ঘরে নামাজ জামাত ও জুমা পড়ার নিয়ম। Namaj Porar Niom || Namaj Sikkha || Is...
প্রসংগ করোনা ভাইরাস
ঘরে জামাতের নিয়ম
ঘরের ছাদে জুমার নিয়ম
প্রশ্নঃ
মসজিদে যদি মুসল্লী না আসে মাত্র কয়েকজন মুসল্লী হয় তাদের নিয়ে কি জুমা নামাজ হবে?
মসজিদে যদি মুসল্লী না আসে মাত্র কয়েকজন মুসল্লী হয় তাদের নিয়ে কি জুমা নামাজ হবে?
উত্তরঃ
মসজিদে করোনা ভাইরাসের কারেনে মুসল্লী জমায়েত না হলে যদি ইমাম শুধু মাত্র ৩ জন মুসল্লীকে
নিয়ে জুমার নামাজ আাদয় করেন তাহলে জুমা হয়ে যাবে।
মসজিদে করোনা ভাইরাসের কারেনে মুসল্লী জমায়েত না হলে যদি ইমাম শুধু মাত্র ৩ জন মুসল্লীকে
নিয়ে জুমার নামাজ আাদয় করেন তাহলে জুমা হয়ে যাবে।
প্রশ্নঃ
বিভিন্ন দেশে মসজিদ বন্ধ জুমার নামাজ যদি আমরা যে বিল্ডিং এ আছি সে বিল্ডিং এর কয়েকজন
মিলে আদায় করি তাহলে হবে কিনা?
বিভিন্ন দেশে মসজিদ বন্ধ জুমার নামাজ যদি আমরা যে বিল্ডিং এ আছি সে বিল্ডিং এর কয়েকজন
মিলে আদায় করি তাহলে হবে কিনা?
উত্তরঃ
করোনা ভাইরাস থেকে সতর্কতার কারনে সরকারী ভাবে জমায়েত নিষেধ করা হয়েছে এখন যদি একটি
বিল্ডিং এ ৫০/৬০ জন মিলে বিল্ডিং এর ছাদে একজন হুজুর দিয়ে জুমার আয়োজন করে, তাহলে
যে সতকতার কারনে মসজিদে জমায়েত হতে নিষেধ করা হচ্ছে সেটাই অমান্য হয়, তাই এ ধরনের পদক্ষেপ
গ্রহণ না করাই উচিত। বরং জুমাতে যেতে না পারলে তার পরিবতে ঘরে জুহরের নামাজ আদায় করাই
হল বতমান পরিস্থিতিতে উত্তম। যেহেতু আপনি অনিচ্ছাকৃত জুমা ত্যাগ করছেন সেহেতু আপনি
গুনাহগার হবেন না। সকল বিশেষজ্ঞরা বলছে এই ভাইরাস একজন থেকে অন্যজনের কাছে ছড়িয়ে পরে,
যদি আমরা অসতর্কতা অবলম্বন করি তাহলে আমাদের দেশে বর্তমানে এই ভাইরাস এখনো অতি অল্প,
আল্লাহ না করুন যদি ইউরোপ দেশ সমুহের মত আয়ত্বের বাইরে চলে যায় তখন কি হবে? একবার চিন্তা
করুন। তাই সরকারী নির্দেশনা মেনে যতদুর সম্ভব ঘরে অবস্থান করে এই বলা মসিবত দুর হওয়ার
জন্য বেশী বেশী দোয়া এসতেগফার করে, তাহাজ্জুদ পড়ে রুনাজারি করে আল্লাহর কাছে পানাহ
চাইতে হবে, আল্লাহ যেন অতি সহসাত এই মসিবত দুর করে দেন এবং সহসাত পরিস্থিতি স্বাভাবিক
করে দেন তাহলে আমরা আমার আগের মত স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরে যেতে পারব।
করোনা ভাইরাস থেকে সতর্কতার কারনে সরকারী ভাবে জমায়েত নিষেধ করা হয়েছে এখন যদি একটি
বিল্ডিং এ ৫০/৬০ জন মিলে বিল্ডিং এর ছাদে একজন হুজুর দিয়ে জুমার আয়োজন করে, তাহলে
যে সতকতার কারনে মসজিদে জমায়েত হতে নিষেধ করা হচ্ছে সেটাই অমান্য হয়, তাই এ ধরনের পদক্ষেপ
