শবে বরাতের নামাজের নিয়ম। সালাতুত তাসবিহ, সালাতুল হাজত, তাহাজ্জুদ নামাজের...



করোনার কারনে মসজিদ বন্ধ? শবে বরাতে ঘরে কি আমল করবেন? কিভাবে আমল করবেন
বিশেষ করে সালাতুল হাজাত, সালাতুত তাসবিহ, তাহাজ্জুদ নামাজ ওমরী কাজা নামাজের নিয়ম বিস্তারিত বননা করার চেষ্টা করব।


শবে বরাতের রাতে যেহেতু এ বছর মহামারীর কারনে মসজিদে যেতে নিষেধ করেছে সেহেতু ঘরেই শবে বরাতের এবাদতের আয়োজন করতে হবে,
আপনার ঘরে যদি স্পেস থাকে তাহলে ঘরের যে কয়জন আছেন সকলে মিলে জামাতে এশার নামাজ পড়বেন।
এরপর বিভিন্ন নফল নামাজসমুহ পড়বেন যেমন মহামারীর ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য ২ রাকাত ছালাতুল হাজাত পড়বেন
সালাতুল হাজাত বা ‘প্রয়োজনের নামাজ’ একটি বিশেষ নফল ইবাদত।
মানুষের যখন বিশেষ কিছুর
# প্রয়োজন হয় কিংবা শারীরিক-মানসিকভাবে কোনো # দুশ্চিন্তা দেখা দেয় তখন এ নামাজ পড়তে হয়।
হুযায়ফা (রাঃ) বলেনঃ
রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোন সংকটে পড়তেন, তখন সালাতে রত হতেন।
[আবু দাউদঃ ১৩১৯; সালাত অধ্যায়-২, অনুচ্ছেদ-৩১২; ছহিহুল জামেঃ হা/৪৭০৩; মিশকাতঃ ১৩১৫]
এই বিষয়ে হযরত ইবরাহিম (আঃ) এর ঘটনা স্মরণ করা যেতে পারে।
যখন তিনি অপহৃত হয়ে মিশরের লম্পট বাদশাহ’র নিকট উপনিত হলেন ও অত্যাচারি বাদশাহ তার নিকট এগিয়ে গেল, তখন তিনি অজু করে সালাতে রত হয়ে আল্লাহ’র নিকট সাহায্য প্রাথনা করে বলেছিলেনঃ ‘হে আল্লাহ! এই কাফেরকে তুমি আমার উপর বিজয়ি করোনা।’
সংগে সংগে আল্লাহ তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন এবং ঐ লম্পট বাদশাহ’র হাত-পা অবশ হয়ে পড়েছিল।
তিন-তিনবার ব্যর্থ হয়ে অবশেষে বিবি সারাকে সসম্মানে মুক্তি দেয়।
এবং বহু মুল্যবান উপঢৌকনাদি সহ তার খিদমতের জন্য হাজেরাকে তার সাথে ইবরাহিমের (আঃ) নিকট পাঠিয়ে দেয়।
[বুখারীঃ ২২১৭; কেনা-বেচা অধ্যায়-৩৪, অনুচ্ছেদ-১০০; আহমাদ-৯২৩০।
সনদ সহিহ]
বিশেষ কোন হালাল চাহিদা পুরনের জন্য আল্লাহ’র উদ্দেশ্যে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করাকে “সালাতুল হাজত” বলা হয়।
[ইবনু মাজাহঃ হা/১৩৮৫; সালাত অধ্যায়-২, অনুচ্ছেদ-১৮৯]
সালাতুল হাজত নামাজের আলাদা কোনো নিয়ম নেই।
# নিয়মঃ স্বাভাবিক নামাজের মতোই উত্তমভাবে অজু করে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বে।
# নিয়ত রাখবেনঃ দুই রাকাত সালাতুল হাজত পড়ছি। যেহেতু কুরআন হাদীসে এটি আদায় করার আলাদা কোনো নিয়ম বর্ণনা করা হয়নি। তাই এই নামাজ সূরা ফাতিহার সাথে যেকোন সূরা দিয়ে পড়া যায়। অর্থাৎ অন্যান্য স্বাভাবিক নামাজের মতোই উত্তমভাবে অজু করে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়তে হবে।
নামাজ শেষে অর্থাৎ সালাম ফেরানোর পর আল্লাহ তায়ালার হামদ ও সানা (প্রসংসা) পাঠ করে এবং নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ওপর দরুদ শরিফ পাঠ করে # নিজের_মনের_কথা ব্যক্ত করে আল্লাহর নিকট দোয়া করবে।
দোয়ার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে হাদিস শরিফে উল্লেখিত দোয়াটি পড়তে পারেন.
