মহানবীর ( সাঃ) ইন্তেকালের ঘটনা। গোসলের পানির ঘটনা। বড়পীরের (রহঃ) জ্ঞানের...
মহানবীর ( সাঃ) ইন্তেকালের ঘটনা। গোসলের পানির ঘটনা। বড়পীরের ( রহ) জ্ঞানের পরিধি। Jaalhaq
বড়পীরের জ্ঞান কেমন ছিল?
একদিন তিনি ২০ হাজার আলেম সহ হজ্ব পালন করতে গেলেন, মক্কার যিনি গ্রান্ড মুফতি তিনি বড়পীরের ঠাট বাট দেখে প্রশ্ন করলেন আপনি কি আলেম? বড়পীর বললেন হ্যাঁ আমি আলেম, তখন মুফতি সাহেব বললেন চলুন আমরা একজাগায় বসে কিছু জ্ঞানের কথা বলি, তখন বড়পীর বললেন ঠিক আছে তবে কথা বলার আগে আপনাকে একটা প্রশ্ন করি মুফতি বললেন ঠিক আছে করুন, বড়পীর বললেন আমাদের নবীজি জীবনে যে সব গোসল করেছেন তার গোসলের পানির মধ্যে নিঃসন্দেহে ইন্তেকালের পর হযরত আলী যে গোসল দিয়েছেন সে পানি খুবই দামী, মুফতি সাহেব বললেন হ্যাঁ অবশ্যই দামী, এবার বড়পীর প্রশ্নকরলেন আচ্ছা যদি তাই হয় তাহলে নবীজির ইন্তেকালের পরের সে গোসলের পানি কোথায় গেল?
প্রশ্ন শুনে মক্কার মুফতি বড়ই হযরান, তিনি ১ দিনের সময় চাইলেন তিনি সরারাত সে প্রশ্নের উত্তর তালাশ করতে করতে শেষ রাতে ঘুমিয়ে গিলে নবীজি ও এক লোক সাথে স্বপ্নে দেখলেন সে নবীজিকে বলল এয়া রাসুলাল্লাহ আমাকে এক লোক প্রশ্ন করেছেন আপনার ইন্তেকালের পর গোসলের পানি গুলি কোথায় গেল? তখন হুযুর বললেন এই প্রশ্নে জবাব আমার পাশে যে দাঁড়িয়ে আছে তাকে কর, মুফতি দেখলেন নবীর পাশে একজন দাঁড়িয়ে আছে কিন্তু তার চেহেরা ঠিক স্পষ্ট দেখা যাচ্ছেনা, তাকে প্রশ্ন করলে সে জবাব দিল নবীর গোসলের সে পানিকে আল্লাহর হকুমে বাতাসে বাস্পিভুত করে মেঘ খন্ডে রুপান্তরিত করা হল েএবং সে পানিকে বৃষ্টি করে যেখানে যেখানে কেয়ামত পযন্ত মসজিদ হবে সেখান সেখানে বষনের হকুম দেয়া হল।
পরের দিন মুফতি বড়পীরের সাথে বসলেন কিন্তু বড়পীর আগের প্রশ্ন যখন করছেন না তখন সে মুফতি নিজেই আগের প্রশ্নের জবাব দিতে চাইলেন কিন্তু বড়পীর সব ঘটনা এবং স্বপ্নের কথা হুবহু বলে দিলেন। এবং এও বললেন যে লোকটি তোমাকে উত্তর বলেছে সে কে জান? মুফতি অবাক হয়ে প্রশ্ন করল কে? হুযুর বড়পীর বললেন সেই হলাম আমি যে গতরাতে হুজুর (দ) এর সাতে তোমার ঘরে গিয়েছিলাম এবং তোমার প্রশ্নের জবাব দিয়েছিলাম।
এখানে উল্ল্যেখ্য যে হযরত আল ি(রা) যখন দেখলেন হুজুরের শরীর থেকে সকল পানি বাস্পিভুত হয়ে গেল শুধু চোখের পালকে ২ কাতরা পানি তখন হযরত আলী (রা) সে দুই কাতরা পানি পান করে নিলেন, সে জন্য আলী বলতেন তোমাদের কার কি প্রশ্ন আছে আমাকে প্রশ্ন কর আমি সে প্রশ্নের জবাব দিব। হযরত আলী (রা) মানুষের বংশ পরিচয় নয় শুধু ঘোড়ার বংশ পযন্ত বলে দিতে পারতেন। সেটা প্রিয় নবীর চোখের ভ্রু মোবারকের সে পানির বরকত। সুবহানাল্লাহ।
সে আলী যখন নামাজ পড়তেন তখন এতই বিভোর থাকতেন যে দুনিয়ার খবর থাকতনা।
Youtube link
https://www.youtube.com/c/jaalhaq
Blog
https://myjaalhaq.blogspot.com/
Facebook Link
https://www.facebook.com/Jaalhaqbd
Instagram Link
www.instagram.com/jaalhaq.bd/
#Banglawaz
#Banglaislamicvideo
#বড়পীর
#মহানবী
#Jaalhaq

কোন মন্তব্য নেই