপস্থাপন করার চেষ্টা করব।
দাফন হবে কিন্তু গোসল দিতে হবে না, এটাই হল শরীয়তের বিধান। এখন যারা করোনা ভাইরাসে
মৃত্যু বরণ করছেন তাঁরা যদি মুসলিম ও ঈমানদার হয় তাদেরকে ইসলামের পরিভাষায় শহিদ বলা
হচ্ছে, এখন করোনা রোগী মারা গেলে তাকে গোসল দিতে হবে কিনা? এমন একটি প্রশ্ন সকলের মনে
মনে ঘুরে ফিরছে, এই প্রশ্নের জবাব ইনশা আল্লাহ আজ আমি আপনাদের সামনে কোরান হাদীস ও
ফোকাহায়ে কেরামের মতামতের ভিত্তিতে উপস্থাপন করার চেষ্টা করব।
আপনারা জানেন মহামারীতে মৃত্যু
বরণ কারী ব্যক্তি শহিদের মর্যাদায় ভুষিত হবেন, সে বিষয়ে হাদীসটি হল বুখারী শরীফের ৫৭৩২
নং হাদীস
বরণ কারী ব্যক্তি শহিদের মর্যাদায় ভুষিত হবেন, সে বিষয়ে হাদীসটি হল বুখারী শরীফের ৫৭৩২
নং হাদীস
حَدَّثَتْنِي حَفْصَةُ بِنْتُ
سِيرِينَ قَالَتْ قَالَ لِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ يَحْيٰى بِمَ مَاتَ قُلْتُ مِنْ
الطَّاعُونِ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الطَّاعُونُ شَهَادَةٌ
لِكُلِّ مُسْلِمٍ.
سِيرِينَ قَالَتْ قَالَ لِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ يَحْيٰى بِمَ مَاتَ قُلْتُ مِنْ
الطَّاعُونِ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الطَّاعُونُ شَهَادَةٌ
لِكُلِّ مُسْلِمٍ.
হাফসাহ বিনত সীরীন (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, ইয়াহ্ইয়া কী রোগে মারা গেছে? আমি বললামঃ প্লেগ রোগে। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্লেগ রোগে মারা গেলে প্রত্যেক মুসলিমের জন্য তা শাহাদাত হিসেবে গণ্য।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২০৮)
সহিহ মুসলিম শরীফের হাদীসটির
নাম্বার ১৯১৬
নাম্বার ১৯১৬
এ হাদীসের দ্বারা বুঝা যায় মহামারীতে
মৃত ব্যক্তি শহিদ এখন এর উপর কেয়াস করে ওলামায়ে কেরাম বলেছেন এ মুহুর্তে যে সব ঈমানদার
করোনা ভাইরাসে মারা যাচ্ছে তারাও শহীদের মর্যাদা পাবে।
মৃত ব্যক্তি শহিদ এখন এর উপর কেয়াস করে ওলামায়ে কেরাম বলেছেন এ মুহুর্তে যে সব ঈমানদার
করোনা ভাইরাসে মারা যাচ্ছে তারাও শহীদের মর্যাদা পাবে।
আর সকলেই জানেন মুসলিম শহীদগনকে
দাফন কাফন করতে হবে গোসল দিতে হবেনা।
দাফন কাফন করতে হবে গোসল দিতে হবেনা।
তবে মহামারীতে যারা মৃত তাদের