দোয়াটি হলোঃ-
ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟْﺤَﻠِﻴﻢُ ﺍﻟْﻜَﺮِﻳﻢُ ﺳُﺒْﺤَﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺭَﺏِّ ﺍﻟْﻌَﺮْﺵِ ﺍﻟْﻌَﻈِﻴﻢِ ﺍﻟْﺤَﻤْﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ ﺭَﺏِّ ﺍﻟْﻌَﺎﻟَﻤِﻴﻦَ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﻣُﻮﺟِﺒَﺎﺕِ ﺭَﺣْﻤَﺘِﻚَ ﻭَﻋَﺰَﺍﺋِﻢَ ﻣَﻐْﻔِﺮَﺗِﻚَ ﻭَﺍﻟْﻐَﻨِﻴﻤَﺔَ ﻣِﻦْ ﻛُﻞِّ ﺑِﺮٍّ ﻭَﺍﻟﺴَّﻼَﻣَﺔَ ﻣِﻦْ ﻛُﻞِّ ﺇِﺛْﻢٍ ﻻَ ﺗَﺪَﻉْ ﻟِﻲ ﺫَﻧْﺒًﺎ ﺇِﻻَّ ﻏَﻔَﺮْﺗَﻪُ ﻭَﻻَ ﻫَﻤًّﺎ ﺇِﻻَّ ﻓَﺮَّﺟْﺘَﻪُ ﻭَﻻَ ﺣَﺎﺟَﺔً ﻫِﻲَ ﻟَﻚَ ﺭِﺿًﺎ ﺇِﻻَّ ﻗَﻀَﻴْﺘَﻬَﺎ ﻳَﺎ ﺃَﺭْﺣَﻢَ ﺍﻟﺮَّﺍﺣِﻤِﻴﻦَ
উচ্চারণঃ ‘‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহুল 'হালি-মুল কারি-ম, সুবহা-নাল্লাহি রব্বিল 'আরশিল 'আযীম।
আল'হামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামিন, আছআলুকা মু-জিবাতি রাহমাতিক;
ওয়া আজা-ইমা মাগফিরাতিক,
ওয়াল গনি-মাতা মিং কুল্লি বিররিউ ওয়াছ ছালা-মাতা মিং কুল্লি ইছমিন লা- তাদা'আলি- জাম্বান ইল্লা- গফারতাহু ওয়ালা- হাম্মান ইল্লা- ফাররাজতাহু ওয়ালা- হা-জাতান হিয়া- লাকা রিদং ইল্লা- ক্বদাইতাহা- ইয়া- আর'হামার র-হিমি---ন৷”.