গ্রহণ না করাই উচিত। বরং জুমাতে যেতে না পারলে তার পরিবতে ঘরে জুহরের নামাজ আদায় করাই
হল বতমান পরিস্থিতিতে উত্তম। যেহেতু আপনি অনিচ্ছাকৃত জুমা ত্যাগ করছেন সেহেতু আপনি
গুনাহগার হবেন না। সকল বিশেষজ্ঞরা বলছে এই ভাইরাস একজন থেকে অন্যজনের কাছে ছড়িয়ে পরে,
যদি আমরা অসতর্কতা অবলম্বন করি তাহলে আমাদের দেশে বর্তমানে এই ভাইরাস এখনো অতি অল্প,
আল্লাহ না করুন যদি ইউরোপ দেশ সমুহের মত আয়ত্বের বাইরে চলে যায় তখন কি হবে? একবার চিন্তা
করুন। তাই সরকারী নির্দেশনা মেনে যতদুর সম্ভব ঘরে অবস্থান করে এই বলা মসিবত দুর হওয়ার
জন্য বেশী বেশী দোয়া এসতেগফার করে, তাহাজ্জুদ পড়ে রুনাজারি করে আল্লাহর কাছে পানাহ
চাইতে হবে, আল্লাহ যেন অতি সহসাত এই মসিবত দুর করে দেন এবং সহসাত পরিস্থিতি স্বাভাবিক
করে দেন তাহলে আমরা আমার আগের মত স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরে যেতে পারব।
প্রশ্নঃ ভাইরাসের ভয়ে ঘরে নামাজ পড়লে কি মসজিদের সমান সাওয়াব
পাওয়া যাবে?
পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ
কোন লোক যদি কোন নেক আমল করে সে যদি অনিচ্ছাকৃত কিংবা অসুস্থতার কারনে কিংবা কোন বাধাঁর
কারনে সে আমলটি করতে না পারে কিন্তু তাঁর সে আমলটি করার প্রতি খুবই আগ্রহ থাকে, তাহলে
সে যদি অনিচ্ছাকৃত সে আমলটি করতে না পারে তাহলে সে পূর্নাঙ্গ সাওয়াব পাবে। আমাদের অনেক
ভাই আছেন নিয়মিত মসজিদে গিয়ে নামাজ বা জামাতে আদায় করেন, এখন বিশ্ব পরিস্থিতি তথা করোনা
ভাইরাসের কারনে যদি মসজিদে যাওয়া সম্ভব না হয়, কিংবা রাষ্ট্রীয়ভাবে মসজিদে যাওয়া বন্ধ
ঘোষনা করা হয় তখন সে ভাই যদি ঘরে নামাজ আদায় করে তাহলে সে মসজিদে গিয়ে যে ছাওয়াব কামাই
করতে পারত সে ছাওয়াব আল্লাহ তায়ালা তাঁকে ঘরে নামাজ পড়লে দান করবেন।
কোন লোক যদি কোন নেক আমল করে সে যদি অনিচ্ছাকৃত কিংবা অসুস্থতার কারনে কিংবা কোন বাধাঁর
কারনে সে আমলটি করতে না পারে কিন্তু তাঁর সে আমলটি করার প্রতি খুবই আগ্রহ থাকে, তাহলে
সে যদি অনিচ্ছাকৃত সে আমলটি করতে না পারে তাহলে সে পূর্নাঙ্গ সাওয়াব পাবে। আমাদের অনেক
ভাই আছেন নিয়মিত মসজিদে গিয়ে নামাজ বা জামাতে আদায় করেন, এখন বিশ্ব পরিস্থিতি তথা করোনা
ভাইরাসের কারনে যদি মসজিদে যাওয়া সম্ভব না হয়, কিংবা রাষ্ট্রীয়ভাবে মসজিদে যাওয়া বন্ধ
ঘোষনা করা হয় তখন সে ভাই যদি ঘরে নামাজ আদায় করে তাহলে সে মসজিদে গিয়ে যে ছাওয়াব কামাই
করতে পারত সে ছাওয়াব আল্লাহ তায়ালা তাঁকে ঘরে নামাজ পড়লে দান করবেন।
প্রশ্নঃ
মসজিদের ইমামকে অনলাইনে ফেইসবুকে লাইভ ফলো করে ঘরে জামাত করা যাবে কিনা?