গোসল দিতে হবে কিনা সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে,
গোসল দিতে হবে কিনা সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে,
আমাদের জানা থাকা দরকার যে ফকিহগনের
মতে শহীদের ৩টি প্রকারভেদ রয়েছে
মতে শহীদের ৩টি প্রকারভেদ রয়েছে
১ম প্রকারের শহিদ হল শহিদে হাকিকি-
যারা আল্লাহর রাস্তায় কাফের মুশরিকদের সাথে যুদ্ধ করতে করতে মৃত্যু বরণ করেছেন। এ ধরনের
শহিদে হিকিকি যারা তাদেরকে রক্তসহ গোসল ছাড়া জানাযা পড়ে দাফন করা হবে।
যারা আল্লাহর রাস্তায় কাফের মুশরিকদের সাথে যুদ্ধ করতে করতে মৃত্যু বরণ করেছেন। এ ধরনের
শহিদে হিকিকি যারা তাদেরকে রক্তসহ গোসল ছাড়া জানাযা পড়ে দাফন করা হবে।
২য় প্রকারের শহিদ হল শহিদে ফেকহি-
কোন নিরিহ মুসলমানকে তলোয়ার বা ধারালো অস্ত্র দ্বারা বোমা বা গোলাবাজি দ্বারা অন্যায়ভাবে
হত্যা করা হয়েছে, সে মুসলমান মজলুম ছিল আর কোন জালেম তাকে হত্যা করে ফেলেছে।
কোন নিরিহ মুসলমানকে তলোয়ার বা ধারালো অস্ত্র দ্বারা বোমা বা গোলাবাজি দ্বারা অন্যায়ভাবে
হত্যা করা হয়েছে, সে মুসলমান মজলুম ছিল আর কোন জালেম তাকে হত্যা করে ফেলেছে।
৩য় প্রকারের শহিদ হল তারা হল
শহিদে হুকমি- যারা আল্লাহর রাস্তায়ও যুদ্ধ করে শহিদ হয়নি কিংবা কেহ জুলুম করেও শহিদ
করেনি, তবে কোন রোগে মহামারীতে বা অন্যান্য কিছু কারনে মৃত্যু বরণ করেছেন।
শহিদে হুকমি- যারা আল্লাহর রাস্তায়ও যুদ্ধ করে শহিদ হয়নি কিংবা কেহ জুলুম করেও শহিদ
করেনি, তবে কোন রোগে মহামারীতে বা অন্যান্য কিছু কারনে মৃত্যু বরণ করেছেন।
এই ৩ প্রকারের শহিদের দাফন কাফন
জানাজা ও গোসলের হকুম হল ১ম প্রকারের শহিদকে গোসল দিতে হবে না। আর ২য় ও ৩য় প্রকারের
শহিদকে গোসলও দিতে হবে কাফন ও জানাযার সাথে দাফনও করতে হবে।
জানাজা ও গোসলের হকুম হল ১ম প্রকারের শহিদকে গোসল দিতে হবে না। আর ২য় ও ৩য় প্রকারের
শহিদকে গোসলও দিতে হবে কাফন ও জানাযার সাথে দাফনও করতে হবে।
৩য় প্রকারের শহিদ কারা সে ব্যপারে
বুখারী শরীফের হাদীস নম্বর ২৮২৯,
বুখারী শরীফের হাদীস নম্বর ২৮২৯,
নবী করিম (দঃ) এরশাদ করেন ৫ ধরনের
লোক শহিদ
লোক শহিদ
মহামারীতে মৃত্যুবরণকারী;
পানিতে নিমজ্জিত ব্যক্তি;
পেটের রোগে মৃত্যুবরণকারী;
পানিতে নিমজ্জিত ব্যক্তি;
পেটের রোগে মৃত্যুবরণকারী;
যে ব্যক্তি ধ্বংসাবশেষের নিচে পড়ে মারা যায়,
আল্লাহর
রাস্তায় যারা মৃত্যু বরণ করে তারা
