১২ মে মহামারীর সমাপ্তি। বিশ্ববাসীর জন্য মহা সুসংবাদ।হাদীসের আলোকে বয়ান। ...








১২ মে ২০২০ পৃথিবীতে
মহামারী করোনা ভাইরাসের সমাপ্তি
হাদীসের আলোকে প্রমাণ দেখুন

আমেরিকার একজন মুফতি যিনি থাকেন আমিরকায় কিন্তু তিনি মুলত পাকিস্তানি আলেম, তিনি উনার একটি বক্তব্যে ভাইরাল হয়েছে, যে ভিডিওর লিংকটি আমি ডেসক্রিপশনে দিব, তিনি হাদীসের আলোকে প্রমাণ করেন আগামী ১২ই মে করোনা ভাইরাস দুনিয়া থেকে আল্লাহ উঠিয়ে নিবেন।

উনার বক্তব্যটি হুবহু আপনাদের খেদমতে জিকির করার প্রয়াস পাব,

“মসনদে আহমদ এর ১টি হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে এবং ইমাম আজম আবু হানিফা (রহ) এর একটি বানী বর্ণনা করা হয়েছে, হাদীস কিছুটা এমন বলা হয়েছে যে (নবী করিম (দঃ) এরশাদ করেন সুরাইয়া নামের ১টি তারা আছে, এটি এমন একটি তারা যা সবগুলি তারা থেকে উঁচুতে অবস্থিত। যার ব্যপারে নবী করিম (দঃ) এর একটি ভবিষ্যৎবাণী আছে, যখন নবীজির কাছে জিজ্ঞাসা করা হল এয়া রাসুলাল্লাহ আমরা সাহাবাগনের পর কাদের কাছে আপনার ফয়েজ পৌঁছবে? তখন নবী করিম (দঃ) ফরমালেন যদি ঈমান এলম সুরাইয়া তারা পর্যন্ত পৌঁছে তাহলে সালমান ফারসির আউলাদগনের মধ্য থেকে একজন সন্তান জন্ম হবে যে উক্ত সুরাইয়া তারার থেকে সে এলম নিচে জমিনে এনে সে এলম বিস্তার করবে। আর সে ব্যক্তি কে? ওলামায়ে কেরাম বলেন সে ব্যক্তি হলেন ইমাম আজম আবু হানিফা (রহঃ)। আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ুতি (রহঃ) বয়ান করেন গোটা উম্মত এ বিষয়ে একমত যে নবী করিম (দঃ) যে ব্যক্তির ব্যপারে সুসংবাদ দিয়েছেন তিনি হলেন ইমামে আজম আবু হানিফা (রহঃ)।
সুরাইয়া তারকার ব্যপারে হাদীস শরীফে এসেছে- সুরাইয়া তারা যে সকালে উদিত হবে সারা দুনিয়ার যেখানেই কোন মহামারী বিস্তার লাভ করে আল্লাহ তায়ালা সুরাইয়া তারা উদিত হওয়ার সে সকালে উক্ত মহামারীকে সম্পূণ রুপে দুর করে দিবেন, অথবা সে মহামারীকে দুর্বল করে দেন। এটি হল মসনদে আহমদ এর হাদীস। হাদীস নাম্বার -৮৪৭৬
আর ইমামে আজম আবু হানিফা (রহ) এর বণনা করেন- সারা দুনিয়ার যেখানেই কোন মহামারী বিস্তার ঘটে আল্লাহ তায়ালা সে মহামারীকে দুনিয়া থেকে তুলে নেন।
এবার জানা দরকার এই সুরাইয়া তারা কখন বের হবে?
এ ব্যপারে যারা গবেষন আছেন তাদের ভাস্য হল যারা তারকা গবেষক, তাদের গবেষনা মোতাবেক সে সুরাইয়া তারা ১২ই মে উদিত হবে।

সুতরাং মহানবী (দঃ) এর এই হাদীসের আলোকে এবং ইমামে আজমের এই ভাষ্য মতে বতমানে যে করোনা ভাইরাস মহামারী আকারে বিশ্বব্যপী ছড়িয়ে পরেছে তা আগামী ১২ মে সুরাইয়া তারকা উদিত হওয়ার দিবসে সারা বিশ্ব থেকে সম্পূর্ণভাবে দুর হয়ে যাবে।
আমেরিকাও ১লা মে পযন্ত নিষেধাজ্ঞা ছিল তা বাড়িয়ে ১৪ই মে পযন্ত করা হয়েছে।
আমরা জানতে পারলাম এসব পবিত্র বানীর আলোকে আগামী ১২ই মে ইনশা আল্লাহ এই মহামারী পৃথিবী থেকে দুরীভুত হয়ে যাবে। ১২ই মে হয় ২০ রমজান।
আর রমজানের শেষ দশক খুবই ফজিলত ময় যাতে শবে কদর আছে, লাইলাতুল কদরে জিবরাইল আমিন নাজিল হবে, ফেরেশতারা নাজিল হবে, এত বেশী ফেরেশতা জমিনে নাজিল হয় যে পা রাখার জায়গাও বাকী থাকে না, রহমতের ফেরেশতা নাজিল হবে আর দুনিয়ার জমিনে মহামারী থাকবে তা কিভাবে সম্ভব? সে জন্য আল্লাহ তায়ালা রমজানের শেষ দশকের আগে আগে এই মহামারীকে দুর করে দিবেন। ফেরেশতারা যখন নাজিল হবেন তখণ জমিন কোন মহামারীর নিশানাও বাকি থাকবে না।

এই আলোচনায় আমি আশাবাদী যে আল্লাহ তায়ালা শবে কদরের আগে আগেই মহামারীর এই আযাব আমাদের থেকে তুলে নিবেন।

২টি মন্তব্য:

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.