৫ প্রকার নামাজির ৫ রকম পুরস্কার। বড়পীরের (রহ) নামাজ। Namaz Shikka Jaalhaq


নামাজির নামাজ ৫ প্রকারের- এই ৫ প্রকারের নামাজের ৫ প্রকার প্রতিদান ১। নামাজ কখনো পড়ে কখনো পড়েনা- প্রতিদান জাহান্নাম ২। নামাজ ৫ওয়াক্ত পড়ে কিন্তু মন শয়তান নিয়ে যায় শয়তানের সাথে কাড়াকাড়ি করে না, - প্রতিদান দুর্ভোগ (ফাওয়াইলুলিল মুসাল্লিন) ৩। নামাজ ৫ওয়াক্ত পড়ে এবং শয়তানের সাথে মন নিয়ে কাড়াকাড়ি করে, তার প্রতিদান জান্নাত মনযোগ ধরে রাখার জন্য প্রথমত আউজুবিল্লাহ পড়তে হবে আর নামাজ পড়ার সময় নবীর ফমুলা যা হাদীসে জিবরাইলে হযরত জিবরাইলের হাদীসে আল্লাহর হাবিব বলেছেন- قَالَ فَأَخْبِرْنِي عَنِ الإِحْسَانِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَنْ تَعْبُدَ اللَّهَ كَأَنَّكَ تَرَاهُ فَإِنْ لَمْ تَكُنْ تَرَاهُ فَإِنَّهُ يَرَاكَ ‏"‏ তারপর বললেন, আমাকে ইহসান সম্পর্কে অবহিত করুন। রাসুলসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ইহসান হলো, এমনভাবে ইবাদত-বন্দেগী করবে যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ, যদি তুমি তাকে নাও দেখ, তাহলে ভাববে তিনি তোমাকে দেখছেন। ৪। বার বার কাড়াকাড়ির ফলে শয়তান তাকে আর নামাজে ওয়াসওয়াসা দিতে আসেনা, সে তখন (ইন্নাস সালাতা তানহা আনিল ফাহসাঈ ওয়াল মুনকার) এর পুরস্কার প্রাপ্ত হয়। আর এমন নামাজি হয়ে গেলে আপনি আপনার পরিবার, আপনার সন্তান আপনার সমাজ আপনার জাতি সকালেই ক্রাইমমুক্ত, অপরাধ মুক্ত, কলুষমুক্ত, গুনাহ মুক্ত হয়ে যাবে। নারীরা যদি ৪ প্রকারের নামাজি হয়ে যায় বেগুনাহ হয়ে যায় তাহলে তাদের পেট থেকে যুগের গউছুল আজম জন্ম গ্রহণ করবে। বড়পীরের আব্বা জান আবু সালেহ মুসা জঙ্গী (রহ) অনুমতি ছাড়া একটা ছেব খেয়ে ১২ বছর ছেব মালিকের গোলামি করেছেন, কেন? কারন তিনি ৪ নাম্বারের নামাজি ছিলেন সে নামাজ উনাকে এই গুনাহ থেকে ক্ষমা পাওয়ার জন্য তা করতে মজবুর করেছেন। আর যে পেটে বড় পীর জন্ম গ্রহণ করেছেন তিনি ছিলেন সে নারী যার জীবনে গুনাহের দাগ লাগেনি, যার চোখ বেগানা পুরুষ দেখেনি, যার অন্তর ছিল আল্লাহর ভয়ে ভীত, যার গলার আওয়াজ বেগানা পুরুষ শুনেনি, এমননি তিনিও জীবনে পরপুরুষকে দেখেননি। এ সবই হল নামাজের বদৌলত, এমন নামাজ যে নামাজ মানুষকে গুনাহ মুক্ত করে দেয়, সদা এই শিক্ষা দেয়- ‏"‏ أَنْ تَعْبُدَ اللَّهَ كَأَنَّكَ تَرَاهُ فَإِنْ لَمْ تَكُنْ تَرَاهُ فَإِنَّهُ يَرَاكَ ‏"‏ আল্লাহ আমাকে দেখছে, আল্লাহ আমাকে দেখছে। যেমন খলিফা ওমরের জামানায় এক মেয়েকে মা বলছিল দুধে পানি মিশাতে তখন মেয়ে বলছিল দুধে পানি মিশানো ওমরের নিষেধ, মা বলছিল ওমরতো দেখছেনা, তখন মেয়ে জবাব দিয়েছিল ওমর দেখছেনা তবে আল্লাহতো দেখতেছেন, সে মহিলাকে হযরত ওমর নিজের পুত্র বধু বানিয়েছিন আর তার বংশেই পরবর্তীতে হযরত ওমর বিন আবদুল আজিজ জন্ম গ্রহণ করেন যিনি সে নেককার মহিলার নাতি হন। ৫। আম্বিয়াগনের নামাজ। হাদীসে বর্ণিত আছে, عن أنس رض قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الانباء احياء في قبورهم হযরত আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণীত হুজুর (ﷺ) ইরশাদ করেন নবীগণ নিজ নিজ কবরে জীবিত। মুসনাদে আবু ইয়ালা খন্ড:৩ পৃষ্ঠা ৩৭৯ হাদীস নং ৩৪১২। হাইছামী মাজমাউয যাওয়ায়েদ খন্ড ৮ পৃষ্ঠা ২১১।

কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.