আল্লাহর
রাস্তায় যারা মৃত্যু বরণ করে তারা
এ হাদীসটি আরো রয়েছে সুনানে নাসাঈতে হাদীস নাম্বার ২০৫৪,
সহিহ মুসলিমে হাদীস নাম্বার ১৯১৪, সুনানে দারেমি হাদীস নাম্বার
১০১৪।
১০১৪।
এখন পেটের ব্যথায় যদি কেহ মৃত্যু
বরণ করে সেও হুকমান শহিদ তাকে কি আমরা গোসল ছাড়া দাফন করি? করিনা। পেটের ব্যথায় মৃত
ব্যক্তি যেরুপ হুকমান শহিদ তেমনি মহামারীতে মৃত ব্যক্তিও হুকমান শহিদ সুতরাং এখন যারা
করোনা ভাইরাসে মৃত্যু বরণ করছেন তারা মর্যাদাগত ভাবে শহিদের মর্যদা পাবেন কিন্তু তাদেরকে
গোসল দিতে হবে, যেমন পেট ব্যথায় মৃতকে, পানিতে ডুবে মৃতকে, ছাদ থেকে পড়ে মৃতকে গোসল
দেয়া হয়। তবে করোনা ভাইরাসে মৃতকে যেরুপ সতকতা অবলম্বন করা সম্ভব সেরুপ সতকতা বজায়
রেখে দরকার হলে পাইপ দ্বারা শরীরে পানি প্রবাহিত করে গোসল করানো দরকার।
বরণ করে সেও হুকমান শহিদ তাকে কি আমরা গোসল ছাড়া দাফন করি? করিনা। পেটের ব্যথায় মৃত
ব্যক্তি যেরুপ হুকমান শহিদ তেমনি মহামারীতে মৃত ব্যক্তিও হুকমান শহিদ সুতরাং এখন যারা
করোনা ভাইরাসে মৃত্যু বরণ করছেন তারা মর্যাদাগত ভাবে শহিদের মর্যদা পাবেন কিন্তু তাদেরকে
গোসল দিতে হবে, যেমন পেট ব্যথায় মৃতকে, পানিতে ডুবে মৃতকে, ছাদ থেকে পড়ে মৃতকে গোসল
দেয়া হয়। তবে করোনা ভাইরাসে মৃতকে যেরুপ সতকতা অবলম্বন করা সম্ভব সেরুপ সতকতা বজায়
রেখে দরকার হলে পাইপ দ্বারা শরীরে পানি প্রবাহিত করে গোসল করানো দরকার।
এখন যারা করোনা ভাইরাসে মৃত ব্যক্তিকে
গোসল দিতে হবেনা বলে মত প্রকাশ করবেন তারা একই যুক্তিতে অন্যান্যদেরকেও গোসল দিতে হবেনা
বলে মত প্রকাশ করবেন। যেমন বিভিন্ন হাদীস গ্রন্থ ও ওলামায়ে কেরামের মতামতের ভিত্তিতে
৬০টি কারন পাওয়া যায় যে সব কারনে মানুষ শহিদি মর্যাদা পায়, এসব যদি দেখেন তখনতো মৃত্যুর
পর আর কাউকেই গোসল দিতে হবেনা। যে ৬০টি কারনে মুমিন মুসলমান মৃত্যু বরণ করলে শহিদের
মর্যাদা পায় তারা হলেন-
গোসল দিতে হবেনা বলে মত প্রকাশ করবেন তারা একই যুক্তিতে অন্যান্যদেরকেও গোসল দিতে হবেনা
বলে মত প্রকাশ করবেন। যেমন বিভিন্ন হাদীস গ্রন্থ ও ওলামায়ে কেরামের মতামতের ভিত্তিতে
৬০টি কারন পাওয়া যায় যে সব কারনে মানুষ শহিদি মর্যাদা পায়, এসব যদি দেখেন তখনতো মৃত্যুর
পর আর কাউকেই গোসল দিতে হবেনা। যে ৬০টি কারনে মুমিন মুসলমান মৃত্যু বরণ করলে শহিদের
মর্যাদা পায় তারা হলেন-
১। আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী।
২। মহামারীর কারণে মৃত ব্যক্তি।
৩। পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণকারী।
৪। পুচ্ছদেশের রোগের কারণে মৃত ব্যক্তি।
৫। পেটের পীড়ায় মৃত ব্যক্তি।
৬।
আগুনে পোড়া
ব্যক্তি।
আগুনে পোড়া
ব্যক্তি।
৭। যে ব্যক্তি দেয়াল চাপায় মৃত্যুবরণ করে।
৮।
সন্তান প্রসবের
কারণে মৃত
নারী।
সন্তান প্রসবের
কারণে মৃত
নারী।
৯।
বিদ্রোহীদের হাতে
মৃত ব্যক্তি।
বিদ্রোহীদের হাতে
মৃত ব্যক্তি।
১০।
শত্রু পক্ষের
হাতে নিহত
ব্যক্তি।
শত্রু পক্ষের
হাতে নিহত
ব্যক্তি।
১১।
ডাকাত কর্তৃক
নিহত।
ডাকাত কর্তৃক
নিহত।
১২।
জিহাদের ময়দানে
শত্রæর
পক্ষ হতে
আক্রান্ত না
হয়ে স্বাভাবিক
মৃত্যুবরণ কারী।
জিহাদের ময়দানে
শত্রæর
পক্ষ হতে
আক্রান্ত না
হয়ে স্বাভাবিক
মৃত্যুবরণ কারী।
১৩।
যক্ষ্মরোগে মৃত্যুবরণকারী।
যক্ষ্মরোগে মৃত্যুবরণকারী।
১৪।
সম্পদ রক্ষার
কারণে মৃত
ব্যক্তি।
সম্পদ রক্ষার
কারণে মৃত
ব্যক্তি।
১৫।
দ্বীনের কারণে
নিহত ব্যক্তি।
দ্বীনের কারণে
নিহত ব্যক্তি।
১৬।
পরিবারকে রক্ষার
কারতে গিয়ে
নিহত।
পরিবারকে রক্ষার
কারতে গিয়ে
নিহত।
১৭।
কোন জুলুমের
শিকার হয়ে
মৃত্যুবরণকারী।
কোন জুলুমের
শিকার হয়ে
মৃত্যুবরণকারী।
১৮।
যুদ্ধের ময়দানে
ঘোড়ার পায়ে
পিষ্ট ব্যক্তি।
যুদ্ধের ময়দানে
ঘোড়ার পায়ে
পিষ্ট ব্যক্তি।
১৯।
যুদ্ধের ময়দানে
উটের পায়ে
পিষ্ট ব্যক্তি।
যুদ্ধের ময়দানে
উটের পায়ে
পিষ্ট ব্যক্তি।
২০।
বিষাক্ত কীটের
দংশনে মৃত ব্যক্তি।
বিষাক্ত কীটের
দংশনে মৃত ব্যক্তি।
২১।
হিংস্র জন্তুর
আঘাতে মৃত।
হিংস্র জন্তুর
আঘাতে মৃত।
২২।
বাহন থেকে
পড়ে মৃত্যুবরণকারী।
বাহন থেকে
পড়ে মৃত্যুবরণকারী।
২৩।
সমুদ্রপীড়াগ্রস্ত ব্যক্তি।
সমুদ্রপীড়াগ্রস্ত ব্যক্তি।
২৪।
ঐ মৃত
ব্যক্তি যে
খালেছ নিয়তে
শহীদী মৃত্যু
চেয়েছিল।
ঐ মৃত
ব্যক্তি যে
খালেছ নিয়তে
শহীদী মৃত্যু
চেয়েছিল।
২৫।
পাহাড় চূড়া
থেকে পড়ে
মৃত্যুবরণকারী।
পাহাড় চূড়া
থেকে পড়ে
মৃত্যুবরণকারী।
২৬।
জ্বরের কারণে
মৃত ব্যক্তি।
জ্বরের কারণে
মৃত ব্যক্তি।
২৭।
জেলখানায় মৃত্যুবরণকারী
মজলুম ব্যক্তি।
জেলখানায় মৃত্যুবরণকারী
মজলুম ব্যক্তি।
২৮।
আল্লাহর প্রেমে
মৃত্যুবরণকারী।
আল্লাহর প্রেমে
মৃত্যুবরণকারী।
২৯।
তালিবুল ইলম।
তালিবুল ইলম।
৩০।
বাদশাহ কর্তৃক
অন্যায়ভাবে আটক