মসজিদের ইমামকে অনলাইনে ফেইসবুকে লাইভ ফলো করে ঘরে জামাত করা যাবে কিনা?
উত্তরঃ
ফিকাহর মাসায়ালা হল জামাতের জন্য ফসল বিল আযনবী হতে পারবে না, যেমন ইমাম সাহেব দাঁড়াল,
পিছনে কিছু মুক্তাদি মধ্যে একটি রাস্তা আর সে রাস্তায় গাড়ি চলাচল করছে আর রাস্তার ঐ
পারে কিছু মুসল্লী সে ইমামের অনুসরে নামাজ আদায় করছে, তেমনি ভাবে কোন নদী প্রবাহিত
নদীর এক পারে ইমাম নামাজ পড়াচ্ছে অপর পারে কিছু মুসল্লী সে ইমামের অনুসরন করছে তাহলে
ফসল বিল আযনবীর হওয়ার করনে নদীর অপর পারেরর লোক কা রাস্তার অপর পারের লোকদের এক্তেদা
শুদ্ধ হবে না।
ফিকাহর মাসায়ালা হল জামাতের জন্য ফসল বিল আযনবী হতে পারবে না, যেমন ইমাম সাহেব দাঁড়াল,
পিছনে কিছু মুক্তাদি মধ্যে একটি রাস্তা আর সে রাস্তায় গাড়ি চলাচল করছে আর রাস্তার ঐ
পারে কিছু মুসল্লী সে ইমামের অনুসরে নামাজ আদায় করছে, তেমনি ভাবে কোন নদী প্রবাহিত
নদীর এক পারে ইমাম নামাজ পড়াচ্ছে অপর পারে কিছু মুসল্লী সে ইমামের অনুসরন করছে তাহলে
ফসল বিল আযনবীর হওয়ার করনে নদীর অপর পারেরর লোক কা রাস্তার অপর পারের লোকদের এক্তেদা
শুদ্ধ হবে না।
প্রশ্নঃ
ঘরে যদি কয়েকজন থাকে সকলে মিলে জামাত কিভাবে পড়া যাবে?
ঘরে যদি কয়েকজন থাকে সকলে মিলে জামাত কিভাবে পড়া যাবে?
উত্তরঃ
ঘরে যদি কয়েকজন থাকে তাহলে সকলে মিলে জামাত পড়া যায়, যেমন একজন ইমাম হবে ছেলেরা ১ম
কাতারে থাকবে আর মেয়েরা পিছনের কাতারে দাঁড়াতে পারে, এভাবে ঘরেও জামাত করা যায়।
ঘরে যদি কয়েকজন থাকে তাহলে সকলে মিলে জামাত পড়া যায়, যেমন একজন ইমাম হবে ছেলেরা ১ম
কাতারে থাকবে আর মেয়েরা পিছনের কাতারে দাঁড়াতে পারে, এভাবে ঘরেও জামাত করা যায়।

কোন মন্তব্য নেই