কেয়ামতের আলামত।মহামারী ও দাজ্জাল। বিশ্বনবীর আশ্চর্য্যজনক ভবিষ্যৎবাণী। Ja...





করোনা ভাইরাস, দাজ্জাল
মহানবীর ভবিষ্যৎবাণী

হুযুর (দঃ) ফরমান একদিন ফেরেশতারা কোন একটি কারনে বিতর্ক করছিল, আল্লাহ তায়ালা ফরমালেন হে মাহবুব এ ফেরেশতারা কি ব্যপারে বিতর্ক করছে আপনি কি জানেন? তখন আমি বললাম (লা আদরি) আমি জানি না। তখন আল্লাহ তায়ালা আমার দুই কাঁধের মাঝে তাঁর কুদরতি হাত রাখলেন, কুদরতি হাত যখন দুই কাঁধে রাখল বুকে প্রচন্ড শীতলতা অনুভব করলাম।(ফা আলিমতু মা ফিস সামাওয়াতে ওয়ালা আরদ) জমিন ও আসমানের যত জ্ঞান আছে আল্লাহ তায়ালা সব জ্ঞান আমাকে দান করে দিলেন,
বুকে নুর চলে আসল, আমার সিনায় জ্ঞান এসে গেল, কুল কায়েনাতে কোন কিছু এমন নাই যা হুযুর (আঃ) জানেন না। কতদুর জ্ঞান হুযুর জানতে পারলেন সে ব্যপারে বুঝার জন্য হুযুর বললেন, কেয়ামতের আগে যখন দাজ্জাল আসবে তখন আমার কিছু গোলাম সে দাজ্জালের মোকাবেলা করার জন্য বের হবে, (ইন্নি লাআরিফু আসমায়াহুম) আমি আমার সেসব গোলামদের নামসমুহ জানি।
দেখুন আমি এ মসজিদে জুমা পড়াই আমার পিছনে বছরের পর বছর যারা নামাজ পড়েন আমি গুটি কতেক লোকের নাম জানি, কিন্তু আমার হুযুর কি ফরমাচ্ছেন, ১৪ শত বছর আগে আমার নবী দাবী করছেন কেয়ামতের আগে যখন দাজ্জাল আসবে এবং আমার গোলামেরা সে দাজ্জালের মোকাবেলা করতে বের হবে, আমি সে গোলামদের নামসমুহও জানি, -----সুবহানাল্লাহ, কথা এতটুকুতেই শেষ হয়নি, এখানে শেষ হয়ে যেত তবুও যথেষ্ট ছিল কিন্তু আমার হুযুর আগে আরো কথা বলেছেন, (ওয়া আসমায়া আবাইহিম) তাদের বাবার নামসমুহও জানি ---- সুবহানাল্লাহ। এতটুকুতে কাহীনি শেষ না আরো কথা আছে, (ওয়া আলওয়ানা খুয়ুলিহিম) যে ঘোড়াতে চড়ে জেহাদ করবে আমি আমার গোলামদের ঘোড়ার রংসমুহও জানি। -----সুবহানাল্লাহ (3.07)
কোন ব্যক্তি, কার সন্তান, কোন গোত্রের লোক, কোন রংয়ের ঘোড়া সবকিছুই হুযুর জানেন। কেন জানেন কারন আল্লাহর কুদরতী হাত হুযুরের কাঁধে রেখেছেন।
কোরআন ও হাদিসের ভাষ্য মতে মহামারি পৃথিবীতে আল্লাহর একটি শাস্তি। যখন কোনো জাতির মধ্যে অশ্লীলতার মতো জঘন্য পাপ বেড়ে যায়, তখন আল্লাহ তাদের মহামারির মাধ্যমে শাস্তি দেন। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যখন কোনো জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে তখন সেখানে মহামারি আকারে প্লেগ রোগের প্রাদুর্ভাব হয়। তা ছাড়া এমন সব ব্যাধির উদ্ভব হয়, যা আগের লোকদের মধ্যে কখনো দেখা যায়নি। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪০১৯)
অশ্লীলতা থেকে বিরত ও সর্বদা পবিত্র-পরিচ্ছন্ন থাকা। কারণ কিয়ামতের নিদর্শনগুলোর একটি মহামারী। রাসুল (সা.) বলেন, ‘কিয়ামতের আগের ছয়টি নিদর্শন গণনা করে রাখো। আমার ইন্তেকাল, অতঃপর বায়তুল মুকাদ্দাস বিজয়, অতঃপর তোমাদের মধ্যে বকরির পালের মহামারীর মতো মহামারী ছড়িয়ে পড়বে, সম্পদের প্রাচুর্য, এমনকি এক ব্যক্তিকে ১০০ দিনার দেওয়ার পরও সে অসন্তুষ্ট থাকবে। অতঃপর এমন এক ফিতনা আসবে, যা আরবের প্রতিটি ঘরে প্রবেশ করবে। অতঃপর যা তোমাদের ও বনি আসফার বা রোমকদের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি সম্পাদিত হবে। অতঃপর তারা বিশ্বাসঘাতকতা করবে এবং ৮০টি পতাকা উড়িয়ে তোমাদের বিপক্ষে আসবে; প্রতিটি পতাকার নিচে থাকবে ১২ হাজার সৈন্য।’ (বোখারি, হাদিস : ৩১৭৬)
হাদিসের ভাষ্যের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি অনেক ক্ষেত্রে মিলে যায়। বিশ্বব্যাপী ধনীদের মধ্যে প্রাচুর্য ও সম্পদ বেড়েই চলছে। নতুন নতুন রোগের প্রকোপ হচ্ছে, যেগুলো প্রতিরোধ করার সাধ্য কারও নেই। তাই এই পরিস্থিতিতে আমরা রাসুল (সা.)-এর দেখানো পথ অনুসরণ করতে হবে। তাহলেই একমাত্র মুক্তি পাওয়া যাবে।

কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.