ব্যক্তি।
বাদশাহ কর্তৃক
অন্যায়ভাবে আটক
ব্যক্তি।
৩১।
বাদশাহ কর্তৃক
পীড়িত ব্যক্তি।
বাদশাহ কর্তৃক
পীড়িত ব্যক্তি।
৩২।
যুদ্ধের ময়দানে
পাহাড়ায় নিয়োজিত
ব্যক্তি যার
মৃত্যু পরে
বিছানায় হয়েছে।
যুদ্ধের ময়দানে
পাহাড়ায় নিয়োজিত
ব্যক্তি যার
মৃত্যু পরে
বিছানায় হয়েছে।
৩৩।
চোখের রোগে
আক্রান্ত।
চোখের রোগে
আক্রান্ত।
৩৪।
যে কোন
রোগে আক্রান্ত
হয়ে মারা
গেলে।
যে কোন
রোগে আক্রান্ত
হয়ে মারা
গেলে।
৩৫।
নিফাসের কারণে
মৃত নারী।
নিফাসের কারণে
মৃত নারী।
৩৬।
যে সকালে
أعوذ بالله السميع العليم من الشيطان الرجيم পড়ে
সূরা হাশরের
শেষ আয়াত
তিলাওয়াত করে
দিনের বেলায়
মারা যায়।
যে সকালে
أعوذ بالله السميع العليم من الشيطان الرجيم পড়ে
সূরা হাশরের
শেষ আয়াত
তিলাওয়াত করে
দিনের বেলায়
মারা যায়।
৩৭।
যে সন্ধ্যায়
أعوذ بالله السميع العليم من الشيطان الرجيم পড়ে সূরা হাশরের
শেষ আয়াত
তিলাওয়াত করে
রাতে মারা
যায়।
যে সন্ধ্যায়
أعوذ بالله السميع العليم من الشيطان الرجيم পড়ে সূরা হাশরের
শেষ আয়াত
তিলাওয়াত করে
রাতে মারা
যায়।
৩৮।
য়ে ব্যক্তি
অজু অবস্থায়
মারা যায়।
য়ে ব্যক্তি
অজু অবস্থায়
মারা যায়।
৩৯।
যে ব্যক্তি
প্রতিদিন চাশতের
নামাজ আদায়
করে, মাসে
তিনটি রোজা
রাখে এবং
কখনো বিতির
নামাজ কাযা
না করে
সেও শহীদ।
যে ব্যক্তি
প্রতিদিন চাশতের
নামাজ আদায়
করে, মাসে
তিনটি রোজা
রাখে এবং
কখনো বিতির
নামাজ কাযা
না করে
সেও শহীদ।
৪০।
জুমআর দিনে
মৃত্যুবরণকারী।
জুমআর দিনে
মৃত্যুবরণকারী।
৪১।
জুমআর রাতে
মৃত্যুবরণকারী।
জুমআর রাতে
মৃত্যুবরণকারী।
৪২।
যে ব্যক্তি
টিউমার বা
কোন রোগ
নিয়ে জিহাদে
বের হয়
তার নাম
শহীদের খাতায়
লিখে নেয়া
হয়।
যে ব্যক্তি
টিউমার বা
কোন রোগ
নিয়ে জিহাদে
বের হয়
তার নাম
শহীদের খাতায়
লিখে নেয়া
হয়।
৪৩।
মুসাফির।
মুসাফির।
৪৪।
জিহাদের ময়দানে
ভীত অবস্থায়
বিছানায় মৃত্যুবরণকারী।
জিহাদের ময়দানে
ভীত অবস্থায়
বিছানায় মৃত্যুবরণকারী।
৪৫।
জালেম শাসকের
সামনে হক
কথা বলার
কারণে নিহত
ব্যক্তি।
জালেম শাসকের
সামনে হক
কথা বলার
কারণে নিহত
ব্যক্তি।
৪৬।
স্বামীর দ্বিতীয়
বিয়ের কারণে
সবরকারিণী স্ত্রী।
স্বামীর দ্বিতীয়
বিয়ের কারণে
সবরকারিণী স্ত্রী।
৪৭।
যে ব্যক্তি
প্রতিদিন ২৫
বার এই
দুআ পড়বে
- - اللهم بارك لى فى الموت وبارك لى فيما بعد الموت এবং বিছানায় মৃত্যুবরণ