অর্থঃ- “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তিনি অতি সহিষ্ণু ও দয়ালু, সকল দোষ-ক্রটি থেকে পবিত্র তিনি, মহান আরশের প্রভু।
সকল প্রশংসা আল্লাহর, তিনি সারা জাহানের রব।
আপনার কাছেই আমরা যাঞ্ছা করি, আপনার রহমত আকর্ষণকারী সকল পূণ্যকর্মের ওয়াসীলায়, আপনার ক্ষমা ও মাগফিরাত আকর্ষণকারী সকল ক্রিয়াকাণ্ডের বরকত, সকল নেক কাজ সাফল্য লাভের এবং সব ধরনের গুনাহ থেকে নিরাপত্তা লাভের।
আমার কোন গুনাহ যেন মাফ ছাড়া না থাকে।
কোন সমস্যা যেন সমাধান ছাড়া না যায় আর আমার এমন প্রয়োজন যাতে রয়েছে আপনার সন্তুষ্টি তা যেন অপূরণ না থাকে, হে আর রাহমানুর রাহিমীন; হে সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।”
(ইবনু মাজাহ ১৩৮৪, তিরমিজী ৪৭৯)
এরপর সালাতুত তাসবীহ পড়বেন
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (আমার পিতা) হজরত আব্বাসকে বললেন, ‘হে আব্বাস! হে চাচাজান! আমি কি আপনাকে দেব না? আমি কি আপনাকে দান করব না? আমি কি আপনাকে সংবাদ দেব না? আমি কি আপনার সঙ্গে ১০টি সৎকাজ করব না? (অর্থাৎ ১০টি উত্তম তাসবিহ শিক্ষা দেব না) যখন আপনি তা (আমল) করবেন-
>> তখন আল্লাহ আপনার আগের, পরের, পুরাতন, নতুন, সবধরনের গোনাহ মাফ করে দেবেন।
>> ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত গোনাহ মাফ করে দেবেন।
>> সগিরা ও কবিরা গোনাহ মাফ করে দেবেন।
>> গোপন ও প্রকাশ্য গোনাহ মাফ করে দেবেন।
(হে চাচা!) আপনি ৪ রাকাআত নামাজ পড়বেন এবং প্রত্যেক রাকাআতে সুরা ফাতেহা পাঠ করবেন এবং যে কোনো একটি সুরা মেলাবেন। (অর্থাৎ প্রত্যেক রাকাআতে এ তাসবিহটি ৭৫ বার করে আদায় করতে হবে।)
সালাতুত তাসবিহ পড়ার নিয়ম
সুরা ফাতেহার সঙ্গে অন্য একটি সুরা মেলানোর পাশাপাশি প্রত্যেক রাকাআতে (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) অর্থাৎ সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার-এ তাসবিহটি ৭৫ বার পড়তে হবে। তবে একই নিয়মে ৪ রাকাআতে মোট ৩০০ বার তাসবিহ পড়ার মাধ্যমে তা আদায় করতে হয়।
>> নামাজে দাঁড়িয়ে সুরা ফাতেহা পড়ার আগে এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১৫ বার।
>> সুরা ফাতেহা ও অন্য সুরা মিলানোর পর রুকুর আগে এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
>> রুকুতে গিয়ে রুকুর তাসবিহ (سُبْحَانَ رَبِّىَ الْعَظِيْم) পড়ার পর এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
>> রুকু থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় এ সাতবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) ১০ বার।
>> সেজদায় গিয়ে সেজদার তাসবিহ (سُبْحَانَ رَبِّىَ الْأَعْلَى) পড়ার পর সেজদাবস্থায় এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
>> দুই সেজদার মাঝে বসাবস্থায় এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
>> দ্বিতীয় সেজদায় গিয়ে সেজদার তাসবিহ (سُبْحَانَ رَبِّىَ الْأَعْلَى) পড়ার পর আবার সেজদাবস্থায় এ তাসবিহ (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلهِ وَلَا اِلهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ) পড়ুন- ১০ বার।
এভাবে দ্বিতীয় রাকাআতে দাঁড়িয়ে প্রথম রাকাআতে মতো এ নামাজ আদায় করা। দুই রাকাআতের পর বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ে সালাম না ফিরিয়ে উপরের নিয়মে বাকি ২ রাকাআত আদায় করে নেয়া।
