সকালে ঘুমালে ৭টি আযাব আসে


ফজরের সময়  যারা ঘুমায় তাদের জীবনে ৭টি আযাব আসে

 

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

সম্মানিত দর্শক শ্রোতা মন্ডলী আজ হাদীস শরীফের আলোকে ৭টি ভয়ানক আযাবের কথা বয়ান করব যারা ফজরের নামাজ না পড়ে ঘুমিয়ে থাকে তাদের জন্য এই দুঃসংবাদ, আশা করি ৩/৪ মিনিটের এই আলোচনাটি আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিবে, কারন ফজরের নামাজের মধ্যেই রয়েছে সব ধরনের রহমত, বরকত ও জীবনের সবক্ষেত্রে সফলতা সুসংবাদ এবং সকল কাজে বিশ্বনবীর (দ) বরকতময় দোয়া, তাই এই ভিডিওটিই হতে পারে আপনার জন্য শ্রেষ্ঠ উপহার।

 

১। হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ পড়বে, সে সারাদিন আল্লাহর জিম্মায় থাকবে। [সহিহ মুসলিম] পক্ষান্তরে যে ফজরে ঘুমে থাকবে সে আল্লাহর হেফাজতে থাকবে না তা স্পষ্ট। তাই বান্দার জন্য এটা অনেক বড় একটি মসিবত

 

২। ফজরের নামাজ কিয়ামতের দিন নুর হয়ে দেখা দিবে। হাদিসে এসেছে, ‘যারা রাতের আঁধারে মসজিদের দিকে হেঁটে যায়, তাদের কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণনূরপ্রাপ্তির সুসংবাদ দাও।’ [সুনানু আবি দাউদ] এখন কেহ যদি ফজর না পড়ে ফজরে ঘুমে থাকে তাহলে কেয়ামতের কঠিন অন্ধকারে সে অন্ধকারেই ডুবে থাকবে।

 

৩। ফজরের নামাজ যারা পড়ে তাদের  রিযিকে বরকত আসবে। পক্ষান্তরেসকাল বেলার ঘুম ঘরে রিজিক আসতে বাধা দেয়। কেননা তখন রিজিক বণ্টন করা হয়।

 

৪।  ফজরের নামাজ পড়লে, দুনিয়া আখেরাতের সেরা বস্তু অর্জিত হয়ে যাবে। হাদিসে এসেছে, ‘ফজরের দুই রাকাত নামাজ দুনিয়া তার মধ্যে যা কিছু আছে, সব কিছুর চেয়ে শ্রেষ্ঠ। [সুনানুত তিরিমিযি] যারা ঘুমে থাকবে তারা এমন সেরা বস্তু থেকে বঞ্চিত হয়ে গেল।

 

৫।  সরাসরি আল্লাহর দরবারে আপনার নাম আলোচিত হবে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কাছে পালাক্রমে দিনে রাতে ফিরিশতারা আসে। তারা আসর ফজরের সময় একত্রিত হয়। যারা রাতের কর্তব্যে ছিল তারা ওপরে উঠে যায়। আল্লাহ তো সব জানেন, তবুও ফিরিশতাদের প্রশ্ন করেন, ‘আমার বান্দাদের কেমন রেখে এলে?’ তারা জবাব দেন, ‘আমরা তাদের নামাজরত রেখে এসেছি। যখন গিয়েছিলাম, তখনও তারা নামাজরত ছিল।’ [সহিহ বুখারি] সুতরাং যারা ফজরে ঘুমে থাকে তারা আল্লাহর দরবারে আলোচিত হওয়ার সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হল

 

৬।  ফজরের নামাজ দিয়ে দিনটা শুরু করলে, পুরো দিনের কার্যক্রমের একটা বরকতময় সূচনা হবে। কেননা রাসুল (সা.) দুয়া করেছেন, ‘হে আল্লাহ! আমার উম্মতের জন্যে, তার সকাল বেলায় বরকত দান করুন। [সুনানুত তিরমিযি]

এখন নামাজ না পড়ে যদি ফজর ঘুমিয়ে কাটান তাহলে আপনার দিনের সকল কাজেই মহানবীর (দ) দোয়া থেকে বঞ্চিত থাকলেন।

 

৭। ফজরের নামাজে দাঁড়ানো, সারা রাত দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ার সমান হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি জামাতের সাথে ইশার নামায আদায় করলো, সে যেন অর্ধেক রাত জেগে নামাজ পড়লো আর যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়লো, সে যেন পুরো রাত জেগে নামাজ পড়লো [সহিহ মুসলিম] এখন কেহ যদি ফজরের নামাজ না পড়ে ঘুমিয়ে কাটায় তাহলে সে সারারাত এবাদতের সাওয়াব থেকে বঞ্চিত হল।

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ফজরের নামাজ মসজিদে গিয়ে জামায়াতের সাথে পড়ার তৌফিক দান করুন। আমিন।

 


কোন মন্তব্য নেই

borchee থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.