করবে।
যে ব্যক্তি
প্রতিদিন ২৫
বার এই
দুআ পড়বে
- - اللهم بارك لى فى الموت وبارك لى فيما بعد الموت এবং বিছানায় মৃত্যুবরণ
করবে।
৪৮।
যে ব্যক্তি
উম্মতের বিশৃঙ্খলার
সময় সুন্নাতকে
আকড়ে ধরে।
যে ব্যক্তি
উম্মতের বিশৃঙ্খলার
সময় সুন্নাতকে
আকড়ে ধরে।
৪৯।
ঐ মুআযিযন
যে সাওয়াবের
আশায় আযান
দেয়।
ঐ মুআযিযন
যে সাওয়াবের
আশায় আযান
দেয়।
৫০।
কোমল আচরণকারী। যে
সারা জীবন
ন¤্র
আচরণ কওে
জীবন পার
করেছে।
কোমল আচরণকারী। যে
সারা জীবন
ন¤্র
আচরণ কওে
জীবন পার
করেছে।
৫১।
মুসলমানদের কাছে
খাবার সরবরাহকারী।
মুসলমানদের কাছে
খাবার সরবরাহকারী।
৫২।
স্ত্রীর ভরণ-পোষণ তালাশে মৃত্যুবরণ
কারী।
স্ত্রীর ভরণ-পোষণ তালাশে মৃত্যুবরণ
কারী।
৫৩।
সন্তানদের ভরণ-পোষণ তালাশে মৃত্যুবরণ
কারী।
সন্তানদের ভরণ-পোষণ তালাশে মৃত্যুবরণ
কারী।
৫৪।
গেলাম ও
বাঁদীর ভরণ-পোষণ তালাশে মৃত্যুবরণ
কারী।
গেলাম ও
বাঁদীর ভরণ-পোষণ তালাশে মৃত্যুবরণ
কারী।
৫৫।
যে ব্যক্তি
অসুস্থতার সময়
৪০ বার
এই দুআ
পড়বে এবং
মারা যাবে। لا إله إلا أنت سبحانك إنى كنت من
الظالمين
যে ব্যক্তি
অসুস্থতার সময়
৪০ বার
এই দুআ
পড়বে এবং
মারা যাবে। لا إله إلا أنت سبحانك إنى كنت من
الظالمين
৫৬।
প্রতি রাতে
সূরা ইয়াসিন
তিলাওয়াতকারী।
প্রতি রাতে
সূরা ইয়াসিন
তিলাওয়াতকারী।
৫৭।
পবিত্র অবস্থায়
ঘুমে মৃত্যুবরণকারী।
পবিত্র অবস্থায়
ঘুমে মৃত্যুবরণকারী।
৫৮।
দৈনিক ১০০
বার দুরূদ
পাঠকারী।
দৈনিক ১০০
বার দুরূদ
পাঠকারী।
৫৯।
প্রচন্ড ঠান্ডা
পানি দিয়ে
গোসল করার
কারণে মৃত্যবরণকারী।
প্রচন্ড ঠান্ডা
পানি দিয়ে
গোসল করার
কারণে মৃত্যবরণকারী।
৬০।
শ্বাসরোধে মৃত্যুবরণকারী।
শ্বাসরোধে মৃত্যুবরণকারী।
সুতরাং
সবগুলি বিষয় বিবেচনা পূর্ব বলা যায় করোনা ভাইরাস বা মহামারীতে মৃত ব্যক্তি যদিও
শহিদের সাওয়াব পাবে কিন্তু তাকে গোসল দেয়া কাফন দেয়া জানাযা দেয়া দাফন করা
অন্যান্য মুসলমানদের জন্য দায়িত্ব, এবং তা বিশেষজ্ঞগনের পরামশ ও নির্দেশনা অনুযায়ী
করা উচিত।
সবগুলি বিষয় বিবেচনা পূর্ব বলা যায় করোনা ভাইরাস বা মহামারীতে মৃত ব্যক্তি যদিও
শহিদের সাওয়াব পাবে কিন্তু তাকে গোসল দেয়া কাফন দেয়া জানাযা দেয়া দাফন করা
অন্যান্য মুসলমানদের জন্য দায়িত্ব, এবং তা বিশেষজ্ঞগনের পরামশ ও নির্দেশনা অনুযায়ী
করা উচিত।

কোন মন্তব্য নেই