মনে রাখতে হবে
তাসবিহ পড়ার সময় যদি কোনো স্থানে নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে কম তাসবিহ পড়া হয় তবে, পরবর্তী যে রোকনে তা স্মরণ হবে সেখানেই তা পড়ে নিলেই হবে।
আর কোনো কারণে যদি এ নামাজে সাহু সেজদার প্রয়োজন হয় তবে এ সেজদায় কিংবা সেজদার মাঝখানে বসাবস্থায় এ তাসবিহ পড়তে হবে না।
তাসবিহ পড়ার ক্ষেত্রে স্মরণ রাখার জন্য আঙুলের কর গণনা করা যাবে না তবে আঙুল চেপে তাসবিহ এর সংখ্যা স্মরণ রাখা যাবে।
(অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, হে চাচা!) এভাবে যদি প্রতিদিন একবার এ নামাজ পড়তে সক্ষম হন; তবে তা পড়বেন। আর যদি সক্ষম না হন, তবে প্রত্যেক জুমআর দিনে একবার পড়বনে।
তাও যদি না পারেন, তবে প্রত্যেক মাসে একবার পড়বেন। তাও যদি না পারেন তবে প্রত্যেক বছর একবার পড়বেন, আর যদি তাও না পারেন তবে আপনার জীবনে অন্তত একবার পড়বেন। (তিরমিজি, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, মিশকাত)
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজান মাসে সর্বাধিক তাসবিহ সম্বলিত নামাজ পড়ে উল্লেখিত ফজিলত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।
ওমরী জানা নামাজের নিয়ম
আপনার বিগত জীবনের যত কাজা নামাজ আছে সে কাজা নামাজগুলি পড়বেন, কাজা নামাজে শুধু ফরয আর বিতিরসমুহ পড়বে হবে। ছোট ছোট সুরা দিয়ে কাজা নামাজগুলি সব সময় আদায় করার চেষ্টা করবেন, এভাবে পড়তে পড়তে একদিন আপনার মনে প্রবল ধারনা হবে যে আমার জীবনের সকল কাজা নামাজ আদায় হয়ে গেছে তখনই কেবল ক্ষান্ত হবেন।
প্রতি ওয়াক্তের নামাজের সাথে সাথেও প্রতিদিন এই নিয়ম চালু রাখতে পারেন। তাহলে দেখবেন একদিন আপনার সকল কাজা নামাজ আদায় হয়ে গেছে।
প্রতি ওয়াক্তের নামাজেই আপনি নিয়ত করবেন হে আল্লাহ আমি আমার জীবনের প্রথম ফজরের কাজা নামাজের নিয়ত করছি, ২য় দিন যখন পড়বেন তখনও বলবেন আমি আমার জীবনের ফজরের প্রথম কাজা নামাজের নিয়ত করছি, এভাবে সব সময় প্রথম ফজর, প্রথম জোহর, প্রথম আসর এভাবেই নিয়ত করবেন, কারন আপনি যখন প্রথমটি পড়ে ফেলেছেন তখন যেটি ২য় ছিল সেটি আবার প্রথম হয়ে গেল। এই কাজা নামাজ শবে বরাত শবে কদরের রাতেও পড়ার দারুন সুযোগ রয়েছে।
মনে রাখবেন শবে বরাতের নফল নামাজ পড়ার সময় প্রতি রাকাতের সুরা কেরাত রুকু সিজদাসমুহ দীঘ করবেন।
৪ রাকাত অন্তর অন্তর তওবা এসতেগফার, দরুদ পড়ে দোয়া করবেন। নিজের মৃত বাবা মা আত্মিয় স্বজনের জন্য মুসলিম মিল্লাতের জন্য বিশেষ করে এই মহামারী থেকে রক্ষার জন্য চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন।
এভাবে নামাজের মধ্যে রাতের শেষের দিকে ১২ রাকাত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়বেন।
নফল নামাজের মাঝে মাঝে কোরান তেলাওয়াত করবেন, বিশেষ করে সুরা এয়াসিন, সুরা দুখান, এসব ফজিলতময় সুরাগুলি তেলাওয়াত করবেন।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রত্যেককে এই শবে বরাতের বরকত ময় রাতে গুনাহসমুহ থেকে তওবা করে পুত পবিত্রতা অজন করার তৌফিক দান করুন এবং বিশ্ব মহামারীর ক্ষতি থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

  

কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.